ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং বাংলাদেশের জনগণের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে দুই দেশের মধ্যকার জনকল্যাণভিত্তিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার ব্যাপারে নয়াদিল্লির অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন তিনি।
ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের মাধ্যমে পাঠানো এক শুভেচ্ছাবার্তায় নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের জনগণকে “ভাতৃপ্রতিম” উল্লেখ করে বলেন, ভারতের সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে তিনি আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন।
বার্তায় মোদি বলেন, ঈদুল আজহা শুধু একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি ভারতীয় উপমহাদেশের বহুমাত্রিক সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ভারতের কোটি কোটি মুসলমান প্রতি বছরের মতো এবারও আনন্দ, উৎসাহ ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ঈদুল আজহা উদযাপন করছেন।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ঈদুল আজহার মূল শিক্ষা হলো ত্যাগ, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ। এই মূল্যবোধ শুধু মুসলিম বিশ্বের জন্য নয়, বরং একটি শান্তিপূর্ণ, সহনশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বিশ্ব গঠনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক প্রসঙ্গে মোদি বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক কেবল কূটনৈতিক নয়, বরং এটি ইতিহাস, আত্মত্যাগ, সংস্কৃতি ও পারস্পরিক বিশ্বাসের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। তিনি উল্লেখ করেন, শান্তি, স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির অভিন্ন আকাঙ্ক্ষা বাংলাদেশ ও ভারতকে আরও কাছাকাছি নিয়ে এসেছে।
নরেন্দ্র মোদি বলেন, বিভিন্ন ক্ষেত্রে জনগণকেন্দ্রিক সহযোগিতা বাড়াতে ভারত সরকার বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আগ্রহী। বাণিজ্য, যোগাযোগ, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও আঞ্চলিক উন্নয়নের মতো খাতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও বিস্তৃত হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি আরও বলেন, অভিন্ন উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির যে লক্ষ্য বাংলাদেশ ও ভারত সামনে নিয়ে এগোচ্ছে, তা দুই দেশের জনগণের ভবিষ্যৎ অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বার্তার শেষাংশে ভারতের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনা করেন। পাশাপাশি বাংলাদেশের জনগণের শান্তি, উন্নয়ন ও অব্যাহত সমৃদ্ধিও কামনা করেন তিনি।