সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

নেপালে আন্তর্জাতিক তায়কোয়ানডো প্রতিযোগিতায় রাবির ছয় পদক জয়, স্বর্ণ দুই

রাবি প্রতিনিধি, এম এ আতিকুর রহমান  নেপালে অনুষ্ঠিত প্রথম সাওরাহা ইন্টারন্যাশনাল ওপেন তায়কোয়ানডো চ্যাম্পিয়নশিপে ছয়টি পদক অর্জন করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ছয় শিক্ষার্থী। এর মধ্যে দুটি স্বর্ণ, একটি রৌপ্য ও তিনটি তাম্রপদক ।  স্বর্ণপদকজয়ী মো. শাহীন আলী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফোকলোর অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে স্বর্ণপদক অর্জনের পাশাপাশি […]

নেপালে আন্তর্জাতিক তায়কোয়ানডো প্রতিযোগিতায় রাবির ছয় পদক জয়, স্বর্ণ দুই

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৩:৪৭

রাবি প্রতিনিধি, এম এ আতিকুর রহমান 

নেপালে অনুষ্ঠিত প্রথম সাওরাহা ইন্টারন্যাশনাল ওপেন তায়কোয়ানডো চ্যাম্পিয়নশিপে ছয়টি পদক অর্জন করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ছয় শিক্ষার্থী। এর মধ্যে দুটি স্বর্ণ, একটি রৌপ্য ও তিনটি তাম্রপদক । 

স্বর্ণপদকজয়ী মো. শাহীন আলী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফোকলোর অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে স্বর্ণপদক অর্জনের পাশাপাশি আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় প্রতিযোগিতায়ও স্বর্ণপদক জিতেছেন। আন্তঃবিভাগীয় প্রতিযোগিতায় স্বর্ণপদক অর্জনের পাশাপাশি টানা দ্বিতীয়বার গ্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কৃতিত্ব রয়েছে তাঁর। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় তায়কোয়ানডো ক্লাবের সভাপতি।

অন্য স্বর্ণপদকজয়ী রিদওয়ান তাসকিন রাতুল বিশ্ববিদ্যালয়ের চিত্রকলা, প্রাচ্যকলা ও ছাপচিত্র বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী। এর আগে ২০১৮ সালে দক্ষিণ কোরিয়ায় অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি তায়কোয়ানডো ফেস্টিভ্যালে রৌপ্যপদক অর্জন করেন তিনি। বর্তমানে তিনি রাজশাহীর এআরসি গ্লোবাল তায়কোয়ানডো অ্যাকাডেমির প্রধান প্রশিক্ষক। তাঁর দক্ষিণ কোরিয়ার কুক্কিওয়ান ও জিদোকওয়ান স্বীকৃত দ্বিতীয় ডান ব্ল্যাক বেল্ট রয়েছে।

রৌপ্যপদক অর্জন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষের সাবেক শিক্ষার্থী মো. নাঈম আলী। তিনি ৩৩ থেকে ৪৯ বছর বয়সীদের মাস্টার ক্যাটাগরির ব্যক্তিগত পুমসে বিভাগে অংশ নিয়ে এ পদক অর্জন করেন। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে স্বর্ণপদকজয়ী নাঈম বর্তমানে রাজশাহী ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজে শিক্ষকতা করছেন। পাশাপাশি তিনি তায়কোয়ানডো স্পোর্টস একাডেমির প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তাম্রপদক অর্জন করেছেন গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের সাবাহ কানেতা তারিক, একই বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের কামরুজ্জামান এবং শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়াবিজ্ঞান বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের মরিয়ম।

সাবাহ কানেতা তারিক প্রথম আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় তায়কোয়ানডো প্রতিযোগিতা-২০২৬-এ স্বর্ণপদক অর্জন করেন। এ ছাড়া ২২তম সিনিয়র/জুনিয়র জাতীয় তায়কোয়ানডো প্রতিযোগিতায় রৌপ্যপদক এবং আন্তঃবিভাগীয় প্রতিযোগিতায় স্বর্ণ, রৌপ্য ও তাম্রপদক অর্জন করেছেন তিনি। বর্তমানে তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় তায়কোয়ানডো ক্লাবের সহসভাপতি।

