বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আইন-আদালত

শাপলা চত্বরে হত্যাযজ্ঞের নির্দেশদাতা শেখ হাসিনা, প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত সংস্থা

২০১৩ সালে শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সমাবেশে হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় তদন্ত শেষ করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। প্রতিবেদনে বর্বরোচিত এ হত্যাকাণ্ডের নির্দেশদাতা হিসেবে শেখ হাসিনার নাম উঠে এসেছে। এ ঘটনায় শেখ হাসিনাসহ অন্তত ৩০ জনকে আসামি করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন বলা হয়েছে, শাপলা চত্বরে গণহত্যার ঘটনায় ৩০ এর বেশি আসামি করা হয়েছে। সরাসরি গণভবন […]

শাপলা চত্বরে হত্যাযজ্ঞের নির্দেশদাতা শেখ হাসিনা, প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত সংস্থা

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:৪০

২০১৩ সালে শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সমাবেশে হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় তদন্ত শেষ করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। প্রতিবেদনে বর্বরোচিত এ হত্যাকাণ্ডের নির্দেশদাতা হিসেবে শেখ হাসিনার নাম উঠে এসেছে। এ ঘটনায় শেখ হাসিনাসহ অন্তত ৩০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

তদন্ত প্রতিবেদন বলা হয়েছে, শাপলা চত্বরে গণহত্যার ঘটনায় ৩০ এর বেশি আসামি করা হয়েছে। সরাসরি গণভবন থেকে এই হত্যার নির্দেশ আসে। এজন্য শেখ হাসিনাকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এরপর নাম এসেছে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহিউদ্দিন খান আলমগীর, প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু ও তৎকালীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফের।

এছাড়াও আসামিদের মধ্যে সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, যুবলীগ সভাপতি ওমর ফারুক, গণজাগরণ মঞ্চের ইমরান এইচ সরকার, শাহরিয়ার কবীর, পুলিশের আইজি হাসান মাহমুদ খোন্দকার, পুলিশ কর্মকর্তা শহিদুল হক, ডিএমপি কমিশনার বেনজীর আহমেদ, র‍্যাবের ডিজি মোখলেস, জিয়াউল আহসান ও পুলিশের আরও কয়েকজন কর্মকর্তার নাম রয়েছে।

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, মাস্টারপ্ল্যান করে ঢাকায় আনা হয় হেফাজতের নেতাকর্মীদের। ভয় দেখানোর জন্য সারাদিন তাদের ত্যক্ত-বিরক্ত করা হয়। এরপর তাদের হেয় করতে ভাঙচুরের খবর গণমাধ্যমে প্রচার করা হয়। পরবর্তীতে রাত ১০টার পর প্রাথমিকভাবে শাপলা চত্বরে অভিযান চালাতে নির্দেশ দেন শেখ হাসিনা। এমন নির্দেশনা পেয়ে রাত ১টা ৪৫ এ লাইট নিভিয়ে একদিক খোলা রেখে সমন্বিতভাবে ‘ক্রাকডাউনে’ যায় আইন শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনী।

তবে ওই ঘটনায় মোট কতজন মারা গেছে তার তদন্ত রিপোর্ট চূড়ান্ত করতে পারেনি তদন্ত সংস্থা। শুধুমাত্র ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের মৃতদের নিয়ে ‘অধিকারের’ রিপোর্টকে বেস করে তদন্ত রিপোর্ট প্রস্তুত করা হয়েছে।

কুরআন-সুন্নাহবিরোধী সব আইন বাতিল, ধর্মের অবমাননাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তির বিধানসহ ১৩ দফা দাবিতে ২০১৩ সালের ৫ মে ঢাকার মতিঝিলের শাপলা চত্বরে সমাবেশ ডাকে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। এরপর সারাদেশ থেকে মাদরাসা শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা জড়ো হতে থাকেন রাজধানীর চারটি পয়েন্টে। একদিকে সমাবেশের অনুমতি দেয়া হলেও অন্যদিকে রাজধানীর প্রত্যেকটি পয়েন্ট দাঁড়িয়ে থেকে সমাবেশে যেতে বাধা দেয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

এতে দিনভর হেফাজতের সঙ্গে তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ চলে। পরবর্তীতে রাতে বিদ্যুৎ বন্ধ করে হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়। যদিও বরবরাই তা অস্বীকার করে এসেছিল তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার।

গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর এ ঘটনার তদন্ত চেয়ে ট্রাইব্যুনালের তদন্তের আবেদন জানায় হেফাজতে ইসলাম। জাতীয় নির্বাচনের আগেই যার তদন্ত শেষ করেছে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা।

