রবিবার, ২৪ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আন্তর্জাতিক

সোলেইমানির মৃত্যুর বদলা নিতে ট্রাম্পকন্যাকে হত্যার ছক আইআরজিসির

ইরানের সাবেক শীর্ষ সামরিক কমান্ডার কাসেম সোলেইমানিকে হত্যা করার প্রতিশোধ হিসেবে এবার খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কন্যা ইভাঙ্কা ট্রাম্পকে হত্যার ছক কষেছিল ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এক ব্যক্তি। ‘দ্য নিউ ইয়র্ক পোস্ট’ এই খবর জানিয়েছে। সম্প্রতি প্রেপ্তার হওয়া ৩২ বছর বয়সী মোহাম্মদ বাকের সাদ দাউদ আল-সাদি ইভাঙ্কা ট্রাম্পকে হত্যার ‘অঙ্গীকার’ করেছিল। […]

সোলেইমানির মৃত্যুর বদলা নিতে ট্রাম্পকন্যাকে হত্যার ছক আইআরজিসির

সোলেইমানির মৃত্যুর বদলা নিতে ট্রাম্পকন্যাকে হত্যার ছক আইআরজিসির

নিউজ ডেস্ক

২৪ মে ২০২৬, ১০:১৮

ইরানের সাবেক শীর্ষ সামরিক কমান্ডার কাসেম সোলেইমানিকে হত্যা করার প্রতিশোধ হিসেবে এবার খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কন্যা ইভাঙ্কা ট্রাম্পকে হত্যার ছক কষেছিল ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এক ব্যক্তি। ‘দ্য নিউ ইয়র্ক পোস্ট’ এই খবর জানিয়েছে।

সম্প্রতি প্রেপ্তার হওয়া ৩২ বছর বয়সী মোহাম্মদ বাকের সাদ দাউদ আল-সাদি ইভাঙ্কা ট্রাম্পকে হত্যার ‘অঙ্গীকার’ করেছিল। শুধু তা-ই নয়, ফ্লোরিডায় ইভাঙ্কার বাড়ির একটি মানচিত্র বা নকশাও সে সংগ্রহ করেছিল বলে দাবি করেছে সূত্রগুলো।

ইরাকি নাগরিক আল-সাদি মূলত মার্কিন ড্রোন হামলায় নিহত আইআরজিসি’র শীর্ষ জেনারেল কাসেম সোলেইমানির হত্যার প্রতিশোধ নিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের পরিবারকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছিল। ছয় বছর আগে বাগদাদে ওই ড্রোন হামলা চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র।

ওয়াশিংটনে অবস্থিত ইরাকি দূতাবাসের সাবেক উপ-সামরিক কর্মকর্তা ইনতিফাদ কানবার ‘দ্য পোস্ট’-কে বলেন, ‘কাসেম নিহত হওয়ার পর আল-সাদি লোকজনকে বলে বেড়াত, ‘ট্রাম্প যেভাবে আমাদের বাড়ি পুড়িয়ে দিয়েছেন, সেভাবেই ট্রাম্পের বাড়ি জ্বালিয়ে দিতে আমাদের ইভাঙ্কাকে খুন করতে হবে’।’

কানবার আরও বলেন, ‘আমরা শুনেছি যে তার কাছে ফ্লোরিডায় ইভাঙ্কার বাড়ির একটি নকশা ছিল।’ অন্য আরেকটি সূত্রও আল-সাদির এই হত্যার ছক নিশ্চিত করেছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এই ব্যক্তি বেশ সরব ছিল। সে এক্স-এ (সাবেক টুইটার) ফ্লোরিডার ওই বিশেষ আবাসিক এলাকার একটি মানচিত্র পোস্ট করে, যেখানে ইভাঙ্কা ও তার স্বামী জ্যারেড কুশনারের ২৪ মিলিয়ন ডলারের বাড়ি রয়েছে। মানচিত্রের পাশাপাশি সে আরবিতে একটি হুমকি দেয়, যার অর্থ: ‘আমি আমেরিকানদের বলছি এই ছবিটার দিকে তাকাতে। জেনে রাখো, তোমাদের রাজপ্রাসাদ বা সিক্রেট সার্ভিস কেউই তোমাদের বাঁচাতে পারবে না। আমরা এখন নজরদারি আর বিশ্লেষণের পর্যায়ে আছি। আমি তোমাদের আগেই বলেছি, আমাদের প্রতিশোধ নেওয়াটা শুধু সময়ের ব্যাপার।’

