মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

হাদির খুনিদের দেশে ফেরাতে ইনকিলাব মঞ্চের ১৫ দিনের আলটিমেটাম

শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের আসামিদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করার দাবি জানিয়ে ১৫ দিনের আলটিমেটাম দিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ। ছয় দফা দাবিতে এ আলটিমেটাম দেয় সংগঠনটি। রোববার (২২ মার্চ) রাতে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ আলটিমেটাম ও দাবির কথা তুলে ধরা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শহীদ ওসমান […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ মার্চ ২০২৬, ১১:৪১

শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের আসামিদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করার দাবি জানিয়ে ১৫ দিনের আলটিমেটাম দিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ। ছয় দফা দাবিতে এ আলটিমেটাম দেয় সংগঠনটি।

রোববার (২২ মার্চ) রাতে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ আলটিমেটাম ও দাবির কথা তুলে ধরা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শহীদ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের আসামিরা ভারতের পশ্চিমবঙ্গে আটক হওয়ার পর ১৪ দিনের রিমান্ড শেষে রোববার আদালতে তোলা হয়। পরে নতুন করে আবারও ১৪ দিনের হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু এই পুরো প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ সরকারের রহস্যজনক নীরবতা ও নিষ্ক্রিয়তা আমাদের স্তম্ভিত করেছে।

এতে আরও বলা হয়, আসামিরা ধরা পড়াকে আমরা সরকারের সাফল্য মনে করেছিলাম এবং সেভাবেই উদযাপিত হয়েছিল। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি সরকারের ব্যর্থতাকেই আমাদের সামনে টেনে নিয়ে এসেছে। এ অবস্থায় জাতির সামনে ৬ দফা দাবি উত্থাপন করছে ইনকিলাব মঞ্চ।

১. পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে এই মুহূর্ত থেকে জরুরি ভিত্তিতে কাজ শুরু করতে হবে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে খুনিদের বাংলাদেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। এটি কোনো অনুরোধ নয়, জনগণের পক্ষ থেকে আলটিমেটাম।

২. হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত মাস্টারমাইন্ড বা নেপথ্যের কুশীলবদের আড়াল করার কোনো চেষ্টা মেনে নেওয়া হবে না। অবিলম্বে উচ্চপর্যায়ের একটি নিরপেক্ষ বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করে বিচারের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে।

৩. আসামিরা কীভাবে এবং কাদের মদতে সীমান্ত পাড়ি দিলো? গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভেতরে থাকা কোন ব্যক্তিগুলো জড়িত ছিল কিংবা স্থানীয় প্রভাবশালী গোষ্ঠী তাদের সহায়তা করেছে কিনা, তা তদন্ত করে অতিদ্রুত নামগুলো জনসমক্ষে প্রকাশ করতে হবে এবং গ্রেপ্তার করতে হবে।

৪. ভারতে ‘UAPA’ আইনের গ্যাঁড়াকলে পড়ে বিচার প্রক্রিয়া যেন দীর্ঘায়িত না হয়, সেজন্য বাংলাদেশ সরকারকে একটি বিশেষ আইনি বিশেষজ্ঞ সেল গঠন করতে হবে। এই সেল ভারতের আদালতের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করবে এবং অগ্রগতি জাতিকে অবহিত করবে। এই আইনি সেলের মাধ্যমেই ১৫ দিনের মধ্যে খুনিদের দেশে ফেরানোর ব্যাপারে আইনি জটিলতা নিরসনের উদ্যোগ নিতে হবে।

৫. ওসমান হাদি হত্যার বিচার কোনো বদ্ধঘরে বা গোপন ট্রায়ালে হবে না। আমরা দাবি করছি, এটি হবে একটি ‘ওপেন ট্রায়াল সিস্টেম’, যা জাতীয় গণমাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচারিত হবে। জাতি এই বিচারের স্বচ্ছতা দেখতে চায়, সরাসরি দেখতে চায়।

৬. আগামী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে আসামিদের দেশে ফিরিয়ে আনার দৃশ্যমান অগ্রগতি বা রোডম্যাপ ঘোষণা না করা হলে, ইনকিলাব মঞ্চ ঢাকাসহ সারা দেশে একযোগে কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে। রাজপথ থেকে জন্ম নেওয়া এই সংগঠন শহীদের রক্তের সঙ্গে কোনো আপস করতে জানে না।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৩

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৫

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৫

রাজনীতি

“ওসব কিছুই চাই না, আমি বড় ক্লান্ত, একেবারে অবসর চাই- শুধু ঘুমাবো” : মির্জা ফখরুল

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।” চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ২০:০৬

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

গত ২৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। বাইরে ছিল মানুষের ভিড়। প্রায় নিশ্চিত হয়েই ফিরে আসছিলাম—আজ আর দেখা হবে না। ঠিক তখনই তাঁর দীর্ঘদিনের সহকারী কৃষিবিদ ইউনুস আলী ডাক দিলেন।

মন্ত্রীর কক্ষে ঢুকেই চোখে পড়ল ভিন্ন এক মির্জা ফখরুলকে। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ে অভ্যস্ত মানুষটিকে সেদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগছিল। চোখে ঘুমঘুম ভাব, মুখে অবসাদের রেখা।

অন্যদের বিদায় দেওয়ার পর বললাম, “আমার কোনো তদবির নেই, অনেক দিন দেখা হয় না—তাই শুধু সাক্ষাৎ করতে এলাম।”

শরীরের খোঁজ নিতেই তিনি ধীরে উত্তর দিলেন—

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

কথাটি শুনে কিছুটা বিস্মিত হয়েই বললাম, “দেশের মানুষ আপনাকে এই মন্ত্রণালয়ের পর বঙ্গভবনে দেখতে চায়।”

তিনি হালকা হাসলেন। তারপর বললেন—

“ওসব কিছুই চাই না। একেবারে অবসর চাই… শুধু ঘুমাবো।”

এই কয়েকটি বাক্য যেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক অনুচ্চারিত ক্লান্তির ভাষা হয়ে উঠেছিল।

এরপর কথোপকথন গড়ায় স্মৃতির ভেতর। ২০০৮ সালে লন্ডন থেকে ফেরার পর প্রথম কোনো সাংবাদিক হিসেবে আমাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি।

তার কিছুদিন পর কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর উত্থান ঘটে। স্মৃতিচারণে উঠে আসে বেগম খালেদা জিয়া, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ও ইশরাক হোসেন প্রসঙ্গও।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৩