রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আন্তর্জাতিক

ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় সিরিয়ায় অন্তর্বর্তী সরকার থাকছে ৫ বছর

সিরিয়ার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) একটি অস্থায়ী সংবিধানে স্বাক্ষর করেছেন, যা দেশটির পরিবর্তনকালীন শাসনব্যবস্থার ভিত্তি হিসেবে আগামী পাঁচ বছর কার্যকর থাকবে। এই সাংবিধানিক ঘোষণাপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ইসলামপন্থি শাসনব্যবস্থার অধীনে পরিচালিত হবে নতুন সিরিয়া। এর মাধ্যমে দেশটি আগের রাষ্ট্রীয় কাঠামো থেকে একটি নতুন প্রশাসনিক কাঠামোর দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এই অস্থায়ী সংবিধান […]

ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় সিরিয়ায় অন্তর্বর্তী সরকার থাকছে ৫ বছর

ছবি: সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৫ মার্চ ২০২৫, ০৯:২৫

সিরিয়ার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) একটি অস্থায়ী সংবিধানে স্বাক্ষর করেছেন, যা দেশটির পরিবর্তনকালীন শাসনব্যবস্থার ভিত্তি হিসেবে আগামী পাঁচ বছর কার্যকর থাকবে। এই সাংবিধানিক ঘোষণাপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ইসলামপন্থি শাসনব্যবস্থার অধীনে পরিচালিত হবে নতুন সিরিয়া। এর মাধ্যমে দেশটি আগের রাষ্ট্রীয় কাঠামো থেকে একটি নতুন প্রশাসনিক কাঠামোর দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

এই অস্থায়ী সংবিধান স্বাক্ষরের মাধ্যমে জানুয়ারিতে বাতিল হওয়া আগের সংবিধানের জায়গা নেবে। নতুন সংবিধান অনুসারে, সিরিয়ায় ইসলামি আইন (শরিয়াহ) হবে রাষ্ট্রের প্রধান আইনব্যবস্থা এবং ইসলাম হবে রাষ্ট্রধর্ম। দেশটির বিচারব্যবস্থা, প্রশাসন এবং আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়া ইসলামি বিধানের ভিত্তিতে পরিচালিত হবে। তবে সংখ্যালঘুদের অধিকার এবং নাগরিকদের মৌলিক স্বাধীনতার বিষয়টি সংবিধানে কীভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি।

এর আগে, অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা জানিয়েছিলেন যে, প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে চার থেকে পাঁচ বছর সময় লাগতে পারে। তার মতে, এই সময়ের মধ্যে দেশের রাজনৈতিক অবস্থা স্থিতিশীল করা এবং একটি কার্যকর সরকার গঠন করা জরুরি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নতুন সংবিধানের মাধ্যমে দেশটির শাসনব্যবস্থার একটি নির্দিষ্ট কাঠামো প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা হচ্ছে, যা দীর্ঘদিন ধরে চলমান গৃহযুদ্ধ এবং রাজনৈতিক অস্থিরতা কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করবে।

সাংবিধানিক ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরের সময় আহমেদ আল-শারা বলেন, “এটি সিরিয়ার জন্য একটি নতুন ইতিহাসের সূচনা করবে বলে প্রত্যাশা করছি। এর মাধ্যমে আমরা নিপীড়নের পরিবর্তে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করব।” তিনি আরও বলেন, নতুন সংবিধান সিরিয়ার জনগণের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত পরিবর্তনের ভিত্তি স্থাপন করবে এবং রাষ্ট্রীয় শৃঙ্খলা ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনবে।

অপরদিকে, সিরিয়ার রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই সংবিধান স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে ইসলামপন্থি দলগুলো আরও শক্তিশালী অবস্থানে আসবে এবং সিরিয়ার ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিস্থিতি একেবারেই নতুন মোড় নিতে পারে। নতুন সংবিধানে রাজনৈতিক বিরোধী দলগুলোর অবস্থান এবং তাদের অংশগ্রহণের সুযোগ কতটুকু থাকবে, সে বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অনেকে।

আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, সিরিয়ার এই নতুন সংবিধান দেশটির ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে, পশ্চিমা বিশ্ব এবং মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য শক্তিগুলোর প্রতিক্রিয়া কী হবে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। সিরিয়ার মিত্র রাষ্ট্রগুলো যেমন রাশিয়া, তুরস্ক ও ইরানের প্রতিক্রিয়াও এই সংবিধানের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে ভূমিকা রাখবে।

নতুন সংবিধানের ফলে সিরিয়ার জনগণের নাগরিক অধিকার এবং বাক স্বাধীনতার প্রশ্ন নিয়েও নতুন বিতর্ক শুরু হতে পারে। বিশ্লেষকরা বলছেন, ইসলামপন্থি শাসনব্যবস্থা চালু করা হলে মানবাধিকার লঙ্ঘনের আশঙ্কা থেকে যায়, বিশেষ করে নারীদের অধিকার, সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ক্ষেত্রে কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হতে পারে।

এদিকে, দেশটির অভ্যন্তরীণ বিরোধী দলগুলো নতুন সংবিধানের স্বচ্ছতা ও কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। তাদের মতে, সংবিধানে সুনির্দিষ্টভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরের একটি রোডম্যাপ থাকা প্রয়োজন, যাতে পরবর্তী সময়ে নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের মতামত প্রতিফলিত হয়। তবে সরকারপন্থি দলগুলো এই সংবিধানকে স্বাগত জানিয়েছে এবং এটিকে দেশকে নতুন পথে এগিয়ে নেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সিরিয়ার ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে এই সংবিধানের বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া এবং সরকার কীভাবে জনগণের আস্থা অর্জন করতে পারে তার ওপর। নতুন সংবিধান কার্যকর হওয়ার পর পরবর্তী রাজনৈতিক প্রক্রিয়া কেমন হবে, তা পর্যবেক্ষণ করবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়।  এএফপি।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৩১

আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগ দেওয়া দেশকে ‘শত্রু’ বিবেচনা করবে ইরান

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে যে অর্থনৈতিক যুদ্ধ চালাচ্ছে, কোনো দেশেরই তাতে অংশ নেওয়া উচিত নয়। কোনো দেশ ইরানের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপে যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করলে তাকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগ দেওয়া দেশকে ‘শত্রু’ বিবেচনা করবে ইরান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ আগস্ট ২০২৬, ১২:২৪

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞায় কোনো দেশ যোগ দিলে তাকে ‘শত্রু’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটির সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান মোহসেন রেজাই রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তব্যে এ সতর্কবার্তা দেন।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে যে অর্থনৈতিক যুদ্ধ চালাচ্ছে, কোনো দেশেরই তাতে অংশ নেওয়া উচিত নয়। কোনো দেশ ইরানের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপে যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করলে তাকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

ইরানের এ বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে মিত্র কিংবা অন্য কোনো দেশ সহযোগিতা করলে তেহরান তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর অবস্থান নিতে পারে।

এর আগে ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামিনিয়া সতর্ক করে বলেন, ইরানের ওপর কোনো হামলা হলে এবার তার জবাব আগের তুলনায় আরও বড় পরিসরে দেওয়া হবে।

আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক যুদ্ধগুলোর অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ইরান তার সামরিক কৌশলে পরিবর্তন আনছে। দীর্ঘদিন দেশটির সামরিক নীতি মূলত প্রতিরক্ষামূলক থাকলেও এখন তা ধীরে ধীরে আরও আক্রমণাত্মক অবস্থানের দিকে যাচ্ছে।

তবে আকরামিনিয়া স্পষ্ট করেছেন, এর অর্থ ইরান আগাম হামলা চালানোর নীতি গ্রহণ করছে না। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের ওপর কোনো আগ্রাসন হলে তাৎক্ষণিকভাবে পাল্টা জবাব দেওয়া হবে এবং সেই প্রতিক্রিয়ার পরিসর মূল হামলার চেয়েও বড় হবে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৩১

