মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

নতুন রুটে বাস চালু করলো বুটেক্স প্রশাসন

মোঃ আলী মোর্তজা, বুটেক্স প্রতিনিধি: সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিয়মিত যাতায়াতের জন্য বনশ্রী রুটে চালু হলো বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুটেক্স) নিজস্ব বাস ‘রেশম’। প্রতিষ্ঠার ১৪ বছর পরে এই প্রথম কোনো রুটে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব বাস পেলো বুটেক্স শিক্ষার্থীরা। এতে আনন্দিত বুটেক্সের সকল শিক্ষক শিক্ষার্থীবৃন্দ। বাসটি বুটেক্স থেকে বনশ্রী, মেরাদিয়া, ডেমরা, স্টাফ কোয়ার্টার রুটে চলাচল করবে।  বিশ্ববিদ্যালয়ের যানবাহন তহবিলে […]

নিউজ ডেস্ক

১৮ জানুয়ারী ২০২৫, ২৩:২৭

মোঃ আলী মোর্তজা, বুটেক্স প্রতিনিধি:

সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিয়মিত যাতায়াতের জন্য বনশ্রী রুটে চালু হলো বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুটেক্স) নিজস্ব বাস ‘রেশম’। প্রতিষ্ঠার ১৪ বছর পরে এই প্রথম কোনো রুটে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব বাস পেলো বুটেক্স শিক্ষার্থীরা। এতে আনন্দিত বুটেক্সের সকল শিক্ষক শিক্ষার্থীবৃন্দ। বাসটি বুটেক্স থেকে বনশ্রী, মেরাদিয়া, ডেমরা, স্টাফ কোয়ার্টার রুটে চলাচল করবে। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের যানবাহন তহবিলে পর্যন্ত জ্বালানির খরচ না থাকায় বাসটিকে ডিজেল ইঞ্জিন থেকে সিএনজিতে রূপান্তর করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সিএনজিতে রূপান্তরের দায়িত্ব দেয়া হয় ফাজ সিএনজি অ্যান্ড এলপিজি নামক প্রতিষ্ঠানকে। সিএনজিতে রূপান্তর শেষে বৃহস্পতিবার বাসটিকে পরীক্ষামূলক ভাবে চালানো হয়। এসময়ে উপস্থিত ছিলেন বুটেক্সের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জুলহাস উদ্দিন, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ড. শেখ মো. মামুন কবীর, ছাত্র কল্যাণের পরিচালক ড. রিয়াজুল ইসলাম, যানবাহন কর্মকর্তা ড. মুরাদ আহমেদ, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তাদের একাংশ।  

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভোটের মাধ্যমে বাসটির নাম নির্ধারণ করা হয় ‘রেশম’। অ্যাপারেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৪৬তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ইফতেখার আলম ইভানকে বাসটি পরিচালনার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছে। 

ইফতেখার আলম ইভান বলেন, বনশ্রী রামপুরা রুট বাসের জন্য আমাদের দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান হলো। প্রশাসনের এমন উদ্যোগকে আমি সাধুবাদ জানাই এবং ভবিষ্যতে এমন আরো শিক্ষার্থীবান্ধব সিদ্ধান্ত প্রশাসন থেকে আশা করি।

ফেব্রিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৪৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসান বলেন, ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার রোডে যাতায়াতকারী শিক্ষার্থীদের সমস্যাগুলো হচ্ছে অধিক যাতায়াত খরচ এবং যাতায়াত কালে একটা লম্বা সময় নষ্ট হওয়া। এছাড়াও এই রুটের চিরায়ত সমস্যা হলো লাইসেন্স বিহীন চালক, ফিটনেস ছাড়া যানবাহন ও নিয়মিত দুর্ঘটনার শঙ্কা। বুটেক্স প্রশাসনের এই নতুন উদ্যোগ আমাদেরকে অনেকটা শঙ্কামুক্ত পরিস্থিতি উপহার দিয়েছে।

বুটেক্সের উপাচার্য বলেন, আমি খুবই আনন্দিত যে দীর্ঘদিন পরে হলেও আমাদের প্রত্যাশা পূরণ হতে যাচ্ছে। আমি আশা করব, এই বাসটি শিক্ষার্থীদের সঠিকভাবে আনা-নেওয়া করবে পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা যাতে কোনো ভোগান্তির শিকার না হয় এবং সঠিক সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছাতে পারে ও পড়াশোনা করতে পারে এ বিষয়টি খেয়াল রাখবে।

যানবাহন কর্মকর্তা ড. মুরাদ আহমেদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব বাস বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রাণ। যখন বাস চলবে বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা বাস চলছে মানুষ দেখবে এটা একটা আলাদা অনুভূতি ছাত্রদের জন্য। ছাত্রদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ছিল তারা চেয়েছিল তারা নিজস্ব বাসে চলবে। আমরা সেটা করতে সক্ষম হয়েছি। মাননীয় উপাচার্য স্যার এবং পিএনডির ডিরেক্টর স্যার যথেষ্ট আন্তরিকতার সাথে এটা সম্পাদন করেছে। আমাদের আরো একটা বাস আছে সেটাও আমরা চালু করবো ইনশাআল্লাহ। সামনে আরো বাস আসবে, সেগুলো আমরা রুটের অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করবো। আশা করি ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য যেটা সুবিধা হবে মাননীয় ভিসি স্যার এবং প্রশাসন সেটা করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে।  

সাধারণ শিক্ষার্থীদের মতে নিজস্ব বাস বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্রান্ডিং করে। যেখানে বিআরটিসির বাসে নানা ভোগান্তির পাশাপাশি এর জ্বালানি ব্যয় মেটাতে সরকারের প্রচুর অর্থ ব্যয় হয় সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব বাসে একদিকে যেমন ভোগান্তি নেই অন্যদিকে সরকারের জ্বালানি খরচও অনেক কম হয়। তাই বাকী সকল রুটে বিআরটিসি বাসের বদলে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব বাস চান তারা।

শিক্ষাঙ্গন

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮। জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট […]

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮।

জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট করা হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল করে তাকে নানাভাবে বাজে কথা বলা ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। বাসা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় তিনি নিজের বাসভবনে অবস্থান করাকে অনিরাপদ মনে করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও বিষয়টির আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডিটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

শিক্ষাঙ্গন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী। মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত […]

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:৩৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত এক যুবক ধারালো অস্ত্র হাতে অনিকার কক্ষে প্রবেশ করে। অনৈতিক উদ্দেশ্যে যুবকটি এগোলে অনিকা সাহসিকতার সাথে বাধা দেন।

এ সময় উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি হয়। অনিকার আত্মরক্ষা ও চিৎকারের মুখে পরিস্থিতি প্রতিকূলে দেখে হামলাকারী যুবক দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। ধস্তাধস্তির ফলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মুখ, গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাত ও ক্ষতের দাগ পড়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রাথমিক তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে। তবে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী অনিকার দেওয়া বিবরণ ও জবানবন্দির সাথে আটক ব্যক্তির চেহারার কোনো মিল না থাকায় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

এ বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ জানায়, “ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বর্ণনা অনুযায়ী মূল অপরাধীকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। দ্রুতই তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।”

ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিরাপত্তার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা অতি দ্রুত মূল অপরাধীকে গ্রেফতার এবং মেস এলাকায় স্থায়ী নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পাশে তারা রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছে।

শিক্ষাঙ্গন

‎রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর ছাত্রদলের হামলার অভিযোগ,গুরুতর আহত ৪

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় চার সাংবাদিক গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ছাড়া আরও অন্তত ১০ সাংবাদিক আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। হামলায় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে। রোববার (৪ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হলের সামনে এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত সাংবাদিকরা হলেন—বিডিনিউজ […]