আল-সাদি ইরাক ও ইরানের সন্দেহভাজন নেটওয়ার্কের বেশ উপরের সারির একজন ব্যক্তি বলে পরিচিত। মার্কিন বিচার বিভাগের মতে, গত ১৫ মে তুরস্ক থেকে আটকের পর তাকে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে আসা হয়েছে। বর্তমানে তার বিরুদ্ধে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে মিলিয়ে মোট ১৮টি হামলা ও হামলার পরিকল্পনার অভিযোগ আনা হয়েছে।

তার বিরুদ্ধে থাকা উল্লেখযোগ্য অভিযোগের মধ্যে রয়েছে—গত মার্চ মাসে আমস্টারডামের ‘ব্যাংক অব নিউ ইয়র্ক মেলন’-এ বোমা হামলা, এপ্রিলে লন্ডনে দুই ইহুদিকে ছুরিকাঘাত এবং মার্চে টরন্টোতে মার্কিন কনস্যুলেট ভবনের সামনে গুলি চালানোর ঘটনা।

যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল তদন্তকারীদের মতে, আল-সাদি বেশ কিছু হামলার ‘পরিকল্পনা ও সমন্বয়’ করেছে এবং বেলজিয়ামের একটি ইহুদি উপাসনালয়ে বোমা হামলা, রটারড্যামে একটি মন্দিরে আগুন লাগানো এবং মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান যুদ্ধের প্রতিশোধ নিতে যুক্তরাষ্ট্রে হওয়া কিছু ব্যর্থ হামলারও দায় স্বীকার করেছে।

৪৪ বছর বয়সী ইভাঙ্কা ট্রাম্প রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী জ্যারেড কুশনারকে বিয়ের আগে ২০০৯ সালে অর্থোডক্স ইহুদি ধর্মে ধর্মান্তরিত হন। এই গুপ্তহত্যার ষড়যন্ত্রের বিষয়ে জানতে হোয়াইট হাউসের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

জানা যায়, আল-সাদি একইসাথে ‘কাতায়েব হিজবুল্লাহ’ এবং ইরানের আইআরজিসি-র হয়ে কাজ করত।

ওয়াশিংটন-ভিত্তিক গবেষণা সংস্থা ‘নিউ লাইন্স ইনস্টিটিউট’-এর জ্যেষ্ঠ গবেষক এলিজাবেথ সুরকোভ বলেন, ‘প্রকাশ্যে পাওয়া তথ্য থেকে দেখা যায়, মোহাম্মদ বাকের কাসেম সোলেইমানির বেশ কাছের মানুষ এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিল। এই মিলিশিয়া গোষ্ঠীগুলোর যেকোনো কর্মীর জন্য এটি অনেক বড় একটি ব্যাপার। সোলেইমানির মৃত্যুর পর তার উত্তরসূরি জেনারেল ইসমাইল কানির সাথেও সে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখে।’ সুরকোভ ২০২৩ সালে বাগদাদে অপহৃত হয়ে ‘কাতায়েব হিজবুল্লাহ’-র হাতে ৯০৩ দিন বন্দি ছিলেন এবং ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে মুক্তি পান।

তবে আল-সাদি তাকে জিম্মি করা লোকদের মধ্যে ছিল কি না, তা সুরকোভ নিশ্চিত করতে পারেননি। কারণ, বন্দি অবস্থায় জিম্মিকারীরা সবসময় মুখোশ পরে থাকত।

