বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

বিনোদন

হায়রে অরুণা বিশ্বাস, শাস্তি কাদের ভাগ্যে জোটে এখন দেখার পালা: এলিনা

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় বিনোদন জগতের শিল্পীরা দুভাগে বিভক্ত ছিলেন। এ সময় শিক্ষার্থীদের ওপর আওয়ামী লীগ এবং দলটির সহযোগী অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের দফায় দফায় হামলার ঘটনা ঘটে। আবার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ গুলিও চালিয়েছে শিক্ষার্থীদের ওপর। এতে বহু শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়। এ অবস্থায় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে বিনোদন জগতের তারকাদের একটি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ১৮:৪৬

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় বিনোদন জগতের শিল্পীরা দুভাগে বিভক্ত ছিলেন। এ সময় শিক্ষার্থীদের ওপর আওয়ামী লীগ এবং দলটির সহযোগী অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের দফায় দফায় হামলার ঘটনা ঘটে। আবার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ গুলিও চালিয়েছে শিক্ষার্থীদের ওপর। এতে বহু শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়। এ অবস্থায় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে বিনোদন জগতের তারকাদের একটি অংশ প্রতিবাদ জানানোর পাশাপাশি রাজপথে নেমেও আন্দোলন করেছেন।

আবার বিপক্ষ তারকাদের একটি অংশ হোয়াটসঅ্যাপের ‘আলো আসবেই’ নামে একটি গ্রুপ খুলে আন্দোলনের বিরোধিতা করেছেন এবং গরম পানি ঢালার কথাও বলেছেন।

সম্প্রতি সেই গ্রুপের ১৪৬টি স্ক্রিনশট ভাইরাল হয়েছে, যা নিয়ে নেটিজেনদের ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে।

সেই গ্রুপের একটি স্ক্রিনশটে দেখা যায়, ছাত্র আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে আসা অভিনেত্রী এলিনা শাম্মীর একটি পোস্ট তুলে ধরেছেন অভিনেত্রী অরুণা বিশ্বাস। যাতে এলিনার ভাষ্য ছিল, অর্থের বিনিময়ে বাবা-মাকে সন্তান হারানোর শোক ভোলানো যায়? তবে এতকিছু পেয়েও আজ আপনি কাঁদেন কেন?

এলিনা পোস্টটি করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে। কারণ, স্বজন হারানোর বেদনার কথা তুলে ধরে বেশ কয়েকবার জাতির সামনে কান্নার ভঙ্গি করেছেন তিনি। আর সেটিই হয়ত পরোক্ষভাবে বোঝাতে চেয়েছিলেন এলিনা।

এলিনার সেই পোস্টটি শেয়ার করা হয় ‘আলো আসবেই’ নামে সেই গ্রুপে। সেটি শেয়ার করেন অরুণা বিশ্বাস। আর এলিনার সেই পোস্টটি দেখেই রাগ ও ক্ষোভে ফেটে পড়তে দেখা যায় সেই গ্রুপের সদস্যদের। সেই ফাঁস হওয়া কথোপকথের ওই অংশ নজরে আসে এলিনা শাম্মীর।

সে প্রসঙ্গে এক ফেসবুক পোস্টে এলিনা লিখেছেন, ‘যদি ৫ আগস্ট না আসতো, যদি দেশ স্বাধীন না হতো, আজ আমার অথবা আমাদের কী পরিণতি হতো জানি না। হায়রে অরুণা বিশ্বাস, আপনি আমার পছন্দের শিল্পী ছিলেন; আমিও আপনার স্নেহভাজন ছিলাম। কল দিলে কত মনের কথা বলতেন আমিও সমানভাবে মন খুলে গল্প করতাম। অথচ ছাত্র আন্দোলনের সময় দেওয়া স্ট্যাটাসের স্ক্রিনশট নিয়ে আপনাদের গ্রুপের মধ্যে দিয়ে দিলেন। কী চাচ্ছিলেন? আমাকে ধরে নিয়ে আয়নাঘরে রাখুক, নাকি সরাসরি গুলি করে দিক?’

