আমজাদ শিবলু, সেনবাগ উপজেলা প্রতিনিধি
‘আমার মা মরে গেছে, আমি জেলখানায়, আমার মায়ের মুখটা পর্যন্ত হাসিনা সরকার দেখতে দেয়নি’—এমন অভিযোগ করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা ও নোয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক।
রোববার (৩০ আগস্ট) নোয়াখালীর সেনবাগে শিক্ষার মানোন্নয়ন বিষয়ক পৃথক দুটি শিক্ষার্থী ও অভিভাবক সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ কথা বলেন।
সমাবেশে জয়নুল আবদিন ফারুক দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, ‘সেই ক্ষোভ কিন্তু ৬ মাসে একদিনও আমরা এখনো উসুল করিনি। তাই আমার নেতার নির্দেশ আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া যাবে না, আমরা নেবও না। আমরা কাজ করব, আপনাদের সেবা করব। তারেক রহমানের নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরে পালন করব। গাছ লাগাব, গরিবদের ফ্যামিলি কার্ড দেব, কৃষকদের ঋণ মওকুফ করব। মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিনদের টাকা দেব।’
এদিকে বিকেলে উপজেলার বাতাবন্দি আদর্শ স্কুল অ্যান্ড কলেজে শিক্ষার্থী ও অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার প্রসঙ্গে জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, ‘আমার আট বছর থেকে ১৩ বছরের বাচ্চা যখন স্কুল-মাদ্রাসায় যায়, রাস্তার ধারে টিটকারী মারে, সিস মারে, ইভটিজিং করে এটা চলতে আমি সেনবাগে আর দেব না।’ তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের নিরাপদ পরিবেশে স্কুল মাদ্রাসায় যাতায়াত নিশ্চিত করতে ইভটিজিংসহ সামাজিক অপরাধ বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এসময় বিশেষ অতিথি ছিলেন লায়ন সৈয়দ হারুন (এমজেএফ)। সভায় অন্যান্যের মধ্যে নোয়াখালী জেলা বিএনপির সদস্য আবদুল্লাহ আল মামুন, সেনবাগ উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মোক্তার হোসেন পাটোয়ারী, সেনবাগ থানার ওসি আব্দুর রহিম সরকার, বাতাকান্দি আদর্শ স্কুল এন্ড কলেজের আজীবন দাতা সদস্য লায়ন এবিএম সাহাদাত হেসেন, উপজেলার অর্জুনতলা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি আবু ইউসুফ মজুমদার, ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক সাহাদাত হেসেন স্বাধন, সদস্য সচিব মো. হারুন, ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. সোহরাওয়ার্দী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।