মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

সরকারের সঙ্গে যাতে কোনোভাবে দল হারিয়ে না যায়: তারেক রহমান

প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান দলীয় নেতাদের নির্দেশ দিয়ে বলেছেন, সরকারের সঙ্গে কোনোভাবেই দলের স্বতন্ত্র পরিচয় হারিয়ে যেতে দেওয়া যাবে না। তার মতে, রাজনৈতিক দল ও সরকারের ভূমিকা আলাদা থাকা গণতন্ত্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। শনিবার (১ আগস্ট) রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে জয়পুরহাট ও নওগাঁ জেলা বিএনপির নেতাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক সাংগঠনিক বৈঠকে তিনি […]

সরকারের সঙ্গে যাতে কোনোভাবে দল হারিয়ে না যায়: তারেক রহমান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ আগস্ট ২০২৬, ১৩:১৩

প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান দলীয় নেতাদের নির্দেশ দিয়ে বলেছেন, সরকারের সঙ্গে কোনোভাবেই দলের স্বতন্ত্র পরিচয় হারিয়ে যেতে দেওয়া যাবে না। তার মতে, রাজনৈতিক দল ও সরকারের ভূমিকা আলাদা থাকা গণতন্ত্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

শনিবার (১ আগস্ট) রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে জয়পুরহাট ও নওগাঁ জেলা বিএনপির নেতাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক সাংগঠনিক বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

বৈঠকে তারেক রহমান বলেন, রাজনৈতিক দলের দায়িত্ব হলো সরকারের ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা করা এবং জনগণের কাছে সেসব উদ্যোগ তুলে ধরা। তবে দল যদি সরকারের সঙ্গে একাকার হয়ে যায়, তাহলে সরকার যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হবে, তেমনি দলেরও অস্তিত্ব সংকটে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হবে।

দলের সাংগঠনিক অবস্থা, তৃণমূলের কোন্দল, স্থানীয় সরকার নির্বাচন এবং সরকারের উন্নয়নমূলক কার্যক্রম নিয়ে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

বৈঠকে উপস্থিত এক নেতা জানান, শুরুতে তারেক রহমান স্থানীয় নেতাদের কাছ থেকে সাংগঠনিক পরিস্থিতির খোঁজ নেন। পরে তিনি দলের অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র বজায় রাখা, জনগণের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা এবং নীতি-আদর্শ থেকে বিচ্যুত না হওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, ক্ষমতার মোহে আদর্শ বিসর্জন দিলে দল তার ভিত্তি হারাবে।

তারেক রহমান আরও বলেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় দল ও সরকারের মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য থাকা প্রয়োজন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ক্ষমতাসীন দল ও সরকারের সম্পর্ক হওয়া উচিত রেললাইনের মতো—দুটি পাশাপাশি চলবে, কিন্তু একে অপরকে অতিক্রম করবে না। এই ভারসাম্য বজায় রাখতে পারলেই গণতন্ত্র শক্তিশালী হবে এবং দলও সুসংগঠিত থাকবে।

বৈঠকে নেতারা অভিযোগ করেন, সরকার গঠনের পর কিছু সুযোগসন্ধানী ব্যক্তি দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করছেন। কেউ কেউ প্রশাসনিক তদবির, টেন্ডার, নিয়োগ-বদলি কিংবা বিভিন্ন স্থানে প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছেন। এছাড়া হাট-বাজার, বাসস্ট্যান্ড ও ঘাট দখলের মতো কর্মকাণ্ডেও কিছু নেতাকর্মীর জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠে।

এ বিষয়ে কঠোর অবস্থান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছরের আন্দোলন-সংগ্রাম ও ত্যাগের পর জনগণের রায়ে বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে। দলের নাম ব্যবহার করে কেউ অনিয়ম বা অপকর্মে জড়ালে তার দায় দল নেবে না। এমন ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দ্রুত সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি আইনানুগ ব্যবস্থাও নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন তিনি।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে তারেক রহমান জনপ্রিয় ও গ্রহণযোগ্য প্রার্থী বাছাইয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি জানান, প্রার্থী নির্বাচনের দায়িত্ব প্রথমে থানা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতাদের দেওয়া হবে। সেখানে সমাধান না হলে বিষয়টি জেলা, পরে বিভাগীয় পর্যায়ে যাবে। প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। একই সঙ্গে একক প্রার্থী নির্ধারণে আগেভাগেই সমন্বয় গড়ে তোলার পরামর্শ দেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতের স্থানীয় সরকার নির্বাচন কোনোভাবেই অতীতের বিতর্কিত নির্বাচনী ব্যবস্থার মতো হবে না। জনগণের মতামতই নির্বাচনের প্রধান ভিত্তি হবে এবং অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে সরকার কঠোর অবস্থানে থাকবে।

বৈঠকে তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ বিরোধ দূর করে সাংগঠনিক ঐক্য জোরদারেরও আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচি, রাষ্ট্র সংস্কারের উদ্যোগ, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড এবং খাল খনন কর্মসূচির মতো কার্যক্রমের সুফল জনগণের কাছে তুলে ধরতে নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দেন তারেক রহমান।

জয়পুরহাট জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক মাসুদ রানা প্রধান জানান, এটি ছিল একটি সাংগঠনিক বৈঠক। এতে দলের সাংগঠনিক অবস্থা, স্থানীয় সরকার নির্বাচন এবং সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।

জাতীয়

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস। বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার […]

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ আগস্ট ২০২৬, ২২:২৬

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার ভোর চারটা ৫৬ মিনিটে গুলশান ডিপ্লোমাটিক এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে বারিধারা ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়।

ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট সেখানে গিয়ে দেখতে পায়, রুমে তেমন আগুন নেই তবে ধোয়া ছিল। পরে বালতি ও মগে করে পানি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়।

তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিস পূর্ণাঙ্গ চেক করে মেশিন দ্বারা ধোঁয়া বের করে ফেলে। প্রাথমিকভাবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানা যায় বাসায় টিভিতে বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে আগুনের সৃষ্টি হয়।

জানা যায়, আগুন নিয়ন্ত্রণের সময় এবং পর পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী মোটামুটি সুস্থ ছিলেন। তবে প্রচণ্ড ধোয়া সৃষ্টি হওয়ার কারণে তারা অসুস্থ হয়ে পড়লে সকাল ৯টার দিকে তাদের গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সন্ধ্যার পর কন্টিনেন্টাল হাসপাতালের অ্যাডমিশন বিভাগে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, আজ সকালে পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী হাসপাতালটিতে ভর্তি হয়েছেন। হাইকমিশনের স্ত্রী বর্তমানে ক্যাবিনে এবং হাইকমিশনার নিজে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।