রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

বিএনপি-আওয়ামী লীগ একই গাছের দুটি ফুল : মুফতি ফয়জুল করিম

“এই দেশের ভোটারদের আচরণেও সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। দুর্নীতিবাজরা জেলে যাওয়ার পরও যখন জনগণ তাদের ফুলের মালা দিয়ে বরণ করে, তখন দুর্নীতির সংস্কৃতি উৎসাহ পায়। যদি তারা ফুলের মালা না দিয়ে জুতার মালা দিত, তাহলে দুর্নীতি অনেকটা কমে যেত

বিএনপি-আওয়ামী লীগ একই গাছের দুটি ফুল : মুফতি ফয়জুল করিম

ছবি: সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২২ জুন ২০২৫, ২১:২৭

বিএনপি ও আওয়ামী লীগকে একই গাছের দুটি ডাল বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিম। তিনি বলেন, চাঁদাবাজি, লুটপাট, দুর্নীতি সবই আগের মতোই চলছে। আগে আওয়ামী লীগ করত, এখন বিএনপি করছে। শুধু হাত বদল হয়েছ।

রোববার (২২ জুন) বিকেলে লালমনিরহাটের কালেক্টরেট মাঠে আয়োজিত ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ লালমনিরহাট জেলা শাখার আয়োজনে অনুষ্ঠিত এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

মুফতি ফয়জুল করিম বলেন, “বিগত ৫৩ বছর যারা ক্ষমতায় ছিল, তারা আমাদের জনগণকে কলুর বলদ বানিয়ে নিজেরা আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়েছে। এখন যারা বিএনপির রাজনীতিতে জড়িত, তারাও সেই একই পথে হাঁটছে। একটা ওয়ার্ডের সভাপতি হয়েও কেউ কেউ কোটি কোটি টাকার মালিক হয়ে যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, “এই দেশের ভোটারদের আচরণেও সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। দুর্নীতিবাজরা জেলে যাওয়ার পরও যখন জনগণ তাদের ফুলের মালা দিয়ে বরণ করে, তখন দুর্নীতির সংস্কৃতি উৎসাহ পায়। যদি তারা ফুলের মালা না দিয়ে জুতার মালা দিত, তাহলে দুর্নীতি অনেকটা কমে যেত।”

চরমোনাই পীর ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “বিএনপির মধ্যেও কেউ ভালো থাকলেও সে ভালো থাকতে পারে না। চাঁদাবাজদের সঙ্গে থাকতে থাকতে সেও চাঁদাবাজ হয়ে যায়। আওয়ামী লীগ যা করেছে, এখন বিএনপি তা-ই করছে। যেটা আওয়ামী লীগ সাহস করেনি, সেটাও এখন হচ্ছে। সম্প্রতি লালমনিরহাটে হালকা জিকিরও বন্ধ করে দিয়েছে জালেমরা বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি বলেন, “আলেমদের ওপর আঙ্গুল তুললে, কোরআন-হাদিস নিয়ে খেলা করলে, সাধারণ মানুষই বাংলার জমিন থেকে এই জালেমদের তাড়িয়ে দেবে ইন-শাহ-আল্লাহ। ফেরাউন টিকতে পারেনি, নমরুদ টিকতে পারেনি, আপনারাও পারবেন না।”

বিএনপি-আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক চরিত্র নিয়ে কঠোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, শপথ পাঠের আগেই চেয়ারে বসে যাওয়া পৃথিবীর আর কোথাও নেই। বিচারপতি সিনহার সঙ্গে যেভাবে আওয়ামী লীগ আচরণ করেছিল, আজ বিএনপিও একই কায়দায় বিচারপতিদের হুমকি-ধমকি দিচ্ছে। তাহলে এদের মধ্যে পার্থক্যটা কোথায়?”

চরমোনাই পীর বলেন, “এই জাহেল, মূর্খ, বেয়াদব রাজনীতিকরা জানে না জিয়াউর রহমান কাদের নিয়ে রাজনীতি করেছেন, কাদের প্রধানমন্ত্রী করেছিলেন। তারা ভুলে গেছে।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষকে যদি সঠিকভাবে কাজে লাগানো যেত, তাহলে গোটা দুনিয়ার মধ্যে বাংলাদেশ অর্থনীতিতে এক নম্বরে চলে যেত। কিন্তু বিএনপি ও আওয়ামী লীগের লুটপাট, চাঁদাবাজি আর ক্ষমতার অপব্যবহার সেই সম্ভাবনাকে ধ্বংস করে দিয়েছে।”

গণসমাবেশ থেকে তিনি জুলাই মাসে সংঘটিত ‘গণহত্যার’ দৃষ্টান্তমূলক বিচার, আহতদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা, দুর্নীতিবাজ ও অর্থপাচারকারীদের বিচারের মাধ্যমে রাজনীতি থেকে অযোগ্য ঘোষণা, নারী কমিশনের মতো ‘ইসলাম ও সমাজবিরোধী’ প্রতিষ্ঠান বাতিল, সংখ্যানুপাতিক ভিত্তিক নির্বাচন ব্যবস্থা চালু এবং ইসলামী শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার দাবি জানান বক্তারা।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ লালমনিরহাট জেলার এই সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির লালমনিরহাট জেলা সভাপতি হাফেজ আজহারুল ইসলাম। এসময় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন দলের জেলা ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। কয়েক হাজার নেতাকর্মী ও ধর্মপ্রাণ মানুষ এতে উপস্থিত ছিলেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৪

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৪

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৪

রাজনীতি

“ওসব কিছুই চাই না, আমি বড় ক্লান্ত, একেবারে অবসর চাই- শুধু ঘুমাবো” : মির্জা ফখরুল

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।” চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ২০:০৬

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

গত ২৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। বাইরে ছিল মানুষের ভিড়। প্রায় নিশ্চিত হয়েই ফিরে আসছিলাম—আজ আর দেখা হবে না। ঠিক তখনই তাঁর দীর্ঘদিনের সহকারী কৃষিবিদ ইউনুস আলী ডাক দিলেন।

মন্ত্রীর কক্ষে ঢুকেই চোখে পড়ল ভিন্ন এক মির্জা ফখরুলকে। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ে অভ্যস্ত মানুষটিকে সেদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগছিল। চোখে ঘুমঘুম ভাব, মুখে অবসাদের রেখা।

অন্যদের বিদায় দেওয়ার পর বললাম, “আমার কোনো তদবির নেই, অনেক দিন দেখা হয় না—তাই শুধু সাক্ষাৎ করতে এলাম।”

শরীরের খোঁজ নিতেই তিনি ধীরে উত্তর দিলেন—

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

কথাটি শুনে কিছুটা বিস্মিত হয়েই বললাম, “দেশের মানুষ আপনাকে এই মন্ত্রণালয়ের পর বঙ্গভবনে দেখতে চায়।”

তিনি হালকা হাসলেন। তারপর বললেন—

“ওসব কিছুই চাই না। একেবারে অবসর চাই… শুধু ঘুমাবো।”

এই কয়েকটি বাক্য যেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক অনুচ্চারিত ক্লান্তির ভাষা হয়ে উঠেছিল।

এরপর কথোপকথন গড়ায় স্মৃতির ভেতর। ২০০৮ সালে লন্ডন থেকে ফেরার পর প্রথম কোনো সাংবাদিক হিসেবে আমাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি।

তার কিছুদিন পর কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর উত্থান ঘটে। স্মৃতিচারণে উঠে আসে বেগম খালেদা জিয়া, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ও ইশরাক হোসেন প্রসঙ্গও।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৩