বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

সালমানের দুর্নীতি করে পাচার করা অর্থ উদ্ধারের উদ্যোগ

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি খাতবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বিদেশে বিপুল অঙ্কের অর্থ পাচার করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। নানা সময় বিভিন্ন সংস্থার তদন্তে তার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো গ্রুপের বিরুদ্ধে টাকা পাচারের তথ্য পাওয়া গেছে। কিন্তু এতদিন পাচার করা অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। অন্তর্বর্তী সরকার সালমান এফ রহমানের পাচারের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ […]

নিউজ ডেস্ক

১৬ আগস্ট ২০২৪, ২৩:১৮

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি খাতবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বিদেশে বিপুল অঙ্কের অর্থ পাচার করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। নানা সময় বিভিন্ন সংস্থার তদন্তে তার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো গ্রুপের বিরুদ্ধে টাকা পাচারের তথ্য পাওয়া গেছে। কিন্তু এতদিন পাচার করা অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

অন্তর্বর্তী সরকার সালমান এফ রহমানের পাচারের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ এবং সেই অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের সিদ্ধান্ত— নিয়েছে। এজন্য বিভিন্ন দেশে সালমানের সম্পদের তথ্য চেয়ে অচিরেই চিঠি দেওয়া হবে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সম্প্রতি বাংলাদেশ আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিটকে (বিএফআইইউ) বলা হয়েছে।

গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গঠিত নতুন সরকার পাচার করা টাকা দেশে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সাবেক সরকারের বেশ কয়েকজন মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও নানা পর্যায়ের নেতাদের বিষয়ে তথ্য চাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। একই সঙ্গে দেশে তাদের সম্পদের বিষয়েও তথ্য সংগ্রহ হচ্ছে। বিএফআইইউ থেকে এসব বিষয়ে অচিরেই উদ্যোগ নেওয়া হবে।

গত ২০০৬ সালে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে দুর্নীতিবিরোধী টাস্কফোর্সের তদন্তে সালমান এফ রহমানের নামে বিদেশে টাকা পাচারের তথ্য পাওয়া যায়। এর মধ্যে লন্ডনে একটি ব্যাংকে তার নামে ৩৫০ কোটি ডলারের একটি আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ডের সন্ধান পাওয়া যায়। দেশ থেকে পাচার করা অর্থ তিনি ওই ক্রেডিট কার্ডে রেখেছিলেন।
সূত্র জানায়, বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের তদন্তে সালমান এফ রহমান ও তার স্বার্থসংশ্লিস্ট কোম্পানির নামে বিদেশে টাকা পাচারের তথ্য উদঘাটিত হয়েছে। ওইসব প্রতিবেদন এখন বের করে পাচার তথ্য সমন্বয় করা হচ্ছে। তিনি কোন দেশে অর্থ পাচার করেছেন, তা কী কাজে ব্যবহার হয়েছে সেসব তথ্যও অনুসন্ধান করা হবে।

সূত্র জানায়, সালমান এফ দেশ থেকে বিভিন্নভাবে সম্পদ পাচার করেছেন। এর মধ্যে পণ্য আমদানির এলসি খুলে বৈদেশিক মুদ্রায় দেনা শোধ করেছেন ব্যাংকের মাধ্যমে কিন্তু পণ্য দেশে আসেনি। পণ্য আমদানি করা হয়েছে, কিন্তু পণ্য দেশে আসেনি। এর মাধ্যমেই দেশ থেকে বেশি টাকা পাচার হয়েছে। সরকারি একটি ব্যাংক থেকে বেক্সিমকো গ্র“পের প্রতিষ্ঠানের এলসি খোলার দেনা শোধ করা হয়। কিন্তু এর বিপরীতে কোনো পণ্য দেশে আসেনি বলে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক তদন্তে বেরিয়ে এসেছে। বেসরকারি একটি ব্যাংকের মাধ্যমে বিদেশে পণ্য রপ্তানি হলেও রপ্তানি মূল্যের ডলার দেশে আসেনি। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তদন্তে এসব ঘটনা ধরা পড়ার পরও রাজনৈতিক চাপে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে জোরালো কোনো পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হয়নি।

সূত্র জানায়, টানা ১৫ বছর ধরে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় রয়েছে। ওই সময়ে শেখ হাসিনার বেসরকারি খাতবিষয়ক উপদেষ্টা হিসাবে তার ছিল একচ্ছত্র আধিপত্য। যে ব্যাংক থেকে যেভাবে খুশি ঋণ নিয়েছেন। ঋণের টাকা কখনো পরিশোধ করেননি। পরিশোধের সময় এলে আবার নতুন করে ঋণ নিয়েছেন। এভাবে শুধু সরকারি খাতের জনতা ব্যাংক থেকেই ঋণ নিয়েছেন ২৩ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে একটি অংশ আমদানির এলসির নামে বিদেশে পাচার করে দিয়েছেন। তার বিভিন্ন কোম্পানির নামে শিল্পের যন্ত্রপাতি আনার ক্ষেত্রে মূল্য বেশি দেখিয়ে ও ঘোষিত পণ্যের চেয়ে কম পণ্য দেশে এনে সবচেয়ে বেশি টাকা পাচার করেছেন। আরও একটি বেসরকারি ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে ওই টাকার একটি অংশ বিদেশে পাচার করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সূত্র জানায়, পাচার টাকার একটি বড় অংশ রয়েছে বেলারুশসহ কয়েকটি দেশে। সংযুক্ত আরব আমিরাতেও তার পাচার করা অর্থের সন্ধান পেয়েছে সংশ্লিষ্ট সংস্থা। ভারত ও নেপালে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। ওইসব দেশেও তিনি অর্থ পাচার করেছেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে।

সূত্র জানায়, বিএফআইইউ বিশেষ করে এগমন্ট গ্রুপের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশে তথ্য চাইবে। দেশগুলোর আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিটের সমন্বয়ে এগমন্ট গ্রুপ গঠিত। বাংলাদেশ ওই গ্রুপের সদস্য। এর সদস্য দেশগুলো পরস্পরের সঙ্গে মানি লন্ডারিংয়ের তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে। বাংলাদেশ এগমন্ট গ্রুপের কাছে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম উল্লে­খ করে চিঠি দেবে। এগমন্ট গ্রুপ ওই চিঠি তার সদস্য দেশগুলোতে পাঠাবে। ওইসব দেশ তথ্য আবার এগমন্ট গ্রুপকে জানাবে। পরে এগমন্ট গ্রুপ তা বাংলাদেশকে দেবে। এই প্রক্রিয়ায় সালমান রহমানের পাচার করা সম্পদের তথ্য সংগ্রহ করা হবে।

সূত্র জানায়, সালমান এফ রহমানের নামে দেশের ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে থাকা সম্পদের বিষয়ে এখন বিএফআইইউ নিজস্ব গোয়েন্দা সূত্র ব্যবহার করে তথ্য সংগ্রহ করছে। প্রাথমিকভাবে ওইসব তথ্য পাওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে চিঠি দেওয়া হবে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৫৭

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৭০
বিষয়ঃ

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৫৭

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৭০