শিক্ষাব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে ভারতজুড়ে চলমান আন্দোলনকে কেন্দ্র করে বিহারের বিভিন্ন জেলায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। পাটনা, বেগুসরাই, দরভাঙ্গা, কাটিহার, জেহানাবাদ ও আরওয়ালসহ একাধিক জেলায় পুলিশকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে।
পুলিশ শিক্ষার্থীদের হোস্টেল, লজ ও হোটেলেও তল্লাশি চালাচ্ছে বলে জানিয়েছেন দেশটির সংবামাধ্যম দ্য হিন্দুর সাংবাদিক অমরনাথ তিওয়ারি।
এদিকে, দিল্লিতেও আন্দোলন ঠেকাতে কৌশলী অবস্থান নিচ্ছে সরকার। যন্তর মন্তরে চলমান বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে রাজধানীর ১৭টি মেট্রো স্টেশন পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখা হয়েছে।
দিল্লি মেট্রো রেল করপোরেশন জানিয়েছে, নিরাপত্তার স্বার্থেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, সরকারের বাধা সত্ত্বেও শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। দলটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে বলেছেন, ‘জ্বরের কারণে আমি এখনো শারীরিকভাবে দুর্বল। কিন্তু এই লড়াই থামবে না। ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ না করা পর্যন্ত জন্তর মন্তরে আমাদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চলবে।’
দলটির মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা বলেন, ‘আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ না করা পর্যন্ত যন্তর মন্তরের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে কঠোর ও যথাযথ পদক্ষেপ হলো ধর্মেন্দ্র প্রধানকে তার পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া।’
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?