শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

২০২৫-২৬ অর্থবছরে রেমিট্যান্স সংগ্রহে শীর্ষে ইসলামী ব্যাংক; চমক দেখাল কৃষি ব্যাংক ও ব্র্যাক ব্যাংক 

নানা সংকটের মধ্যেও সদ্যসমাপ্ত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) সংগ্রহে শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছে ইসলামী ব্যাংক। তবে এবার সবচেয়ে বড় চমক দেখিয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, যা দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে এসেছে। এরপরেই তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ব্র্যাক ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকগুলোর নানা সংকটের মধ্যেও রেমিট্যান্স সংগ্রহে এককভাবে আধিপত্য ধরে রেখেছে ইসলামী ব্যাংক। […]

২০২৫-২৬ অর্থবছরে রেমিট্যান্স সংগ্রহে শীর্ষে ইসলামী ব্যাংক; চমক দেখাল কৃষি ব্যাংক ও ব্র্যাক ব্যাংক 

২০২৫-২৬ অর্থবছরে রেমিট্যান্স সংগ্রহে শীর্ষে ইসলামী ব্যাংক; চমক দেখাল কৃষি ব্যাংক ও ব্র্যাক ব্যাংক 

ডেস্ক রিপোর্ট

১০ জুলাই ২০২৬, ১০:৪২

নানা সংকটের মধ্যেও সদ্যসমাপ্ত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) সংগ্রহে শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছে ইসলামী ব্যাংক। তবে এবার সবচেয়ে বড় চমক দেখিয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, যা দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে এসেছে। এরপরেই তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ব্র্যাক ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকগুলোর নানা সংকটের মধ্যেও রেমিট্যান্স সংগ্রহে এককভাবে আধিপত্য ধরে রেখেছে ইসলামী ব্যাংক। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ব্যাংকটি মোট ৬.৮৮ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স সংগ্রহ করেছে।

সাধারণত কৃষি ঋণ বিতরণের জন্য পরিচিত কৃষি ব্যাংক এবার ৪.১০ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স সংগ্রহ করে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসে সবচেয়ে বড় চমক দেখিয়েছে। আর ২.৯৭ বিলিয়ন ডলার প্রবাসী আয় সংগ্রহ করে তৃতীয় স্থানটি নিজেদের করে নিয়েছে ব্র্যাক ব্যাংক।

এর আগে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৪.৯৭ বিলিয়ন ডলার সংগ্রহ করে রেমিট্যান্স তালিকার শীর্ষে ছিল ইসলামী ব্যাংক। সেবার ২.১১ বিলিয়ন ডলার সংগ্রহ করে চতুর্থ অবস্থানে ছিল কৃষি ব্যাংক, আর ২.০৫ বিলিয়ন ডলার নিয়ে পঞ্চম অবস্থানে ছিল ব্র্যাক ব্যাংক।

বাংলাদেশে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ব্যাংকিং চ্যানেলে রেকর্ড ৩৫.৫৯ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে—যা আগের অর্থবছরের ৩০.৩ বিলিয়ন ডলারের চেয়ে ১৭.৩ শতাংশ বেশি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, রপ্তানি আয় তুলনামূলক কম হওয়া সত্ত্বেও রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ার কারণে ক্রমবর্ধমান বাণিজ্য ঘাটতি সামাল দেওয়া এবং চলতি হিসাবের ঘাটতি কমিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।

তবে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের তুলনায় এবার প্রবৃদ্ধির গতি কিছুটা ধীর ছিল। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে রেমিট্যান্স প্রবাহে ২৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছিল, যা ছিল বিগত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ বার্ষিক বৃদ্ধি।

ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলতাফ হোসেন বলেন, গত অর্থবছরে ব্যাংকটি ৮৩ হাজার ৩৬৫ কোটি টাকার রেমিট্যান্স সংগ্রহ করেছে, যা দেশের মোট প্রবাসী আয়ের ১৯.৩৫ শতাংশ।

তিনি বলেন, ‘এই অসামান্য অর্জন আমাদের প্রবাসী গ্রাহকদের দীর্ঘদিনের আস্থা, বিশ্বাস এবং এই ব্র্যান্ডের প্রতি তাদের বিশ্বস্ততার সরাসরি প্রতিফলন।’

তিনি আরও বলেন, দেশের বৃহত্তম আন্তর্জাতিক এক্সচেঞ্জ হাউস নেটওয়ার্ক ও বৈশ্বিক সহযোগী অংশীদারদের সহায়তায় ব্যাংকটি তাদের বিস্তৃত শাখা, উপ-শাখা ও এজেন্ট আউটলেটের মাধ্যমে দেশব্যাপী রেমিট্যান্স সেবা দিয়ে যাচ্ছে।

গ্রাহকরা অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে রেমিট্যান্স গ্রহণ করতে পারেন। এছাড়া সেলফিন ও এমক্যাশ-এর মাধ্যমেও দ্রুত ডিজিটাল পদ্ধতিতে অর্থ পাওয়ার সুযোগ রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

প্রবাসীদের আরও উন্নত সেবা দেওয়ার জন্য সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), ওমান, কাতার, জর্ডান, দক্ষিণ কোরিয়া ও সিঙ্গাপুরসহ প্রধান প্রধান রেমিট্যান্স হাবগুলোতে ব্যাংকটির ২০ জন ডেডিকেটেড প্রতিনিধি রয়েছেন।

আলতাফ হোসেন বলেন, ‘আমাদের প্রবাসীদের কষ্টার্জিত অর্থ যেন নিরাপদে ও দ্রুততম সময়ে তাদের পরিবারের কাছে পৌঁছায়, তা নিশ্চিত করাই আমাদের ব্যাংকিং সেবার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।’