এলিনা আরও লেখেন, ‘অন্যের জন্য কুয়া খুড়লে সেখানে নিজেকেই পড়তে হয়। এত নিষ্ঠুর কেন আপনি/আপনারা? শুধু ছাত্রদের পক্ষেই তো থাকতে চেয়েছি, তাদের গুলি করে পাখির মতো মেরে ফেলছিল আপনাদের ফ্যাসিস্ট সরকার, সেই প্রতিবাদই তো করেছি, তাই স্বৈরাচারের দোসরেরা মিলে স্ক্রিনশট জোগাড় করে জমা করছিলেন শাস্তি দেবেন বলে? শাস্তি কাদের ভাগ্যে জোটে সেটাই এখন দেখার পালা।’

উল্লেখ্য, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিরুদ্ধে লড়াই চালানোর লক্ষ্যে তৎকালীন তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ এ আরাফাত ও সংসদ সদস্য ফেরদৌসের নেতৃত্বে ‘আলো আসবেই’ নামের ওই হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ খোলা হয়। ওই গ্রুপে আওয়ামীপন্থি শিল্পী ও সাংবাদিকেরা যুক্ত ছিলেন।

সেই তালিকায় ছিলেন অরুণা বিশ্বাস, সুবর্ণা মুস্তাফা, ফেরদৌস, সোহানা সাবা, জ্যোতিকা জ্যোতি, রিয়াজ আহমেদ, আজিজুল হাকিম, স্বাগতা, বদরুল আনাম সৌদ, শমী কায়সার, তানভীন সুইটি, আশনা হাবীব ভাবনা, শামীমা তুষ্টি, জামশেদ শামীম, ঊর্মিলা শ্রাবন্তী কর, সাজু খাদেম, হৃদি হক, ফজলুর রহমান বাবু, দীপান্বিতা মার্টিন, সাইমন সাদিক, জায়েদ খান, লিয়াকত আলী লাকী, নূনা আফরোজ, রোকেয়া প্রাচী, রওনক হাসান, আহসানুল হক মিনু, গুলজার, এসএ হক অলীক প্রমুখ।

বিনোদন

‘মাস্টার সাহেব, আপনি আমার জন্য দুফোঁটা চোখের জল ফেলেছেন, তার প্রতিদানে আমি জনম জনম কাঁদিব!’: দীপ্তি চৌধুরী

নতুন জীবনের সূচনাতেই স্বামীকে উদ্দেশ করে আবেগময় একটি বার্তা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছেন জনপ্রিয় উপস্থাপক দীপ্তি চৌধুরী। বিয়ের কয়েকটি ছবি প্রকাশ করে তিনি লিখেছেন, “মাস্টার সাহেব, আপনি আমার জন্য দুফোঁটা চোখের জল ফেলেছেন, তার প্রতিদানে আমি জনম জনম কাঁদিব!” দীপ্তির এই বাক্যটি কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের একটি বিখ্যাত সংলাপ থেকে অনুপ্রাণিত। মূল সংলাপে ‘ডাক্তার […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:০৫

নতুন জীবনের সূচনাতেই স্বামীকে উদ্দেশ করে আবেগময় একটি বার্তা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছেন জনপ্রিয় উপস্থাপক দীপ্তি চৌধুরী। বিয়ের কয়েকটি ছবি প্রকাশ করে তিনি লিখেছেন, “মাস্টার সাহেব, আপনি আমার জন্য দুফোঁটা চোখের জল ফেলেছেন, তার প্রতিদানে আমি জনম জনম কাঁদিব!”

