সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আন্তর্জাতিক

বিএনপির জয়ে আমরা খুবই আনন্দিত! নতুন করে আশা জাগিয়েছে বিশ্বভারতী ও শান্তিনিকেতনে

“প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি বিপুল জনসমর্থন নিয়ে বাংলাদেশে ক্ষমতায় এসেছে—এতে আমরা খুবই আনন্দিত। আমরা আশা করি, নতুন সরকার বাংলাদেশের সংস্কৃতির ভিত্তিকে রক্ষা করবে। সেই সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে রবীন্দ্রনাথকেও মর্যাদা দেবে।”

নিউজ ডেস্ক

১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:৩৮

সীমান্তের ওপারে বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের বিপুল বিজয়ের পর নতুন করে আশার আলো দেখছে বিশ্বভারতী ও শান্তিনিকেতন। সংশ্লিষ্ট মহলের প্রত্যাশা, এই রাজনৈতিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে বিশেষ করে বিশ্বভারতী ও শান্তিনিকেতনকেন্দ্রিক সাংস্কৃতিক ও শিক্ষাগত সম্পর্ক আবারও গতিশীল হয়ে উঠবে।

২০২৪ সালের আগস্টে শেখ হাসিনার পতনের পর থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির নির্বাচন পর্যন্ত অন্তর্বর্তী সময়ে দুই দেশের সাংস্কৃতিক যোগাযোগ প্রায় স্থবির হয়ে পড়ে। বিশেষ করে রবীন্দ্রনাথকে ঘিরে দুই বাংলার যে ঐতিহ্যগত সাংস্কৃতিক সেতুবন্ধন ছিল, তা দৃশ্যত দুর্বল হয়ে যায়।

শান্তিনিকেতনে ঠাকুর পরিবারের বংশধর সুদৃপ্ত ঠাকুর বলেন, শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর এই সীমান্তের এপারে, বিশেষ করে শান্তিনিকেতনের সঙ্গে রবীন্দ্রনাথের সাংস্কৃতিক উপস্থিতি ও সম্পর্কের ক্ষেত্রে বড় ধরনের অবনতি লক্ষ্য করা গিয়েছিল।

তিনি বলেন,

“প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি বিপুল জনসমর্থন নিয়ে বাংলাদেশে ক্ষমতায় এসেছে—এতে আমরা খুবই আনন্দিত। আমরা আশা করি, নতুন সরকার বাংলাদেশের সংস্কৃতির ভিত্তিকে রক্ষা করবে। সেই সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে রবীন্দ্রনাথকেও মর্যাদা দেবে।”

২০১৮ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যৌথভাবে শান্তিনিকেতনের বাংলাদেশ ভবনের উদ্বোধন করেন। বিশ্বভারতী ও বাংলাদেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে শিক্ষা ও গবেষণা বিনিময়ের উদ্দেশ্যে এই ভবনটি নির্মিত হয়। বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে নির্মিত ভবনটিতে রয়েছে সম্মেলনকক্ষ, গ্রন্থাগার ও জাদুঘর। সম্মেলনকক্ষ ও গ্রন্থাগার চালু থাকলেও ২০২০ সালের কোভিড-১৯ লকডাউনের সময় বন্ধ হওয়া জাদুঘরটি আর খোলা হয়নি।

সূত্রের দাবি, ২০২৩ ও ২০২৪ সালে বাংলাদেশের একদল কর্মকর্তা জাদুঘরটি নতুন করে সাজান। কিন্তু ২০২৪ সালের জুনে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক অস্থিরতা শুরু হওয়ার পর তা আর উদ্বোধন করা যায়নি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিশ্বভারতীর এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন,

“জাদুঘরে শেখ মুজিবুর রহমানের অনেক স্মারক ছিল। বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে আন্দোলন জোরদার হওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জাদুঘরটি না খোলার সিদ্ধান্ত নেয়। কারণ এতে দুই দেশের সম্পর্কের ওপর প্রভাব পড়তে পারত। এরপর বাংলাদেশে যা ঘটেছে, তা সবার জানা। মৌলবাদী শক্তিগুলো ভারতবিরোধী এবং এমনকি রবীন্দ্রনাথবিরোধী হয়ে উঠেছিল।”

তিনি আরও বলেন,

“এখন আমরা (বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত) তারেক রহমানের বক্তব্য শুনেছি। তিনি সম্প্রীতির বার্তা দিয়েছেন এবং আশ্বাস দিয়েছেন, ইউনূস আমলের অস্থিরতা শেষ হবে। আমরা আশা করি, এখন জাদুঘরটি পুনরায় খোলার প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করা যাবে। অবশ্যই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দপ্তরের সম্মতি নিয়ে।” ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিশ্বভারতীর আচার্য।

বাংলাদেশে ছায়ানটসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের ওপর হামলার ঘটনা এবং রবীন্দ্রনাথ-সংক্রান্ত স্থাপনা ভাঙচুরের অভিযোগ দুই বাংলার সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে নাড়া দেয়। রবীন্দ্রনাথ শুধু দুই বাংলার সাহিত্যিক ঐতিহ্যের কেন্দ্রবিন্দু নন, তাঁর লেখা “আমার সোনার বাংলা” বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত। ফলে রবীন্দ্রচর্চার ওপর আঘাতকে অনেকেই বৃহত্তর সাংস্কৃতিক সংকট হিসেবে দেখেছেন।