সুরকোভ জানান, আল-সাদি জেনারেল ইসমাইল কানির সাথে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেছিল এবং কানি তাকে এই ধরনের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা ও সম্পদ দিয়ে যেতেন।

এই বিষয়ে মন্তব্যের জন্য আল-সাদির আইনজীবীর সাথে যোগাযোগ করা হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

কানবারের মতে, আল-সাদি কাসেম সোলেইমানির অনেক কাছাকাছি ছিল এবং তাকে পিতৃস্থানীয় মনে করত। আল-সাদির নিজের বাবা, যিনি নিজেও ইরানের একজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ছিলেন, ২০০৬ সালে এক বিমান দুর্ঘটনায় মারা যান। এরপর সে সোলেইমানিকে আরও আপন করে নেয়।

আল-সাদির জীবনের বড় একটা অংশ কাটে বাগদাদে, মূলত তার ইরাকি মায়ের কাছে। কিন্তু পরে সে আইআরজিসি-র অধীনে প্রশিক্ষণ নিতে তেহরানে যায় বলে জানান কানবার।

কানবার দাবি করেন, পরবর্তীতে আল-সাদি ধর্মীয় ভ্রমণের একটি ট্রাভেল এজেন্সি খোলে, যার আড়ালে মূলত বিশ্বের নানা দেশে একটি নিজস্ব নেটওয়ার্ক গড়ার কাজ চালাত সে।

গত সপ্তাহে তুরস্কে গ্রেপ্তার হওয়ার সময় আল-সাদির কাছে ইরাকি সরকারি বা ‘সার্ভিস পাসপোর্ট’ পাওয়া যায়। এই পাসপোর্ট মূলত সরকারি কর্মচারী এবং আমলাদের দেওয়া হয় এবং ইরাকের প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি ছাড়া এটি পাওয়া সম্ভব নয় বলে কানবার জানিয়েছেন।

এই পাসপোর্টের সুবিধা ব্যবহার করে সে সহজেই ভ্রমণ করতে পারত, ইরাকি বিমানবন্দরে সাধারণ তল্লাশি এড়াতে পারত এবং ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহারের সুযোগ পেত।

যদিও বিশ্বের অন্যান্য বিমানবন্দরে তাকে তল্লাশির ভেতর দিয়েই যেতে হতো, কানবারের মতে, এই পাসপোর্ট থাকার কারণে সে খুব সহজেই এমন সব দেশের ভিসা পেত যেখানে সে হামলার পরিকল্পনা করেছিল। ধরা পড়ার সময় আল-সাদি রাশিয়ার উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল বলে সংবাদমাধ্যমের খবরে জানা যায়।

তবে আইআরজিসি’র সন্দেহভাজন এই সদস্য হিসেবে আল-সাদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটু বেশিই সক্রিয় ছিল। এক্স-এ দেওয়া পোস্টে দেখা যায়, সে প্যারিসের আইফেল টাওয়ার এবং কুয়ালালামপুরের পেট্রোনাস টুইন টাওয়ারের সামনে দাঁড়িয়ে আছে। এছাড়া, কায়াকিং করার সময়কার সেলফি এবং একটি মিসাইলের পাশে দাঁড়িয়ে বুক বরাবর হাত রাখা ছবিও সে আপলোড করেছিল।

আদালতের নথিতে বলা হয়েছে, আল-সাদির স্ন্যাপচ্যাট অ্যাকাউন্টে এমন ছবিও পাওয়া গেছে যেখানে সে কাসেম সোলেইমানির সাথে কোনো একটি সামরিক ঘাঁটিতে বসে মানচিত্র এবং অন্যান্য সরঞ্জাম নিয়ে আলোচনা করছে।

