বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

কুবিতে প্রথম জাতীয় বিতর্ক উৎসবের পর্দা নামল

রাফি হোসেন, কুবি প্রতিনিধি: ‘যুক্তির বর্ণমালায় গ্রন্থিত হোক মুক্তির কবিতা’ প্রতিপাদ্যে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) ডিবেটিং সোসাইটি (সিওইউডিএস)-এর উদ্যোগে প্রথম জাতীয় বিতর্ক উৎসব ফাইনাল পর্বের মাধ্যমে শেষ হয়েছে। এতে স্কুল-কলেজ পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ময়নামতি ইংলিশ স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটি। শনিবার (১৮ এপ্রিল) বিকাল সাড়ে ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে স্কুল-কলেজ […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০০:২৩

রাফি হোসেন, কুবি প্রতিনিধি:

‘যুক্তির বর্ণমালায় গ্রন্থিত হোক মুক্তির কবিতা’ প্রতিপাদ্যে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) ডিবেটিং সোসাইটি (সিওইউডিএস)-এর উদ্যোগে প্রথম জাতীয় বিতর্ক উৎসব ফাইনাল পর্বের মাধ্যমে শেষ হয়েছে। এতে স্কুল-কলেজ পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ময়নামতি ইংলিশ স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটি।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) বিকাল সাড়ে ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে স্কুল-কলেজ পর্যায়ের ফাইনাল দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের ফাইনাল বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়।

কুবি ডিবেটিং সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক মো. মুহসিন জামিলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হায়দার আলী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুল হাকিম এবং সংগঠনের মডারেটর ও গনিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল্লাহ আল মাহবুব। এছাড়াও দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও স্কুল-কলেজ থেকে আগত বিতার্কিকরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

স্কুল-কলেজ পর্যায়ে ময়নামতি ইংলিশ স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও নবাব ফয়জুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের মধ্যে “অপরিকল্পিত নগরায়নই পরিবেশ দূষণের মূল কারণ” বিষয়ের উপর ফাইনাল বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়। এতে জয়লাভ করে ময়নামতি ইংলিশ স্কুল অ্যান্ড কলেজ। এ পর্বে শ্রেষ্ঠ বিতার্কিক নির্বাচিত হন একই প্রতিষ্ঠানের মারুফ হাসান।

অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটি ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটির মধ্যে “এই সংসদ মনে করে যে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বয়কট কালচার মত প্রকাশের স্বাধীনতার পরিপন্থী” শীর্ষক বিষয়ের উপর ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়। এতে চ্যাম্পিয়ন হয় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটি। শ্রেষ্ঠ বিতার্কিক ও টুর্নামেন্ট সেরা নির্বাচিত হন একই দলের ইরফান অপূর্ব।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক মো: মুহসিন জামিল বলেন, আমরা প্রতিষ্ঠার বারো বছরে পদার্পন করলে ও এখন পর্যন্ত কোনো জাতীয় বিতর্ক উৎসব আয়োজন করতে পারিনি। কিন্তু এই বার সকলের প্রচেষ্টায় দেশের মোট ৩২টি বিশ্ববিদ্যালয় টিম এবং কুমিল্লা অঞ্চলের মোট ১০টি স্কুল-কলেজের সমন্বয়ে জাতীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছি। আজকে ফাইনাল অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এর সমাপ্তি অধিবেশন হয়েছে। কুমিল্লা ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটির এই জাতীয় বিতর্ক উৎসবের যাত্রা অদূর ভবিষ্যতে ও অব্যাহত রাখবে এবং এর মাধ্যমে কুমিল্লা ইউনিভার্সিটিতে নবীন শিক্ষার্থীদেরকে বিতার্কিক হিসেবে গড়ে তোলবে। তাদের জীবনের সৃজনশীলতা এবং ভবিষ্যতের উন্নতির জন্য কুমিল্লা ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটি কাজ করবে।

