সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

সব ধর্মের মানুষের অংশগ্রহণে দেশ গড়তে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী

ভেদাভেদ নয়, সব ধর্মের মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেই সরকার দেশ এগিয়ে নিতে চায় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, জনগণের সহযোগিতা পেলে পর্যায়ক্রমে সারা দেশে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি সম্প্রসারণ করা হবে। সোমবার (১৩ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে বরিশালের গৌরনদীতে জাতীয় বৃক্ষরোপণ ও খাল খনন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, দেশকে […]

সব ধর্মের মানুষের অংশগ্রহণে দেশ গড়তে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

ডেস্ক রিপোর্ট

১৩ জুলাই ২০২৬, ১১:৫০

ভেদাভেদ নয়, সব ধর্মের মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেই সরকার দেশ এগিয়ে নিতে চায় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, জনগণের সহযোগিতা পেলে পর্যায়ক্রমে সারা দেশে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি সম্প্রসারণ করা হবে।

সোমবার (১৩ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে বরিশালের গৌরনদীতে জাতীয় বৃক্ষরোপণ ও খাল খনন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, দেশকে সবুজ ও বাসযোগ্য রাখতে ব্যাপক বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি প্রতিটি গাছের যথাযথ পরিচর্যাও নিশ্চিত করতে হবে। একটি সন্তান যেমন বড় হয়ে উঠলে পরিবার আনন্দ পায়, তেমনি একটি গাছ বড় হয়ে উঠলেও একই ধরনের তৃপ্তি ও আনন্দ পাওয়া যায়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে প্রয়োজনের তুলনায় গাছের সংখ্যা কম। তাই আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে ২৫ কোটি বৃক্ষ রোপণের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার।

তিনি আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বৃষ্টিপাতের ধরনে পরিবর্তন এসেছে এবং আগের তুলনায় বৃষ্টির পরিমাণ বেড়েছে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় ব্যাপক বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। পাশাপাশি তিনি বলেন, দেশের উন্নয়নের দায়িত্ব দেশের মানুষকেই নিতে হবে; বাইরের কেউ এসে তা করে দেবে না।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির নতুন স্লোগান ঘোষণা করেন— “বৃক্ষ রোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।”

এর আগে একদিনের সরকারি সফরে সোমবার সকালে সড়কপথে বরিশালের উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী। সফরের অংশ হিসেবে তিনি গৌরনদীর বাটাজোর ইউনিয়নের নবখননকৃত সরিকল খালের পাড়, বরিশাল জেলা সদরের ত্রিশ গোডাউন বধ্যভূমি এলাকা এবং ত্রিশ গোডাউন সংলগ্ন সাগরদী এলাকায় পৃথক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন।

জাতীয়

মাদ্রাসা ছাত্ররা ভালোভাবে কোরআন শেখেনি বলেই আমরা ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারছিনা : শিক্ষামন্ত্রী

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার […]

নিউজ ডেস্ক

১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১৮:০৮

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক পদ খালি থাকলেও উপযুক্ত প্রার্থী পাওয়া যাচ্ছে না। তার মতে, অনেক শিক্ষার্থী কোরআনের যথাযথ জ্ঞান অর্জন করতে পারছে না এবং কওমি ধারার শিক্ষার্থীদের স্বীকৃত সমমানের ডিগ্রির অভাবও একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার এই সমস্যা দীর্ঘদিনের এবং এটি একদিনে তৈরি হয়নি। তিনি শিক্ষা সংস্কারে সরকারের প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া-এর সময়কার শিক্ষা উন্নয়নের কথাও উল্লেখ করেন।

নৈতিক শিক্ষার ঘাটতির বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন তিনি। তার মতে, পুঁথিগত শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার ওপর জোর না দিলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়।

এই প্রেক্ষাপটে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং যোগ্য শিক্ষক তৈরি ও নিয়োগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।