ফেডারেল আদালতের নথি অনুযায়ী, সোলেইমানি নিহত হওয়ার সাত মাস পর, ২০২০ সালের আগস্টে আল-সাদি এক্স-এ একটি ছবি পোস্ট করে। ছবিতে এক সন্দেহভাজন কর্মীর হাতে একে-৪৭ রাইফেলসহ সোলেইমানি এবং মার্কিন ড্রোন হামলায় নিহত অন্য এক সামরিক নেতার ছবি দেখা যায়। ছবিটির ক্যাপশনে সে লিখেছিল: ‘আমেরিকান শত্রুরা পরাজিত না হওয়া পর্যন্ত আমি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ছেড়ে যাচ্ছি এবং আমার সব ফোন বন্ধ করে দিচ্ছি… জয় অথবা শাহাদাত।’

তবে, ডিজিটাল এই প্ল্যাটফর্ম থেকে তার এই বিদায় বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ২০২৫ সালে সে তার এক্স অ্যাকাউন্টে আরেকটি পোস্ট দিয়ে এটিকে তার ‘শেষ টুইট’ বলে উল্লেখ করে। ওই পোস্টে সে সোলেইমানি এবং মার্কিন হামলায় নিহত অন্য ইরানি সামরিক নেতাদের ‘শহীদ’ বলে আখ্যায়িত করে।

আদালতের নথি অনুযায়ী, সেই পোস্টে সে লেখে: ‘আমি তোমাদের সাথে প্রচণ্ড দুর্বলতা এবং গভীর শকের মধ্য দিয়ে কথা বলছি, যা আমি জীবনে মাত্র একবার অনুভব করেছি—কাসেম সোলেইমানির শাহাদাতের দিন।’

আল-সাদি তার সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুদের স্ন্যাপচ্যাট মেসেজ এবং সামাজিক মাধ্যমের পোস্টের মাধ্যমে হুমকি দিত। দ্য পোস্ট-এর দেখা মেসেজ অনুযায়ী, অনেক ক্ষেত্রেই সে সাইলেন্সার লাগানো একটি পিস্তলের ছবি পাঠাত।

এই সন্দেহভাজন কর্মীর সাথে লেবাননের প্যারামিলিটারি ফোর্স হিজবুল্লাহরও সংযোগ রয়েছে বলে অভিযোগ আছে। বর্তমানে সে ব্রুকলিনের মেট্রোপলিটন ডিটেনশন সেন্টারের সলিটারি কনফাইনমেন্ট বা নিঃসঙ্গ সেলে বন্দি রয়েছে। সেখানে সিইও-দের ওপর হামলার অভিযোগে অভিযুক্ত লুইগি ম্যানজিওন এবং আটক হওয়া ভেনেজুয়েলার সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর মতো হাই-প্রোফাইল বন্দিরাও রয়েছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৪৯২০

আন্তর্জাতিক

‘আমরা কাতার নই, ওদের নরক দেখিয়ে ছাড়ব’: ইসরায়েলকে কড়া হুঁশিয়ারি দিল পাকিস্তান

সম্প্রতি ইরানে পাকিস্তান দূতাবাসের কাছে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার খবরে ফুঁসে উঠেছে ইসলামাবাদ। সরকার-সংশ্লিষ্ট পাকিস্তান স্ট্র্যাটেজিক ফোরাম এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘ইসরায়েল মনে রাখবে, পাকিস্তান কাতার নয়। আমাদের কূটনীতিকদের ক্ষতি হলে আমরা কঠোর জবাব দেব।’ শুক্রবার (২৭ মার্চ) পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমগুলোতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা গেছে এ খবর। এর আগে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৭ মার্চ ২০২৬, ২১:০০

সম্প্রতি ইরানে পাকিস্তান দূতাবাসের কাছে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার খবরে ফুঁসে উঠেছে ইসলামাবাদ। সরকার-সংশ্লিষ্ট পাকিস্তান স্ট্র্যাটেজিক ফোরাম এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘ইসরায়েল মনে রাখবে, পাকিস্তান কাতার নয়। আমাদের কূটনীতিকদের ক্ষতি হলে আমরা কঠোর জবাব দেব।’

শুক্রবার (২৭ মার্চ) পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমগুলোতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা গেছে এ খবর।