আলোচিত এ মামলায় গ্রেপ্তার চার আসামি হলেন- সাবেক আইজিপি এ কে এম শহিদুল হক, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান ও পুলিশের সাবেক উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোল‍্যা নজরুল ইসলাম।

আইন-আদালত

ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজ

ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ২৪ প্রতিষ্ঠানের নামে থাকা ৮১ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একটি আবেদনের পর বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

নিউজ ডেস্ক

০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭:৫৬

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসিতে এস আলম গ্রুপের নামে থাকা ৮১ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজ করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

ইসলামী ইকোনমিক রিসার্চ ব্যুরোর করা আবেদনের পর বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ নির্দেশ দেন। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) আদেশটির লিখিত অনুলিপি প্রকাশিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনজীবী শিশির মনির।

আদালতে করা রিট আবেদনে বলা হয়, প্রচলিত আইন অনুযায়ী একই গ্রুপ বা একটি পরিবারের সদস্যরা কোনো ব্যাংকের ১০ শতাংশের বেশি শেয়ার ধারণ করতে পারেন না। কিন্তু এস আলমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ২৪টি কোম্পানি প্রাতিষ্ঠানিক শেয়ারহোল্ডার হিসেবে ইসলামী ব্যাংকের সঙ্গে যুক্ত হয়। প্রতিষ্ঠানগুলোর হাতে সম্মিলিতভাবে ব্যাংকটির ৮১ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

এর আগে গত বছর এস আলম-সংশ্লিষ্ট ২৪ প্রাতিষ্ঠানিক শেয়ারহোল্ডার, কয়েকজন পরিচালক ও ব্যক্তির সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট।

একই আদেশে সংশ্লিষ্ট শেয়ারহোল্ডার পরিচালকদের বিদেশযাত্রায়ও বিধিনিষেধ দেওয়া হয়েছিল। আদালতের অনুমতি ছাড়া তাদের দেশত্যাগ না করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

আইন-আদালত

ইনুর বিরুদ্ধে যে রায় ঘোষণা করা হয়েছে, তাতে সন্তোষ্ট নন রাষ্ট্রপক্ষ, সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়ে আপিল করবো: চিফ প্রসিকিউটর

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়ার রায়ে সন্তুষ্ট নয় রাষ্ট্রপক্ষ। রায়ের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে আপিল করা হবে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। মঙ্গলবার (৩০ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ রায় ঘোষণার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে […]

ইনুর বিরুদ্ধে যে রায় ঘোষণা করা হয়েছে, তাতে সন্তোষ্ট নন রাষ্ট্রপক্ষ, সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়ে আপিল করবো: চিফ প্রসিকিউটর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩০ জুন ২০২৬, ১৮:৩০

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়ার রায়ে সন্তুষ্ট নয় রাষ্ট্রপক্ষ। রায়ের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে আপিল করা হবে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ রায় ঘোষণার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, মামলায় উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণের মাধ্যমে প্রসিকিউশন ইনুর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষ শুরু থেকেই তার সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়ে এসেছে। তবে ট্রাইব্যুনালের ঘোষিত রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট নয়। তাই পূর্ণাঙ্গ রায় পর্যালোচনা করে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে আপিল করা হবে।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী দাবি করেন, জামায়াত-শিবিরের বিরোধিতা করার কারণেই হাসানুল হক ইনুকে এ মামলায় আসামি করা হয়েছে। তার ভাষ্য, মামলায় আনা অভিযোগের সঙ্গে বাস্তব ঘটনার অসঙ্গতি রয়েছে এবং আইনগত বিষয়গুলো উচ্চ আদালতে পর্যালোচনার সুযোগ রয়েছে।

উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ মঙ্গলবার কুষ্টিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আটটি অভিযোগের মধ্যে তিনটিতে ইনুকে দোষী সাব্যস্ত করে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেন। বাকি পাঁচটি অভিযোগ থেকে তাকে খালাস দেওয়া হয়।

আইন-আদালত

সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডন ৫ দিনের রিমান্ডে

চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার অভিনেতা আশরাফুল হক ওরফে ডনের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার অভিনেতা আশরাফুল হক ওরফে ডনের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট […]

সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডন ৫ দিনের রিমান্ডে

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৭ আগস্ট ২০২৬, ১৫:৩০

চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার অভিনেতা আশরাফুল হক ওরফে ডনের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার অভিনেতা আশরাফুল হক ওরফে ডনের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

সিআইডির দাবি, ডনকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সালমান শাহের মৃত্যুর ঘটনায় করা হত্যা মামলার প্রকৃত রহস্য উদ্‌ঘাটনে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যেতে পারে।

একই সঙ্গে মামলায় জড়িত অন্য সহযোগীদের অবস্থান শনাক্ত এবং তাদের গ্রেপ্তারের বিষয়েও তথ্য পাওয়া যেতে পারে।