সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আন্তর্জাতিক

ইসরাইলকে স্বীকৃতি দিতে ফিলিস্তিন দখলের চেষ্টা করছেন ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন গাজা উপত্যকার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পাশাপাশি জর্ডান নদীর পশ্চিম তীরের ওপর ইসরাইলের সার্বভৌমত্বকে স্বীকৃতি দেওয়ার পরিকল্পনা করছে বলে বিভিন্ন খবরে প্রকাশিত হয়েছে। হোয়াইট হাউসে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর উপস্থিতিতে ট্রাম্প এই নতুন পরিকল্পনার যৌক্তিকতা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে গাজায় ইসরাইলি সামরিক অভিযানের ফলে সৃষ্ট ধ্বংসযজ্ঞের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “গাজা উপত্যকা […]

ইসরাইলকে স্বীকৃতি দিতে ফিলিস্তিন দখলের চেষ্টা করছেন ট্রাম্প

ছবি: সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১১:১৪

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন গাজা উপত্যকার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পাশাপাশি জর্ডান নদীর পশ্চিম তীরের ওপর ইসরাইলের সার্বভৌমত্বকে স্বীকৃতি দেওয়ার পরিকল্পনা করছে বলে বিভিন্ন খবরে প্রকাশিত হয়েছে। হোয়াইট হাউসে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর উপস্থিতিতে ট্রাম্প এই নতুন পরিকল্পনার যৌক্তিকতা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে গাজায় ইসরাইলি সামরিক অভিযানের ফলে সৃষ্ট ধ্বংসযজ্ঞের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “গাজা উপত্যকা ফিলিস্তিনিদের জন্য আর বসবাসের উপযোগী নয়, তাই তাদের জন্য আরও ভালো ও নিরাপদ একটি স্থান খুঁজতে হবে।”

পার্সটুডে জানিয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসনের এই অবস্থান থেকে পরিষ্কার যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডকে নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন। এর আগেও ট্রাম্প বলেছিলেন যে গাজার ধ্বংসযজ্ঞ পুনর্গঠনের জন্য ফিলিস্তিনিদের মিশর ও জর্ডানে স্থানান্তরিত করা উচিত। তবে এবার তিনি আরও এক ধাপ এগিয়ে গাজার ওপর সম্পূর্ণ কর্তৃত্ব দাবি করেছেন এবং ভূমধ্যসাগরের পূর্ব উপকূলে অবস্থিত এই ছোট ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা ইসরাইলের দখলে দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন।

ট্রাম্প, যিনি একসময় ভবন নির্মাণ ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, এখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে মানবিকতার অজুহাতে যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে চাইছেন। তবে তিনি গাজার জনগণের মতামত নেওয়ার কোনো প্রয়োজন বোধ করছেন না। বরং তার প্রশাসন গাজার ২৫ লাখ অধিবাসীকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। অন্যদিকে, ৩০ লাখেরও বেশি ফিলিস্তিনি অধ্যুষিত পশ্চিম তীরকে ১৯৪৮ সালে ইসরাইলের দখলকৃত ভূখণ্ডের সঙ্গে সংযুক্ত করার সম্ভাবনার কথাও ট্রাম্প প্রশাসনের পরিকল্পনায় রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্তের ফলে মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে। গাজা ও পশ্চিম তীরের জনগণের ভবিষ্যৎ কী হবে, তা এখন অনেকটাই নির্ভর করছে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতিক্রিয়ার ওপর। তবে স্পষ্টতই, ট্রাম্প প্রশাসন ইসরাইলের সর্বোচ্চ স্বার্থ নিশ্চিত করতে এবং ফিলিস্তিনের ঐতিহ্যবাহী ভূমির নিয়ন্ত্রণ সম্পূর্ণভাবে হাতছাড়া করার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

4o

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই ইচ্ছা থেকে বোঝা যায়, ইসরাইল ও ফিলিস্তিনিদের মধ্যে দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের চিন্তাভাবনা থেকে বর্তমান মার্কিন প্রশাসন সরে এসেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে এবং এটাও বোঝা যায় তারা অবশিষ্ট ফিলিস্তিনি অঞ্চলগুলো দখল করবে।

