বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

১০ মাসে রাকসুর ৪২ কর্মসূচিতে ব্যয় ১ কোটি ২৯ লাখ টাকার মধ্যে ভাউচার নেই ৬২ লাখেরই

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) বর্তমান কমিটি দায়িত্ব নেওয়ার পর ১০ মাসে ৪২টি কর্মসূচিতে তহবিল থেকে ১ কোটি ২৯ লাখ ১৪ হাজার ৬৮৯ টাকা ব্যয় করেছে। এর মধ্যে তিনটি কর্মসূচি এখনো চলমান থাকলেও বাকি ৩৯টি ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। তবে এসব কর্মসূচির বিপরীতে ৬১ লাখ ৫০ হাজার ৪৬৮ টাকার বিল বা ভাউচার এখনো জমা দেননি […]

১০ মাসে রাকসুর ৪২ কর্মসূচিতে ব্যয় ১ কোটি ২৯ লাখ টাকার মধ্যে ভাউচার নেই ৬২ লাখেরই

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২১ আগস্ট ২০২৬, ১০:৪৯

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) বর্তমান কমিটি দায়িত্ব নেওয়ার পর ১০ মাসে ৪২টি কর্মসূচিতে তহবিল থেকে ১ কোটি ২৯ লাখ ১৪ হাজার ৬৮৯ টাকা ব্যয় করেছে। এর মধ্যে তিনটি কর্মসূচি এখনো চলমান থাকলেও বাকি ৩৯টি ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। তবে এসব কর্মসূচির বিপরীতে ৬১ লাখ ৫০ হাজার ৪৬৮ টাকার বিল বা ভাউচার এখনো জমা দেননি সংশ্লিষ্ট সম্পাদকরা।

নিয়ম অনুযায়ী, কোনো কর্মসূচি শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যয়ের ভাউচার জমা দিয়ে হিসাব সমন্বয় করার কথা। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে ভাউচার জমা না দেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি কোষাধ্যক্ষ কার্যালয়ের নথি বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

জিএসের ১৮ লাখ টাকার হিসাব জমা হয়নি

রাকসুর সবচেয়ে বেশি অর্থ ব্যয় করেছেন জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার। তিনি সাত ধাপে মোট ২৩ লাখ ৮৮ হাজার টাকা নিয়েছেন। এর মধ্যে ১৮ লাখ ৩৯ হাজার টাকার ব্যয়ের ভাউচার এখনো জমা পড়েনি।

এ বিষয়ে জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার বলেন, ভর্তি পরীক্ষার বুথ স্থাপনের জন্য প্রাথমিকভাবে ৩ লাখ ২ হাজার টাকা বাজেট ধরা হয়েছিল। পরে ব্যয়ের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত হওয়ার বিষয়টি জানা না থাকায় হিসাব সমন্বয়ে কিছুটা জটিলতা তৈরি হয়েছে। ছাত্র সংসদ সদস্যদের জন্য নেওয়া ১৩ লাখ ৭৭ হাজার টাকার মধ্যে বিজ্ঞান সম্পাদকের হিসাব না পাওয়ায় ওই বিল জমা দেওয়া হয়নি। তবে অন্য হিসাবগুলো জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

১৩ লাখ টাকা নিয়ে ভিপির হিসাব জমা ৯৯ হাজারের

ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ ছয় ধাপে মোট ১৩ লাখ ৪০ হাজার ৩২৪ টাকা নিয়েছেন। এর মধ্যে ১২ লাখ ৪০ হাজার ৪০০ টাকার হিসাব এখনো জমা দেননি তিনি।

নথি অনুযায়ী, গত ১৩ এপ্রিল দাপ্তরিক খরচ বাবদ দেড় লাখ টাকা নেওয়ার পর এর হিসাব সমন্বয় না করেই ১৯ জুলাই আবার ২ লাখ টাকা নিয়েছেন ভিপি।

মোস্তাকুর রহমান জাহিদ বলেন, সব বিল জমা দেওয়া হয়নি—বিষয়টি এমন নয়। দ্রুত হিসাব জমা দেওয়া ভালো, তবে মেয়াদের মধ্যে জমা দিলেও হবে। তাদের মেয়াদ শেষ হতে এখনো ৬০ দিন বাকি রয়েছে।

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যয় ক্রীড়া সম্পাদকের

জিএসের পর রাকসুর তহবিল থেকে সবচেয়ে বেশি অর্থ নিয়েছেন ক্রীড়া সম্পাদক মোছা. নার্গিস খাতুন। তিনি সাত ধাপে ১৫ লাখ ৭১ হাজার ৬২৬ টাকা নিয়েছেন। এর মধ্যে ১৩ লাখ ৯৭ হাজার ১২৬ টাকার ভাউচার এখনো জমা পড়েনি।

নার্গিস খাতুন জানান, গত মাসে শুরু হওয়া ‘রাকসু গেমস’-এর ছয়টি কর্মসূচি এখনো চলমান থাকায় এসব ব্যয়ের বিল জমা দেওয়া হয়নি।

অন্য সম্পাদকদের ব্যয়ের চিত্র

বিতর্ক ও সাহিত্য সম্পাদক ইমরান লস্কর ছয় ধাপে ৮ লাখ ৪২ হাজার ৭৬৫ টাকা নিয়েছেন। এর মধ্যে দুটি ভাউচার জমা দিয়েছেন তিনি। তার দাবি, বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে সমন্বয় করে বাজেট বাস্তবায়ন করতে হওয়ায় দুটি কর্মসূচির বিল এখনো জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি। দ্রুত তা জমা দেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।