দীপ্তির এই বাক্যটি কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের একটি বিখ্যাত সংলাপ থেকে অনুপ্রাণিত। মূল সংলাপে ‘ডাক্তার সাহেব’ শব্দটি থাকলেও নিজের বাস্তব জীবনের অনুভূতির সঙ্গে মিল রেখে তিনি ব্যবহার করেছেন ‘মাস্টার সাহেব’ সম্বোধন।

শুক্রবার রাজধানীর বাংলামোটরের একটি রেস্তোরাঁয় পারিবারিক আয়োজনে দীপ্তি চৌধুরীর আক্দ সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে দুই পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠজনরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁর স্বামী মুশতাক ইবনে আইয়ুব পেশায় শিক্ষক ও গবেষক। তিনি যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি সম্পন্ন করেছেন এবং বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

আক্দের পর প্রকাশিত ছবিগুলোতে নবদম্পতিকে আনন্দঘন মুহূর্তে দেখা যায়। তবে ছবির চেয়েও বেশি আলোচনায় এসেছে দীপ্তির আবেগঘন ক্যাপশন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্ত, শুভাকাঙ্ক্ষী ও সহকর্মীরা নবদম্পতির জন্য শুভকামনা জানিয়ে মন্তব্য করছেন। নতুন জীবনের জন্য তাঁদের প্রতি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছেন সবাই।

বিনোদন

‘আজকে আমাদের আকদ সম্পন্ন হয়েছে: দীপ্তি চৌধুরী

বিয়ে করেছেন দেশের টেলিভিশন অঙ্গনের আলোচিত উপস্থাপিকা দীপ্তি চৌধুরী। শুক্রবার (৫ জুন) দুপুরে রাজধানীর বাংলামোটরের একটি রেস্টুরেন্টে দুই পরিবারের উপস্থিতিতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। দীপ্তির স্বামী নাম মুশতাক ইবনে আইয়ুব। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। খবরটির সত্যতা নিশ্চিত করে দীপ্তি চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আজকে আমাদের আকদ সম্পন্ন হয়েছে। পরবর্তীতে বড় পরিসরে ধুমধাম আয়োজনে বিবাহোত্তর সংবর্ধনার আয়োজন […]

নিউজ ডেস্ক

০৫ জুন ২০২৬, ১৮:৪১

বিয়ে করেছেন দেশের টেলিভিশন অঙ্গনের আলোচিত উপস্থাপিকা দীপ্তি চৌধুরী। শুক্রবার (৫ জুন) দুপুরে রাজধানীর বাংলামোটরের একটি রেস্টুরেন্টে দুই পরিবারের উপস্থিতিতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

দীপ্তির স্বামী নাম মুশতাক ইবনে আইয়ুব। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক।

খবরটির সত্যতা নিশ্চিত করে দীপ্তি চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আজকে আমাদের আকদ সম্পন্ন হয়েছে। পরবর্তীতে বড় পরিসরে ধুমধাম আয়োজনে বিবাহোত্তর সংবর্ধনার আয়োজন করা হবে, যেখানে সবাইকে আমন্ত্রণ জানাব। আমাদের নতুন জীবনের জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করছি।’

দীপ্তির স্বামী বিশ্বখ্যাত অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনকোলজি (ক্যান্সার বিজ্ঞান) বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

উল্লেখ্য, দীপ্তি চৌধুরী টেলিভিশন টকশো ‘টু দ্য পয়েন্ট’ এবং ‘স্ট্রেইট কাট’সহ একাধিক অনুষ্ঠান উপস্থাপনার মাধ্যমে সাম্প্রতিক সময়ে বেশ আলোচিত।

বিনোদন

মুক্তি পেলো “আরিয়ান শান্ত’র কন্ঠে নতুন গান ‘মায়াবী চোখ’

রিপোর্ট : মো: মেহেদী হাসান ‘মায়াবী চোখ’ শিরোনামে ৩ মে ২০২৬ বিকাল ৫ ঘটিকায় মুক্তি পেলো ‘RTV ইয়ং স্টার’ প্রতিযোগী এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচিত কন্ঠ শিল্পী আরিয়ান শান্ত’র মৌলিক গান। গানটি “Ariyan Shanto’ নামে তার ব্যক্তিগত চ্যানেলে মুক্তি পেয়েছে। গানটির সৃষ্টি সম্পর্কে আরিয়ান শান্ত জানিয়েছেন- মাঝেমধ্যে গানের প্রসঙ্গে কথা হয় বর্তমান সেনাবাহিনীতে কর্মরত সংগীতশিল্পী ও […]

মুক্তি পেলো “আরিয়ান শান্ত’র কন্ঠে নতুন গান ‘মায়াবী চোখ’

