সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

রানা প্লাজার ক্ষতিগ্রস্তদের ১২৭ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেন শেখ হাসিনা

সাভারের রানা প্লাজা ধসে আহত ও নিহত শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য গঠিত প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের ১২৭ কোটি টাকা ভারতে পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আত্মসাৎ করেছেন—এমন অভিযোগ করেছেন রানা প্লাজা সার্ভাইভারস অ্যাসোসিয়েশন–এর নেতারা। শনিবার জাতীয় জাতীয় প্রেসক্লাব–এর আবদুস সালাম হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রায় ৩০০ জন ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিককে প্রতিনিধিত্বকারী এই সংগঠনের পক্ষ থেকে অভিযোগটি […]

রানা প্লাজার ক্ষতিগ্রস্তদের ১২৭ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেন শেখ হাসিনা

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ২০:০৪

সাভারের রানা প্লাজা ধসে আহত ও নিহত শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য গঠিত প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের ১২৭ কোটি টাকা ভারতে পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আত্মসাৎ করেছেন—এমন অভিযোগ করেছেন রানা প্লাজা সার্ভাইভারস অ্যাসোসিয়েশন–এর নেতারা।

শনিবার জাতীয় জাতীয় প্রেসক্লাব–এর আবদুস সালাম হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রায় ৩০০ জন ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিককে প্রতিনিধিত্বকারী এই সংগঠনের পক্ষ থেকে অভিযোগটি তোলা হয়। সংবাদ সম্মেলনে নিজেদের বঞ্চনা ও দীর্ঘদিনের দুর্দশার কথা বলতে গিয়ে একাধিক শ্রমিক আবেগাপ্লুত হয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন। এ সময় বক্তব্য দেন সভাপতি মাহামুদুল হাসান হৃদয় এবং কার্যনির্বাহী সদস্য ওহিদুল ইসলাম।

লিখিত বক্তব্যে নেতারা বলেন, রানা প্লাজার ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকদের নামে এখনও বিদেশে অর্থ সংগ্রহ করা হচ্ছে, কিন্তু সেই অর্থ প্রকৃত সার্ভাইভারদের হাতে পৌঁছাচ্ছে না। তারা বলেন, “আমরা যারা এই দুর্ঘটনার বাস্তব ভুক্তভোগী, তারা সেই অর্থের কোনো সুফল পাচ্ছি না। এটি চরম অন্যায় এবং শ্রমিকদের সঙ্গে সরাসরি প্রতারণা।”

এ সময় তারা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান, রানা প্লাজার এম্বাসেডর ও শ্রমিক নেত্রী ইয়াসমিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা করা হয়েছে। নেতারা দাবি করেন, এই মামলা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং শ্রমিক আন্দোলন দমনের একটি কৌশল।

নেতারা আরও বলেন, দুর্ঘটনার এক যুগেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও আহত ও নিহত শ্রমিকদের পরিবার এখনও পূর্ণ ক্ষতিপূরণ, উন্নত চিকিৎসা, পুনর্বাসন ও ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত। অর্থের অভাবে অনেক পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলন থেকে রানা প্লাজা সার্ভাইভারস অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে ছয় দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—
১) স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্তদের নামে বিদেশে সব ধরনের অর্থ সংগ্রহ বন্ধ করা,
২) সব সার্ভাইভার ও নিহত শ্রমিকদের পরিবারকে পূর্ণ ও ন্যায্য ক্ষতিপূরণ প্রদান,
৩) আহত ও পঙ্গু শ্রমিকদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা, পুনর্বাসন, বাসস্থান ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা,
৪) বিদেশ থেকে সংগৃহীত সব অর্থের পূর্ণাঙ্গ হিসাব প্রকাশ ও নিরপেক্ষ তদন্ত,
৫) ইয়াসমিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহার,
৬) ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকদের সরাসরি অংশগ্রহণ ছাড়া কোনো তহবিল বা পুনর্বাসন প্রকল্প গ্রহণ না করা।

সংবাদ সম্মেলনে নেতারা বলেন, “রানা প্লাজার সার্ভাইভাররা দয়া নয়, তাদের ন্যায্য অধিকার চান। এটি কোনো অনুগ্রহ নয়—এটি আমাদের মানবিক ও সাংবিধানিক অধিকার।”

শেষে তারা সরকার, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে গণমাধ্যমের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলেন, বঞ্চিত ও ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকদের কণ্ঠস্বর দেশ ও বিশ্বের সামনে তুলে ধরতে সাংবাদিকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।