মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

খেলা

বিশ্বকাপের মাঝেই এফবিআইয়ের তদন্তের মুখে আর্জেন্টিনা ফুটবল সংস্থা

চলমান ফিফা বিশ্বকাপে শিরোপা ধরে রাখার লড়াইয়ে ব্যস্ত ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। ঠিক এই সময়েই মাঠের বাইরে এক বড় বিতর্কের ঘূর্ণিপাকে পড়েছে বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম শক্তিশালী এই সংস্থাটি। আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে, যা নিয়ে তদন্তে নেমেছে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই) ও দেশটির ফেডারেল কৌঁসুলিরা। একাধিক আন্তর্জাতিক […]

বিশ্বকাপের মাঝেই এফবিআইয়ের তদন্তের মুখে আর্জেন্টিনা ফুটবল সংস্থা

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫৯

চলমান ফিফা বিশ্বকাপে শিরোপা ধরে রাখার লড়াইয়ে ব্যস্ত ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। ঠিক এই সময়েই মাঠের বাইরে এক বড় বিতর্কের ঘূর্ণিপাকে পড়েছে বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম শক্তিশালী এই সংস্থাটি। আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে, যা নিয়ে তদন্তে নেমেছে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই) ও দেশটির ফেডারেল কৌঁসুলিরা।

একাধিক আন্তর্জাতিক প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রে এএফএর ব্যবসায়িক কার্যক্রমকে ঘিরেই এই তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্তে খতিয়ে দেখা হচ্ছে, কীভাবে কয়েক শ মিলিয়ন ডলার আমেরিকার আর্থিক ব্যবস্থার ভেতর দিয়ে লেনদেন হয়েছে এবং সেসব লেনদেনে দেশটির প্রচলিত আইন লঙ্ঘন করা হয়েছে কি না।

কার্লোস তাপিয়ার নেতৃত্বাধীন এএফএ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আর্জেন্টাইন ফুটবলের সবচেয়ে সফল অধ্যায় পার করছে, যার মধ্যে ২০২২ ও ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ মিশন অন্যতম। আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যম ‘লা নাসিওন’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, তদন্তকারীরা মূলত যুক্তরাষ্ট্রে ফেডারেশনের ব্যবসায়িক কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বাণিজ্যিক চুক্তি ও আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি পর্যালোচনা করছেন।

গত এক বছরে আর্জেন্টাইন ফুটবলে ঘটে যাওয়া একাধিক আইনি ও আর্থিক বিতর্কের ধারাবাহিকতায় এই তদন্তের বিষয়টি সামনে এলো। এর আগে গত ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ‘সুর ফিনানজাস’ নামের একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট পৃথক এক মানি লন্ডারিং ও কর ফাঁকির অভিযোগে এএফএ সদর দপ্তর ও দেশটির বেশ কয়েকটি ক্লাবে অভিযান চালিয়েছিল আর্জেন্টিনার কর্তৃপক্ষ।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন তদন্তকারীরা প্রায় ৩০ কোটি (৩০০ মিলিয়ন) ডলার ছাড়িয়ে যাওয়া বিভিন্ন লেনদেন খতিয়ে দেখছেন। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক স্পনসরশিপ ও মিডিয়া স্বত্ব থেকে অর্জিত রাজস্ব ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকাও তদন্তের আওতায় রয়েছে। ইতোমধ্যে ফেডারেল তদন্তকারীদের কাছে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন সাক্ষী তাঁদের বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে এই মুহূর্ত পর্যন্ত এএফএর বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক কোনো ফৌজদারি অভিযোগ দায়ের করা হয়নি এবং তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এসব অভিযোগের কোনো প্রভাব চলমান বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার অংশগ্রহণের ওপর পড়েনি। মাঠের লড়াইয়ে লিওনেল মেসির নেতৃত্বাধীন দলটি এখনো টুর্নামেন্টের অন্যতম ফেভারিট হিসেবেই এগিয়ে চলেছে।

তবে ঘটনাটি সামনে আসার সময়টি বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ কোয়ার্টার-ফাইনালের মহারণের জন্য আর্জেন্টিনা যখন মাঠে চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিচ্ছে, ঠিক তখনই মাঠের বাইরের এসব খবর ক্রমেই জোরালো হয়ে উঠছে। বছরের পর বছর ধরে ট্রফি জয় ও বৈশ্বিক সাফল্য উদযাপন করে আসা এই ফেডারেশনের বিরুদ্ধে এফবিআইয়ের তদন্তের বিষয়টি সামনে আসায় সংস্থাটির সুশাসন ও আর্থিক স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কর্তৃপক্ষ চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগ পর্যন্ত এই প্রশ্নগুলো আলোচনার কেন্দ্রেই থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