‎রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর ছাত্রদলের হামলার অভিযোগ,গুরুতর আহত ৪

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০০:৩৬

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় চার সাংবাদিক গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ছাড়া আরও অন্তত ১০ সাংবাদিক আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। হামলায় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে।

রোববার (৪ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হলের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

গুরুতর আহত সাংবাদিকরা হলেন—বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি আরিফ উজ্জামান কোরবান, আগামীর সময়ের প্রতিনিধি জাহিদুল ইসলাম, দ্য ডেইলি স্টারের প্রতিনিধি নূর আহসান মৃদুল এবং দৈনিক সমকালের প্রতিনিধি মাঈনুল ইসলাম রাজু। আহতদের বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

হামলায় রাবি ছাত্রদলের সহসভাপতি আহসান হাবীব ও শরিফুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল ইসলাম এবং সহদপ্তর সম্পাদক শাহরিয়ার আলম অথিসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, রাত ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন মার্কেট এলাকা থেকে একদল ছাত্রদল নেতাকর্মী মিছিল নিয়ে শহীদ জিয়াউর রহমান হলের সামনে যান। তাদের কয়েকজনের হাতে রামদা, চাপাতি, হকি স্টিক, পাইপ ও বেসবল ব্যাটসহ দেশীয় অস্ত্র দেখা গেছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা দাবি করেন।

খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ঘটনাস্থলে পৌঁছান। এ সময় সেখানে থাকা কয়েকজন ছাত্রদল নেতাকর্মীর ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে গেলে সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ।

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, প্রথমে দৈনিক সমকালের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিকে লাঠি দিয়ে মারধর করা হয়। আজকের পত্রিকার প্রতিনিধির মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ারও চেষ্টা করা হয়। পরে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রতিনিধিকেও মারধর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা হিসেবে কয়েকজন সাংবাদিককে হলের ভেতরে নিয়ে যাওয়া হয়।

হামলার খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও সাংবাদিক ঘটনাস্থলে গেলে তাদের ওপরও হামলার অভিযোগ পাওয়া যায়। এতে দ্য ডেইলি স্টার ও আগামীর সময়ের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি আহত হন। আগামীর সময়ের প্রতিনিধির মাথায় আঘাত লাগে। অন্য সাংবাদিকরা এগিয়ে গেলে তাদের হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া একটি পোস্ট ও মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বলে জানা গেছে। রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারকে নিয়ে ছাত্রদল নেতা আহসান হাবীবের একটি ফেসবুক পোস্টে মন্তব্য ঘিরে রাকিবুল নামের একজনের সঙ্গে তার বিরোধ তৈরি হয়।

আহসান হাবীব অভিযোগ করেন, ওই মন্তব্যে তার মা ও বোনকে নিয়ে গালাগাল করা হয়েছে। অন্যদিকে রাকিবুল দাবি করেন, তাকে মারধরের হুমকি দিয়ে অবস্থান জানতে চাওয়া হয়েছিল। পরে দুজনই ফেসবুকে পাল্টাপাল্টি পোস্ট দিয়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেন।

এ পরিস্থিতির মধ্যে রোববার বিকেলে ক্যাম্পাসে ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী অবস্থান নেন। তাদের কারও কারও হাতে বেসবল ব্যাট দেখা যায় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ অবস্থানের সমালোচনা করে শহীদ জিয়াউর রহমান হল সংসদের জিএস আরিফুল ইসলামও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দেন। এরপর উত্তেজনা আরও বাড়ে এবং একপর্যায়ে হলের সামনে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।

ঘটনার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মাহবুবুর রহমান বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তারা ব্যর্থ হয়েছেন। পুলিশের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছিল বলেও জানান তিনি।

রাবি ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী বলেন, বিষয়টি কেন্দ্রীয় ছাত্রদলকে জানানো হয়েছে এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।