এর আগে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত হয় তেহরানের আশেপাশের অনেক এলাকা। এতে কেঁপে ওঠে পাকিস্তানের দূতাবাসের পাশাপাশি রাষ্ট্রদূতের বাসভবনও। এর পরিপ্রেক্ষিতে ইসরায়েলকে এমন হুঁশিয়ারি দিল ইসলামাবাদ ।

জানা গেছে, দূতাবাস বা পাকিস্তানি কূটনীতিকদের কোনো ক্ষতি হয়নি। কিন্তু বিস্ফোরণে আশপাশের ভবনগুলো কেঁপে ওঠে। এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধ ২৮ দিনে গড়িয়েছে। বিভিন্ন স্থানে হামলা-পাল্টা হামলা চলছে।

এই পরিস্থিতিতে ইসলামাবাদ একদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনায় ভূমিকা রাখতে চাচ্ছে। পাকিস্তান জানিয়েছে, দুই পক্ষ চাইলে তারা আলোচনার আয়োজন করতেও প্রস্তুত।

এদিকে ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই দেশটির বিদ্যুৎ গ্রিডে হামলার পরিকল্পনা আবারও স্থগিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নতুন করে নির্ধারিত সময়সীমা অনুযায়ী, এই হামলার সম্ভাব্য সময়সীমা ১০ দিনের জন্য স্থগিত করে আগামী ৬ এপ্রিল পর্যন্ত করা হয়েছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৪৯২০

আন্তর্জাতিক

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে আরেক মুসলিম দেশ

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটি জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের কথা বিবেচনা করছে তারা। মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) চ্যানেল ১২-এর বরাতে ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ঠেকাতে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে। সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে পরিচিত […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ মার্চ ২০২৬, ০২:৩৫

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটি জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের কথা বিবেচনা করছে তারা।

মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) চ্যানেল ১২-এর বরাতে ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ঠেকাতে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে। সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে পরিচিত সূত্রের বরাতে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

চ্যানেল ১২ জানিয়েছে, চলমান সংঘাতে সরাসরি জড়িত না থাকা সত্ত্বেও ইউএই ইতোমধ্যে প্রায় ৮০০টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ‍সূত্র জানিয়েছে, যদিও ইউএই কোনোভাবেই এই যুদ্ধে অংশ নেয়নি, তবুও দেশটি ৮০০টি হামলা মোকাবিলা করেছে।

সূত্রটি আরও জানিয়েছে, এমন পরিস্থিতিতে বিশ্বের এমন কোনো দেশ নেই, যারা নিজেদের নীতিমালা পুনর্বিবেচনা করবে না। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে এখনো সংযুক্ত আরব আমিরাত বা ইরানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি পাওয়া যায়নি।

এর আগে শিয়া ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ কামাল আল-হাইদারি মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে জিহাদের আহ্বান জানিয়েছেন। তার কার্যালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই আক্রমণগুলো ইরানের সভ্যতা ও ধর্মীয় কর্তৃত্বকে লক্ষ্য করে করা হয়েছে। খবর শাফাক নিউজের।

আল-হাইদারি মুসলমানদের সতর্ক করেছেন, নিজেদের ভূমি, মর্যাদা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রস্তুত থাকতে হবে এবং ইহুদি ও আমেরিকানদের অহংকারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করতে হবে।

শিয়া ধর্মমতে, এই ধরনের জিহাদ সাধারণত প্রতিরক্ষা ভিত্তিক এবং আক্রমণাত্মক নয়। দ্বাদশ শিয়াদের মধ্যে এই ধরনের সিদ্ধান্ত দেওয়ার ক্ষমতা একজন মারজা’ আল-তাকলিদ বা সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার কাছে সীমাবদ্ধ।

এর আগে ২০১৪ সালে ইরাকের শীর্ষ শিয়া নেতা আয়াতুল্লাহ আলি আল-সিস্তানি আইএসআইএসের বিরুদ্ধে লড়াই করার আহ্বান করেছিলেন, যা পরে পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেসে (পিএমই) পরিণত হয়।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৪৯২০