আন্তর্জাতিক

তীব্র হচ্ছে দিল্লির বিক্ষোভ, সকাল সকাল বিশেষ ঘোষণা দিলেন মোদি

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের জেরে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির জন্তর মন্তরে বিক্ষোভ আরও তীব্র হচ্ছে। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ব্যানারে হওয়া এই আন্দোলনে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করা হচ্ছে। তিনি এখনো পদত্যাগ না করায় আন্দোলনও বেগবান হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল সকাল নতুন ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেছেন, […]

তীব্র হচ্ছে দিল্লির বিক্ষোভ, সকাল সকাল বিশেষ ঘোষণা দিলেন মোদি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ জুলাই ২০২৬, ১০:৩৮

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের জেরে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির জন্তর মন্তরে বিক্ষোভ আরও তীব্র হচ্ছে। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ব্যানারে হওয়া এই আন্দোলনে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করা হচ্ছে। তিনি এখনো পদত্যাগ না করায় আন্দোলনও বেগবান হচ্ছে।

এমন পরিস্থিতিতে আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল সকাল নতুন ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেছেন, যারা প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত তাদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে এবং এ বিচার হবে দ্রুত বিচার আদালতে।

ফেসবুকে মোদি লিখেছেন, “আমাদের তরুণদের কল্যাণ ও ভবিষ্যতের চেয়ে বড় কিছু হতে পারে না! প্রশ্নফাঁসে জড়িতদের দ্রুত ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে দ্রুত বিচার আদালত গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের স্বার্থ সুরক্ষায় নেওয়া ধারাবাহিক উদ্যোগগুলোরই অংশ এটি।”

“যারা আমাদের তরুণদের ভবিষ্যতের ক্ষতি করার চেষ্টা করবে, তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।”

এদিকে বিক্ষোভকারীরা শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ক্ষমা চাইতে বলেছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৩১

আন্তর্জাতিক

নেপালে ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯৬২,নিখোঁজ প্রায় ৪ হাজার

ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত নেপালে ক্রমেই বাড়ছে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৯৬২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন চার হাজারের বেশি মানুষ মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে নুয়াকোটের বেত্রাবতী এলাকার একটি বাড়ি থেকে ২৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করেন উদ্ধারকারীরা। একই সময়ে ভারতের গণ্ডক নদী থেকেও আরও ১৩ জনের মরদেহ […]

নেপালে ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯৬২,নিখোঁজ প্রায় ৪ হাজার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০

ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত নেপালে ক্রমেই বাড়ছে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৯৬২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন চার হাজারের বেশি মানুষ

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে নুয়াকোটের বেত্রাবতী এলাকার একটি বাড়ি থেকে ২৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করেন উদ্ধারকারীরা। একই সময়ে ভারতের গণ্ডক নদী থেকেও আরও ১৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহগুলো নেপাল কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের জন্য আইনি প্রক্রিয়া চলছে।

এদিকে, রাসুয়ার উত্তরগয়া গ্রামের একটি সরকারি বিদ্যালয়ের প্রায় ৩৫০ শিক্ষার্থী নিখোঁজ রয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।

অব্যাহত দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে ত্রিশুলির থ্রি-এ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের উদ্ধার অভিযান টানা ষষ্ঠ দিনের মতো স্থগিত রাখতে বাধ্য হয়েছেন উদ্ধারকর্মীরা। অন্যদিকে, ত্রিশুলি থ্রি-বি প্রকল্পের অন্তত ১১৮ জন শ্রমিক এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।

ধসে পড়া সড়ক ও যোগাযোগব্যবস্থা এবং প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে দুর্গম এলাকাগুলোতে ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ফলে নিখোঁজদের সন্ধান এবং দুর্গতদের কাছে জরুরি সহায়তা পৌঁছে দিতে উদ্ধারকারীদের ব্যাপক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৩১