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ভারতের বিশ্বভারতী ও রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার দীর্ঘ ঐতিহ্য রয়েছে। ড. ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ভিসা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে বিধিনিষেধের অভিযোগ ওঠে। অনেক শিক্ষার্থী দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও ভিসা পাননি।

বিশ্বভারতীর সংগীত ভবনের পিএইচডি গবেষক অমৃতা সরকার বলেন,

“এক মাস আগে আমি ভিসা পেয়েছি। তার আগে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়েছে। বিশ্বভারতীতে পড়া অনেক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী একই সমস্যায় পড়েছিল। বিএনপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জেতায় আমরা খুবই আশাবাদী। আগের মতো পরিস্থিতি আর থাকবে না বলে মনে করছি।”

অমৃতার বাড়ি বাংলাদেশের মেহেরপুরে।

বিশ্বভারতীর দীর্ঘদিনের কর্মকর্তাদের মতে, ২০০০ সালের শুরুর দিকে বিএনপি সরকারের সঙ্গে তাদের কাজের অভিজ্ঞতা ইতিবাচক ছিল। জনসংযোগ কর্মকর্তা অতিগ ঘোষ বলেন,

“বিএনপি সরকারের আগের মেয়াদে আমাদের অভিজ্ঞতা খুবই ভালো ছিল। দলটি আবার গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ক্ষমতায় এসেছে। আমরা আশাবাদী। ২০০০ সালের শুরুর দিকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে খালেদা জিয়ার আমলে সরকারের সঙ্গে বিশ্বভারতীর খুব ভালো সম্পর্ক ছিল। আমরা নিশ্চিত, সম্পর্ক আবারও সৌহার্দ্যপূর্ণ হবে।”

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৩০

আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগ দেওয়া দেশকে ‘শত্রু’ বিবেচনা করবে ইরান

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে যে অর্থনৈতিক যুদ্ধ চালাচ্ছে, কোনো দেশেরই তাতে অংশ নেওয়া উচিত নয়। কোনো দেশ ইরানের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপে যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করলে তাকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগ দেওয়া দেশকে ‘শত্রু’ বিবেচনা করবে ইরান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ আগস্ট ২০২৬, ১২:২৪

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞায় কোনো দেশ যোগ দিলে তাকে ‘শত্রু’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটির সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান মোহসেন রেজাই রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তব্যে এ সতর্কবার্তা দেন।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে যে অর্থনৈতিক যুদ্ধ চালাচ্ছে, কোনো দেশেরই তাতে অংশ নেওয়া উচিত নয়। কোনো দেশ ইরানের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপে যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করলে তাকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

ইরানের এ বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে মিত্র কিংবা অন্য কোনো দেশ সহযোগিতা করলে তেহরান তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর অবস্থান নিতে পারে।

এর আগে ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামিনিয়া সতর্ক করে বলেন, ইরানের ওপর কোনো হামলা হলে এবার তার জবাব আগের তুলনায় আরও বড় পরিসরে দেওয়া হবে।

আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক যুদ্ধগুলোর অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ইরান তার সামরিক কৌশলে পরিবর্তন আনছে। দীর্ঘদিন দেশটির সামরিক নীতি মূলত প্রতিরক্ষামূলক থাকলেও এখন তা ধীরে ধীরে আরও আক্রমণাত্মক অবস্থানের দিকে যাচ্ছে।

তবে আকরামিনিয়া স্পষ্ট করেছেন, এর অর্থ ইরান আগাম হামলা চালানোর নীতি গ্রহণ করছে না। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের ওপর কোনো আগ্রাসন হলে তাৎক্ষণিকভাবে পাল্টা জবাব দেওয়া হবে এবং সেই প্রতিক্রিয়ার পরিসর মূল হামলার চেয়েও বড় হবে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৩০

আন্তর্জাতিক

প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে দুই দেশের কূটনৈতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। পাকিস্তানের এক শীর্ষ মন্ত্রী ভারতের নাম উল্লেখ না করে হুমকি দিয়ে জানিয়েছেন যে তাদের প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে। ভারতের কেন্দ্রীয় জলসম্পদ মন্ত্রী সি আর পাতিল কর্তৃক আগামী দেড় থেকে দুই বছরের […]

প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩০ জুন ২০২৬, ১০:৪৫

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে দুই দেশের কূটনৈতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। পাকিস্তানের এক শীর্ষ মন্ত্রী ভারতের নাম উল্লেখ না করে হুমকি দিয়ে জানিয়েছেন যে তাদের প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে।

ভারতের কেন্দ্রীয় জলসম্পদ মন্ত্রী সি আর পাতিল কর্তৃক আগামী দেড় থেকে দুই বছরের মধ্যে ভারতের অংশের সমস্ত পানি সম্পূর্ণ ব্যবহারের ঘোষণার পরই ইসলামাবাদের পক্ষ থেকে এই তীব্র প্রতিক্রিয়া এল।

ইসলামাবাদে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী মুসাদিক মালিক সরাসরি অভিযোগ করেন যে প্রতিবেশী দেশের প্রধানমন্ত্রী সিন্ধু নদের পানির কলটি নিয়ন্ত্রণ করছেন এবং তিনি পাকিস্তানে এক ফোঁটা পানিও আসতে দিতে চান না।

পাকিস্তানি এই মন্ত্রী বলেন যে তাদের দেশের প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষের জীবিকা কৃষির ওপর নির্ভরশীল। ফলে অন্য কেউ এসে তাদের দেশের খাদ্য নিরাপত্তা, অর্ধেক কর্মসংস্থান এবং ২৫ শতাংশ অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণ করবে, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। তিনি হুশিয়ারি দিয়ে বলেন যে পানির অধিকার খর্ব করা হলে তার চড়া মূল্য দিতে হবে এবং তারা যেকোনো মূল্যে নিজেদের স্বার্থ রক্ষা করবেন।

মুসাদিক মালিক আরও যুক্তি দেন যে আন্তর্জাতিক প্রথা অনুযায়ী চুক্তি না থাকলেও নদীর উপরিভাগে থাকা দেশগুলো নিচের দেশের পানি প্রবাহ বন্ধ করতে পারে না।

অথচ দুই দেশের মধ্যে ১৯৬০ সালে বিশ্বব্যাংকের মধ্যস্থতায় স্বাক্ষরিত একটি সুনির্দিষ্ট চুক্তি রয়েছে। বিশ্বের অন্যান্য নিম্ন অববাহিকার শিশুদের পানির অধিকার রয়েছে কি না এবং আন্তর্জাতিকভাবে কোনটা প্রকৃত ন্যায়বিচার, তা নির্ধারণের জন্য তারা এই বিষয়টি বিশ্ব দরবারে তুলে ধরবেন।

একই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার দাবি করেন যে সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তিটি আইনগতভাবে এখনও বহাল রয়েছে এবং কোনো দেশ এককভাবে এটি বাতিল বা সংশোধন করতে পারে না।

তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনিরের বক্তব্য পুনর্ব্যক্ত করে বলেন যে সিন্ধু নদের পানি পাকিস্তানের জন্য জীবনরেখা এবং এটি তাদের জন্য একটি লাল রেখা বা ‘রেড লাইন’।

অন্য দিকে ভারতের অবস্থান অত্যন্ত সুদৃঢ় ও স্পষ্ট। গত বছর জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগামে একটি ভয়াবহ আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসী হামলায় ২৫ জন পর্যটকসহ মোট ২৬ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার পর নয়া দিল্লি এই ঐতিহাসিক পানিবণ্টন চুক্তিটি সাময়িকভাবে স্থগিত বা মুলতবি ঘোষণা করে।

ভারতের পক্ষ থেকে পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে পাকিস্তান যতক্ষণ না তাদের মাটিতে লালিত রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতার সন্ত্রাসী পরিকাঠামো সম্পূর্ণ ধ্বংস করার দৃশ্যমান প্রমাণ দেবে, ততক্ষণ পর্যন্ত এই পানি চুক্তি স্থগিতই থাকবে।

সূত্র: এনডিটিভি

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৩০

আন্তর্জাতিক

তীব্র হচ্ছে দিল্লির বিক্ষোভ, সকাল সকাল বিশেষ ঘোষণা দিলেন মোদি

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের জেরে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির জন্তর মন্তরে বিক্ষোভ আরও তীব্র হচ্ছে। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ব্যানারে হওয়া এই আন্দোলনে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করা হচ্ছে। তিনি এখনো পদত্যাগ না করায় আন্দোলনও বেগবান হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল সকাল নতুন ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেছেন, […]

তীব্র হচ্ছে দিল্লির বিক্ষোভ, সকাল সকাল বিশেষ ঘোষণা দিলেন মোদি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ জুলাই ২০২৬, ১০:৩৮

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের জেরে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির জন্তর মন্তরে বিক্ষোভ আরও তীব্র হচ্ছে। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ব্যানারে হওয়া এই আন্দোলনে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করা হচ্ছে। তিনি এখনো পদত্যাগ না করায় আন্দোলনও বেগবান হচ্ছে।

এমন পরিস্থিতিতে আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল সকাল নতুন ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেছেন, যারা প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত তাদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে এবং এ বিচার হবে দ্রুত বিচার আদালতে।

ফেসবুকে মোদি লিখেছেন, “আমাদের তরুণদের কল্যাণ ও ভবিষ্যতের চেয়ে বড় কিছু হতে পারে না! প্রশ্নফাঁসে জড়িতদের দ্রুত ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে দ্রুত বিচার আদালত গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের স্বার্থ সুরক্ষায় নেওয়া ধারাবাহিক উদ্যোগগুলোরই অংশ এটি।”

“যারা আমাদের তরুণদের ভবিষ্যতের ক্ষতি করার চেষ্টা করবে, তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।”

এদিকে বিক্ষোভকারীরা শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ক্ষমা চাইতে বলেছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৩০