সংস্কৃতি সম্পাদক জাহিদ হোসেন জোহা তিন ধাপে ৭ লাখ ৯৫ হাজার টাকা নিয়েছেন। এর মধ্যে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান উদ্‌যাপন বাবদ নেওয়া ৪ লাখ ৬৫ হাজার টাকার ভাউচার নিয়ে নথিতে হিসাব নেই। তবে ভাউচার জমা দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি।

তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক বি এম নাজমুল সাকিব তিন ধাপে ৩ লাখ ৯৬ হাজার টাকা নিয়েছেন। তিনি জানান, সর্বশেষ বাজেটের হিসাব এখনো দেওয়া হয়নি এবং দ্রুত বিল জমা দেবেন।

মিডিয়া ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. মুজাহিদ ইসলাম তিন ধাপে ১ লাখ ৫৪ হাজার ৪৪৮ টাকা নিয়েছেন। এর মধ্যে প্রকাশনার জন্য নেওয়া ১ লাখ টাকার ভাউচার জমা পড়েনি।

মহিলাবিষয়ক সম্পাদক সায়িদা হাফসা দুই ধাপে ১ লাখ ৮৮ হাজার ২৭৬ টাকা নিয়েছেন। এর মধ্যে ১ লাখ ৩৫ হাজার ৫০০ টাকার হিসাব জমা হয়নি। তিনি দ্রুত তা জমা দেওয়ার কথা জানিয়েছেন।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক তোফায়েল আহমেদ তোফা দুই ধাপে ৮৭ হাজার ৫০০ টাকা নিয়েছেন। এর মধ্যে ৩৭ হাজার ৫০০ টাকার হিসাব জমা পড়েনি।

পরিবেশ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মাসুদ কোনো খাত উল্লেখ না করে ৮২ হাজার টাকা নিয়েছেন। এ অর্থেরও কোনো হিসাব তিনি জমা দেননি। এ ছাড়া এজিএস এস এম সালমান সাব্বির গত ৫ মার্চ দাপ্তরিক খরচ বাবদ ৬০ হাজার টাকা নিলেও এর হিসাব এখনো জমা দেননি।

‘হিসাব সমন্বয় ছাড়া পরবর্তী টাকা উত্তোলন অনিয়ম’

রাকসুর সাবেক নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক মোস্তফা কামাল আকন্দ বলেন, সরকারি অর্থ অগ্রিম নেওয়া হলে নির্ধারিত সময়ে হিসাব সমন্বয়ের নিয়ম রয়েছে। একটি বিল সমন্বয় করার পরই পরবর্তী ধাপে অর্থ উত্তোলনের সুযোগ থাকার কথা।

তিনি বলেন, আগের বিলের হিসাব সমন্বয় না করেই কোনো সম্পাদক পরবর্তী বিলের অর্থ উত্তোলন করলে সেটিকে আর্থিক অনিয়ম হিসেবে বিবেচনা করা যায়। প্রতিটি সম্পাদকীয় পদের জন্য নির্ধারিত বরাদ্দ থাকা উচিত এবং সব ব্যয়ের হিসাব রাকসুর সভায় উপস্থাপন করতে হবে।

তার মতে, শিক্ষার্থীদের ভুল হতে পারে, তবে এসব বিষয় তদারকি ও অনিয়ম ঠেকানোর দায়িত্ব কোষাধ্যক্ষের।

কোষাধ্যক্ষের স্বীকারোক্তি, নিয়ম মেনে ভাউচার জমার আহ্বান

অনেক বিল এখনো জমা না পড়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন রাকসুর কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক সেতাউর রহমান। তিনি বলেন, কোনো কর্মসূচি শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ভাউচার জমা দেওয়া উচিত। সংশ্লিষ্টদের নিয়ম মেনে দ্রুত ভাউচার জমা দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।

রাকসুর সভাপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম বলেন, প্রতিটি সভায় হিসাবের স্বচ্ছতা বজায় রাখার বিষয়টি মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রতিনিধিরা হিসাব জমা দেওয়ার জন্য সময় চেয়েছেন। তবে রাকসুকে অবশ্যই নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে।

শিক্ষাঙ্গন

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮। জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট […]

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮।

জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট করা হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল করে তাকে নানাভাবে বাজে কথা বলা ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। বাসা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় তিনি নিজের বাসভবনে অবস্থান করাকে অনিরাপদ মনে করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও বিষয়টির আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডিটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

শিক্ষাঙ্গন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী। মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত […]

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:৩৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত এক যুবক ধারালো অস্ত্র হাতে অনিকার কক্ষে প্রবেশ করে। অনৈতিক উদ্দেশ্যে যুবকটি এগোলে অনিকা সাহসিকতার সাথে বাধা দেন।

এ সময় উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি হয়। অনিকার আত্মরক্ষা ও চিৎকারের মুখে পরিস্থিতি প্রতিকূলে দেখে হামলাকারী যুবক দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। ধস্তাধস্তির ফলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মুখ, গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাত ও ক্ষতের দাগ পড়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রাথমিক তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে। তবে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী অনিকার দেওয়া বিবরণ ও জবানবন্দির সাথে আটক ব্যক্তির চেহারার কোনো মিল না থাকায় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

এ বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ জানায়, “ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বর্ণনা অনুযায়ী মূল অপরাধীকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। দ্রুতই তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।”

ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিরাপত্তার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা অতি দ্রুত মূল অপরাধীকে গ্রেফতার এবং মেস এলাকায় স্থায়ী নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পাশে তারা রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছে।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।