শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান পদে আসছে নতুন মুখ

রুহুল কবির রিজভীকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব দেওয়ার মধ্য দিয়ে বিএনপিতে সাংগঠনিক পুনর্গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। দলীয় সূত্র বলছে, চলতি সপ্তাহেই কেন্দ্রীয় দপ্তরে নতুন দায়িত্ব বণ্টন হতে পারে। পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী দলের বিভিন্ন পর্যায়ে পদায়ন ও দায়িত্বে পরিবর্তন আনা হবে। সাংগঠনিক কাঠামোয় নেতৃত্বের পরিবর্তন ও দায়িত্ব পুনর্বিন্যাসের পর আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি বা মার্চে বিএনপির সপ্তম জাতীয় […]

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান পদে আসছে নতুন মুখ

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২২ আগস্ট ২০২৬, ১১:০৭

রুহুল কবির রিজভীকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব দেওয়ার মধ্য দিয়ে বিএনপিতে সাংগঠনিক পুনর্গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। দলীয় সূত্র বলছে, চলতি সপ্তাহেই কেন্দ্রীয় দপ্তরে নতুন দায়িত্ব বণ্টন হতে পারে। পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী দলের বিভিন্ন পর্যায়ে পদায়ন ও দায়িত্বে পরিবর্তন আনা হবে।

সাংগঠনিক কাঠামোয় নেতৃত্বের পরিবর্তন ও দায়িত্ব পুনর্বিন্যাসের পর আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি বা মার্চে বিএনপির সপ্তম জাতীয় কাউন্সিল আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন সময়ে বহিষ্কৃত নেতাদের আবেদন যাচাই করে তাদের দলে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে।

দলীয় সূত্র জানায়, কাউন্সিল সামনে রেখে গত দুই মাস ধরে দেশের বিভিন্ন জেলা, উপজেলা ও মহানগর পর্যায়ে কমিটি পুনর্গঠনের কাজ শুরু হয়েছে। কোথাও আহ্বায়ক কমিটি, কোথাও পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি বহিষ্কৃত নেতাদের পুনর্বহাল ও দায়িত্ব পুনর্বিন্যাসের সিদ্ধান্তও নেওয়া হচ্ছে।

বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতাদের মতে, আগামী চার-পাঁচ মাস সাংগঠনিক পুনর্গঠনের এ কার্যক্রম চলবে। নতুন নেতৃত্ব বাছাইয়ের ক্ষেত্রে তরুণ, মেধাবী ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির নেতাদের অগ্রাধিকার দেওয়ার পাশাপাশি নেতৃত্বের বিকেন্দ্রীকরণে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

দল ও সরকারের মধ্যে দায়িত্বের ভারসাম্য বজায় রাখতে মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের জেলা, মহানগর কিংবা উপজেলা পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক পদে না রাখার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে। এ ক্ষেত্রে ‘এক নেতা, এক পদ’ নীতি কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে।

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সময়ের নীতির উদাহরণ টেনে দলীয় নেতারা বলছেন, তখন সরকার ও দলের দায়িত্ব আলাদা রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হতো। মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা সাধারণত দলের গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক পদে একসঙ্গে থাকতেন না।

এবারও ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে নেতাদের ভূমিকা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতাকে নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানও ‘এক নেতা, এক পদ’ নীতির পক্ষে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে এরই মধ্যে রুহুল কবির রিজভী, আমান উল্লাহ আমান, অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার ও মো. ইসমাইল জবিউল্লাহকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ১৯ সদস্যের স্থায়ী কমিটিতে এখনো তিনটি পদ খালি রয়েছে। এছাড়া মৃত্যু, পদত্যাগ ও বহিষ্কারের কারণে ভাইস চেয়ারম্যানের ১২টি পদও শূন্য রয়েছে। এসব পদ প্রবীণ ও মধ্যম সারির নেতাদের দিয়ে পূরণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

কেন্দ্রীয় দপ্তরের দায়িত্বে যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, হাবিব-উন-নবী খান সোহেল ও সৈয়দ এমরান সালেহ—এই তিনজনের কাউকে দায়িত্ব দেওয়ার সম্ভাবনার কথাও জানা গেছে।

একই সঙ্গে ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, কৃষক দল ও শ্রমিক দলসহ বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর নেতৃত্বেও পরিবর্তনের প্রস্তুতি চলছে। আগস্টের শেষ দিকে অথবা সেপ্টেম্বরের শুরুতে ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলে নতুন নেতৃত্ব আসতে পারে বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেন, দল পুনর্গঠনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং জাতীয় কাউন্সিলের মাধ্যমে এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। জরুরি ভিত্তিতে বিভিন্ন জেলা, উপজেলা ও থানায় কমিটি পুনর্গঠন করা হচ্ছে।

দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনও জানান, জাতীয় কাউন্সিল সামনে রেখে সাংগঠনিক পুনর্গঠনের কাজ চলছে। বিভিন্ন ইউনিটে নতুন কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। দেশের সব ইউনিটের কমিটি পুনর্গঠনের পরই বিএনপির জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫১০

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫১০

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৭

রাজনীতি

“ওসব কিছুই চাই না, আমি বড় ক্লান্ত, একেবারে অবসর চাই- শুধু ঘুমাবো” : মির্জা ফখরুল

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।” চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ২০:০৬

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

গত ২৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। বাইরে ছিল মানুষের ভিড়। প্রায় নিশ্চিত হয়েই ফিরে আসছিলাম—আজ আর দেখা হবে না। ঠিক তখনই তাঁর দীর্ঘদিনের সহকারী কৃষিবিদ ইউনুস আলী ডাক দিলেন।

মন্ত্রীর কক্ষে ঢুকেই চোখে পড়ল ভিন্ন এক মির্জা ফখরুলকে। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ে অভ্যস্ত মানুষটিকে সেদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগছিল। চোখে ঘুমঘুম ভাব, মুখে অবসাদের রেখা।

অন্যদের বিদায় দেওয়ার পর বললাম, “আমার কোনো তদবির নেই, অনেক দিন দেখা হয় না—তাই শুধু সাক্ষাৎ করতে এলাম।”

শরীরের খোঁজ নিতেই তিনি ধীরে উত্তর দিলেন—

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

কথাটি শুনে কিছুটা বিস্মিত হয়েই বললাম, “দেশের মানুষ আপনাকে এই মন্ত্রণালয়ের পর বঙ্গভবনে দেখতে চায়।”

তিনি হালকা হাসলেন। তারপর বললেন—

“ওসব কিছুই চাই না। একেবারে অবসর চাই… শুধু ঘুমাবো।”

এই কয়েকটি বাক্য যেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক অনুচ্চারিত ক্লান্তির ভাষা হয়ে উঠেছিল।

এরপর কথোপকথন গড়ায় স্মৃতির ভেতর। ২০০৮ সালে লন্ডন থেকে ফেরার পর প্রথম কোনো সাংবাদিক হিসেবে আমাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি।

তার কিছুদিন পর কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর উত্থান ঘটে। স্মৃতিচারণে উঠে আসে বেগম খালেদা জিয়া, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ও ইশরাক হোসেন প্রসঙ্গও।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৭