সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

বন্ধ হওয়ার উপক্রম চিফ হিট অফিসারের কাজ

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে (ডিএনসিসি) চিফ হিট অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন সদ্য বিদায়ী মেয়র মো. আতিকুল ইসলামের মেয়ে বুশরা আফরিন। গত বছরের মে মাসে মেয়রকন্যাকে হিট অফিসার নিয়োগের খবর জানাজানি হলে এ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা হয়। ডিএনসিসি কর্তৃপক্ষ বলছে, বুশরা আফরিনকে নিয়োগ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক অ্যাড্রিয়েন আরশট-রকফেলার ফাউন্ডেশন রেসিলিয়েন্স সেন্টার (আরশট-রক) এবং তিনি ফাউন্ডেশনের হয়েই কাজ করছেন। […]

নিউজ ডেস্ক

০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ২৩:২০

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে (ডিএনসিসি) চিফ হিট অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন সদ্য বিদায়ী মেয়র মো. আতিকুল ইসলামের মেয়ে বুশরা আফরিন। গত বছরের মে মাসে মেয়রকন্যাকে হিট অফিসার নিয়োগের খবর জানাজানি হলে এ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা হয়।

ডিএনসিসি কর্তৃপক্ষ বলছে, বুশরা আফরিনকে নিয়োগ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক অ্যাড্রিয়েন আরশট-রকফেলার ফাউন্ডেশন রেসিলিয়েন্স সেন্টার (আরশট-রক) এবং তিনি ফাউন্ডেশনের হয়েই কাজ করছেন। গত ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর প্রকাশ্যে দেখা যায়নি মেয়রকন্যা বুশরাকে। চিফ হিট অফিসার হিসেবে তার কর্মকাণ্ডও থমকে গেছে। যোগাযোগ করা হলে বুশরা আফরিনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তিনি দেশেই রয়েছেন। শিগগিরই নিজের কাজ শুরু করতে চান।

সাবেক মেয়র আতিকুল ইসলামের অভিপ্রায় অনুযায়ী নিয়োগ পাওয়া সবার চাকরি বাতিল করেছে ডিএনসিসি। সংস্থাটির সচিব মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক অফিস আদেশে উল্লেখ করেন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়রের অভিপ্রায় অনুযায়ী, স্থানীয় সরকার সিটি করপোরেশন আইন, ২০০৯ মোতাবেক নিয়োগকৃত সব উপদেষ্টা, পরামর্শক এবং কুক ও পিয়নের নিয়োগ ১৯ আগস্ট থেকে বাতিল করা হলো।

ডিএনসিসি সূত্র জানিয়েছে, চিফ হিট অফিসার বুশরা আফরিনের নিয়োগ বহাল রয়েছে। কারণ তিনি সিটি করপোরেশন থেকে নিয়োগ পাননি। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আরশট-রকের সঙ্গে ঢাকার তাপমাত্রা কমানোর চেষ্টায় যৌথভাবে কাজ করতে সমঝোতা রয়েছে ডিএনসিসির। সেখানেই চিফ হিট অফিসার হিসেবে কাজ করেছেন মেয়রকন্যা বুশরা আফরিন। আরশট-রকের পক্ষ থেকেও ঢাকায় কোনো অফিস নেই বুশরার।

২০২৩ সালের ৩ মে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আরশট-রকের সহযোগিতায় ঢাবির ডিজাস্টার সায়েন্স অ্যান্ড ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স বিভাগ ও ডিএনসিসি যৌথভাবে কার্যক্রম পরিচালনার সমঝোতা স্মারক অনুষ্ঠানে আতিকুল ইসলাম নিজেই মেয়ের এই পদে কাজ করার বিষয়টি জানান। বিশ্বের দ্রুত বর্ধনশীল শহরগুলোর মধ্যে তাপপ্রবাহ নিয়ে কাজ করার জন্য আরশট-রকের গ্লোবাল চ্যাম্পিয়নদের সঙ্গে সিএইচও হিসেবে বুশরা আফরিন ঢাকা উত্তর সিটিকে নিরাপদ করার জন্য নেতৃত্বে দিচ্ছেন। তাপমাত্রা কমাতে কর্মসূচি বাস্তবায়ন ছাড়াও ঢাকা উত্তরের জনগণের মধ্যে তাপ সচেতনতা বৃদ্ধি, সুরক্ষা প্রচেষ্টা ত্বরান্বিতকরণে কাজ করার কথা তার।

ওইসময় নিয়োগের খবর জানাজানি হলে ডিএনসিসির তৎকালীন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম রেজা বলেন, বুশরাকে নিয়োগ দিয়েছে আরশট-রকফেলার ফাউন্ডেশন। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন তাকে নিয়োগ দেয়নি। সিটি করপোরেশন থেকে তাকে কোনো সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার বিষয় নেই। তিনি এখানে বসবেনও না, এখান থেকে বেতন বা গাড়ি নেবেন না। আরশট-রকফেলার ফাউন্ডেশনের সঙ্গে ডিএনসিসির চুক্তি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা বিশ্বব্যাংক, ইউএনডিপি, ইউনিসেফসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যেমন কাজ করি, তেমনি আরশট-রকফেলারের সঙ্গে ঢাকার তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের ইস্যুতে কাজ করার একটি চুক্তি হয়েছে।

