শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

অন্যান্য খবর

শাসক শেখ মুজিবুরের পলিসি নিয়ে সমালোচনা আছে, কিন্তু তার মুক্তিযুদ্ধে অবদানকে অস্বীকার করতে পারব না : নুর

গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর বলেছেন, জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানের মুক্তিযুদ্ধে অবদান অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই। তিনি বলেন, “শেখ মুজিবের অবদান আছে—এটা অস্বীকার করা যাবে না। মানুষের ভালো-মন্দ মিলিয়েই বিচার করা হয়। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের সংগ্রামে তিনি ছিলেন আপসহীন লড়াকু নেতা। এটি সত্য, এবং সত্যকে অস্বীকার করার উপায় নেই।” একটি বেসরকারি টেলিভিশনের […]

নিউজ ডেস্ক

১০ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৩:২৯

গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর বলেছেন, জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানের মুক্তিযুদ্ধে অবদান অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই। তিনি বলেন, “শেখ মুজিবের অবদান আছে—এটা অস্বীকার করা যাবে না।

মানুষের ভালো-মন্দ মিলিয়েই বিচার করা হয়। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের সংগ্রামে তিনি ছিলেন আপসহীন লড়াকু নেতা। এটি সত্য, এবং সত্যকে অস্বীকার করার উপায় নেই।”

একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টক শোতে অংশ নিয়ে নুর এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “শাসক শেখ মুজিবুর রহমানের নীতি বা সিদ্ধান্ত নিয়ে আমাদের সমালোচনা থাকতে পারে। রাজনৈতিক নীতি–অবস্থান ভিন্ন হতে পারে। কিন্তু তার মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব ও ভূমিকাকে অস্বীকার করা শুধু অন্যায়ই নয়, ইতিহাস বিকৃতির শামিল।”

নুর অভিযোগ করেন, কিছু রাজনৈতিক গোষ্ঠী উদ্দেশ্যমূলকভাবে যেকোনো যুক্তিসংগত আলোচনা বা মত প্রকাশকে ‘দলবাজি’ হিসেবে আখ্যা দেয়, যা সমাজে বিভাজন সৃষ্টি করছে। তিনি বলেন, “কেউ যদি বাস্তবতার ভিত্তিতে শেখ মুজিবের মুক্তিযুদ্ধের অবদানকে স্বীকার করে, তাহলে সে আওয়ামী লীগের দালাল হয়ে যাবে—এমন প্রচারণা খুবই জঘন্য। যারা এটা করছে, তারা সমাজে বিদ্বেষ ছড়াচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, এই প্রবণতা যেই দলের লোকই দেখাক—আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জামায়াত, শিবির বা ইসলামী আন্দোলন—সবার ব্যাপারেই সতর্ক থাকা প্রয়োজন। “রাজনীতিতে ভিন্নমত থাকতেই পারে, কিন্তু ইতিহাস নিয়ে বিভক্তি তৈরি করা দেশের জন্য ক্ষতিকর,” মন্তব্য করেন নুর।

নুরুল হক নুর বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস ও অবদানকে মূল্যায়ন করা জাতীয় দায়িত্ব। “শেখ মুজিবের ভূমিকা আছে তা স্বীকার করলেই কেউ কোনো দলের সদস্য হয়ে যায় না। বরং সত্যকে স্বীকার করাই পরিপক্ব রাজনীতির পরিচয়।”

টক শোতে তার বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকে নুরের বক্তব্যকে ভারসাম্যপূর্ণ ইতিহাসচর্চার উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

অন্যান্য খবর

জীবনের প্রথম সিনেমায় মাত্র ৫ হাজার টাকা পারিশ্রমিক পেয়েছিলেন অভিনেত্রী রিনা খান

আনোয়ার আরমান : বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় ও পরিচিত মুখ রিনা খান। দীর্ঘ অভিনয় জীবনে অসংখ্য চলচ্চিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। বিশেষ করে খলচরিত্রে দুর্দান্ত অভিনয়ের মাধ্যমে চলচ্চিত্রপ্রেমীদের কাছে পেয়েছেন ব্যাপক পরিচিতি। সম্প্রতি দৈনিক সকালের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে নিজের অভিনয়জীবনের নানা স্মৃতি ও অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন রিনা খান। অভিনেত্রী রিনা খান […]

নিউজ ডেস্ক

০৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৭:৪৫

আনোয়ার আরমান :

বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় ও পরিচিত মুখ রিনা খান। দীর্ঘ অভিনয় জীবনে অসংখ্য চলচ্চিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। বিশেষ করে খলচরিত্রে দুর্দান্ত অভিনয়ের মাধ্যমে চলচ্চিত্রপ্রেমীদের কাছে পেয়েছেন ব্যাপক পরিচিতি।

সম্প্রতি দৈনিক সকালের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে নিজের অভিনয়জীবনের নানা স্মৃতি ও অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন রিনা খান।

অভিনেত্রী রিনা খান জানান, ১৯৮২ সালে প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা সুভাষ দত্ত পরিচালিত ‘সোহাগ মিলন’ সিনেমার মাধ্যমে রুপালি পর্দায় তার যাত্রা শুরু হয়। জীবনের প্রথম চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি পারিশ্রমিক পেয়েছিলেন মাত্র পাঁচ হাজার টাকা। সেই পাঁচ হাজার টাকা দিয়েই শুরু হয়েছিল তার দীর্ঘ অভিনয় জীবনের পথচলা।

রিনা খানের দাবি, এখন পর্যন্ত তিনি ৮০০টিরও বেশি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। দীর্ঘ এই পথচলায় নানা ধরনের চরিত্রে অভিনয় করলেও খলচরিত্রেই দর্শকদের কাছে বেশি জনপ্রিয়তা পেয়েছেন তিনি।

পর্দায় ভয়ংকর ও কঠোর চরিত্রে দেখা গেলেও বাস্তব জীবনে রিনা খান অত্যন্ত সহজ-সরল ও আন্তরিক স্বভাবের একজন মানুষ।

বর্তমানে সিনেমাতে কম কাজ থাকলেও থেমে নেই তার পথচলা। নিয়মিত নাটক ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে অভিনয় করে ব্যস্ত সময় পার করছেন এই গুণী অভিনেত্রী।

অন্যান্য খবর

ঢাকার দুই সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল জামায়াত

আসন্ন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে নিজেদের প্রার্থীর নাম অনানুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দলটির পক্ষ থেকে ঢাকা দুই সিটি করপোরেশনের সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীদের নাম জানানো হয়। ঘোষণা অনুযায়ী, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) নির্বাচনে জামায়াতের ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের প্রার্থী হবেন মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। তিনি বর্তমানে জামায়াতে ইসলামীর […]

ঢাকার দুই সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল জামায়াত

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯:৫৭

আসন্ন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে নিজেদের প্রার্থীর নাম অনানুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দলটির পক্ষ থেকে ঢাকা দুই সিটি করপোরেশনের সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীদের নাম জানানো হয়।

ঘোষণা অনুযায়ী, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) নির্বাচনে জামায়াতের ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের প্রার্থী হবেন মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। তিনি বর্তমানে জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

অন্যদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) নির্বাচনে দলটির মেয়র প্রার্থী হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি আবু সাদিক কায়েমের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

এর মধ্য দিয়ে রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে নিজেদের সম্ভাব্য প্রার্থী সামনে আনল জামায়াতে ইসলামী।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫৮৬

নিউজ ডেস্ক

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১:২৭