আমরা জুলাই সনদের প্রতিটি দাঁড়ি, কমা মেনে চলতে অঙ্গীকারবদ্ধ বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
শুক্রবার (৮ মে) খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে নবীন আইনজীবীদের সংবর্ধনা ও নবীন বরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ব্যর্থহীন ভাবে, স্পষ্টভাবে বার বার বলছেন আমরা জুলাই সনদের প্রতিটি তারিখ, দাঁড়ি, কমা ও সেমিকোলন মেনে চলতে অঙ্গীকারবদ্ধ। আমরাও একই কথা পার্লামেন্টে বলছি, বাইরে বলছি।
জুলাই সনদ সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, জুলাই সনদ ৩৩ টা দল সাইন করেছেন। সেখানে বলা আছে কি কি ভাবে মানতে হবে। প্রত্যেকটা পরতে পরতে লেখা আছে কোনগুলো সংবিধান সংশোধন অনুযায়ী হবে, কোনগুলো অর্ডিন্যান্স আকারে হবে, কোনগুলো এক্ট অব পার্লামেন্ট আকারে হবে আর কোনগুলো নরমাল আকারে হবে।
তবে তিনি অভিযোগ করেন, একটি মহলের চাপে ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ ২০২৫’ নামে যে আইনগত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তা সনদের নির্ধারিত প্রক্রিয়ার বাইরে। সংবিধানের চতুর্থ তফসিলে বলা আছে বাংলাদেশ সংসদের প্রথম সংসদের প্রথম অধিবেশন পর্যন্ত জারিকৃত আদেশ আইনের মর্যাদা পাবে। কিন্তু এরপর থেকে এ ধরনের আদেশের মাধ্যমে আইনের ক্ষমতা বন্ধ করা হয়েছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, ১৯৫২ সালের একটি আইন দিয়ে ওই আদেশকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করা হলেও সংবিধানের বিধান অনুযায়ী সংসদীয় কাঠামোর বাইরে এ ধরনের আদেশের মাধ্যমে আইন কার্যকর করার সুযোগ নেই। তাই ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ ২০২৫’ সাংবিধানিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আরও দাবি করেন, ওই আদেশকে কার্যকর করতে আনা গণভোট অধ্যাদেশও একই কারণে বৈধতা সংকটে পড়ে।