শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মুখর নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়

আবু তাহের, জাককানইবি ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ ঘিরে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এখন উৎসবের আমেজ। প্রিয় দলের প্রতি সমর্থন জানাতে শিক্ষার্থীরা মিছিল, পতাকা প্রদর্শন, জার্সি পরিধান এবং বড় পর্দায় খেলা দেখার আয়োজনের মাধ্যমে বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মেতে উঠেছেন। ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা সমর্থকদের বিভিন্ন আয়োজন ক্যাম্পাসজুড়ে সৃষ্টি করেছে উৎসবমুখর পরিবেশ। বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার পর থেকেই […]

নিউজ ডেস্ক

২০ জুন ২০২৬, ২০:৫৮

আবু তাহের, জাককানইবি

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ ঘিরে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এখন উৎসবের আমেজ। প্রিয় দলের প্রতি সমর্থন জানাতে শিক্ষার্থীরা মিছিল, পতাকা প্রদর্শন, জার্সি পরিধান এবং বড় পর্দায় খেলা দেখার আয়োজনের মাধ্যমে বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মেতে উঠেছেন।

ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা সমর্থকদের বিভিন্ন আয়োজন ক্যাম্পাসজুড়ে সৃষ্টি করেছে উৎসবমুখর পরিবেশ।

বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন আবাসিক হল ও বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে খেলা নিয়ে আলোচনা, ভবিষ্যদ্বাণী এবং প্রিয় দলের জয়-পরাজয় নিয়ে চলছে প্রাণবন্ত বিতর্ক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও নিজেদের সমর্থনের কথা জানাচ্ছেন তারা।

কেউ প্রিয় দলের জার্সি পরে ঘুরছেন, আবার কেউ ক্যাম্পাসে পতাকা টানিয়ে বিশ্বকাপের আবহ ছড়িয়ে দিচ্ছেন।

শিক্ষার্থীদের একসঙ্গে খেলা উপভোগের সুযোগ করে দিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে টিএসসিতে এলইডি স্ক্রিনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেখানে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলো সরাসরি সম্প্রচার করা হচ্ছে। প্রতিদিন বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে টিএসসি যেন এক মিলনমেলায় পরিণত হচ্ছে।

এছাড়া বিশ্বকাপ উপলক্ষে বিদ্রোহী হল প্রশাসনও গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলো বড় পর্দায় দেখার ব্যবস্থা করেছে। এতে হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা একসঙ্গে খেলা উপভোগ করার সুযোগ পাচ্ছেন। হল প্রশাসনের পক্ষ থেকে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশ বজায় রেখে খেলা উপভোগ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

দলের প্রতি ভালোবাসা ও সমর্থনকে আরও সুসংগঠিত করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্জেন্টিনা ফ্যান ক্লাব ও ব্রাজিল ফ্যান ক্লাব আগামী চার বছরের জন্য বিভিন্ন আবাসিক হল ও বিভাগভিত্তিক কমিটি ঘোষণা করেছে। বিশ্বকাপকে ঘিরে সমর্থকদের এই সংগঠিত কার্যক্রম ক্যাম্পাসের ফুটবল উন্মাদনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

এরই মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় গেটে ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬ কে ঘিরে ব্রাজিল সমর্থকরা একেছেন নেইমারের গ্রাফিতি ও করেছেন আনন্দ মিছিল।

ব্রাজিল সমর্থকদের আনন্দ মিছিলের পর প্রায় ২০০ ফুট দীর্ঘ আর্জেনটিনার পতাকা নিয়ে পাল্টা শোডাউন করেছেন আর্জেন্টিনা সমর্থকরা। এসব আয়োজনে অংশ নিয়েছেন কয়েক শতাধিক শিক্ষার্থী। প্রিয় দলের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশে তাদের স্লোগান, গান ও উচ্ছ্বাস ক্যাম্পাসে ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে।

