রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আন্তর্জাতিক

পাকিস্তান কখনোই ইসরাইলকে স্বীকৃতি দেবে না; ইরানের পারমাণবিক অধিকারে চীনের সমর্থন

"পাকিস্তান কখনোই ইহুদি রাষ্ট্র ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেবে না।" শুক্রবার সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা শিল্পমন্ত্রী মোহাম্মদ রাজা হায়াত একরাশ কঠোর ভাষায় এই অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন।

নিউজ ডেস্ক

১৯ মে ২০২৫, ১৪:৩৪

আন্তর্জাতিক ভূরাজনৈতিক মঞ্চে একদিকে ফিলিস্তিন প্রশ্নে উত্তেজনা তুঙ্গে, অন্যদিকে ইসলামাবাদ সরাসরি জানিয়ে দিয়েছে—

“পাকিস্তান কখনোই ইহুদি রাষ্ট্র ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেবে না।”

শুক্রবার সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা শিল্পমন্ত্রী মোহাম্মদ রাজা হায়াত একরাশ কঠোর ভাষায় এই অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন।

পাকিস্তান সরকারের অবস্থান অত্যন্ত দৃঢ়—ইসরায়েল উপমহাদেশে অস্থিতিশীলতার ইন্ধন জোগাচ্ছে এবং ফিলিস্তিন ও কাশ্মীর ইস্যুতে পাকিস্তান কোনোভাবেই পশ্চিমা চাপের কাছে মাথা নত করবে না। রাজা হায়াত বলেন, “পাকিস্তানের জনগণ, সরকার এবং সশস্ত্র বাহিনী কাশ্মীরের জনগণের পাশে ছিল, আছে এবং থাকবে। যারা ইসরায়েলের সঙ্গে আঁতাত করে ইসলামাবাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে, তাদের মোকাবেলায় আমরা প্রস্তুত।”

এই বার্তা এমন এক সময় এলো, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফের আলোচনায় আনছেন মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্ক পুনঃপ্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা। এতে স্পষ্ট হচ্ছে, ‘আবরাহাম চুক্তি’ বা যুক্তরাষ্ট্রপন্থী কৌশলের প্রতি পাকিস্তান পুরোপুরি প্রতিরোধী অবস্থানে আছে।

অন্যদিকে, হেগের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানার মুখে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তার নির্ধারিত ভ্যাটিকান সফর বাতিল করেছেন। ইসরায়েলি সংবাদপত্র ইয়েদিওথ আহরোনোথ জানায়, নতুন পোপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার ইচ্ছা থাকলেও সম্ভাব্য গ্রেপ্তারের আশঙ্কায় নেতানিয়াহু শেষমেশ ভ্যাটিকান সফর বাতিল করেন।

উল্লেখ্য, নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গাজায় যুদ্ধাপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও দুর্ভিক্ষকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগে আইসিসি সরাসরি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। একই অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছেন তার প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইউভ গ্যালান্টও। এর ফলে ইসরায়েলি শীর্ষ নেতৃত্বের আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছে, যা ভবিষ্যতের কূটনৈতিক হিসাব-নিকাশে বড় ধরনের অভিঘাত ফেলতে পারে।

ইউরোপও মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। কাউন্সিল অফ ইউরোপের সভাপতি আন্তোনিও কস্তা গাজার বর্তমান পরিস্থিতিকে ‘মানবিক ট্র্যাজেডি’ বলে অভিহিত করে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। তার ভাষায়, “গাজায় আন্তর্জাতিক আইন পরিকল্পিতভাবে লঙ্ঘন করা হচ্ছে এবং এই অবরোধ একটি জাতিগত নিপীড়নের রূপ নিচ্ছে।” ইউরোপের সাতটি দেশের এক যৌথ বিবৃতিতে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে—“গাজা উপত্যকার ওপর থেকে অবরোধ সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাহার করতে হবে। নীরব থাকা আর সম্ভব নয়।”

এদিকে চীনও সরাসরি অবস্থান জানিয়েছে ইরান প্রসঙ্গে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান সাংবাদিকদের বলেন,

