বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আইন-আদালত

‘কোনো বিলম্ব মওকুফ নেই, নির্ধারিত সময়ে আপিল না করলে হাসিনা গ্রেফতার হলেই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর’

জুলাই মাসের গণ–অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–১ সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। একই মামলায় রাজসাক্ষী হিসেবে থাকা পুলিশের সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল–মামুনকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ট্রাইব্যুনালের এই ঐতিহাসিক রায়কে ঘিরে মঙ্গলবার প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেন প্রসিকিউটর গাজী […]

‘কোনো বিলম্ব মওকুফ নেই, নির্ধারিত সময়ে আপিল না করলে হাসিনা গ্রেফতার হলেই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর’

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৮ নভেম্বর ২০২৫, ২১:৫৮

জুলাই মাসের গণ–অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–১ সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে।

একই মামলায় রাজসাক্ষী হিসেবে থাকা পুলিশের সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল–মামুনকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ট্রাইব্যুনালের এই ঐতিহাসিক রায়কে ঘিরে মঙ্গলবার প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেন প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামীম।

তিনি জানান, রায় ঘোষণার দিন থেকে পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যেই দণ্ডপ্রাপ্তরা আপিল করতে পারবেন। ট্রাইব্যুনাল আইনের ২১(৩) ধারায় সময়সীমাটি স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে। সময়সীমা অতিক্রমের পর আর কোনো আপিল গ্রহণযোগ্য হবে না। তার ভাষায়, “বিশেষ আইনে নির্ধারিত সময়সীমা পেরুলে আর কোনো সুযোগ থাকে না।”

এক সাংবাদিক জানতে চান—যদি শেখ হাসিনা ৩০ দিনের মধ্যে দেশে না ফেরেন এবং তিন মাস পরে ফিরেন, তাহলে কি আপিলের সুযোগ থাকবে? জবাবে প্রসিকিউটর তামীম বলেন, সাধারণ ফৌজদারি আইনে ‘ডিলে কন্ডোনেশন’ থাকলেও ট্রাইব্যুনাল আইনে নেই। ফলে ৩০ দিন পার হলে আর আপিল করা যাবে না। সে ক্ষেত্রে তারা দেশে ফেরার পর গ্রেফতার হলেই রায় কার্যকর করা হবে।

তিনি আরও বলেন, ট্রাইব্যুনালের রায় ঘোষণার পর আদালত আর তাদের কোনো আবেদন গ্রহণ করতে পারবে না। তারা শুধু রায়ের সার্টিফাইড কপি সংগ্রহ করতে পারবেন, যা নিয়ে এরপর আপিল বিভাগে যেতে হবে। জামিন আবেদনও কেবল আপিল বিভাগেই করা সম্ভব।

সাবেক আইজিপি মামুনের পাঁচ বছরের সাজা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জুলাই যোদ্ধা ও তাদের পরিবার। তারা মনে করছেন—তার অপরাধের তুলনায় শাস্তি অপ্রতুল। প্রসিকিউটরের মতে, তারাও আইন অনুযায়ী ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে পারবেন।

তিনি বলেন, আপিল বিভাগ ‘কমপ্লিট জাস্টিস’ নিশ্চিত করার ক্ষমতা রাখলেও বিশেষ আইনের সময়সীমা অতিক্রম করার কোনো বিধান নেই। তাই আপিল করতে চাইলে সময়সীমার মধ্যেই করতে হবে। সময়সীমা শেষ হলে দণ্ড স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকর করার প্রক্রিয়া শুরু হবে।

এই রায়কে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তাপ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে শেখ হাসিনার দণ্ড কার্যকর হওয়া এখন পুরোপুরি নির্ভর করছে তিনি ৩০ দিনের মধ্যে দেশে ফিরে আপিল করবেন কি না—নাকি দেশে ফেরার সঙ্গে সঙ্গেই তার বিরুদ্ধে ঘোষিত মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হবে।

