কয়রা প্রতিনিধি :কয়রা সদর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও কয়রা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম বাহিরুল ইসলাম ও বর্তমান কয়রা সদর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এস এম লুৎফর রহমান সহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি লুটপাট ভাঙচুর মারপিট সহ নানা অপরাধের অভিযোগ কয়রা জুটিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন সদর ইউনিয়নের চার নম্বর কয়রা গ্রামের বাসিন্দ নুরুল ইসলামের পুত্র মোস্তাফিজুর রহমান কয়রা জুটিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে লুটপাট,ভাঙচুর, চাঁদাবাজি সহ নানা অপরাধের বিষয় উল্লেখ করে অভিযোগটি দাখিল করে। যাহা সি আর ৬৪৫ /২৪ তারিখ ৪/১২/২৪।
উক্ত অভিযোগে কয়রা সদর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান এস এম বাহারুল ইসলামকে ও কয়রা সদর ইউনিয়নের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এসএম লুৎফর রহমানকে প্রধান আসামি করে মামলা করা হয়।
এ মামলায় অন্যান্য আসামিরা হলেন মঠবাড়ি গ্রামের মৃত আদম মোড়লের পুত্র অহিদ মোড়ল, চার নম্বর কয়রা গ্রামের মৃত রহিম সরদারের পুত্র জিহাদ আলী সরদার, আটরা গ্রামের মৃত ইসহাক আলি মোড়লের পুত্র মিজানুর রহমান এক নম্বর কয়রা গ্রামের মৃত শহর আলীর পুত্র তৌফিক ই হান্নান, মঠবাড়ী গ্রামের ফজল মোড়লের পুত্র আল আমিন ও মৃত আদম মোড়লের পুত্র আছাফুর মোড়ল, তেঁতুলতলা গ্রামের মৃত বড়দা সদরের পুত্র বিজয় সরদার, আবুল ফজল মোড়লের পুত্র লিটন মোড়ল,মদিনাবদ গ্রামের মফিজ গাজীর পুত্র রোকনুজ্জামান কাজল ,গোবরা গ্রামের মৃত আমিরুল ঢালীর পুত্র ইখতিয়ার উদ্দিন হিরো, মঠবাড়ী গ্রামের মাদার মোড়লের পুত্র জলিল মোড়ল, ইসলামপুর গ্রামের জমির গাইনের পুত্র জিয়াউর রহমান, বানিয়াখালি গ্রামের সোবহান শিকারির পুত্র আফজাল শিকারি,মদিনাবাদ গ্রামের বেলায়েত সানার পুত্র মাসুম বিল্লাহ, মঠবাড়ি গ্রামের মৃত ওমর মোল্লার পুত্র আনিস মোল্লা, ৪ নম্বর কয়রা গ্রামের জিয়াদ সরদারের পুত্র মুস্তাফিজুর, মঠবাড়ী গ্রামের লুৎফর মোল্লার পুত্র আনারুল মোল্লা, মঠবাড়ি গ্রামের গফফার গাজীর পুত্র এমদাদুল গাজী, মুসা সরদারের পুত্র আনিসির সদ্দার, দুই নম্বর কয়রা গ্রামের শফিকুল সানার পুত্র শহিদুল সানা,মহারাজপুর গ্রামের মৃত কেরামত মোল্লার পুত্র খাইরুল আলম, নারায়ণপুর গ্রামের মোক্তার সরদারের পুত্র আবু সাঈদ , মৃত সবেদ আলী মাস্টারের পুত্র রবিউল ইসলাম সানা, বাঁশখালী গ্রামের শারমিন রায় দের বিরুদ্ধে গত ইংরেজি ১২ /১ /২০১৩ তারিখ বিকাল ৩:৩০ মিনিটের দিকে ৪ নম্বর কয়রা সুন্দরবন যুব সংঘের তৎকালীন সাংগঠনিক সম্পাদক রাজনৈতিকভাবে বিএনপি সংগঠনের সাথে জড়িত থাকার কারণে উপরোক্ত আসামিগণ বাদীর ক্লাব ঘর ভাঙচুর সহ তার উপর হামলা করে এবং চাঁদা দাবি করে। নিরুপায় হয়ে তার কাছে থাকা পাঁচ হাজার টাকা তাদেরকে প্রদান করে।
বাদীর দাবি আসামিগণ অত্যন্ত দুর্দান্ত প্রকৃতির আওয়ামী লীগ সরকার দলীয় লোক হওয়ায় ক্ষমতার দাপটে গত প্রায় এক যুগ এ ব্যাপারে অভিযোগ করতে সাহস পায়নি। বর্তমান নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে দেশ চলমান থাকায় সুবিচারের লক্ষ্যে অভিযোগটি বাদী আদালতে দাখিল করেছে।
এ ব্যাপারে তদন্তপূর্বক ন্যায় বিচার প্রত্যাশা করছে ক্ষতিগ্রস্ত বাদী ও সাক্ষী গণ।