মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

খেলা

ভিনিসিয়ুসের গোলে হার এড়াল ব্রাজিল

ব্রাজিল ও মরক্কোর মধ্যকার রোমাঞ্চকর লড়াইয়ের ফলাফল যেন আগেই লেখা ছিল—কেউ হারার যোগ্য নয়, আবার কেউ জেতারও নয়। শেষ পর্যন্ত মেটলাইফ স্টেডিয়ামে দুই দলের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই ১-১ গোলের সমতায় শেষ হয়েছে। বিশ্বকাপের এই উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে ছিল আক্রমণ, পাল্টা আক্রমণ, দুর্দান্ত গতি এবং নাটকীয়তা। বলের দখল প্রায় সমান ভাগে ভাগ হয়েছে দুই দলের মধ্যে। ব্রাজিলের দখলে […]

ভিনিসিয়ুসের গোলে হার এড়াল ব্রাজিল

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুন ২০২৬, ০৬:৫৮

ব্রাজিল ও মরক্কোর মধ্যকার রোমাঞ্চকর লড়াইয়ের ফলাফল যেন আগেই লেখা ছিল—কেউ হারার যোগ্য নয়, আবার কেউ জেতারও নয়। শেষ পর্যন্ত মেটলাইফ স্টেডিয়ামে দুই দলের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই ১-১ গোলের সমতায় শেষ হয়েছে।

বিশ্বকাপের এই উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে ছিল আক্রমণ, পাল্টা আক্রমণ, দুর্দান্ত গতি এবং নাটকীয়তা। বলের দখল প্রায় সমান ভাগে ভাগ হয়েছে দুই দলের মধ্যে। ব্রাজিলের দখলে ছিল ৫১ শতাংশ বল, আর মরক্কোর ৪৯ শতাংশ। গোলে নেওয়া শটের সংখ্যাতেও ছিল সামান্য ব্যবধান।

তবে সুযোগ নষ্টের হিসেবে কিছুটা এগিয়ে ছিল মরক্কো। একই সঙ্গে কম হলুদ কার্ড দেখায় গ্রুপ ‘সি’-তে ব্রাজিলকে পেছনে ফেলে শীর্ষস্থানও ধরে রেখেছে আফ্রিকার চ্যাম্পিয়নরা।

প্রথমার্ধে দুই দলই ছিল দারুণ ছন্দে। আক্রমণাত্মক ফুটবল আর দ্রুতগতির খেলায় দর্শকদের মন জয় করে নেয় তারা। সুযোগ তৈরি, আক্রমণের ধার ও আত্মবিশ্বাস—সবদিক থেকেই ব্রাজিলকে চাপে রেখেছিল মরক্কো।

এরই ধারাবাহিকতায় ২১তম মিনিটে এগিয়ে যায় তারা। ব্রাহিম দিয়াজের নিখুঁত থ্রু পাস ধরে দুই ব্রাজিলিয়ান সেন্টার-ব্যাকের মাঝ দিয়ে এগিয়ে যান ইসমাইল সাইবারি। সামনে এগিয়ে আসা গোলরক্ষক অ্যালিসনকে পরাস্ত করে দারুণ এক চিপ শটে বল জালে জড়ান মরক্কোর এই মিডফিল্ডার।

গোল হজমের পর কিছুটা এলোমেলো হয়ে পড়ে ব্রাজিল। তবে বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম শক্তিধর দলটি দ্রুতই ঘুরে দাঁড়ায়। ৩২তম মিনিটে বাঁ প্রান্ত দিয়ে মরক্কোর ডি-বক্সে ঢুকে এক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে অসাধারণ শটে সমতাসূচক গোল করেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। তার এই গোলেই ম্যাচে ফেরে সেলেসাওরা।

বিরতির পর ম্যাচের গতি কিছুটা কমলেও গোলের খোঁজে মরিয়া ছিল দুই দলই। একাধিক সুযোগ তৈরি করে ব্রাজিল, কিন্তু শেষ মুহূর্তের ব্যর্থতায় এগিয়ে যেতে পারেনি। বিশেষ করে রাফিনহা একা গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনোর মুখোমুখি হয়েও সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি।

অন্যদিকে যোগ করা সময়ে নিল এল আইনাউইয়ের নিচু শট দুর্দান্ত দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন অ্যালিসন। তার সেই সেভই শেষ পর্যন্ত ব্রাজিলকে অন্তত এক পয়েন্ট এনে দেয়।

শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে ১-১ গোলের সমতায় শেষ হয় ম্যাচ। ফলে বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ এই লড়াইয়ে পয়েন্ট ভাগাভাগি করেই মাঠ ছাড়তে হয়েছে দুই দলকে।

