সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

অন্যান্য খবর

‘৮০ ভাগ মুসলমানের দেশে বিধর্মী সংসদ সদস্য থাকতে পারে না

বরগুনা-২ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থীর এক নির্বাচনি জনসভায় ‘৮০ ভাগ মুসলমানের এই দেশে কোনো বিধর্মী বা অশোভনীয় সংসদ প্রতিনিধি থাকতে পারে না’—এমন বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। বক্তব্যটি ঘিরে এলাকায় ও অনলাইনে আলোচনা তৈরি হয়েছে। ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা শুরুর প্রথম দিন রাতে। বরগুনার বামনা উপজেলার […]

‘৮০ ভাগ মুসলমানের দেশে বিধর্মী সংসদ সদস্য থাকতে পারে না

‘৮০ ভাগ মুসলমানের দেশে বিধর্মী সংসদ সদস্য থাকতে পারে না

নিউজ ডেস্ক

২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:৩১

বরগুনা-২ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থীর এক নির্বাচনি জনসভায় ‘৮০ ভাগ মুসলমানের এই দেশে কোনো বিধর্মী বা অশোভনীয় সংসদ প্রতিনিধি থাকতে পারে না’—এমন বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। বক্তব্যটি ঘিরে এলাকায় ও অনলাইনে আলোচনা তৈরি হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা শুরুর প্রথম দিন রাতে। বরগুনার বামনা উপজেলার ডৌয়াতলা স্কুল মাঠে জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় আফজাল হোসেন নামের এক ব্যক্তি এ বক্তব্য দেন। জনসভা চলাকালে তিনি জামায়াতে ইসলীতে যোগ দেন বলে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

জনসভায় বক্তব্যে আফজাল হোসেন বলেন, ‘আপনারা কি আল-কোরআন চান, না বেদায়াত চান? আল-কোরআন যদি চান, অবশ্যই জামায়াতে ইসলাম সংসদীয় শাসনতন্ত্র কায়েম করবে। উচ্চ স্বরে তারা সংসদে ধমক দিয়ে বলবে—এই দেশ মুসলমানের দেশ। যেখানে ৮০ পার্সেন্ট লোক মুসলমান, সেখানে কোনো দিন বেধর্মী বা অশোভনীয় সংসদ প্রতিনিধি থাকতে পারে না। সংবিধান থাকতে পারে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘কী শাসন থাকবে? আল্লাহর কোরআনের শাসন থাকবে। আজকে চুরি করলে যদি হাত কেটে দেওয়া হয়, আর কি এই এলাকায় চুরি হবে? সেই শাসন আমরা চাই।’

এ সময় জামায়াত মনোনীত প্রার্থীকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘আপনার চিন্তা নাই ইনশাআল্লাহ। মানুষ বুঝতে পেরেছে ধর্ম কাকে বলে, ন্যায় কাকে বলে, আদর্শ কাকে বলে।’

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে আফজাল হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

এদিকে বরগুনা-২ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ডা. সুলতান আহমদ বলেন, আফজাল হোসেন তাদের পুরোনো কেউ নন। তার ভাষায়, ‘তিনি নতুন মানুষ। আমাদের কালকেই পরিচয়। তিনি ওই এলাকার মানুষ। রিটায়ার্ড মুরুব্বি মানুষ—আবেগে বলে ফেলেছে। বলার পর আমাদের কিছু করার থাকে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের মুখ থেকে বা আমাদের নেতাদের মুখ থেকে এ ধরনের কোনো বক্তব্য আসেনি। আমার বক্তৃতা দেখলে দেখা যাবে, আমি কারও নামও নেইনি, বিরোধী দলের কথাও বলিনি।’ একই সঙ্গে তিনি বলেন, জামায়াতে যোগদান একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে হয়, নির্বাচনের সময় তাৎক্ষণিকভাবে এমন যোগদান কার্যকর হয় না।

এ বিষয়ে বরগুনার বামনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. পলাশ আহমেদ জানান, বিষয়টি তারা পরে জেনেছেন। তিনি বলেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অন্যান্য খবর

ঢাকার দুই সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল জামায়াত

আসন্ন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে নিজেদের প্রার্থীর নাম অনানুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দলটির পক্ষ থেকে ঢাকা দুই সিটি করপোরেশনের সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীদের নাম জানানো হয়। ঘোষণা অনুযায়ী, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) নির্বাচনে জামায়াতের ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের প্রার্থী হবেন মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। তিনি বর্তমানে জামায়াতে ইসলামীর […]

ঢাকার দুই সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল জামায়াত

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯:৫৭

আসন্ন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে নিজেদের প্রার্থীর নাম অনানুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দলটির পক্ষ থেকে ঢাকা দুই সিটি করপোরেশনের সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীদের নাম জানানো হয়।