শিক্ষার্থীরা বলছেন, ফুটবল বিশ্বকাপ শুধু একটি খেলা নয়, এটি তাদের কাছে মিলনমেলা ও আনন্দের উপলক্ষ। একসঙ্গে খেলা উপভোগের মাধ্যমে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বন্ধুত্ব ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও দৃঢ় হচ্ছে। বিশ্বকাপকে ঘিরে আগামী দিনগুলোতে ক্যাম্পাসে এই উৎসবের আমেজ আরও বাড়বে বলে মনে করছেন তারা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও ব্রাজিল সমর্থক ইশরাত জান্নাত বলেন, বিশ্বকাপ শুরু হলে চারদিকে ফুটবল নিয়ে আলোচনা, বন্ধুদের উচ্ছ্বাস আর প্রিয় দলের জার্সি পরা মিলিয়ে এক উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে এটি আমার দ্বিতীয় বিশ্বকাপ, তাই অনুভূতি ও প্রত্যাশা আরও বেশি।

ছোটবেলা থেকেই ব্রাজিলের ছন্দময় খেলা, দৃষ্টিনন্দন ফুটবল ও আক্রমণাত্মক স্টাইল আমাকে ভীষণভাবে আকর্ষণ করে। এবারও আশা করি ব্রাজিল ভালো খেলবে এবং বিশ্বকাপ জয়ের লড়াইয়ে নিজেদের সেরাটা দেবে।

আর্জেনটিনা সমর্থক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নওশাদ আল সাইম বলেন, ২০২৬ বিশ্বকাপেও বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার প্রতি আমার অনেক আশা রয়েছে। এনজো ফার্নান্দেজ, অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার ও লাউতারো মার্টিনেজদের নিয়ে দলটি শক্তিশালী হলেও মেসির উত্তরসূরি তৈরি করা বড় চ্যালেঞ্জ।

ছাত্রজীবনের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে হয়তো এটাই বন্ধুদের সঙ্গে ক্যাম্পাসে বিশ্বকাপ উদযাপনের শেষ সুযোগ। তাই চাই, প্রিয় দলের সাফল্যের পাশাপাশি বিশ্বকাপের আনন্দ সবাই সুস্থ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে উপভোগ করুক। আর একজন ফুটবলপ্রেমী বাংলাদেশি হিসেবে স্বপ্ন দেখি, একদিন লাল-সবুজের জার্সি গায়েও বিশ্বকাপের মঞ্চে খেলতে দেখব বাংলাদেশকে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও স্পেন সমর্থক সাহাবির হোসেন সাব্বির বলেন, বিশ্বকাপের সময় ক্যাম্পাসের পরিবেশ একেবারে বদলে যায়। রাত জেগে খেলা দেখার পরও সকালে সবাই ক্লাসে আসে শুধু ম্যাচ নিয়ে আলোচনা করার জন্য।

আমি একজন স্পেনের সমর্থক। ২০১০ সালের ট্রফি জয়ের পর দীর্ঘদিন স্পেনের বিশ্বকাপ পথচলা কিছুটা মলিন ছিল। কিন্তু ২০২৪ সালের ইউরো জয় নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শিখিয়েছে। লুইস দে লা ফুয়েন্তের অধীনে মাঝমাঠের রদ্রি, আর আক্রমণভাগের লামিন ইয়ামাল ও গতিময় নিকো উইলিয়ামসের হাত ধরে এই দলটা দ্বিতীয় বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হবে এমনটাই প্রত্যাশা।

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। […]

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ২৩:০১

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ অফিসার শাম্মি আক্তার রুমি এবং বাংলালিংকের ইন্টার্ন (এইচআর) নোমান কিবরিয়া। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম জনি।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের কেস সমাধানের কৌশল, কৌশলগত চিন্তাভাবনা, সমস্যা সমাধান এবং কাঠামোবদ্ধ বিশ্লেষণ বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি শিহাব সারওয়ার বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বড় কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করার স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীরই থাকে। সেই পথে বিজনেস কেস কম্পিটিশনের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই লক্ষ্যেই আমরা সেমিনারটি আয়োজন করেছি যাতে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতে পারে। আশা করছি শিক্ষার্থীরা ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টের কাছ থেকে সরাসরি শেখার সুযোগ পেয়েছে।’

উল্লেখ্য, সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ২৫০ জনের অধিক শিক্ষার্থীঅংশ নেন।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।