বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

স্ত্রীর স্বীকৃতি চাওয়াতে শশুর কতৃক মারধরের শিকার

সাইফুল ইসলাম সাগর, কলাপাড়া উপজেলা  (পটুয়াখালী) প্রতিনিধিঃপটুয়াখালীর আলীপুরে বিয়ের চার মাসের মাথায় স্ত্রীর স্বীকৃতি চাইতে গেলে সড়কে ফেলে পুত্রবধূকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে শশুর আহসান হাবিবের বিরুদ্ধে। শ্বশুর আহসান হাবিবসহ একটি দল এ সময় পুত্রবধূর মাফিয়া এবং সাথে থাকা তার বড় ভাই ফরিদ ইসলাম কে হাতুড়ি দিয়ে চোখের নিচে মারাত্মক জখম করেন তারা। এছাড়াও আরেক ভাই […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ২১:৫১

সাইফুল ইসলাম সাগর, কলাপাড়া উপজেলা  (পটুয়াখালী) প্রতিনিধিঃপটুয়াখালীর আলীপুরে বিয়ের চার মাসের মাথায় স্ত্রীর স্বীকৃতি চাইতে গেলে সড়কে ফেলে পুত্রবধূকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে শশুর আহসান হাবিবের বিরুদ্ধে।

শ্বশুর আহসান হাবিবসহ একটি দল এ সময় পুত্রবধূর মাফিয়া এবং সাথে থাকা তার বড় ভাই ফরিদ ইসলাম কে হাতুড়ি দিয়ে চোখের নিচে মারাত্মক জখম করেন তারা। এছাড়াও আরেক ভাই রিয়াজ উদ্দিনকেও মারধর করাগতকাল বৃহস্পতিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে আটটার দিকে আলীপুর থ্রি পয়েন্ট এলাকায় মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় ওইদিন রাতেই মাফিয়া আক্তার বাদী হয়ে মহিপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়লিখিত অভিযোগ ও স্বজন সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ ৪ বছর আগে লতাচাপলীর আলীপুরের বাসিন্দা আহসান হাবিবের কলেজ পড়ুয়া ছেলে ওমর ফারুক নাবিল নামের এক যুবকের সাথে  দোভাষীপাড়া গ্রামের মৃত আনোয়ার হোসেনের মাদ্রাসা পড়ুয়া মেয়ে মাফিয়া আক্তারের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

সম্পর্ক গভীর হলে গত বছর অক্টোবর মাসের ৩১ তারিখ তারা এভিডেফিড’র মাধ্যমে বিবাহ বন্ধনে আববিয়ের পরে ঢাকাতে  একটি বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস শুরু করেন তারাবিবাহের খবর পেলে ছেলে পক্ষের পরিবার সম্প্রতি নাবিলকে ঢাকা থেকে নিজ এলাকা আলীপুরে নিয়ে আসেন।

এরপর থেকে ওই নারীর সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। স্বামীর সাথে যোগাযোগ করতে না পেরে মাফিয়া আক্তার নিজ এলাকায় চলে আসেন। বিভিন্ন মাধ্যমে স্বামীর সাথে যোগাযোগের ব্যর্থ চেষ্টা করেনগতকাল বৃহস্পতিবার স্বামী তার অগোচরে অন্যত্র বিয়ে করেন এবং সংবাদ পেয়ে তার বড় ভাইকে নিয়ে স্বামীর বাড়িতে যাওয়ার পথে আলীপুর থ্রি পয়েন্ট এলাকায় পৌঁছালে তার স্বামীর সাথে দেখা হয়। বিয়ের বিষয়টি তিনি জানতে চাইলে তা অস্বীকার করেন

এবং বিষয়টি তার বাবাকে জানালে কয়েক মিনিটের মধ্যে তার নেতৃত্বে স্থানীয় যুবদল নেতা শহিদুল ইসলাম, সোহেল সহ অজ্ঞাত আরও কয়েকজন লোক তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। পরবর্তীতে খুন জখমের ভয় দেখালে তারা ঘটনাসপ্রত্যক্ষদর্শী ইউপি সদস্য মিজান মুসুল্লি বলেন, আমি কুয়াকাটা থেকে আলীপুর থ্রি পয়েন্ট এলাকায় পৌঁছে দেখি স্থানীয় আহসান হাবিব, শহিদুল হাওলাদার, ও সোহেল, ফরিদ নামের এ ব্যক্তিকে ধাওয়া করেন। পরে জানতে পারলাম বিবাহ সংক্রান্ত বিএ বিষয়ে মেয়ের বড় ভাই ফরিদ বলেন, আমার বোন মাফিয়া এবং ওমর ফারুক নাবিলের ৪ মাস আগে ঢাকাতে বিয়ে হয়।

বিয়ের পর নাবিল আমার বোনের সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। আজ আমার বোন জানতে পারে নাবিল অন্য জায়গায় বিয়ে করে। খবর পেয়ে আমাকে এবং আমার ছোট ভাইকে নিয়ে তার বাড়িতে যাওয়ার সময় পথিমধ্যে আমাদের দেখেই কোনো কথা না শুনে মারধর শুরু করেন, ছেলের বাবা ও তাদের কয়েকজন আত্মীয়। হাতুড়ি দিয়ে আমার মাথায় এবং চোখের নিচে আঘাত করে।

এ বিষয়ে জানতে ছেলের বাবা আহসান হাবিবের মুঠোফোন কল দিলে তিনি ব্যস্ত আছেন বলে ফোনের সংযোগটি বিছিন্ন করে দেন। পরবর্তীতে একাধিকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত ওমর ফারুক নাবিকে মুঠোফোন একাধিক বার কল দিলেও তিনি কলটি রিসিভ করেননি।

মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম বলেন, এ সংক্রান্ত বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি, পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

সারাদেশ

৮ কেজি গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা গ্রেফতার

দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়। র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:২২

দুমকি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়।

র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে যে সাকুরা পরিবহনের একটি দূরপাল্লার বাসে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর দিকে আনা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট অফিসার ডিএডি ওয়াজ উদ্দীনের নেতৃত্বে র‍্যাব সদস্যরা দুমকি থানাধীন লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় অবস্থান নেন।

পরে সন্দেহভাজন বাসটি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যরা সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বাসের এক যাত্রী, দুমকি উপজেলা শাখা ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মো. সুমন হাওলাদার (৩৩)-কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তার এক সহযোগীর তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা মোড় এলাকা থেকে মাদক চক্রের আরেক সদস্য মো. জামাল মৃধা (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। জামাল ওই এলাকার আনোয়ার মৃধার ছেলে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২ (জিআর নং-৩৮, তারিখ: ০৫ জুন ২০২৬)। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।