মন্ত্রিসভা থেকে ইশরাক হোসেনের পদত্যাগকে গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেছেন ফরিদপুর-৮ আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুল। তিনি বলেন, অনিয়ম ও বিশৃঙ্খলার অভিযোগে রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে কাউকে দায়মুক্তি দেওয়া হবে না-ইশরাকের পদত্যাগের মধ্য দিয়ে সেই বার্তাও স্পষ্ট হয়েছে।
ইশরাকের প্রতি শুভকামনা জানিয়ে বাবুল বলেন, ‘দাগ থেকে যদি দারুণ কিছু হয়- তাহলে তো দাগই ভালো’। ইশরাকের জন্য সব সময়ই আমার দোয়া ও শুভ কামনা থাকবে।’
আজ মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন তিনি।
পোস্টে এমপি বাবুল লেখেন, ‘রক্ত কখনও ঘুমায় না বা রক্ত কখনও বেইমানি করে না। ইশরাক হোসেন ঢাকার সিংহপুরুষ সাদেক হোসেনের সন্তান। ঢাকাবাসীর প্রতি তার ও তার পরিবারের আবেগ ও ভালোবাসা কোন সাজানো গল্প না।
আর জিয়া পরিবারের প্রতিও তাদের আস্থা প্রশ্নাতীত।দলের দুর্দিনে ইশরাকের ভূমিকা ছিল উজ্জ্বল এবং ক্ষেত্রবিশেষে দুঃসাহসিক।’
ইশরাকের পদত্যাগের প্রসঙ্গে বাবুল লেখেন, ‘তবে সম্প্রতি তার একটা ভালো কাজের পদ্ধতি নিয়ে কিছুটা বিতর্ক তৈরি হয়েছে- বিধায় সে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেছে। তার এই পদত্যাগ নিশ্চিতভাবেই গণতান্ত্রিক শাসনের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করেছে। কখনও কখনও কোনো মহৎ কাজও পদ্ধতিগত ত্রুটির কারণে বিতর্কিত বা প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে যেতে পারে।’
তিনি আরও বলেন, মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ মানেই সবকিছু শেষ হয়ে যাওয়া নয়। ছোটোখাটো ভুল বা ব্যত্যয় কাটিয়ে ইশরাক আবারও দুর্বার গতিতে ফিরে আসতে পারেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
ইশরাকের প্রতি শুভকামনা জানিয়ে বাবুল লেখেন, সেজন্যই বলেছি- ‘দাগ থেকে যদি দারুণ কিছু হয়- তাহলে তো দাগই ভালো’। ইশরাকের জন্য সব সময়ই আমার দোয়া ও শুভ কামনা থাকবে।’
পোস্টের শেষাংশে ইশরাকের পদত্যাগকে দল ও সরকারের শৃঙ্খলা রক্ষার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা হিসেবে উল্লেখ করেন এমপি বাবুল। তার ভাষ্য, ইশরাকের মতো ত্যাগী নেতাকেও যদি দায়মুক্তি দেওয়া না হয়, তাহলে রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে অন্য কাউকেও ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই।