মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আইন-আদালত

সেনা কর্মকর্তারা আত্মসমর্পণ করেননি, পুলিশ গ্রেপ্তার করে ট্রাইব্যুনালে এনেছে : চিফ প্রসিকিউটর

মানবতাবিরোধী অপরাধের তিন মামলায় অভিযুক্ত ১৫ সেনা কর্মকর্তা আত্মসমর্পণ নয়, বরং পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়ে আদালতে হাজির হয়েছেন— এমন দাবি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। বুধবার (২২ অক্টোবর) সকালে ট্রাইব্যুনালে শুনানির সময় তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে ঢাকার রামপুরায় সংঘটিত একটি হত্যা ও দুটি গুমের ঘটনায় দায়ের […]

সেনা কর্মকর্তারা আত্মসমর্পণ করেননি, পুলিশ গ্রেপ্তার করে ট্রাইব্যুনালে এনেছে : চিফ প্রসিকিউটর

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২২ অক্টোবর ২০২৫, ১৯:৩৩

মানবতাবিরোধী অপরাধের তিন মামলায় অভিযুক্ত ১৫ সেনা কর্মকর্তা আত্মসমর্পণ নয়, বরং পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়ে আদালতে হাজির হয়েছেন— এমন দাবি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। বুধবার (২২ অক্টোবর) সকালে ট্রাইব্যুনালে শুনানির সময় তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে ঢাকার রামপুরায় সংঘটিত একটি হত্যা ও দুটি গুমের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় এ কর্মকর্তাদের আজ আদালতে হাজির করা হয়। শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরে তাদের ঢাকা সেনানিবাসের সাবজেলে নেওয়া হয়।

প্রসিকিউশন সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট থানার পুলিশ মঙ্গলবার রাতে অভিযুক্ত সেনা কর্মকর্তাদের গ্রেপ্তার করে, এবং বুধবার সকালে কারা কর্তৃপক্ষ প্রিজন ভ্যানে করে তাদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করে।

চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, “আসল অপরাধীরা ভারতে পালিয়ে গেছে, আর যারা আদালতে এসেছে তারা নির্দোষ দাবি করছে। তবে আইন অনুযায়ী পুলিশই তাদের গ্রেপ্তার করেছে—এটি আত্মসমর্পণ নয়।”

বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল জুলাই অভ্যুত্থানকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের তিন মামলায় আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি গ্রহণ করে। এসব মামলায় মোট ৩২ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে, এর মধ্যে আছেন ২৫ জন বর্তমান ও সাবেক সেনা কর্মকর্তা।

এদের মধ্যে পলাতক আছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, এবং র‌্যাবের তিন সাবেক মহাপরিচালক। দুটি গুম মামলায় অভিযুক্ত রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল তারিক আহমেদ সিদ্দিক।

উল্লেখ্য, গত ৮ অক্টোবর অভিযোগপত্র আমলে নেওয়ার পর ট্রাইব্যুনাল অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে এবং তা বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন পুলিশ মহাপরিদর্শককে।

আইন-আদালত

ঋণ খেলাপি যে দলেরই হোক না, কোন ছাড় নেই, আসলাম চৌধুরীর রায় মাইলফলক হয়ে থাকবে: শিশির মনির

ঋণখেলাপির অভিযোগে চট্টগ্রাম-৪ আসনের বিএনপির বিজয়ী প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিলের রায়কে ‘যুগান্তকারী’ ও ‘মাইলফলক’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শিশির মনির। মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকালে আপিল বিভাগের রায়ের প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ মন্তব্য করেন। শিশির মনির বলেন, এই রায়ের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে যে ঋণখেলাপিরা নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ পাবেন না। তিনি অভিযোগ করেন, […]

ঋণ খেলাপি যে দলেরই হোক না, কোন ছাড় নেই, আসলাম চৌধুরীর রায় মাইলফলক হয়ে থাকবে: শিশির মনির

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩০ জুন ২০২৬, ১৩:১৪

ঋণখেলাপির অভিযোগে চট্টগ্রাম-৪ আসনের বিএনপির বিজয়ী প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিলের রায়কে ‘যুগান্তকারী’ ও ‘মাইলফলক’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শিশির মনির। মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকালে আপিল বিভাগের রায়ের প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

শিশির মনির বলেন, এই রায়ের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে যে ঋণখেলাপিরা নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ পাবেন না। তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে ঋণখেলাপিদের কারণে দেশের ব্যাংকিং খাত ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাই আপিল বিভাগের এ সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ নজির হয়ে থাকবে।

তিনি আরও বলেন, ঋণখেলাপি যে রাজনৈতিক দলেরই হোক না কেন, তার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া উচিত নয়। একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনকে বিদ্যমান আইন যথাযথভাবে কার্যকর করার আহ্বান জানান তিনি।