খেলা

সাংবাদিকরা ব্রাজিলের ফুটবলারদের অসুস্থ করে ফেলছে: নেইমার

ব্রাজিলিয়ান তারকা ফুটবলার নেইমার জুনিয়র আবারও দেশটির সংবাদমাধ্যমের কঠোর সমালোচনা করেছেন। তার অভিযোগ, ভিত্তিহীন সংবাদ ও গুজব ছড়িয়ে সাংবাদিকরা খেলোয়াড়দের মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে তুলছেন। সোমবার (৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় নেইমার জুনিয়র প্রজেক্ট ইনস্টিটিউটের ষষ্ঠ বার্ষিক নিলাম অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই ব্রাজিলের গণমাধ্যমের ওপর ক্ষুব্ধ নেইমার। বিশ্বকাপ থেকে ফেরার পর […]

সাংবাদিকরা ব্রাজিলের ফুটবলারদের অসুস্থ করে ফেলছে: নেইমার

ছবি সংগৃহীত

ডেস্ক রিপোর্ট

০৪ আগস্ট ২০২৬, ১৩:১৩

ব্রাজিলিয়ান তারকা ফুটবলার নেইমার জুনিয়র আবারও দেশটির সংবাদমাধ্যমের কঠোর সমালোচনা করেছেন। তার অভিযোগ, ভিত্তিহীন সংবাদ ও গুজব ছড়িয়ে সাংবাদিকরা খেলোয়াড়দের মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে তুলছেন।

সোমবার (৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় নেইমার জুনিয়র প্রজেক্ট ইনস্টিটিউটের ষষ্ঠ বার্ষিক নিলাম অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই ব্রাজিলের গণমাধ্যমের ওপর ক্ষুব্ধ নেইমার। বিশ্বকাপ থেকে ফেরার পর তাকে নিয়ে ক্যাসিনোতে যাওয়ার খবর প্রকাশ এবং পরে সান্তোসে ফেরার পর ড্রেসিংরুমের বিভিন্ন ঘটনা গণমাধ্যমে আসার পর থেকেই এই অসন্তোষ আরও বেড়েছে।

তবে এসব খবরকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন নেইমার। তিনি দাবি করেন, সান্তোসের ড্রেসিংরুমে সতীর্থদের সঙ্গে তার সম্পর্ক অত্যন্ত ভালো এবং প্রচারিত অনেক খবরই বাস্তবতার সঙ্গে মেলে না।

অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের উদ্দেশে নেইমার বলেন, ‘আমার মনে হয় ব্রাজিলের একটি বড় অংশের সংবাদমাধ্যম ফুটবলারদের অসুস্থ করে ফেলছে। এটা এমন একটি পেশা, যা সবচেয়ে বেশি পরিচিত, আবার সবচেয়ে বেশি আক্রমণেরও শিকার। তাই কী প্রকাশ করা হচ্ছে, সে বিষয়ে আরও দায়িত্বশীল হওয়া উচিত। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই যা প্রকাশ করা হয়, তা সত্য নয়। এতে খেলোয়াড়, তাদের পরিবার, ভক্ত এবং ক্যারিয়ার—সবকিছুর ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি শুধু অনুরোধ করব, বানানো বা যাচাই না করা তথ্য প্রকাশের আগে আরও সতর্ক থাকুন। কারণ এভাবে চলতে থাকলে অনেক ফুটবলার মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে।’

খেলোয়াড়দের মানসিক স্বাস্থ্যের গুরুত্ব তুলে ধরে নেইমার বলেন, ‘একজন পেশাদার ফুটবলারের মানসিক শক্তি থাকা প্রয়োজন। আমার নিজের মানসিকতা হয়তো অনেক দৃঢ়, কিন্তু সবার ক্ষেত্রে তা এক নয়। কেউ বেশি আঘাত পায়, কেউ কম। তাই হাতে মাইক্রোফোন থাকলেই যা খুশি বলা ঠিক নয়। পরদিন যদি সেই খবর মিথ্যা প্রমাণিত হয়, তখন আর কেউ সেটি সংশোধনও করে না। এ ধরনের আচরণ একসময় সীমা ছাড়িয়ে যায়।’

সম্প্রতি নেইমারকে ঘিরে প্রকাশিত একাধিক প্রতিবেদনের প্রেক্ষাপটেই তার এই মন্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

খেলা

আমি দেশে ফিরলে ঢাকা শহর অচল হয়ে যাবে: সাকিব আল হাসান

নিজের দেশে ফেরা এবং তারকাখ্যাতি (স্টারডম) নিয়ে সম্প্রতি এমন একটি বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক ও রাজনীতিবিদ সাকিব আল হাসান। সম্প্রতি গণমাধ্যম ক্রিকফ্রেঞ্জির (Cricfrenzy) সাথে এক সাক্ষাৎকারে দেশে ফেরার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি এই বক্তব্য দেন। সাকিব আল হাসান মনে করেন, তিনি দেশে ফিরলে ভক্ত-সমর্থকদের মাঝে যে অভূতপূর্ব আলোড়ন তৈরি হবে, তাতে ঢাকা […]

আমি দেশে ফিরলে ঢাকা শহর অচল হয়ে যাবে: সাকিব আল হাসান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৮ জুলাই ২০২৬, ১৯:৪৯

নিজের দেশে ফেরা এবং তারকাখ্যাতি (স্টারডম) নিয়ে সম্প্রতি এমন একটি বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক ও রাজনীতিবিদ সাকিব আল হাসান।

সম্প্রতি গণমাধ্যম ক্রিকফ্রেঞ্জির (Cricfrenzy) সাথে এক সাক্ষাৎকারে দেশে ফেরার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি এই বক্তব্য দেন।

সাকিব আল হাসান মনে করেন, তিনি দেশে ফিরলে ভক্ত-সমর্থকদের মাঝে যে অভূতপূর্ব আলোড়ন তৈরি হবে, তাতে ঢাকা শহর থমকে বা অচল হয়ে যেতে পারে। তার মতে, এই বিশাল জনসমাগম বা গণরিয়েকশনের ভয়েই অনেকে তাকে দেশে ফিরতে দিতে চাচ্ছেন না।

বর্তমানে তিনি আশাবাদী যে খুব দ্রুতই (হতে পারে আগামী মাসগুলোতে) পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তিনি দেশে ফিরবেন, আদালতে মামলার আইনি লড়াই লড়বেন এবং বাংলাদেশ দলের জার্সি গায়ে মাঠ থেকে সম্মানজনক বিদায় নেবেন।

খেলা

‘বাংলাদেশ খুবই নিরাপদ একটি দেশ, আশা করি ভারত আসবে’: তামিম ইকবাল

সবকিছু ঠিক থাকলে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলতে আগামী ২৮ আগস্ট তিনটি ওয়ানডে ও তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচের সিরিজ খেলতে বাংলাদেশে আসার কথা রয়েছে ভারতীয় দলের। গত বছর এই সিরিজটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে তা স্থগিত করা হয়। নতুন করে সূচি ঘোষণার পরও দুই দেশের বোর্ডের তরফ থেকে চূড়ান্ত বিবৃতি না আসায় অনিশ্চয়তা থেকেই […]

‘বাংলাদেশ খুবই নিরাপদ একটি দেশ, আশা করি ভারত আসবে’: তামিম ইকবাল

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩০ জুলাই ২০২৬, ২০:২৬

সবকিছু ঠিক থাকলে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলতে আগামী ২৮ আগস্ট তিনটি ওয়ানডে ও তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচের সিরিজ খেলতে বাংলাদেশে আসার কথা রয়েছে ভারতীয় দলের।

গত বছর এই সিরিজটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে তা স্থগিত করা হয়। নতুন করে সূচি ঘোষণার পরও দুই দেশের বোর্ডের তরফ থেকে চূড়ান্ত বিবৃতি না আসায় অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে।

গতকাল বুধবার মিরপুরে বোর্ড মিটিং শেষে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি তামিম ইকবাল সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) সঙ্গে আমাদের নিয়মিত বার্তা আদান-প্রদান হচ্ছে। আমরা সবদিক থেকেই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আমি খুব আশাবাদী তারা আসবে, কারণ বাংলাদেশ অত্যন্ত নিরাপদ একটি দেশ।’

জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল আরও বলেন, ‘আমাদের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তবে আমি বিসিবি সভাপতি হলেও আমার কাজের একটা নির্দিষ্ট আইনি সীমা আছে, যা অতিক্রম করা সম্ভব নয়। দায়িত্বের জায়গা থেকে ভারতীয় ক্রিকেট নেতৃত্বের কাছে এই সিরিজের গুরুত্ব ও নানা দিক তুলে ধরছি। কিন্তু বেশ কিছু বিষয় চূড়ান্ত হওয়া সম্পূর্ণ আমার নিয়ন্ত্রণের বাইরে।’

বিসিবি সভাপতি যোগ করেন, ‘এখন পর্যন্ত যত দূর কথা হয়েছে, দৃষ্টিভঙ্গি বেশ ইতিবাচক। তবে সিদ্ধান্ত যা-ই হোক, তা দ্রুত আসা প্রয়োজন। আশা করছি আর দীর্ঘায়িত হবে না। সফরটি অনুষ্ঠিত হবে কি হবে না, সে বিষয়ে খুব শিগগিরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যাবে।’

ভারত আসলে পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুসারে ১, ৩ ও ৬ সেপ্টেম্বর তিনটি ওয়ানডে আর ৯, ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে ভারতীয় ক্রিকেট দল।