মডারেটর ও গনিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মো.আব্দুল্লাহ আল মাহবুব বলেন, “মঞ্চে উপস্থিত প্রত্যেক অতিথিই প্রধান অতিথি হওয়ার যোগ্য তবুও আমাদের সীমাবদ্ধতার জন্য প্রথমেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। এই প্রোগ্রামটির আয়োজন করার ক্ষেত্রে ডিবেটিং সোসাইটির সাবেক ও বর্তমান সদস্যদের, আন্তরিক সহযোগিতার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে এবং স্পন্সর ও অন্যান্য সহযোগীদের কাছে আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমরা প্রথমবারের মতো এই আয়োজনটি করেছি, আমাদের কোনো ভুল হয়ে থাকলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।”

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কুবি কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন, “আমরা যখন বিশ্বিবদ্যালয়ে শিক্ষকতা শুরু করি তখন একটা চেয়ারও পাইনি, আমরা নিজেদের খরচে মার্কার ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিস কিনেছি। তাই আমাদের সেই জায়গা থেকে একটি অনুভূতি কাজ করে। এরপর ৬ষ্ঠ ব্যাচ এসে ডিবেটিং সোসাইটি সহ আরো ক্লাব শুরু করে। যার ফলশ্রুতিতে এখন বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৯টির মতো নিবন্ধিত সংগঠন হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “বিতর্কের মাধ্যমে আপনাদের উপস্থাপনা ও শব্দচয়ন এবং বিপক্ষ দলকে কীভাবে আঘাত করা যায় এর জন্য আপনারা অনেক পড়াশোনা এবং পরিশ্রম করেছেন। আপনারা এক একজন বড় হয়ে দেশের কল্যানে কাজ করবেন। আপনারা যারা স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে অংশগ্রহণ করেছেন সবাইকে কৃতজ্ঞতা জানাই।”

কুবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হায়দার আলী বলেন, ‘অনেকে ডিবেটিং সোসাইটিকে অন্য সাংস্কৃতিক সংগঠনের মতো করলে ও আমি ভিন্ন মত পোষণ করি। এটি একটি বুদ্ধিবৃত্তিক সংগঠন। ডিবেটিং যারা করে এরা বুদ্ধির চর্চা করে। অপজিশনের মতামতকে খন্ডন করার জন্য যথেষ্ট বুদ্ধি লাগে। সুতরাং এটি বুদ্ধিবৃত্তিক কাজ কেবলমাত্র সাংস্কৃতিক কাজ নয় এটা বুদ্ধির পরীক্ষা। বর্তমানে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের আউটকাম বেসইড এডুকেশনে দিক দিয়ে দিন দিন এগিয়ে যাচ্ছে।এই সাফল্য অব্যাহত থাকুক।’

উল্লেখ্য, প্রতিযোগিতায় দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ৩২টি দল এবং স্কুল ও কলেজ পর্যায়ের ১০ টি দল অংশগ্রহণ করে।

শিক্ষাঙ্গন

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮। জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট […]

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮।

জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট করা হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল করে তাকে নানাভাবে বাজে কথা বলা ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। বাসা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় তিনি নিজের বাসভবনে অবস্থান করাকে অনিরাপদ মনে করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও বিষয়টির আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডিটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

শিক্ষাঙ্গন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী। মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত […]

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:৩৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত এক যুবক ধারালো অস্ত্র হাতে অনিকার কক্ষে প্রবেশ করে। অনৈতিক উদ্দেশ্যে যুবকটি এগোলে অনিকা সাহসিকতার সাথে বাধা দেন।

এ সময় উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি হয়। অনিকার আত্মরক্ষা ও চিৎকারের মুখে পরিস্থিতি প্রতিকূলে দেখে হামলাকারী যুবক দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। ধস্তাধস্তির ফলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মুখ, গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাত ও ক্ষতের দাগ পড়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রাথমিক তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে। তবে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী অনিকার দেওয়া বিবরণ ও জবানবন্দির সাথে আটক ব্যক্তির চেহারার কোনো মিল না থাকায় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

এ বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ জানায়, “ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বর্ণনা অনুযায়ী মূল অপরাধীকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। দ্রুতই তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।”

ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিরাপত্তার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা অতি দ্রুত মূল অপরাধীকে গ্রেফতার এবং মেস এলাকায় স্থায়ী নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পাশে তারা রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছে।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।