“চীন সবসময় ইরানের পরমাণু শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের পক্ষে রয়েছে এবং অবৈধ একতরফা নিষেধাজ্ঞার বিরোধিতা করে।”

তিনি আরও জানান, চীন কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক সমাধানের মাধ্যমে ইরানের পরমাণু ইস্যু মেটাতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, এবং তেহরানের অস্ত্র না বানানোর প্রতিশ্রুতিকে গুরুত্ব সহকারে নিচ্ছে।

এই বক্তব্যগুলো একত্রে তুলে ধরছে একটি পরিস্কার বিভাজন—একদিকে পশ্চিমা সামরিক কৌশল ও ইসরায়েলপন্থী রাজনীতি, অন্যদিকে এশিয়া ও মুসলিম বিশ্বে মার্কিন প্রভাব প্রতিহত করতে চাওয়া শক্তিগুলোর রাজনৈতিক অবস্থান আরও সংহত হচ্ছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই পরিস্থিতি শুধু মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিকেই উত্তপ্ত করছে না, এর প্রতিক্রিয়া পড়ছে দক্ষিণ এশিয়াতেও। পাকিস্তান যেখানে সরাসরি ইসরায়েলবিরোধী অবস্থান নিয়েছে, ভারত সেখানে একাধিক বাণিজ্য ও নিরাপত্তা সমঝোতায় ইসরায়েলের ঘনিষ্ঠ শরিক। এর ফলে উপমহাদেশে কৌশলগত বিভাজন আরও প্রকট হয়ে উঠছে।

ফিলিস্তিন প্রশ্ন, পরমাণু তৎপরতা, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির কূটনীতি—সবমিলিয়ে আন্তর্জাতিক রাজনীতি এখন উত্তপ্ত, বিভক্ত এবং সংঘাতমুখী। প্রতিটি পক্ষই নিজ নিজ অবস্থান শক্ত করতে চাচ্ছে, এবং এই প্রতিকূলতায় ‍যে কোনো মুহূর্তে নতুন সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা বিশেষজ্ঞরা উড়িয়ে দিচ্ছেন না।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১০৭
বিষয়ঃ

আন্তর্জাতিক

তিন দেশের নাগরিকদের প্রবেশ ও ভিসা স্থগিত করল সৌদি আরব

ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব রোধে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো, উগান্ডা এবং দক্ষিণ সুদানের নাগরিকদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সৌদি আরব। একই সঙ্গে এই তিন দেশ থেকে আসা যেকোনো ভ্রমণকারীর জন্য ভিসা ইস্যু এবং সৌদিতে প্রবেশ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) জানিয়েছে, এই নিষেধাজ্ঞা শুধুমাত্র সরাসরি ওই তিন দেশ থেকে […]

তিন দেশের নাগরিকদের প্রবেশ ও ভিসা স্থগিত করল সৌদি আরব

তিন দেশের নাগরিকদের প্রবেশ ও ভিসা স্থগিত করল সৌদি আরব

ডেস্ক রিপোর্ট

২৭ জুন ২০২৬, ১০:০৯

ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব রোধে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো, উগান্ডা এবং দক্ষিণ সুদানের নাগরিকদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সৌদি আরব। একই সঙ্গে এই তিন দেশ থেকে আসা যেকোনো ভ্রমণকারীর জন্য ভিসা ইস্যু এবং সৌদিতে প্রবেশ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।

সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) জানিয়েছে, এই নিষেধাজ্ঞা শুধুমাত্র সরাসরি ওই তিন দেশ থেকে আসা যাত্রীদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য নয়, বরং তৃতীয় কোনো দেশ হয়ে যারা সৌদি আরবে প্রবেশের চেষ্টা করছেন, তাদের ক্ষেত্রেও কার্যকর হবে। সৌদিতে প্রবেশের আগের ২১ দিনের মধ্যে যদি কোনো ব্যক্তি এই তিন দেশের যেকোনো একটিতে অবস্থান করে থাকেন, তবে তিনিও এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়বেন। এছাড়া সৌদি নাগরিকদেরও ওই তিন দেশে ভ্রমণ না করার নির্দেশনা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

সৌদি আরবের জনস্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ ‘ওয়াকায়া’ জানিয়েছে, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং সংক্রামক ব্যাধির আন্তঃসীমান্ত বিস্তার রোধে এই জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ইবোলা সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে সৌদি আরবের প্রবেশপথগুলোতে স্বাস্থ্য পরীক্ষা (স্ক্রিনিং), রোগ নজরদারি এবং দ্রুত সাড়াদান প্রক্রিয়া আরও জোরদার করা হয়েছে। এছাড়া আক্রান্ত দেশগুলোর প্রতিবেশী রাষ্ট্র—যেমন রুয়ান্ডা, বুরুন্ডি, তানজানিয়া ও কঙ্গো প্রজাতন্ত্র (ব্রাজাভিল) থেকে আগত যাত্রীদের ক্ষেত্রেও বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।

কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে যে, সৌদি আরবের জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতি বর্তমানে সম্পূর্ণ স্থিতিশীল। প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা চালুর পর থেকে দেশটিতে এখন পর্যন্ত ইবোলার কোনো নিশ্চিত বা সন্দেহভাজন রোগী শনাক্ত হয়নি। আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক মহামারি পরিস্থিতির ওপর সৌদি কর্তৃপক্ষ সার্বক্ষণিক নজর রাখছে এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে দেশটির স্বাস্থ্য বিভাগ প্রস্তুত রয়েছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১০৭

আন্তর্জাতিক

প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে দুই দেশের কূটনৈতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। পাকিস্তানের এক শীর্ষ মন্ত্রী ভারতের নাম উল্লেখ না করে হুমকি দিয়ে জানিয়েছেন যে তাদের প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে। ভারতের কেন্দ্রীয় জলসম্পদ মন্ত্রী সি আর পাতিল কর্তৃক আগামী দেড় থেকে দুই বছরের […]

প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩০ জুন ২০২৬, ১০:৪৫

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে দুই দেশের কূটনৈতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। পাকিস্তানের এক শীর্ষ মন্ত্রী ভারতের নাম উল্লেখ না করে হুমকি দিয়ে জানিয়েছেন যে তাদের প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে।

ভারতের কেন্দ্রীয় জলসম্পদ মন্ত্রী সি আর পাতিল কর্তৃক আগামী দেড় থেকে দুই বছরের মধ্যে ভারতের অংশের সমস্ত পানি সম্পূর্ণ ব্যবহারের ঘোষণার পরই ইসলামাবাদের পক্ষ থেকে এই তীব্র প্রতিক্রিয়া এল।

ইসলামাবাদে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী মুসাদিক মালিক সরাসরি অভিযোগ করেন যে প্রতিবেশী দেশের প্রধানমন্ত্রী সিন্ধু নদের পানির কলটি নিয়ন্ত্রণ করছেন এবং তিনি পাকিস্তানে এক ফোঁটা পানিও আসতে দিতে চান না।

পাকিস্তানি এই মন্ত্রী বলেন যে তাদের দেশের প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষের জীবিকা কৃষির ওপর নির্ভরশীল। ফলে অন্য কেউ এসে তাদের দেশের খাদ্য নিরাপত্তা, অর্ধেক কর্মসংস্থান এবং ২৫ শতাংশ অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণ করবে, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। তিনি হুশিয়ারি দিয়ে বলেন যে পানির অধিকার খর্ব করা হলে তার চড়া মূল্য দিতে হবে এবং তারা যেকোনো মূল্যে নিজেদের স্বার্থ রক্ষা করবেন।

মুসাদিক মালিক আরও যুক্তি দেন যে আন্তর্জাতিক প্রথা অনুযায়ী চুক্তি না থাকলেও নদীর উপরিভাগে থাকা দেশগুলো নিচের দেশের পানি প্রবাহ বন্ধ করতে পারে না।

অথচ দুই দেশের মধ্যে ১৯৬০ সালে বিশ্বব্যাংকের মধ্যস্থতায় স্বাক্ষরিত একটি সুনির্দিষ্ট চুক্তি রয়েছে। বিশ্বের অন্যান্য নিম্ন অববাহিকার শিশুদের পানির অধিকার রয়েছে কি না এবং আন্তর্জাতিকভাবে কোনটা প্রকৃত ন্যায়বিচার, তা নির্ধারণের জন্য তারা এই বিষয়টি বিশ্ব দরবারে তুলে ধরবেন।

একই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার দাবি করেন যে সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তিটি আইনগতভাবে এখনও বহাল রয়েছে এবং কোনো দেশ এককভাবে এটি বাতিল বা সংশোধন করতে পারে না।

তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনিরের বক্তব্য পুনর্ব্যক্ত করে বলেন যে সিন্ধু নদের পানি পাকিস্তানের জন্য জীবনরেখা এবং এটি তাদের জন্য একটি লাল রেখা বা ‘রেড লাইন’।

অন্য দিকে ভারতের অবস্থান অত্যন্ত সুদৃঢ় ও স্পষ্ট। গত বছর জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগামে একটি ভয়াবহ আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসী হামলায় ২৫ জন পর্যটকসহ মোট ২৬ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার পর নয়া দিল্লি এই ঐতিহাসিক পানিবণ্টন চুক্তিটি সাময়িকভাবে স্থগিত বা মুলতবি ঘোষণা করে।

ভারতের পক্ষ থেকে পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে পাকিস্তান যতক্ষণ না তাদের মাটিতে লালিত রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতার সন্ত্রাসী পরিকাঠামো সম্পূর্ণ ধ্বংস করার দৃশ্যমান প্রমাণ দেবে, ততক্ষণ পর্যন্ত এই পানি চুক্তি স্থগিতই থাকবে।

সূত্র: এনডিটিভি

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১০৭

আন্তর্জাতিক

ওমান উপকূলে ড্রোন হামলায় ডুবে গেছে ভারতীয় জাহাজ!

ওমান উপকূলের কাছে ভারতীয় পতাকাবাহী একটি জাহাজ ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। পরে ওমান কর্তৃপক্ষ জাহাজটির নাবিকদের উদ্ধার করে নিরাপদে সরিয়ে নেয়। জানা গেছে, ড্রোন হামলার পর সাগরে পুরোপুরি ডুবে যায় ওই জাহাজটি। ‘এমএসভি হাজি আলি’ (Haji Ali) নামের কার্গো শিপের উপর এই হামলার ঘটনায় তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছে নয়াদিল্লি। প্রাথমিক […]

নিউজ ডেস্ক

১৪ মে ২০২৬, ১৮:০৪

ওমান উপকূলের কাছে ভারতীয় পতাকাবাহী একটি জাহাজ ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। পরে ওমান কর্তৃপক্ষ জাহাজটির নাবিকদের উদ্ধার করে নিরাপদে সরিয়ে নেয়।

জানা গেছে, ড্রোন হামলার পর সাগরে পুরোপুরি ডুবে যায় ওই জাহাজটি। ‘এমএসভি হাজি আলি’ (Haji Ali) নামের কার্গো শিপের উপর এই হামলার ঘটনায় তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছে নয়াদিল্লি।

প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, সন্দেহভাজন ড্রোন হামলার জেরেই জাহাজটি ডুবে গিয়েছে। তবে জাহাজে থাকা ১৪ জন ভারতীয় নাবিককেই নিরাপদে উদ্ধার করেছে ওমান কোস্টগার্ড।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র হামলাকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে উল্লেখ করেন এবং দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য ওমান কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, জাহাজের সব ক্রু সদস্য নিরাপদ আছেন।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) এক বিবৃতিতে ভারত বলেছে, বাণিজ্যিক জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করা এবং নিরীহ বেসামরিক নাবিকদের জীবন ঝুঁকির মধ্যে ফেলা থেকে বিরত থাকতে হবে।

পাশাপাশি নৌ চলাচল ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের স্বাধীনতায় বাধা সৃষ্টি না করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১০৭