রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আন্তর্জাতিক

ইউক্রেনে শান্তি ফেরাতে চীনের মধ্যস্থতা চান ট্রাম্প, বেইজিং কী চায়?

চতুর্থ বছরে পা দিতে যাওয়া ইউক্রেন সংকট সমাধানে কে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন?—এ বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার অবস্থান পরিষ্কার করেছেন। তার মতে, এই সংকট নিরসনে সাহায্য করতে পারেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের মিত্র চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। এ নিয়ে বুধবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে পুরো বিষয়টি তুলে ধরেছে মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএন। ট্রাম্পের আশা চলতি […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ২০:১৩

চতুর্থ বছরে পা দিতে যাওয়া ইউক্রেন সংকট সমাধানে কে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন?—এ বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার অবস্থান পরিষ্কার করেছেন। তার মতে, এই সংকট নিরসনে সাহায্য করতে পারেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের মিত্র চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।

এ নিয়ে বুধবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে পুরো বিষয়টি তুলে ধরেছে মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএন।

ট্রাম্পের আশা

চলতি বছরের শুরুর দিকে (জানুয়ারিতে) সুইজারল্যান্ডের দাভোসে অনুষ্ঠিত বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘আমি আশা করি, চীন আমাদের রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থামাতে সহায়তা করবে…। তাদের এ বিষয়ে ব্যাপক ক্ষমতা রয়েছে এবং আমরা তাদের সঙ্গে কাজ করব’।

ট্রাম্প সে সময় দাবি করেন, ক্ষমতা গ্রহণের কয়েকদিন আগেই তিনি শি জিনপিংয়ের সঙ্গে ফোনে এ বিষয়ে আলোচনা করেছেন। ১৪ ফেব্রুয়ারি জার্মানির মিউনিখে বার্ষিক নিরাপত্তা সম্মেলনে বিশ্ব নেতাদের উপস্থিতিতে বিষয়টি আবার আলোচনায় আসতে পারে।

তবে সম্প্রতি চীনের সঙ্গে অর্থনৈতিক টানাপোড়েন তৈরি করে ট্রাম্প কি এই উদ্যোগকে জটিল করে ফেলেছেন?

মার্কিন প্রেসিডেন্ট চলতি মাসেই চীনা আমদানির ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন। তবে ইউক্রেন যুদ্ধের ইস্যুটি হতে পারে বিরল এক ক্ষেত্র, যেখানে চীন-মার্কিন সম্পর্কের উন্নতির সম্ভাবনা রয়েছে।

চীনের অবস্থান

চীন বরাবরই নিজেকে ইউক্রেন যুদ্ধে শান্তি স্থাপনকারী হিসেবে দেখাতে চেয়েছে। চীনা কর্তৃপক্ষ একটি নিজস্ব শান্তি পরিকল্পনাও উপস্থাপন করেছে, যদিও সেটি বেশ অস্পষ্ট।

তবে পশ্চিমা বিশ্ব বরাবরই চীনের এই উদ্যোগকে সন্দেহের চোখে দেখেছে। কারণ বেইজিং দৃঢ়ভাবে মস্কোর পাশে দাঁড়িয়ে আছে। যা চীনের জন্য একটি কঠিন সমীকরণ। কেননা, চীন একদিকে ট্রাম্পের সঙ্গে কাজ করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নয়ন করতে পারে। অন্যদিকে রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক নষ্ট করা বেইজিংয়ের জন্য কৌশলগতভাবে ক্ষতিকর হতে পারে।

চীনের জন্য ঝুঁকি এবং লাভ

চীনা বিশ্লেষকরা অবশ্য বলছেন, শি জিনপিং রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক ঝুঁকিতে ফেলতে চাইবেন না। কারণ এটি চীনের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

চীন একদিকে যুক্তরাষ্ট্র এবং পশ্চিমাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে চায়। অন্যদিকে তাদের লক্ষ্য বিশ্ব ব্যবস্থাকে নিজের সুবিধামতো পুনর্গঠন করা।

নিউ ইয়র্কের স্টিমসন সেন্টারের চীন-বিষয়ক পরিচালক ইউন সান বলেন, ‘ট্রাম্প যদি চীনের সহযোগিতাকে মার্কিন-চীন সম্পর্কের উন্নতির প্রধান শর্ত হিসেবে মূল্যায়ন করেন, তাহলে বেইজিং এতে আগ্রহী হতে পারে। তবে তারা অবশ্যই রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক নষ্ট করতে চাইবে না’।

