সোনম ওয়াংচুক অনশন প্রত্যাহার করে নিলেও কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ডাক দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। দাবি-দাওয়া নিয়ে সরকারের সঙ্গে আজ শুক্রবার বৈঠকে যাচ্ছেন আন্দোলকারীরা।
স্থানীয় সময় দুপুর সাড়ে ১২টায় দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে ভারতের কেন্দ্র সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এ বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
কোনো কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বাড়িতে নয়, নিরপেক্ষ জায়গায় বৈঠকে বসার দাবি জানিয়েছিল সিজেপি। সেই কথা মাথায় রেখেই বৈঠকের স্থান নির্বাচন করা হয়েছে।
অন্য দিকে, শুক্রবার সকাল থেকে ফের ভিড় বাড়ছে যন্তর মন্তর চত্বরে। ‘নিরাপত্তাজনিত কারণে’ শুক্রবার দিল্লির ১৭টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখা হয়েছে। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল রাজীব চক, দিল্লি গেট, সেবা তীর্থ, সুপ্রিম কোর্ট। বৃহস্পতিবার একই কারণে ১৬টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখা হয়েছিল।
বৈঠকে দু’পক্ষের প্রতিনিধি হিসাবে কারা থাকবেন, আনুষ্ঠানিক ভাবে তা এখনো জানানো হয়নি। সিজেপির মুখপাত্র সৌরভ দাস শুক্রবার সকালে বলেন, ‘আমাদের প্রতিবাদ চলবে। সরকারের মন্ত্রীদের সঙ্গে আলোচনার জন্য কনস্টিটিউশন ক্লাবকে বেছে নেওয়া হয়েছে। আশা করছি যে, মুক্ত ভাবনা নিয়ে আলোচনা হবে।’
সিজেপির আর এক মুখপাত্র বৈষ্ণবী গৌর বৈঠক প্রসঙ্গে বলেন, ‘প্রথম দিন থেকে আমরা আমাদের দাবিগুলোতে অনড়। সেগুলোর কথাই সরকারকে জানাব।’
সিজেপি মূল দাবি তিনটি। শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ, প্রশ্নপত্র ফাঁসের কারণে যারা আত্মহত্যা করেছেন, তাদের পরিবারকে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়া, ও আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে যে সব এফআইআর দায়ের হয়েছে, সেগুলো খারিজ করে দেওয়া।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?