বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

কুবি বিজ্ঞান অনুষদের উদ্যোগে ২৮ শিক্ষার্থীকে ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রদান

রাফি হোসেন কুবি প্রতিনিধি : কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) বিজ্ঞান অনুষদের উদ্যোগে প্রথমবারের মতো ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়েছে। ডিনস অ্যাওয়ার্ড নীতিমালা অনুযায়ী অনুষদভুক্ত পাঁচটি বিভাগের স্নাতক উত্তীর্ণ মোট ২৮ জন শিক্ষার্থী এ সম্মাননা লাভ করেন। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকাল ১১টায় বিজ্ঞান অনুষদের হলরুমে এ ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। ফার্মেসি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. […]

কুবি বিজ্ঞান অনুষদের উদ্যোগে ২৮ শিক্ষার্থীকে ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রদান

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৩ মার্চ ২০২৬, ১৫:৪৪

রাফি হোসেন কুবি প্রতিনিধি :

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) বিজ্ঞান অনুষদের উদ্যোগে প্রথমবারের মতো ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়েছে। ডিনস অ্যাওয়ার্ড নীতিমালা অনুযায়ী অনুষদভুক্ত পাঁচটি বিভাগের স্নাতক উত্তীর্ণ মোট ২৮ জন শিক্ষার্থী এ সম্মাননা লাভ করেন।

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকাল ১১টায় বিজ্ঞান অনুষদের হলরুমে এ ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

ফার্মেসি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. জান্নাতুল ফেরদৌসের সঞ্চালনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হায়দার আলী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল হাকিম।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পরিসংখ্যান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. দুলাল চন্দ্র নন্দী, রসায়ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. শাহাদাৎ হোসেন, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. সজল চন্দ্র মজুমদার এবং অনুষ্ঠানের সভাপতি ও বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. প্রদীপ দেবনাথ।

অনুভুতি প্রকাশ করে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী ও বিভাগের প্রভাষক মো. শাফায়েত হোসেন বলেন, ‘আমি সর্বপ্রথম কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়-এর বর্তমান প্রশাসনকে এত সুন্দর আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ জানাই। বিশেষভাবে কৃতজ্ঞতা জানাই ডিন স্যারকে, যিনি এ অনুষ্ঠানের পেছনে আন্তরিক পরিশ্রম করেছেন।আজ যারা পুরস্কার পেয়েছেন তাদের আন্তরিক অভিনন্দন। এ সম্মাননা শুধু একটি সনদ নয়, বরং দীর্ঘ পরিশ্রম ও ধৈর্যের স্বীকৃতি।

আমরা ভিন্ন ভিন্ন বাস্তবতা ও প্রতিকূলতা পেরিয়ে এখানে পৌঁছেছি, কিন্তু সবার মাঝে ছিল হাল না ছাড়ার মানসিকতা।আমার বাবা ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন-এর একজন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী ছিলেন এবং মা নিরক্ষর। তাঁদের ত্যাগ ও দোয়ার ফলেই আজ আমরা প্রতিষ্ঠিত একজন পুলিশ উপপরিদর্শক, একজন ব্যবসায়ী এবং আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক।পরিশেষে, পরিসংখ্যান বিভাগের সকল শিক্ষকের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই, যাদের দিকনির্দেশনায় এ অর্জন সম্ভব হয়েছে।’

প্রক্টর ও গনিত বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল হাকিম বলেন, আজকের মেলাটা হচ্ছে মেধাবীদের মেলা। তোমরা সেরাদের সেরা হয়েছ তাই এই অ্যাওয়ার্ড তোমরা যারা আজকে সম্মানে সম্মানিত হয়েছ, সেটা সারাজীবন ধরে রাখার চেষ্টা করবে এবং মানবিক ও মনুষত্ব্যবোধ সম্পন্ন মানুষ হওয়ার চেষ্টা করবে। বর্তমানে সমাজে সবচেয়ে বড় অভাব হচ্ছে মানুষের মনুষত্ব্যের অভাব। তাই আপনাকে মানবিক দিক বিবেচনা করে সমাজে এগিয়ে যেতে হবে এবং সমাজের জন্য কাজ করে যেতে হবে। ‘