আন্তর্জাতিক

ভারতকে হরমুজ ছাড়ে তিনটি ট্যাংকার ফেরত চাইলো ইরান

ইরান ও ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের মাঝে আটকা পড়া ভারতীয় পতাকাবাহী বা ভারতমুখী জাহাজগুলোকে নিরাপদে হরমুজ প্রণালী পার করে দেয়ার বিনিময়ে গত ফেব্রুয়ারিতে আটক তিনটি তেলের ট্যাংকার ছেড়ে দিতে নয়াদিল্লির কাছে দাবি জানিয়েছে তেহরান। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট তিন সূত্রের বরাতে রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে। ভারতীয় জলসীমার কাছ থেকে ইরান-সংশ্লিষ্ট ওই তিনটি ট্যাংকার আটক করেছিল ভারতের কর্তৃপক্ষ। অভিযোগ […]

নিউজ ডেস্ক

১৬ মার্চ ২০২৬, ২৩:২৮

ইরান ও ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের মাঝে আটকা পড়া ভারতীয় পতাকাবাহী বা ভারতমুখী জাহাজগুলোকে নিরাপদে হরমুজ প্রণালী পার করে দেয়ার বিনিময়ে গত ফেব্রুয়ারিতে আটক তিনটি তেলের ট্যাংকার ছেড়ে দিতে নয়াদিল্লির কাছে দাবি জানিয়েছে তেহরান। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট তিন সূত্রের বরাতে রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।

ভারতীয় জলসীমার কাছ থেকে ইরান-সংশ্লিষ্ট ওই তিনটি ট্যাংকার আটক করেছিল ভারতের কর্তৃপক্ষ। অভিযোগ ছিলো, জাহাজগুলো তাদের পরিচয় গোপন বা পরিবর্তন করেছে এবং মাঝসমুদ্রে অবৈধভাবে পণ্য স্থানান্তরের (শিপ-টু-শিপ ট্রান্সফার) সঙ্গে জড়িত ছিল।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানানো হয়েছে, তেহরান বিনিময়ে নির্দিষ্ট কিছু ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জামও চেয়েছে। সূত্রটি জানায়, সোমবার নয়াদিল্লিতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এ বিষয়ে বৈঠক করেছেন। বিষয়টি স্পর্শকাতর হওয়ায় সূত্রগুলো নাম প্রকাশ করতে অনিচ্ছুক।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, নয়াদিল্লিস্থ ইরান দূতাবাস এবং তেহরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে রয়টার্সের মন্তব্যের অনুরোধে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সাড়া দেয়নি।

ভারতীয় কর্মকর্তাদের মতে, ইরান সম্প্রতি ভারতের দুটি তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসবাহী ট্যাংকারকে হরমুজ প্রণালী পার হওয়ার অনুমতি দিয়েছে। এর মধ্যে একটি সোমবার ভারতের পশ্চিম উপকূলে ফিরে এসেছে। উল্লেখ্য, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ওই প্রণালীর দুই পাশেই জাহাজ চলাচল প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে।

ভারতীয় জাহাজগুলোর নিরাপদ পারাপার নিশ্চিত করতে কোনো আলোচনার কথা জিজ্ঞাসা করা হলে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল সোমবার বলেন, সাম্প্রতিক এই জাহাজ চলাচল দুই দেশের দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক সম্পৃক্ততা ও পারস্পরিক লেনদেনের প্রতিফলন। তবে কোনো কিছুর বিনিময়ে এই সুবিধা নেওয়া হচ্ছে কি না- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, বর্তমানে কোনো বিনিময় হচ্ছে না।

ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্রে ও ইসরাইল ইরানে হামলা শুরু করার পর থেকে তেহরানও পাল্টা হামলা চালিয়েছে। এর মধ্যে হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী জাহাজে হামলায় এখন পর্যন্ত তিন জন ভারতীয় নাবিক নিহত হয়েছেন এবং একজন নিখোঁজ রয়েছেন।