এক প্রশ্নের জবাবে শিশির মনির বলেন, প্রচলিত আইন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট আসনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করা হতে পারে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় এবং নির্বাচন কমিশনের আইনগত পদক্ষেপের ওপর।

উল্লেখ্য, আপিল বিভাগ ঋণখেলাপির অভিযোগে আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল করায় তিনি সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিতে পারবেন না। আদালতের এ রায়ের পর চট্টগ্রাম-৪ আসনের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।

আইন-আদালত

ইনুর বিরুদ্ধে যে রায় ঘোষণা করা হয়েছে, তাতে সন্তোষ্ট নন রাষ্ট্রপক্ষ, সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়ে আপিল করবো: চিফ প্রসিকিউটর

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়ার রায়ে সন্তুষ্ট নয় রাষ্ট্রপক্ষ। রায়ের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে আপিল করা হবে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। মঙ্গলবার (৩০ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ রায় ঘোষণার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে […]

ইনুর বিরুদ্ধে যে রায় ঘোষণা করা হয়েছে, তাতে সন্তোষ্ট নন রাষ্ট্রপক্ষ, সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়ে আপিল করবো: চিফ প্রসিকিউটর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩০ জুন ২০২৬, ১৮:৩০

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়ার রায়ে সন্তুষ্ট নয় রাষ্ট্রপক্ষ। রায়ের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে আপিল করা হবে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ রায় ঘোষণার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, মামলায় উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণের মাধ্যমে প্রসিকিউশন ইনুর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষ শুরু থেকেই তার সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়ে এসেছে। তবে ট্রাইব্যুনালের ঘোষিত রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট নয়। তাই পূর্ণাঙ্গ রায় পর্যালোচনা করে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে আপিল করা হবে।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী দাবি করেন, জামায়াত-শিবিরের বিরোধিতা করার কারণেই হাসানুল হক ইনুকে এ মামলায় আসামি করা হয়েছে। তার ভাষ্য, মামলায় আনা অভিযোগের সঙ্গে বাস্তব ঘটনার অসঙ্গতি রয়েছে এবং আইনগত বিষয়গুলো উচ্চ আদালতে পর্যালোচনার সুযোগ রয়েছে।

উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ মঙ্গলবার কুষ্টিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আটটি অভিযোগের মধ্যে তিনটিতে ইনুকে দোষী সাব্যস্ত করে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেন। বাকি পাঁচটি অভিযোগ থেকে তাকে খালাস দেওয়া হয়।

আইন-আদালত

ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজকে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ

পারিবারিক সম্পত্তির দখল ও জালিয়াতির অভিযোগে করা মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজকে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার (৯ জুন) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইন শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। তথ্যটি নিশ্চিত করে বাদীপক্ষের আইনজীবী কফিল মাহমুদ রায়হান জানান, তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আদালতে তুরিন আফরোজকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা […]

নিউজ ডেস্ক

০৮ জুন ২০২৬, ২২:৩৬

পারিবারিক সম্পত্তির দখল ও জালিয়াতির অভিযোগে করা মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজকে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (৯ জুন) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইন শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

তথ্যটি নিশ্চিত করে বাদীপক্ষের আইনজীবী কফিল মাহমুদ রায়হান জানান, তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আদালতে তুরিন আফরোজকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত আবেদন মঞ্জুর করে তাকে মামলাটিতে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন।

তুরিন আফরোজের ভাই বাদী শাহ নেওয়াজ আহাম্মদের অভিযোগ, অভিযুক্ত তুরিন আফরোজ প্রভাব খাটিয়ে এবং জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে তাদের পৈতৃক সম্পত্তি আত্মসাৎ করার চেষ্টা করেছেন।

অভিযোগের তথ্যানুযায়ী, তাদের বাবা মারা যাওয়ার পর তুরিন আফরোজ জালিয়াতির মাধ্যমে একটি ভুয়া হলফনামা তৈরি করে সম্পত্তির মালিকানা দাবি করেন। এ ছাড়া তিনি প্রভাব খাটিয়ে বাদীর মায়ের ফ্ল্যাটে প্রবেশ করে তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন এবং গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ও দলিলপত্র নিয়ে যান বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলায় অভিযোগে বলা হয়, তুরিন আফরোজ বাদী ও তার পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছেন, যার ফলে তারা দীর্ঘদিন ধরে নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন।

নথিপত্রে উল্লেখ করা হয়, দীর্ঘ সময় বিদেশে অবস্থানের কারণে বাদীর মামলা দায়ের করতে বিলম্ব হয়েছে। তদন্ত শেষে পিবিআই আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে।