ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ আবারও ভোটের ট্রেনে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা ও নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। তিনি মনে করেন, ডাকসুর এই নির্বাচন দেশের সামগ্রিক গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার নতুন সূচনা।
মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, “ডাকসুর মধ্য দিয়ে ইলেকশনের ট্রেনে উঠে গেলো বাংলাদেশ। এরপর চলে আসবে জাতীয় নির্বাচনের ট্রেন। সবাইকে নির্বাচন মোবারক।”
ফারুকী তার পোস্টে আরও লেখেন, “যে ভোট রাতেই করে ফেলা যায় সেটা দিন পর্যন্ত রাখা হলো কেন? সময়ের কাজ সময়েই না করা এই জাতির বড় দুর্বলতা।” তিনি উল্লেখ করেন, ডাকসু নির্বাচনকে ঘিরে যেসব আলোচনা হচ্ছে, সেখানে অন্তত লাইলাতুল ইলেকশনের জননী কিংবা অতীতের বিভিন্ন আলোচিত ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের কোনো বক্তব্য নেই। তার মতে, দীর্ঘ সময় পর ডাকসুর এই নির্বাচন তরুণ সমাজের জন্য নতুন রাজনৈতিক দিকনির্দেশনা তৈরি করবে।
প্রসঙ্গত, প্রায় ছয় বছর পর অনুষ্ঠিত হচ্ছে ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন। সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮টি কেন্দ্রে ৮১০টি বুথে ভোটগ্রহণ চলছে। এবারের নির্বাচনে ডাকসুর ২৮টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট ৪৭১ জন প্রার্থী, যার মধ্যে নারী প্রার্থী ৬২ জন। পাশাপাশি ১৮টি হল সংসদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আরও ১,০৩৫ জন প্রার্থী।
নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা ৩৯ হাজার ৮৭৪ জন, এর মধ্যে ছাত্র ২০ হাজার ৯১৫ এবং ছাত্রী ১৮ হাজার ৯৫৯ জন। প্রতিটি ভোটারকে ডাকসু ও হল সংসদ মিলিয়ে মোট ৪১টি পদে ভোট দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। ভোট শেষে ফলাফল গণনা হবে অপটিক্যাল মার্ক রিকগনিশন (ওএমআর) মেশিনে এবং ফলাফল ঘোষণা করা হবে সিনেট ভবনে স্থাপিত এলইডি স্ক্রিনে।