ইউক্রেন যুদ্ধের ভবিষ্যৎ ও মিউনিখ সম্মেলন

এদিকে শুক্রবার থেকে শুরু হতে যাওয়া মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে ইউক্রেন যুদ্ধের ভবিষ্যৎ নিয়ে বড় আলোচনা হবে। সেখানে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক করবেন।

এই সম্মেলনে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে প্রতিনিধি দল নিয়ে উপস্থিত থাকবেন।

এদিকে ট্রাম্প প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা বর্তমানে ইউরোপ ও ইউক্রেন সফর করছেন। মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী পিট হেগসেথ, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং ইউক্রেন-রাশিয়া বিষয়ে ট্রাম্পের দূত জেনারেল কিথ কেলোগ ইউরোপে মিত্রদের সঙ্গে আলোচনায় ব্যস্ত।

তার ওপর মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টও কিয়েভ সফরে যাচ্ছেন। এই সফরে ইউক্রেনের খনিজ সম্পদের বিষয়েও আলোচনা হবে।

ইউক্রেনের জন্য সহযোগিতা: বিনিময়ে সম্পদ?

ট্রাম্প সম্প্রতি ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘আমরা ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তা দিচ্ছি। তাহলে তারা আমাদের খনিজ সম্পদের সুযোগ দেবে না কেন?’

এ সময় তিনি ‘ইউক্রেন হয়তো একদিন রাশিয়ার অংশ হয়ে যাবে’ বলেও মন্তব্য করেন। আর তার এই মন্তব্যগুলো ইউক্রেন ও পশ্চিমা দেশগুলোর জন্য উদ্বেগের কারণ হতে পারে।

চীনের ভূমিকা: সত্যিই কি শান্তি চায় দেশটি?

চীন দীর্ঘদিন ধরে নিজেদের নিরপেক্ষ বলে দাবি করলেও তারা রাশিয়ার বড় অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সহায়ক হয়ে উঠেছে। চীন রাশিয়াকে সামরিক খাতে ব্যবহারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ রপ্তানি করছে। যা নিয়ে পশ্চিমারা বলছে, চীন রাশিয়ার যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার শক্তি বৃদ্ধি করছে।

এছাড়া বেইজিং কখনোই রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেনি, বরং দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বাড়িয়েছে।

চীন যদি রাশিয়ার ওপর সত্যিই চাপ প্রয়োগ করতে চায়, তাহলে তারা রাশিয়াকে অর্থনৈতিকভাবে চাপে ফেলতে পারত। কিন্তু বেইজিং এটা করবে না, কারণ তারা রাশিয়াকে দুর্বল অবস্থায় দেখতে চায় না।

শি জিনপিং কি ট্রাম্পের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় আগ্রহী?

চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ট্রাম্পের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় আগ্রহী কিনা, সেটি নির্ভর করবে ট্রাম্পের শর্তগুলোর ওপর। এর আগে বাইডেন প্রশাসন চীনকে পুতিনের ওপর চাপ দেওয়ার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু ব্যর্থ হয়েছে। এখন ট্রাম্প তার নিজস্ব উপায়ে চীনকে বোঝানোর চেষ্টা করছেন।

তবে বেইজিং এই (ইউক্রেন) যুদ্ধকে একটি সুযোগ হিসেবে দেখছে—একটি মার্কিন নেতৃত্বাধীন বিশ্বব্যবস্থার পতন ত্বরান্বিত করার জন্য।

এ বিষয়ে কানার্জি এনডোমেন্ট ফর ইন্টারন্যাশনাল পিস-এর সিনিয়র ফেলো তং ঝাও বলেন, ‘চীন এখন এমন একটি বিশ্বব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়, যেখানে আমেরিকার প্রভাব কম থাকবে এবং উন্নয়নশীল দেশগুলো চীনের পক্ষে থাকবে।

শান্তি, নাকি রাজনৈতিক স্বার্থ?

