ঢাকার বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে আগামী অক্টোবরের আগেই সব ভাঙাচোড়া রাস্তা মেরামত এবং পুরনো বাস অপসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের পানি সম্পদ এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
সোমবার (৩০ জুন) সচিবালয়ে বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে চীনের বিশেষজ্ঞ প্রতিনিধিদলের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।
উপদেষ্টা বলেন, “অক্টোবরের আগে সব ভাঙাচোড়া রাস্তা মেরামত করা হবে। নতুন করে আড়াই শ’ বাস কেনা হবে। বিআরটিএর মাধ্যমে পুরনো বাস সরিয়ে ফেলা হবে।” তিনি আরও বলেন, “সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে একসঙ্গে এ কাজ করা হবে।”
বায়ুদূষণ রোধে সরকারের পরিকল্পনা প্রসঙ্গে রিজওয়ানা হাসান জানান, স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। বায়ুমান উন্নয়নে ঢাকার আশপাশে ইটভাটাগুলোকে ‘নো ব্রিক ফিন্ড জোন’ হিসেবে ঘোষণা করা হবে বলেও জানান তিনি।
তিনি বলেন, “চীনের অভিজ্ঞতা থেকে শিখে আমাদের দেশে তা প্রয়োগ করা হবে। বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে চীনের অভিজ্ঞতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তারা খুব অল্প সময়ে বায়ুর মান অনেক ভালো করেছে। চীনের বিশেষজ্ঞরা আমাদের সঙ্গে তাদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করছেন।”
ঢাকায় বায়ুদূষণ বাংলাদেশের অন্যতম বড় পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বায়ুদূষণের বড় উৎসগুলোর মধ্যে রয়েছে ভাঙাচোড়া রাস্তা, নির্মাণকাজের ধুলো, পুরনো ও ধোঁয়াধারী যানবাহন এবং ইটভাটা। এ অবস্থায় সরকার বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত উদ্যোগের কথা জানিয়ে আসছে।
পরিবেশ উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান বলেন, “আমরা ধাপে ধাপে এটি করব। বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে সরকারের সদিচ্ছা ও পরিকল্পনা রয়েছে। সকল সংস্থার সমন্বয়ে তা বাস্তবায়ন করা হবে।”