খেলা

ফাইনালের আগে ইয়ামালকে নিয়ে স্পেন শিবিরে দুঃসংবাদ

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে লড়াইয়ের প্রস্তুতি শুরু করেছে স্পেন। ফ্রান্সকে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করার পর বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) প্রথম অনুশীলন সেশনে মাঠে নামে লা রোজারা। তবে দলের দুই গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলার লামিনে ইয়ামাল ও পেদ্রো পোরোকে মূল অনুশীলনে দেখা যায়নি। স্প্যানিশ কোচিং স্টাফ জানিয়েছে, টানা ম্যাচ খেলার ফলে পেশিতে অতিরিক্ত চাপ অনুভব করায় সতর্কতামূলক […]

ফাইনালের আগে ইয়ামালকে নিয়ে স্পেন শিবিরে দুঃসংবাদ

ফাইনালের আগে ইয়ামালকে নিয়ে স্পেন শিবিরে দুঃসংবাদ

ডেস্ক রিপোর্ট

১৭ জুলাই ২০২৬, ১১:২৯

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে লড়াইয়ের প্রস্তুতি শুরু করেছে স্পেন। ফ্রান্সকে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করার পর বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) প্রথম অনুশীলন সেশনে মাঠে নামে লা রোজারা। তবে দলের দুই গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলার লামিনে ইয়ামাল ও পেদ্রো পোরোকে মূল অনুশীলনে দেখা যায়নি।

স্প্যানিশ কোচিং স্টাফ জানিয়েছে, টানা ম্যাচ খেলার ফলে পেশিতে অতিরিক্ত চাপ অনুভব করায় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে দুজনকে বিশ্রামে রাখা হয়েছে। নিউইয়র্ক রেড বুলসের ট্রেনিং সেন্টারে দলের অন্য সদস্যরা অনুশীলনে অংশ নিলেও ইয়ামাল ও পোরো আলাদাভাবে ফিটনেস নিয়ে কাজ করেছেন।

বিশেষভাবে আলোচনায় এসেছে ইয়ামালের শারীরিক অবস্থা। অনুশীলনের সময় তার বাম উরুতে ইলাস্টিক ব্যান্ডেজ দেখা গেছে। মৌসুমের শেষ দিকে বার্সেলোনার হয়ে খেলতে গিয়ে ওই উরুতেই চোট পেয়েছিলেন স্পেনের এই তরুণ তারকা।

সেই চোটের প্রভাবেই বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে কেপ ভার্দের বিপক্ষে শুরুর একাদশে জায়গা হয়নি ইয়ামালের। এরপর ধীরে ধীরে তাকে পুরোপুরি ম্যাচ ফিট করে তোলা হয়। গ্রুপ পর্বের প্রথম চার ম্যাচে সম্ভাব্য ৩৬০ মিনিটের মধ্যে তিনি খেলেছেন ২২৫ মিনিট। তবে নকআউট পর্বে স্পেনের টানা তিনটি ম্যাচেই পুরো ৯০ মিনিট মাঠে ছিলেন তিনি।


অন্যদিকে, ডান প্রান্তের ডিফেন্ডার পেদ্রো পোরোও স্পেনের বিশ্বকাপ অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। তিনি পাঁচটি ম্যাচে শুরু থেকেই মাঠে নেমেছেন এবং নকআউট পর্বে প্রায় প্রতিটি মিনিট খেলেছেন। শুধু ফ্রান্সের বিপক্ষে সেমিফাইনালে ম্যাচ শেষ হওয়ার সাত মিনিট আগে তাকে বদলি করা হয়।

ফ্রান্সের বিপক্ষে ২-০ গোলের জয়ে ইয়ামাল ও পোরো দুজনই গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। ইয়ামালের আদায় করা পেনাল্টি থেকে প্রথম গোল করেন মিকেল ওইয়ারজাবাল। পরে বক্সে দুর্দান্ত দৌড়ে ঢুকে স্পেনের দ্বিতীয় গোলটি করেন পোরো।

আগামী রোববার (১৯ জুলাই) নিউ জার্সিতে অনুষ্ঠিত হবে বিশ্বকাপের শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচ। দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জয়ের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে স্পেন। অন্যদিকে, জয় পেলে আর্জেন্টিনা ইতিহাসে চতুর্থবারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করবে।

ক্রিকেট

‘বলেছে, এক কোটি টাকা দিলে নাম কেস থেকে উঠিয়ে দেবে’

নিজের বিরুদ্ধে করা মামলায় নাম প্রত্যাহারের বিনিময়ে এক কোটি টাকা দাবি করা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। সংবাদমাধ্যম প্রথম আলোতে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দেশের রাজনীতি, মামলা, জাতীয় দলে ফেরা এবং নিজের বর্তমান জীবন নিয়ে খোলামেলা আলোচনায় তিনি এমন দাবি করেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ […]

‘বলেছে, এক কোটি টাকা দিলে নাম কেস থেকে উঠিয়ে দেবে’

‘বলেছে, এক কোটি টাকা দিলে নাম কেস থেকে উঠিয়ে দেবে’

নিউজ ডেস্ক

১৪ মে ২০২৬, ০৯:৫৯

নিজের বিরুদ্ধে করা মামলায় নাম প্রত্যাহারের বিনিময়ে এক কোটি টাকা দাবি করা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। সংবাদমাধ্যম প্রথম আলোতে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দেশের রাজনীতি, মামলা, জাতীয় দলে ফেরা এবং নিজের বর্তমান জীবন নিয়ে খোলামেলা আলোচনায় তিনি এমন দাবি করেন।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দলটির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে জুলাই অভ্যুত্থানে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে সারা দেশে মামলা হয়েছে। বাদ নেই ক্রিকেটার ও দলটির সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসানও।

তবে সাকিবের দাবি একটি মহল থেকে অর্থের বিনিময়ে মামলা থেকে রেহাই দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।



এ বিষয়ে সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, একটি পক্ষ তার কাছে প্রস্তাব দিয়েছিল— নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ দিলে মামলার তালিকা থেকে তার নাম সরিয়ে দেওয়া হবে। তবে তিনি মনে করেন, যারা এই প্রস্তাব দিয়েছে তারা নিজেরাও জানে না যে মামলা হওয়ার পর শুধু বাদীপক্ষ চাইলে নাম সরিয়ে ফেলা সম্ভব নয়।


সাক্ষাৎকারে এ ক্রিকেটার বলেন, ‘বলেছে, এক কোটি টাকা দিলে আমার নাম কেস থেকে উঠিয়ে দেবে। কিন্তু যারা বলছে, তাদের ধারণা নেই যে কেস হয়ে যাওয়ার পর চাইলেই নাম উঠানো যায় না। শেষ পর্যন্ত পুলিশের তদন্তেই ঠিক হবে আমার সম্পৃক্ততা ছিল কি না।’

কারা এই প্রস্তাব দিয়েছিল— এমন প্রশ্নে সাকিব জানান, এফআইআরে বাদীপক্ষের যোগাযোগের জন্য যার নাম ছিল, তিনি কয়েকজনের মাধ্যমে বিষয়টি পৌঁছে দেন। তবে কার মাধ্যমে যোগাযোগ হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত বলতে চাননি তিনি।

প্রস্তাব পেয়ে কী জবাব দিয়েছিলেন এমন প্রশ্নে সাকিব বলেন, ‘এসব টাকা দিয়ে কেন করতে হবে ভাই? টাকা দেওয়া মানে তো হচ্ছে আমার সমস্যা আছে, আমি চাচ্ছি যে আমাকে এখান থেকে বাঁচিয়ে দেওয়া হোক। হতে পারে তারা ভেবেছে আমার কাছে অনেক বেশি টাকা, চাইলেই হলো।’

দেশে ফেরা নিয়ে নিজের অবস্থানও ব্যাখ্যা করেছেন সাবেক এই অলরাউন্ডার। তার ভাষ্য, দেশে ফিরতে আইনগত কোনো বাধা নেই, তবে তিনি নিরাপত্তা ও দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়টিকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন।

সাকিব বলেন, ‘আমি চাই স্বাভাবিক একটা নিরাপত্তা এবং দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞা উঠে যাক। এ দুটি বিষয় আমার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞা না ওঠানো পর্যন্ত আমার পক্ষে যাওয়া সম্ভব নয়।’

তিনি আরও বলেন, গ্রেপ্তার হওয়ার ভয় তার নেই। তবে অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি বা ব্যক্তিগত আক্রমণের ঝুঁকি নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। ‘মব হতে পারে, ব্যক্তিগত শত্রুতা থেকেও কিছু হতে পারে। অন্তত এমন একটা জায়গা তো থাকা উচিত, যেখানে বিপদ হলে কেউ দায়িত্ব নেবে,’ বলেন তিনি।

জাতীয় দলে না খেলতে পারার বিষয়েও আক্ষেপ আছে জানিয়ে সাকিব বলেন, তিনি এখনো আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরার মতো অবস্থায় আছেন বলে বিশ্বাস করেন। বিশেষ করে ওয়ানডে ক্রিকেটে এখনো অবদান রাখার সুযোগ দেখছেন তিনি।

২০২৭ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে নিজের পরিকল্পনার কথাও জানান সাকিব। তিনি বলেন, ‘সুযোগ পেলে আবার নিজেকে প্রস্তুত করতে চাই। এক-দুটি সিরিজ খেললে তখন বোঝা যাবে আমি কোথায় আছি, দলও বুঝতে পারবে।’

রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েও অনুশোচনা নেই বলে জানান সাবেক এই অধিনায়ক। তার ভাষায়, ‘আজকে যেটা ঠিক মনে হয় না, পাঁচ বা দশ বছর পরে হয়তো সেটাই ঠিক মনে হবে। মানুষ বারবার ভুলে যায় যে, আমি একটি নির্দিষ্ট এলাকা থেকে সংসদ সদস্য হয়েছিলাম। এলাকার মানুষ আমাকে ভোট দিয়েছেন দেখেই আমি জিতেছি। তারা যদি ভোট না দিতেন, আমি জিততাম না। সারা দেশের মানুষ তো আমাকে ভোট দেননি।’

সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়েও নিজের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন সাকিব। তিনি বলেন, দেশের মানুষ রাজনীতিকে খারাপ হিসেবে দেখে, কারণ অনেকেই সেবা করার বদলে সুবিধা নিতে রাজনীতিতে আসেন। তবে রাজনীতির মাধ্যমেই পরিবর্তন সম্ভব বলে বিশ্বাস করেন তিনি।

খেলা

আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জিতলেই জাতীয় ছুটি ঘোষণা!

আর্জেন্টিনা যদি আজ রাতের ফাইনালে স্পেনকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের শিরোপা উঁচিয়ে ধরতে পারে, তবে সোমবার (আগামীকাল) দেশটিতে জাতীয় ছুটি ঘোষণা করার কথা বিবেচনা করছে প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেইয়ের প্রশাসন। ফাইনালের আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা বাকি থাকতে সরকারের নীতিনির্ধারণী মহলে এই নিয়ে জোর গুঞ্জন ও প্রস্তুতি চলছে। আর্জেন্টাইন সংবাদপত্র ক্লারিন-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ছুটি ঘোষণার বিষয়টি […]

আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জিতলেই জাতীয় ছুটি ঘোষণা!

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ জুলাই ২০২৬, ১৭:২৯

আর্জেন্টিনা যদি আজ রাতের ফাইনালে স্পেনকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের শিরোপা উঁচিয়ে ধরতে পারে, তবে সোমবার (আগামীকাল) দেশটিতে জাতীয় ছুটি ঘোষণা করার কথা বিবেচনা করছে প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেইয়ের প্রশাসন। ফাইনালের আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা বাকি থাকতে সরকারের নীতিনির্ধারণী মহলে এই নিয়ে জোর গুঞ্জন ও প্রস্তুতি চলছে।

আর্জেন্টাইন সংবাদপত্র ক্লারিন-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ছুটি ঘোষণার বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে স্পেনের বিপক্ষে ফাইনালের ফলাফলের ওপর নির্ভর করছে। তবে লিওনেল স্কালোনির দল যদি চ্যাম্পিয়ন হতে পারে, তবে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।

আর্জেন্টিনা সরকারের মূল উদ্দেশ্য হলো ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপ জয়ের পর দেশটিতে যে অভাবনীয় উল্লাস হয়েছিল, তার পুনরাবৃত্তি ঘটানো। সে সময় তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আলবের্তো ফের্নান্দেস একটি জরুরি ডিক্রির মাধ্যমে দেশজুড়ে জাতীয় ছুটি ঘোষণা করেছিলেন, যার ফলে লাখ লাখ আর্জেন্টাইন রাস্তায় নেমে ফ্রান্সের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় উদযাপন করতে পেরেছিলেন।

এবারও মিলেই সরকার সেই একই পথে হাঁটতে চাইছে।
ছুটি ঘোষণার পাশাপাশি আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন-এর সঙ্গে ট্রফি জয়ী দলের দেশে ফেরার লজিস্টিকস ও নিরাপত্তা পরিকল্পনা নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু করেছে সরকার।

আর্জেন্টিনার সরকারি চিফ অব স্টাফ দিয়েগো সান্তিই জানিয়েছেন যে, যেকোনো ধরণের রাস্তায় বড় উদযাপনের নিরাপত্তা ও লজিস্টিকস সহায়তার জন্য সরকার পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে।

তবে তিনি পরিষ্কার করে বলেছেন, ‘উদযাপনের ধরণ কেমন হবে, সেই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফদের। সরকার এখানে কোনো সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেবে না। তারা যেভাবে চাইবে, আমরা সেই সিদ্ধান্তকে সম্মান জানাব ও সমর্থন দেব।’

যদি আর্জেন্টিনা আজ স্পেনের বিপক্ষে জয়লাভ করে, তবে বুয়েনস আইরেসের রাস্তায় আবারও ২০২২ সালের মতোই লাখো মানুষের এক ঐতিহাসিক ও জনসমুদ্রের মতো গণ-উদযাপন দেখা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।