চলমান যুদ্ধ ও ধ্বংসযজ্ঞ থামাতে চীন, রাশিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি শান্তি চুক্তি হতে পারে, যা এই তিন দেশের জন্য লাভজনক হতে পারে। তবে বিশ্লেষকরা সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, ‘শান্তি চুক্তির পরও যদি রাশিয়া তার দখল করা অঞ্চলগুলো ধরে রাখে, তাহলে তা আদতে যুদ্ধের সমাপ্তি নয়, বরং একটি সাময়িক বিরতি হবে’।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৫৫

আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগ দেওয়া দেশকে ‘শত্রু’ বিবেচনা করবে ইরান

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে যে অর্থনৈতিক যুদ্ধ চালাচ্ছে, কোনো দেশেরই তাতে অংশ নেওয়া উচিত নয়। কোনো দেশ ইরানের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপে যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করলে তাকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগ দেওয়া দেশকে ‘শত্রু’ বিবেচনা করবে ইরান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ আগস্ট ২০২৬, ১২:২৪

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞায় কোনো দেশ যোগ দিলে তাকে ‘শত্রু’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটির সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান মোহসেন রেজাই রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তব্যে এ সতর্কবার্তা দেন।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে যে অর্থনৈতিক যুদ্ধ চালাচ্ছে, কোনো দেশেরই তাতে অংশ নেওয়া উচিত নয়। কোনো দেশ ইরানের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপে যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করলে তাকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

ইরানের এ বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে মিত্র কিংবা অন্য কোনো দেশ সহযোগিতা করলে তেহরান তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর অবস্থান নিতে পারে।

এর আগে ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামিনিয়া সতর্ক করে বলেন, ইরানের ওপর কোনো হামলা হলে এবার তার জবাব আগের তুলনায় আরও বড় পরিসরে দেওয়া হবে।

আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক যুদ্ধগুলোর অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ইরান তার সামরিক কৌশলে পরিবর্তন আনছে। দীর্ঘদিন দেশটির সামরিক নীতি মূলত প্রতিরক্ষামূলক থাকলেও এখন তা ধীরে ধীরে আরও আক্রমণাত্মক অবস্থানের দিকে যাচ্ছে।

তবে আকরামিনিয়া স্পষ্ট করেছেন, এর অর্থ ইরান আগাম হামলা চালানোর নীতি গ্রহণ করছে না। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের ওপর কোনো আগ্রাসন হলে তাৎক্ষণিকভাবে পাল্টা জবাব দেওয়া হবে এবং সেই প্রতিক্রিয়ার পরিসর মূল হামলার চেয়েও বড় হবে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৫৫

আন্তর্জাতিক

নেপালে ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯৬২,নিখোঁজ প্রায় ৪ হাজার

ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত নেপালে ক্রমেই বাড়ছে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৯৬২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন চার হাজারের বেশি মানুষ মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে নুয়াকোটের বেত্রাবতী এলাকার একটি বাড়ি থেকে ২৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করেন উদ্ধারকারীরা। একই সময়ে ভারতের গণ্ডক নদী থেকেও আরও ১৩ জনের মরদেহ […]

নেপালে ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯৬২,নিখোঁজ প্রায় ৪ হাজার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০

ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত নেপালে ক্রমেই বাড়ছে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৯৬২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন চার হাজারের বেশি মানুষ

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে নুয়াকোটের বেত্রাবতী এলাকার একটি বাড়ি থেকে ২৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করেন উদ্ধারকারীরা। একই সময়ে ভারতের গণ্ডক নদী থেকেও আরও ১৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহগুলো নেপাল কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের জন্য আইনি প্রক্রিয়া চলছে।

এদিকে, রাসুয়ার উত্তরগয়া গ্রামের একটি সরকারি বিদ্যালয়ের প্রায় ৩৫০ শিক্ষার্থী নিখোঁজ রয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।

অব্যাহত দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে ত্রিশুলির থ্রি-এ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের উদ্ধার অভিযান টানা ষষ্ঠ দিনের মতো স্থগিত রাখতে বাধ্য হয়েছেন উদ্ধারকর্মীরা। অন্যদিকে, ত্রিশুলি থ্রি-বি প্রকল্পের অন্তত ১১৮ জন শ্রমিক এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।

ধসে পড়া সড়ক ও যোগাযোগব্যবস্থা এবং প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে দুর্গম এলাকাগুলোতে ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ফলে নিখোঁজদের সন্ধান এবং দুর্গতদের কাছে জরুরি সহায়তা পৌঁছে দিতে উদ্ধারকারীদের ব্যাপক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৫৫