কৃষি ব্যাংকের আন্তর্জাতিক ও হিসাব বিভাগের প্রধান মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৫০ হাজার কোটি টাকারও বেশি রেমিট্যান্স সংগ্রহ করে ব্যাংকটি আরেকটি বড় মাইলফলক অর্জন করেছে।

তিনি বলেন, ‘এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে প্রবাসীদের অবিচল আস্থা, বিভিন্ন এক্সচেঞ্জ হাউসের সহযোগিতা এবং আমাদের সব পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সমন্বিত প্রচেষ্টা, নিষ্ঠা ও নিরলস পরিশ্রম।।’ এই সাফল্যের পেছনে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ভূমিকা ছিল বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

মোস্তাফিজুর আরও বলেন, প্রবাসীদের কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা অত্যন্ত সতর্কতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে সার, জ্বালানি, বিদ্যুৎসহ বিভিন্ন সরকারি আমদানি এবং অন্যান্য অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আমদানির অর্থায়নে ব্যবহার করছে কৃষি ব্যাংক।

‘আমরা সরকারের আমদানি ব্যয় পরিশোধে অন্যতম ভূমিকা রাখছি,’ বলেন তিনি।

২০২৫-২৬ অর্থবছরে ২.৯৭ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স সংগ্রহ করে তৃতীয় স্থানে উঠে আসা ব্র্যাক ব্যাংক ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ২.০৫ বিলিয়ন ডলার সংগ্রহ করেছিল।

অন্যান্য ব্যাংকের সংগ্রহ ১০.২২ বিলিয়ন ডলার

দেশের শীর্ষ রেমিট্যান্স সংগ্রহকারী ব্যাংকগুলোর মধ্যে চতুর্থ স্থানে রয়েছে ট্রাস্ট ব্যাংক। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ব্যাংকটি ২.৫০ বিলিয়ন ডলার প্রবাসী আয় দেশে এনেছে।

পঞ্চম ও ষষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে দুই রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক—অগ্রণী ব্যাংক ও জনতা ব্যাংক; ব্যাংক দুটির সংগ্রহ যথাক্রমে ২.৪৮ বিলিয়ন ডলার ও ২.০৮ বিলিয়ন ডলার।

বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মধ্যে সিটি ব্যাংক সংগ্রহ করেছে ১.১২ বিলিয়ন ডলার। এছাড়া ডাচ্-বাংলা ব্যাংক ১.০৯ বিলিয়ন ডলার, ইস্টার্ন ব্যাংক ১.০৭ বিলিয়ন ডলার ও পূবালী ব্যাংক ১.০৪ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স সংগ্রহে করে এর পরের অবস্থানে রয়েছে।

চলতি হিসাবের ঘাটতি কমাতে সাহায্য করছে রেমিট্যান্স

রেকর্ড প্রবাসী আয়ে ওপর ভর করে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে দেশের চলতি হিসাবের ঘাটতি উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। তবে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ওপর দুর্বল অভ্যন্তরীণ চাহিদার নেতিবাচক প্রভাব অব্যাহত রয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, জুলাই-মে সময়ে চলতি হিসাবের ঘাটতি কমে ৩০১ মিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৭৭৮ মিলিয়ন ডলার।

একটি দেশের পণ্য ও সেবার বাণিজ্য, আন্তঃসীমান্ত আয়ের প্রবাহ এবং রেমিট্যান্স ও বৈদেশিক সহায়তার মতো লেনদেনের হিসাবকে চলতি হিসাব বলা হয়।

নিট রিজার্ভ বেড়ে ২৭.৯২ বিলিয়ন ডলার

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, দেশের নিট আন্তর্জাতিক রিজার্ভ (এনআইআর) বেড়ে ২৭.৯২ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে যা সর্বনিম্ন ১৬.৭৭ বিলিয়ন ডলারে নেমে গিয়েছিল।

জোরালো রেমিট্যান্স প্রবাহ, তুলনামূলক স্থিতিশীল বিনিময় হার, বহুপাক্ষিক অর্থায়ন ও আমদানি ব্যয় কমে যাওয়ার কারণে রিজার্ভের এই পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম৬ পদ্ধতি অনুযায়ী, রিজার্ভের দায় বাদ দিয়ে নিট আন্তর্জাতিক রিজার্ভ গণনা করা হয়। একটি দেশের নিজস্ব মুদ্রা স্থিতিশীল রাখার এবং বৈদেশিক পেমেন্টের বাধ্যবাধকতা পূরণের সক্ষমতা যাচাইয়ের ক্ষেত্রে একে মূল সূচক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

জাতীয়

মাদ্রাসা ছাত্ররা ভালোভাবে কোরআন শেখেনি বলেই আমরা ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারছিনা : শিক্ষামন্ত্রী

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার […]

নিউজ ডেস্ক

১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১৮:০৮

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক পদ খালি থাকলেও উপযুক্ত প্রার্থী পাওয়া যাচ্ছে না। তার মতে, অনেক শিক্ষার্থী কোরআনের যথাযথ জ্ঞান অর্জন করতে পারছে না এবং কওমি ধারার শিক্ষার্থীদের স্বীকৃত সমমানের ডিগ্রির অভাবও একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার এই সমস্যা দীর্ঘদিনের এবং এটি একদিনে তৈরি হয়নি। তিনি শিক্ষা সংস্কারে সরকারের প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া-এর সময়কার শিক্ষা উন্নয়নের কথাও উল্লেখ করেন।

নৈতিক শিক্ষার ঘাটতির বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন তিনি। তার মতে, পুঁথিগত শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার ওপর জোর না দিলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়।

এই প্রেক্ষাপটে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং যোগ্য শিক্ষক তৈরি ও নিয়োগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।