অবশ্য, এখন পর্যন্ত সমস্ত আরব দেশ সর্বসম্মতভাবে ট্রাম্পের গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের মিশর এবং জর্ডানে স্থানান্তরিত করার ধারণার বিরোধিতা করেছে। তবে, এমন আশঙ্কাও করা হচ্ছে যে, ট্রাম্প আরব দেশগুলো বিশেষ করে মিশর ও জর্ডানের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক বাহিনীর রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক প্রভাবকে কাজে লাগানোর পাশাপাশি হুমকির ভাষাও প্রয়োগ করবে। অন্য কথায়, যদি মার্কিন সেনাবাহিনীকে গাজায় পাঠানো হয় এবং এ অঞ্চলের উপর দখল দরিত্ব কায়েম করে এবং লক্ষ লক্ষ ফিলিস্তিনিকে মিশরে প্রবেশ করতে বাধ্য করা হয়, তাহলে কায়রো এ পদক্ষেপ ঠেকানোর সাহস পাবে না।

কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, ৮০ বছর ধরে দখলদারিত্ব, যুদ্ধ এবং হত্যাযজ্ঞের মুখেও যে ফিলিস্তিনি জাতি তাদের ভূমি মুক্ত করার আদর্শ ত্যাগ করেনি, তারা চুপ থাকবে না এবং মার্কিন দখলদারিত্বের কাছে আত্মসমর্পণ করবে না। অতএব, পশ্চিম এশীয় অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং লক্ষ লক্ষ ফিলিস্তিনিদের জন্য শান্তিপূর্ণ জীবন প্রদানে ট্রাম্পের দাবির বিপরীতে, নতুন মার্কিন প্রেসিডেন্ট আসলে পশ্চিম এশীয় অঞ্চলে নতুন যুদ্ধের আগুন জ্বালাতে চাইছেন, যার আগুন কেবল এই অঞ্চলের দেশগুলোকেই পোড়াবে না ইসরাইলকেও জ্বালিয়ে দেবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যখন লাখ লাখ ফিলিস্তিনির উপর অবিচার নির্যাতন দূর হবে এবং তারা তাদের স্বপ্নের দেশ অর্জন করবে, কেবল তখন ফিলিস্তিনের ভূমিতে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে। প্রকৃতপক্ষে, গাজায় মার্কিন মালিকানার দাবী কিংবা পশ্চিম তীরের উপর ইসরাইলি সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতি দেয়ার মাধ্যমে মূলত ফিলিস্তিন  ইস্যুকে চিরতরে মুছে ফেলার চক্রান্ত চলছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৩২

আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগ দেওয়া দেশকে ‘শত্রু’ বিবেচনা করবে ইরান

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে যে অর্থনৈতিক যুদ্ধ চালাচ্ছে, কোনো দেশেরই তাতে অংশ নেওয়া উচিত নয়। কোনো দেশ ইরানের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপে যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করলে তাকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগ দেওয়া দেশকে ‘শত্রু’ বিবেচনা করবে ইরান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ আগস্ট ২০২৬, ১২:২৪

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞায় কোনো দেশ যোগ দিলে তাকে ‘শত্রু’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটির সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান মোহসেন রেজাই রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তব্যে এ সতর্কবার্তা দেন।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে যে অর্থনৈতিক যুদ্ধ চালাচ্ছে, কোনো দেশেরই তাতে অংশ নেওয়া উচিত নয়। কোনো দেশ ইরানের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপে যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করলে তাকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

ইরানের এ বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে মিত্র কিংবা অন্য কোনো দেশ সহযোগিতা করলে তেহরান তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর অবস্থান নিতে পারে।

এর আগে ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামিনিয়া সতর্ক করে বলেন, ইরানের ওপর কোনো হামলা হলে এবার তার জবাব আগের তুলনায় আরও বড় পরিসরে দেওয়া হবে।

আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক যুদ্ধগুলোর অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ইরান তার সামরিক কৌশলে পরিবর্তন আনছে। দীর্ঘদিন দেশটির সামরিক নীতি মূলত প্রতিরক্ষামূলক থাকলেও এখন তা ধীরে ধীরে আরও আক্রমণাত্মক অবস্থানের দিকে যাচ্ছে।

তবে আকরামিনিয়া স্পষ্ট করেছেন, এর অর্থ ইরান আগাম হামলা চালানোর নীতি গ্রহণ করছে না। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের ওপর কোনো আগ্রাসন হলে তাৎক্ষণিকভাবে পাল্টা জবাব দেওয়া হবে এবং সেই প্রতিক্রিয়ার পরিসর মূল হামলার চেয়েও বড় হবে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৩২

আন্তর্জাতিক

তীব্র হচ্ছে দিল্লির বিক্ষোভ, সকাল সকাল বিশেষ ঘোষণা দিলেন মোদি

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের জেরে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির জন্তর মন্তরে বিক্ষোভ আরও তীব্র হচ্ছে। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ব্যানারে হওয়া এই আন্দোলনে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করা হচ্ছে। তিনি এখনো পদত্যাগ না করায় আন্দোলনও বেগবান হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল সকাল নতুন ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেছেন, […]

তীব্র হচ্ছে দিল্লির বিক্ষোভ, সকাল সকাল বিশেষ ঘোষণা দিলেন মোদি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ জুলাই ২০২৬, ১০:৩৮

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের জেরে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির জন্তর মন্তরে বিক্ষোভ আরও তীব্র হচ্ছে। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ব্যানারে হওয়া এই আন্দোলনে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করা হচ্ছে। তিনি এখনো পদত্যাগ না করায় আন্দোলনও বেগবান হচ্ছে।

এমন পরিস্থিতিতে আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল সকাল নতুন ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেছেন, যারা প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত তাদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে এবং এ বিচার হবে দ্রুত বিচার আদালতে।

ফেসবুকে মোদি লিখেছেন, “আমাদের তরুণদের কল্যাণ ও ভবিষ্যতের চেয়ে বড় কিছু হতে পারে না! প্রশ্নফাঁসে জড়িতদের দ্রুত ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে দ্রুত বিচার আদালত গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের স্বার্থ সুরক্ষায় নেওয়া ধারাবাহিক উদ্যোগগুলোরই অংশ এটি।”

“যারা আমাদের তরুণদের ভবিষ্যতের ক্ষতি করার চেষ্টা করবে, তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।”

এদিকে বিক্ষোভকারীরা শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ক্ষমা চাইতে বলেছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৩২

আন্তর্জাতিক

নেপালে ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯৬২,নিখোঁজ প্রায় ৪ হাজার

ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত নেপালে ক্রমেই বাড়ছে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৯৬২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন চার হাজারের বেশি মানুষ মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে নুয়াকোটের বেত্রাবতী এলাকার একটি বাড়ি থেকে ২৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করেন উদ্ধারকারীরা। একই সময়ে ভারতের গণ্ডক নদী থেকেও আরও ১৩ জনের মরদেহ […]

নেপালে ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯৬২,নিখোঁজ প্রায় ৪ হাজার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০

ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত নেপালে ক্রমেই বাড়ছে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৯৬২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন চার হাজারের বেশি মানুষ

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে নুয়াকোটের বেত্রাবতী এলাকার একটি বাড়ি থেকে ২৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করেন উদ্ধারকারীরা। একই সময়ে ভারতের গণ্ডক নদী থেকেও আরও ১৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহগুলো নেপাল কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের জন্য আইনি প্রক্রিয়া চলছে।

এদিকে, রাসুয়ার উত্তরগয়া গ্রামের একটি সরকারি বিদ্যালয়ের প্রায় ৩৫০ শিক্ষার্থী নিখোঁজ রয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।

অব্যাহত দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে ত্রিশুলির থ্রি-এ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের উদ্ধার অভিযান টানা ষষ্ঠ দিনের মতো স্থগিত রাখতে বাধ্য হয়েছেন উদ্ধারকর্মীরা। অন্যদিকে, ত্রিশুলি থ্রি-বি প্রকল্পের অন্তত ১১৮ জন শ্রমিক এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।

ধসে পড়া সড়ক ও যোগাযোগব্যবস্থা এবং প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে দুর্গম এলাকাগুলোতে ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ফলে নিখোঁজদের সন্ধান এবং দুর্গতদের কাছে জরুরি সহায়তা পৌঁছে দিতে উদ্ধারকারীদের ব্যাপক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৩২