কামরুজ্জামান প্রথম আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় তায়কোয়ানডো প্রতিযোগিতা-২০২৬-এ স্বর্ণপদক অর্জন করেন। এ ছাড়া ২২তম সিনিয়র/জুনিয়র জাতীয় তায়কোয়ানডো প্রতিযোগিতায় তাম্রপদক এবং আন্তঃবিভাগীয় প্রতিযোগিতায় রৌপ্য ও তাম্রপদক অর্জন করেছেন তিনি। বর্তমানে তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় তায়কোয়ানডো ক্লাবের প্রচার সম্পাদক।

মরিয়ম জাতীয় পর্যায়ে ব্রোঞ্জ ও রৌপ্যপদক এবং আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় প্রতিযোগিতায় স্বর্ণপদক অর্জন করেছেন। এ ছাড়া ২০২৪ ও ২০২৫ সালের আন্তঃবিভাগীয় তায়কোয়ানডো প্রতিযোগিতায় স্বর্ণপদক জিতেছেন তিনি। বর্তমানে তিনি ক্লাবটির ক্রীড়া সম্পাদক।

প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় দলের কোচ ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শরীরচর্চা ও শিক্ষা বিভাগের উপপরিচালক ও তায়কোয়ানডো কোচ কামরুজ্জামান চঞ্চল। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় তায়কোয়ানডো ক্লাবের তায়কোয়ানডো বিশেষজ্ঞ উপদেষ্টা। তাঁর দক্ষিণ কোরিয়ার কুক্কিওয়ান স্বীকৃত পঞ্চম ডান ব্ল্যাক বেল্ট এবং জিদোকওয়ান স্বীকৃত ষষ্ঠ ডান ব্ল্যাক বেল্ট এবং আন্তর্জাতিক তায়কোয়ানডো মাস্টার। বাংলাদেশ তায়কোয়ানডো জাতীয় দলের সাবেক কোচ।

উল্লেখ্য, ৩০ অক্টোবর থেকে ১ নভেম্বর পর্যন্ত নেপালের চিতওয়ান জেলার সাওরাহায় প্রথম সাওরাহা ইন্টারন্যাশনাল ওপেন তায়কোয়ানডো চ্যাম্পিয়নশিপ অনুষ্ঠিত হয়। এতে অস্ট্রেলিয়া, মালদ্বীপ সহ ৯টি দেশের প্রায় ৫০০ খেলোয়াড়েরা কিয়োরুগি (ফাইট) ও পুমসে (কৌশল প্রদর্শনী) বিভাগে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

শিক্ষাঙ্গন

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮। জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট […]

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮।

জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট করা হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল করে তাকে নানাভাবে বাজে কথা বলা ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। বাসা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় তিনি নিজের বাসভবনে অবস্থান করাকে অনিরাপদ মনে করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও বিষয়টির আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডিটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

শিক্ষাঙ্গন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী। মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত […]

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:৩৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত এক যুবক ধারালো অস্ত্র হাতে অনিকার কক্ষে প্রবেশ করে। অনৈতিক উদ্দেশ্যে যুবকটি এগোলে অনিকা সাহসিকতার সাথে বাধা দেন।

এ সময় উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি হয়। অনিকার আত্মরক্ষা ও চিৎকারের মুখে পরিস্থিতি প্রতিকূলে দেখে হামলাকারী যুবক দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। ধস্তাধস্তির ফলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মুখ, গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাত ও ক্ষতের দাগ পড়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রাথমিক তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে। তবে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী অনিকার দেওয়া বিবরণ ও জবানবন্দির সাথে আটক ব্যক্তির চেহারার কোনো মিল না থাকায় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

এ বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ জানায়, “ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বর্ণনা অনুযায়ী মূল অপরাধীকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। দ্রুতই তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।”

ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিরাপত্তার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা অতি দ্রুত মূল অপরাধীকে গ্রেফতার এবং মেস এলাকায় স্থায়ী নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পাশে তারা রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছে।