মুক্তি পেলো "আরিয়ান শান্ত'র কন্ঠে নতুন গান 'মায়াবী চোখ'

নিউজ ডেস্ক

০৩ মে ২০২৬, ২১:০০

রিপোর্ট : মো: মেহেদী হাসান

‘মায়াবী চোখ’ শিরোনামে ৩ মে ২০২৬ বিকাল ৫ ঘটিকায় মুক্তি পেলো ‘RTV ইয়ং স্টার’ প্রতিযোগী এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচিত কন্ঠ শিল্পী আরিয়ান শান্ত’র মৌলিক গান। গানটি “Ariyan Shanto’ নামে তার ব্যক্তিগত চ্যানেলে মুক্তি পেয়েছে।


গানটির সৃষ্টি সম্পর্কে আরিয়ান শান্ত জানিয়েছেন- মাঝেমধ্যে গানের প্রসঙ্গে কথা হয় বর্তমান সেনাবাহিনীতে কর্মরত সংগীতশিল্পী ও গীতিকার ‘সাবের হোসাইন’ এর সাথে। সাবের হোসাইন গানটি মূলত নিজের জন্যই লিখেছিলেন, কিন্তু আমি তার পছন্দের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত একজন কণ্ঠশিল্পী হওয়াতে গানটা আমাকে দিয়ে সুর করিয়েছিলেন । আমার কন্ঠে গানটির শুরুর দিকের কিছু অংশ সুর করে যখন আমি সাবের হোসাইন ভাইকে পাঠাই, তখন তিনি অত্যন্ত মুগ্ধ হয়ে আমাকে সুর ও কন্ঠ দিতে বলেন। গানের কথা গুলো এতই পছন্দ হয়েছিলো যে আমি আর দেরি না করে গানের কথাগুলোকে সুর করে ও কন্ঠ দিয়ে গানটির মিউজিক বানানোর জন্য পাঠিয়ে দিলাম সুপরিচিত মিউজিক ডিরেক্টর ‘ফাইয়াজ আহমেদ রাফি’ ভাইয়ের কাছে।

গানটিতে অভিনয় করতে দেখা গিয়েছে কন্ঠশিল্পী আরিয়ান শান্তকেই। গানটির ভিডিও ধারণ করেছেন ‘সাকিব আহমেদ সৈকত’ সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন ‘রাকিব’

আরিয়ান শান্তর কাছ থেকে জানা যায়- তিনি কখনোই ট্রেন্ডিং ফলো করেন না। তার যখন একটি গানের কথা পছন্দ হয় তখনই তিনি একটি গানে কণ্ঠ দিয়ে থাকেন।

এছাড়া আরিয়ান শান্ত’র বেশ কিছু মৌলিক জনপ্রিয় গান রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হলো মেঘনা পারে যাবো নারে, বোঝেনা কেউ মনের জ্বালা, আমার পৃথিবীটা, তোমারে ছাড়িয়া দিলাম পালের বাতাসে, তোমার মনটাকে রাঙিয়ে দেবো, যদি তোরে পাইতাম রে, মন দিও না, প্রেমের হাওয়া বয়, কন্যারে তোর মুখের হাসি, ভোরের শিশির” সহ আরো বহুল আলোচিত সব গান।

মূলত আরিয়ান শান্ত পরিচিত লাভ করেন ‘RTV ইয়ং স্টার’ নামে একটি টেলিভিশন সংগীত প্রতিযোগীতা থেকে। তারপর তিনি একে একে বেশ কয়টি প্রতিযোগিতায় বিজয় হয়েছিলেন। যেমনঃ Tr Song Star, Pranup Music Suttle সহ আরো বেশ কিছু।

ধারাবাহিকভাবে পর পর তার বেশ কিছু গান মুক্তি পাবে যেগুলোর মিউজিক ভিডিও এবং সংগীত আয়োজনের কিছু অংশের কাজ বাকি। আরিয়ান শান্ত’র স্বপ্ন তিনি সংগীতের মাধ্যমে বাংলাদেশকে বিশ্বের সামনে রিপ্রেজেন্ট করবেন।