ঘোষণা অনুযায়ী, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) নির্বাচনে জামায়াতের ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের প্রার্থী হবেন মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। তিনি বর্তমানে জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

অন্যদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) নির্বাচনে দলটির মেয়র প্রার্থী হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি আবু সাদিক কায়েমের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

এর মধ্য দিয়ে রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে নিজেদের সম্ভাব্য প্রার্থী সামনে আনল জামায়াতে ইসলামী।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৪২২

অন্যান্য খবর

যতই ব্যস্ত থাকি না কেন, এলাকার উন্নয়নে পাশে থাকবো: মির্জা ফখরুল

বিএনপি মনোনীত রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পেলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করার ইচ্ছা রয়েছে তার। একই সঙ্গে নিজের এলাকার উন্নয়নেও সক্রিয় থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে রাজধানীর হেয়ার রোডে সরকারি বাসভবনে ঠাকুরগাঁও সাংবাদিক ফোরাম ঢাকার নেতাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে […]

যতই ব্যস্ত থাকি না কেন, এলাকার উন্নয়নে পাশে থাকবো: মির্জা ফখরুল

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৮ আগস্ট ২০২৬, ২২:১০

বিএনপি মনোনীত রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পেলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করার ইচ্ছা রয়েছে তার। একই সঙ্গে নিজের এলাকার উন্নয়নেও সক্রিয় থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে রাজধানীর হেয়ার রোডে সরকারি বাসভবনে ঠাকুরগাঁও সাংবাদিক ফোরাম ঢাকার নেতাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমি কখনো ভাবিনি যে রাষ্ট্রপতি হবো। এটা দলের এবং মহান আল্লাহর অশেষ মেহেরবানি। রাষ্ট্রপতি হলেও আমার ইচ্ছা আছে, জনগণের পাশে থেকে সেবা করবো।’

তিনি আরও বলেন, দায়িত্ব ও ব্যস্ততা যতই থাকুক, জনগণের কল্যাণ এবং এলাকার উন্নয়নে তিনি পাশে থাকার চেষ্টা করবেন।

সাক্ষাৎকালে ঠাকুরগাঁও সাংবাদিক ফোরাম ঢাকার নেতারা বিএনপি মনোনীত রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফখরুলকে অভিনন্দন জানান। এ সময় তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে তাকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেওয়ায় মহান আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

পরে তিনি উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন, তাদের খোঁজখবর নেন এবং বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ দেন।

সৌজন্য সাক্ষাতে ঠাকুরগাঁও সাংবাদিক ফোরাম ঢাকার সভাপতি মানিক মুনতাসির, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, প্রধান বার্তা সম্পাদক মানিকুল আজাদসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সংগঠনের উপদেষ্টা ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকরাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

অন্যান্য খবর

রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর পদবির আগে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ না লেখার নির্দেশ

সরকারি যোগাযোগ, নথিপত্র ও সারসংক্ষেপে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের পদবির আগে ‘মহামান্য’, ‘মাননীয়’ বা অন্য সম্মানসূচক শব্দ না লেখার জন্য নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রণালয়।

রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর পদবির আগে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ না লেখার নির্দেশ

দৈনিক সকাল গ্রাফিক্স

নিউজ ডেস্ক

০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:২৪

সরকারি দাপ্তরিক যোগাযোগ ও নথিপত্রে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের পদবির আগে ‘মহামান্য’, ‘মাননীয়’ কিংবা অন্য কোনো সম্মানসূচক শব্দ লিখিতভাবে ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সাধারণ অধিশাখা থেকে জারি করা এক পরিপত্রে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

পরিপত্রে বলা হয়েছে, সরকার, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের সঙ্গে দাপ্তরিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে তাদের পদবির আগে কোনো সম্মানসূচক শব্দ ব্যবহার করা যাবে না।

একই নির্দেশনা সরকারি নথিপত্র, সারসংক্ষেপ উপস্থাপন এবং দাপ্তরিক চিঠিপত্রের ক্ষেত্রেও কার্যকর হবে।

সরকারের সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগ এবং সেগুলোর অধীন দপ্তর ও সংস্থাকে নতুন সিদ্ধান্ত অনুসরণের অনুরোধ জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

ফলে এখন থেকে দাপ্তরিকভাবে রাষ্ট্রপতির পদবির আগে ‘মহামান্য’ এবং প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের পদবির আগে ‘মাননীয়’ কিংবা অন্য কোনো সম্মানসূচক শব্দ লিখিতভাবে ব্যবহার করা হবে না।