শিক্ষাঙ্গন

ঢাবি শিক্ষক তাসনিম সিরাজকে এবার লাল কার্ড দেখালেন শিক্ষার্থীরা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক, অপমানজনক ও দ্বিচারিতাপূর্ণ আচরণের অভিযোগ তুলে লাল কার্ড দেখিয়েছেন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা। সোমবার (১২ অক্টোবর) তারা এ প্রতিবাদ জানান। শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, নিকাব পরিহিত এক শিক্ষার্থীকে ‘ফান্ডামেন্টালিস্ট’ ও ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়া এবং একই শ্রেণিকক্ষে ছয়জন ছাত্রকে এক বেঞ্চে বসতে দেখে তাঁদের ‘গে’ ও […]

ঢাবি শিক্ষক তাসনিম সিরাজকে এবার লাল কার্ড দেখালেন শিক্ষার্থীরা

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১২ অক্টোবর ২০২৬, ১৫:৪১

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক, অপমানজনক ও দ্বিচারিতাপূর্ণ আচরণের অভিযোগ তুলে লাল কার্ড দেখিয়েছেন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা। সোমবার (১২ অক্টোবর) তারা এ প্রতিবাদ জানান।

শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, নিকাব পরিহিত এক শিক্ষার্থীকে ‘ফান্ডামেন্টালিস্ট’ ও ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়া এবং একই শ্রেণিকক্ষে ছয়জন ছাত্রকে এক বেঞ্চে বসতে দেখে তাঁদের ‘গে’ ও ‘গরিব’ বলে মন্তব্য করার অভিযোগের প্রতিবাদে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। একই সঙ্গে এসব আচরণের সমর্থকদের বিরুদ্ধেও প্রতীকী প্রতিবাদ জানান তাঁরা।

কর্মসূচির মূল প্রতিপাদ্য ছিল ‘Red Card to Racist, Classist and Hypocrite’ এবং ‘Red Card to Those Who Support Discrimination, Humiliation and Bullying’। শিক্ষার্থীরা জানান, বৈষম্য, অপমান ও হয়রানির বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার পাশাপাশি এসব আচরণকে সমর্থনকারীদেরও তাঁরা প্রত্যাখ্যান করছেন।

এ বিষয়ে ইংরেজি বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ নায়েম বলেন, তাসনিম সিরাজ মাহবুব ম্যাম ইংরেজি বিভাগের একজন শিক্ষার্থী নেকাব করায় তাকে Fundamentalist এবং সন্ত্রাসী বলে অবিহিত করেন। এছাড়াও, তিনি একই ক্লাসে ছেলেদের ৬ জন এক বেঞ্চে বসায় ‘গে’ এবং ‘গরিব’ বলে অবিহিত করেন। পরবর্তীতে তিনি তার ফেইসবুক লাইভে এগুলোর কোন কিছু এড্রেস না করে এক পাক্ষিক এআই নির্ভর বিবৃতি দেন৷

তিনি আরও বলেন, আমরা লক্ষ্য করেছি সামিনা লুৎফা, শিক্ষক নেটওয়ার্ক এবং তার অন্যান্য অনুসারী তাকে নির্লজ্জভাবে ডিফেন্ড করেছেন এবং শিক্ষার্থীদের মূল অপরাধী হিসেবে প্রোট্রে করার চেষ্টা করছেন। আজকের প্রতিকী প্রতিবাদ তাদের সকলের বিরুদ্ধে।

এ বিষয়ে ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. তাজিন আজিজ চৌধুরী বলেন, বিষয়টি এই মুহূর্তে নিশ্চিত করে বলা সম্ভব হচ্ছে না,আমি এই মূহুর্তে অফিসে নাই। তবে শিক্ষার্থীরা যদি এ বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ দিয়ে থাকে, তবে তা দেখে বিষয়টি সম্পর্কে জানা সম্ভব হবে। এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু বলা যাচ্ছে না।

উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের একটি শ্রেণিকক্ষে নিকাব পরিহিত এক শিক্ষার্থীকে ‘ফান্ডামেন্টালিস্ট’ ও ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে সহকারী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়। পরে ৮ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাঁকে সাময়িকভাবে সব ধরনের ক্লাস কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেয়।