আইন-আদালত

ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজ

ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ২৪ প্রতিষ্ঠানের নামে থাকা ৮১ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একটি আবেদনের পর বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

নিউজ ডেস্ক

০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭:৫৬

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসিতে এস আলম গ্রুপের নামে থাকা ৮১ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজ করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

ইসলামী ইকোনমিক রিসার্চ ব্যুরোর করা আবেদনের পর বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ নির্দেশ দেন। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) আদেশটির লিখিত অনুলিপি প্রকাশিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনজীবী শিশির মনির।

আদালতে করা রিট আবেদনে বলা হয়, প্রচলিত আইন অনুযায়ী একই গ্রুপ বা একটি পরিবারের সদস্যরা কোনো ব্যাংকের ১০ শতাংশের বেশি শেয়ার ধারণ করতে পারেন না। কিন্তু এস আলমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ২৪টি কোম্পানি প্রাতিষ্ঠানিক শেয়ারহোল্ডার হিসেবে ইসলামী ব্যাংকের সঙ্গে যুক্ত হয়। প্রতিষ্ঠানগুলোর হাতে সম্মিলিতভাবে ব্যাংকটির ৮১ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

এর আগে গত বছর এস আলম-সংশ্লিষ্ট ২৪ প্রাতিষ্ঠানিক শেয়ারহোল্ডার, কয়েকজন পরিচালক ও ব্যক্তির সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট।

একই আদেশে সংশ্লিষ্ট শেয়ারহোল্ডার পরিচালকদের বিদেশযাত্রায়ও বিধিনিষেধ দেওয়া হয়েছিল। আদালতের অনুমতি ছাড়া তাদের দেশত্যাগ না করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

আইন-আদালত

সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডন ৫ দিনের রিমান্ডে

চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার অভিনেতা আশরাফুল হক ওরফে ডনের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার অভিনেতা আশরাফুল হক ওরফে ডনের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট […]

সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডন ৫ দিনের রিমান্ডে

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৭ আগস্ট ২০২৬, ১৫:৩০

চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার অভিনেতা আশরাফুল হক ওরফে ডনের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার অভিনেতা আশরাফুল হক ওরফে ডনের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

সিআইডির দাবি, ডনকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সালমান শাহের মৃত্যুর ঘটনায় করা হত্যা মামলার প্রকৃত রহস্য উদ্‌ঘাটনে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যেতে পারে।

একই সঙ্গে মামলায় জড়িত অন্য সহযোগীদের অবস্থান শনাক্ত এবং তাদের গ্রেপ্তারের বিষয়েও তথ্য পাওয়া যেতে পারে।

আইন-আদালত

শেখ হাসিনাসহ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের আপিলের সুযোগ শেষ: চিফ প্রসিকিউটর

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, শেখ হাসিনাসহ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত যেসব আসামি রায়ের ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করেননি, তাদের আপিলের আর সুযোগ নেই। গুম ও মানবাধিকার আইন নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আজ সোমবার দুপুর ১২টায় তিনি এ কথা বলেন। চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আইন অনুযায়ী রায়ের ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করার সুযোগ রয়েছে। নির্ধারিত […]

শেখ হাসিনাসহ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের আপিলের সুযোগ শেষ: চিফ প্রসিকিউটর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩:২০

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, শেখ হাসিনাসহ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত যেসব আসামি রায়ের ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করেননি, তাদের আপিলের আর সুযোগ নেই।

গুম ও মানবাধিকার আইন নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আজ সোমবার দুপুর ১২টায় তিনি এ কথা বলেন।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আইন অনুযায়ী রায়ের ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করার সুযোগ রয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যারা আপিল করেননি, তারা পরবর্তীতে আর আপিলের সুযোগ পাবেন না।

এদিকে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের সঙ্গে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের কোনো অসঙ্গতি হবে না বলেও জানান মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, গুমের সব অভিযোগ ও রিপোর্ট যাচাই-বাছাই করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।