আন্তর্জাতিক

হামলা না করা শর্তে হুথিদের ১০০ কোটি ডলার দিতে চায় সৌদি আরব

সৌদি আরবের ওপর হামলা বন্ধ এবং যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ইরান মারফত ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠীকে ১০০ কোটি ডলার দেওয়ার প্রস্তাব করেছে সৌদি আরব। গালফ অঞ্চলের কূটনৈতিক সূত্রগুলোর বরাতে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমে এই তথ্য উঠে এসেছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) টাইমস অফ ইন্ডিয়াতে এই সংবাদের সত্যতা প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে জানানো হয়, সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান […]

হামলা না করা শর্তে হুথিদের ১০০ কোটি ডলার দিতে চায় সৌদি আরব

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৭

সৌদি আরবের ওপর হামলা বন্ধ এবং যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ইরান মারফত ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠীকে ১০০ কোটি ডলার দেওয়ার প্রস্তাব করেছে সৌদি আরব। গালফ অঞ্চলের কূটনৈতিক সূত্রগুলোর বরাতে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমে এই তথ্য উঠে এসেছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) টাইমস অফ ইন্ডিয়াতে এই সংবাদের সত্যতা প্রকাশ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান হুথিদের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির বিষয়ে আলোচনার জন্য তেহরান সফর করেন। একটি কূটনৈতিক সূত্র দাবি করেছে, সৌদি মন্ত্রী তার হারকিউলিস সামরিক পরিবহন বিমানে করে এই ১০০ কোটি ডলার অর্থ তেহরানে নিয়ে এসেছিলেন। তবে অর্থ হস্তান্তরের বিষয়টি কোনো সৌদি কর্মকর্তা নিশ্চিত করেননি।

তেহরানের এই আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন তুরস্কের গোয়েন্দা প্রধান ইব্রাহিম কালিন, পাকিস্তানের সেনাপ্রধান অসীম মুনীর, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদক মহসেন রেজাই এবং ইসলামিক রিভোলিউশনারি গার্ড কর্পসের শীর্ষ কর্মকর্তারা।

সৌদি বিমানবন্দর ও তেল স্থাপনায় হুথিদের ক্রমাগত হামলার কারণে সৌদি আরবে অর্থনৈতিক ক্ষতি হওয়ায় ইরান মধ্যস্থতার এই প্রস্তাব দিয়েছিল।

সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই সফরের বিষয়ে এক সরকারি বিবৃতিতে জানায়, ‘প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান এবং মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা জোটের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতিনিধিদের তেহরান সফরটি বর্তমান সংকটের পক্ষগুলোর মধ্যে উত্তেজনা হ্রাস, সংলাপ ও কূটনৈতিক সমাধানকে উৎসাহিত করা

এবং কাতার রাজ্য ও ইসলামী প্রজাতন্ত্র পাকিস্তানের পরিচালিত মধ্যস্থতা প্রচেষ্টাকে সমর্থন করার জন্য ন্যাটো-রীতির এই জোটের চলমান প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এসেছে।’

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে এক সৌদি কর্মকর্তা অর্থ হস্তান্তরের বিষয়টি নিশ্চিত না করলেও জানান, তিন বছর আগে পৌঁছানো সমঝোতা বাস্তবায়নেই সংঘাতের মূল কারণ।

ঐ সমঝোতার আওতায় হুথিদের নিয়ন্ত্রণে থাকা অঞ্চলের সরকারি কর্মচারীদের বেতন এবং অবকাঠামো পুনর্নির্মাণে সরাসরি অর্থিক সহায়তা দেওয়ার কথা ছিল, যার বিনিময়ে হুথিরা হামলা বন্ধ রাখবে। হুথিরা সৌদি আরবকে অঙ্গীকার ভঙ্গের অভিযুক্ত করলেও সৌদি আরবের অবস্থান হলো তারা কোনো সামরিক ব্ল্যাকমেইলের মুখে নতুন করে যুদ্ধবিরতিতে যাবে না।

মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা জোট এবং ইরানি নেতৃত্বের মধ্যে এটিই প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক, যা মূলত গত সপ্তাহে পাকিস্তানি সেনাপ্রধানের তেহরান সফরের সময় রূপ নেয়। ইরানের ১০০ কোটি ডলারের এই প্রস্তাব বা বিমানে অর্থ বহনের দাবিটি স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।

সূত্র: টাইমস অফ ইন্ডিয়া

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৫৫