উপাচার্য ড. হায়দার আলী বলেন,’ একটা বিশ্ববিদ্যালয় উন্নত হয় ঐ বিশ্ববিদালয়ের ছাত্র ছাত্রীর কোয়ালিটির উপর ভিত্তি করে। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় উপরের উঠতে হলে যা প্রয়োজন তার একটা হচ্ছে এই ধরনের অনুষ্ঠান। যার ইতিমধ্যে সূচনা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন ভালো ছাত্ররা আসা শুরু করেছে, র‍্যাগিং কমে গিয়েছে এবং আশা করি আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে সেরাদের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় গুলো সোনা দিয়ে বাকা গহনা তৈরী করে এবং প্রাইভেট বিশ্ব বিশ্ববিদ্যালয় গুলো রুপা দিয়ে চকচকে সোনা তৈরী করে। কিন্তু ছাত্ররা যখন সোনায় পরিনত হয়, তখন বাকা গহনাও অনেক দামী হয়ে যায়। । তোমরা তোমাদের কথায় এবং আচরনে মেধার প্ররিস্ফুটন রাখবে এবং ভালো মানুষ হবে।’

অনুষ্ঠানের সভাপতি ও বিজ্ঞান অনুষদের ডিন সহযোগী অধ্যাপক ড. প্রদীপ দেবনাথ বলেন, ‘আজকের দিনটি বিজ্ঞান অনুষদের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ ও গৌরবময় অধ্যায় হিসেবে সংযোজিত হলো। প্রথমবারের মতো আমরা বিজ্ঞান অনুষদের পক্ষ থেকে একটি সুস্পষ্ট ও প্রাতিষ্ঠানিক নীতিমালা প্রণয়নের মাধ্যমে ডিনস্ অ্যাওয়ার্ড প্রদান করছি।

এই নীতিমালা প্রণয়ন এবং তার আলোকে সম্মাননা প্রদান আমাদের একাডেমিক কার্যক্রমকে আরও স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও মানসম্মত করার একটি তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ। ডিনস্ এ্যাওয়ার্ড কেবল একটি পুরস্কার নয়; এটি শিক্ষার্থীদের ধারাবাহিক একাডেমিক সাফল্য, গবেষণামনস্কতা, সৃজনশীল চিন্তাশক্তি, নেতৃত্বগুণ এবং নৈতিক দায়বদ্ধতার স্বীকৃতি।

তিনি আরও বলেন, ‘ একটি নির্ধারিত মানদণ্ডের ভিত্তিতে এই সম্মাননা প্রদান ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সুস্থ প্রতিযোগিতা সৃষ্টি করবে এবং উৎকর্ষ সাধনে আরও অনুপ্রাণিত করবে এটাই আমাদের প্রত্যাশা। আমরা চাই, আমাদের শিক্ষার্থীরা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম অক্ষুণ্ণ রেখে নেতৃত্ব দেবে।

আমি আশা করি ডিনস এ্যাওয়ার্ড ভবিষ্যতে বিজ্ঞান অনুষদের একটি মর্যাদাপূর্ণ ও স্থায়ী প্রথায় পরিণত হবে এবং প্রতি বছর স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও উৎকর্ষতার মানদণ্ডে এই সম্মাননা প্রদান অব্যাহত থাকবে।’

শিক্ষাঙ্গন

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮। জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট […]

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮।

জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট করা হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল করে তাকে নানাভাবে বাজে কথা বলা ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। বাসা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় তিনি নিজের বাসভবনে অবস্থান করাকে অনিরাপদ মনে করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও বিষয়টির আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডিটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

শিক্ষাঙ্গন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী। মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত […]

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:৩৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত এক যুবক ধারালো অস্ত্র হাতে অনিকার কক্ষে প্রবেশ করে। অনৈতিক উদ্দেশ্যে যুবকটি এগোলে অনিকা সাহসিকতার সাথে বাধা দেন।

এ সময় উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি হয়। অনিকার আত্মরক্ষা ও চিৎকারের মুখে পরিস্থিতি প্রতিকূলে দেখে হামলাকারী যুবক দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। ধস্তাধস্তির ফলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মুখ, গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাত ও ক্ষতের দাগ পড়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রাথমিক তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে। তবে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী অনিকার দেওয়া বিবরণ ও জবানবন্দির সাথে আটক ব্যক্তির চেহারার কোনো মিল না থাকায় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

এ বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ জানায়, “ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বর্ণনা অনুযায়ী মূল অপরাধীকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। দ্রুতই তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।”

ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিরাপত্তার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা অতি দ্রুত মূল অপরাধীকে গ্রেফতার এবং মেস এলাকায় স্থায়ী নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পাশে তারা রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছে।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।