চিফ হিট অফিসার নিয়োগের বিষয়ে আরশট-রকফেলার ফাউন্ডেশনের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, কোনো দেশের সরকার তাপ নিয়ন্ত্রণের কাজকে অগ্রাধিকার দিলে স্থানীয় কর্মকর্তারা চিফ হিট অফিসার নিয়োগ দেবেন। কোনো নগরের তাপপ্রবাহের প্রভাব মোকাবিলায় মেয়র বা নেতৃত্বস্থানীয় অন্যরা চিফ হিট অফিসার পদ তৈরি করে এ পদে নিয়োগ দিতে পারেন।

এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে ডিএনসিসির তৎকালীন সিইও সেলিম রেজা রেজা বলেন, স্থানীয় কর্মকর্তা বলতে আরশট-রকফেলার ফাউন্ডেশনের স্থানীয় কর্মকর্তাদের বোঝানো হয়েছে। সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা না। আমি তো সিইও। আমরা নিয়োগ দেইনি। আমাদের অর্গানোগ্রামেই এমন কোনো পদ নেই। আমরা কীভাবে নিয়োগ দেব? কানাডায় গ্লোবাল ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজে লেখাপড়া করা বুশরা বাংলাদেশে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা শক্তি ফাউন্ডেশনে একজন নির্বাহী হিসেবে কাজ করছেন। গত বছরের ৮ মে তার বাবা আতিকুল ইসলাম বলেন, এটা আমাদের বাংলাদেশের জন্য গর্ব যে আমাদের একজনকে এশিয়ার মধ্যে চিফ হিট অফিসার হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। তার সঙ্গে আমাদের সিটি করপোরেশনের কোনও সম্পর্ক নেই ডিএনসিসিতে এরকম চিফ হিট অফিসারের কোনও পোস্ট নেই। তার বেতন-ভাতা সিটি করপোরেশন দেবে না। তার জন্য সিটি করপোরেশনে অফিসও নেই।

ডিএনসিসি সূত্র জানিয়েছে, সবশেষ একটি জরিপের কাজ করছিলেন বুশরা আফরিন। কাজটি শেষ পর্যায়ে থাকলেও শেষ হয়নি। এ কাজে প্রায়ই তিনি উত্তর সিটির নগর ভবনে আসতেন। সেখানে জরিপকাজে অংশগ্রহণকারীদের প্রশিক্ষণে যুক্ত থাকতেন। এছাড়া উত্তর সিটিতে পরিবেশ, জলবায়ু ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সার্কেল এবং স্বাস্থ্য বিভাগের নানা কর্মকান্ডে অংশ নিতেন বুশরা।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে বুশরা আফরিনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, যে জরিপকাজ চলছি তা আগস্টে শেষ হওয়া কথা ছিল। তবে দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের কারণে নিরাপত্তা ঝুঁকিতে জরিপকাজ বন্ধ রয়েছে। শিগগিরই কাজটি শুরু করতে চেষ্টা চলছে।

প্রসঙ্গত, ক্ষমতার পালাবদলে ১৯ আগস্ট দেশের ১২টি সিটি করপোরেশনের মেয়রকে পদ থেকে অপসারণ করে অন্তর্বর্তী সরকার।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।

জাতীয়

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস। বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার […]

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ আগস্ট ২০২৬, ২২:২৬

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার ভোর চারটা ৫৬ মিনিটে গুলশান ডিপ্লোমাটিক এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে বারিধারা ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়।

ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট সেখানে গিয়ে দেখতে পায়, রুমে তেমন আগুন নেই তবে ধোয়া ছিল। পরে বালতি ও মগে করে পানি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়।

তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিস পূর্ণাঙ্গ চেক করে মেশিন দ্বারা ধোঁয়া বের করে ফেলে। প্রাথমিকভাবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানা যায় বাসায় টিভিতে বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে আগুনের সৃষ্টি হয়।

জানা যায়, আগুন নিয়ন্ত্রণের সময় এবং পর পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী মোটামুটি সুস্থ ছিলেন। তবে প্রচণ্ড ধোয়া সৃষ্টি হওয়ার কারণে তারা অসুস্থ হয়ে পড়লে সকাল ৯টার দিকে তাদের গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সন্ধ্যার পর কন্টিনেন্টাল হাসপাতালের অ্যাডমিশন বিভাগে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, আজ সকালে পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী হাসপাতালটিতে ভর্তি হয়েছেন। হাইকমিশনের স্ত্রী বর্তমানে ক্যাবিনে এবং হাইকমিশনার নিজে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।