সোমবার ভারত সরকার জানিয়েছে, বর্তমানে ২২টি ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজ এবং ৬১১ জন ভারতীয় নাবিক পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে আটকা পড়ে আছেন। একটি ভারতীয় সূত্রের মতে, এর মধ্যে ছয়টি জাহাজে এলপিজি রয়েছে।

রান্নার গ্যাসের সংকট মেটাতে ভারত অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই জাহাজগুলো আগে ফিরিয়ে আনতে আগ্রহী। উল্লেখ্য, ভারতের মোট এলপিজি আমদানির প্রায় ৯০ শতাংশই আসে এই উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে।

মুম্বাই উপকূলে নোঙর করা ইরান-সংশ্লিষ্ট ট্যাংকারগুলো

ভারতীয় কর্তৃপক্ষ ‘অ্যাসফাল্ট স্টার’, ‘আল জাফজিয়া’ এবং ‘স্টেলার রুবি’ নামক তিনটি ট্যাংকার আটক করেছে। অভিযোগ রয়েছে, জাহাজগুলো পরিচয় ও চলাচলের তথ্য গোপন করেছে এবং অবৈধ পণ্য স্থানান্তরের সঙ্গে জড়িত ছিল।

আটক জাহাজগুলোর মধ্যে ‘স্টেলার রুবি’ ইরানের পতাকাবাহী, বাকি দুটি নিকারাগুয়া ও মালির পতাকাবাহী। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতীয় কোস্টগার্ডের করা একটি এফআইআর (যা রয়টার্সের হাতে এসেছে) অনুযায়ী, ‘অ্যাসফাল্ট স্টার’ ভারী জ্বালানি তেল পাচারের সঙ্গে জড়িত ছিল যা ‘আল জাফজিয়া’তে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে তিনটি জাহাজই মুম্বাই উপকূলে নোঙর করে রাখা হয়েছে।

ট্যাংকারগুলো আটকের সময় ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ন্যাশনাল ইরানি অয়েল কোম্পানির বরাত দিয়ে জানিয়েছিল, আটক জাহাজগুলোর সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই।

অন্যদিকে, যুগবিন্দর সিং ব্রার (যাকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তেল পরিবহনে সহায়তাকারী জাহাজ বহরের পরিচালক হিসেবে অভিযুক্ত করে) জানিয়েছেন, তিনি এই তিনটি জাহাজেরই কনসালট্যান্ট। তিনি দাবি করেন জাহাজগুলো কোনো ভুল করেনি।

ফোনে রয়টার্সকে তিনি বলেন, আমরা বিটুমিন পরিবহন করছিলাম এবং এতে অবৈধ কিছু নেই। আমার জাহাজগুলো ৪০ দিন ধরে সেখানে পড়ে আছে এবং আমি লোকসানের সম্মুখীন হচ্ছি। তবে, ট্যাংকারগুলো নিয়ে কোনো আলোচনার খবর তার জানা নেই বলে তিনি দাবি করেন।

সোমবার ভারত সরকার জানিয়েছে, বর্তমানে ২২টি ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজ এবং ৬১১ জন ভারতীয় নাবিক পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে আটকা পড়ে আছেন। একটি ভারতীয় সূত্রের মতে, এর মধ্যে ছয়টি জাহাজে এলপিজি রয়েছে।

রান্নার গ্যাসের সংকট মেটাতে ভারত অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই জাহাজগুলো আগে ফিরিয়ে আনতে আগ্রহী। উল্লেখ্য, ভারতের মোট এলপিজি আমদানির প্রায় ৯০ শতাংশই আসে এই উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে।

মুম্বাই উপকূলে নোঙর করা ইরান-সংশ্লিষ্ট ট্যাংকারগুলো

ভারতীয় কর্তৃপক্ষ ‘অ্যাসফাল্ট স্টার’, ‘আল জাফজিয়া’ এবং ‘স্টেলার রুবি’ নামক তিনটি ট্যাংকার আটক করেছে। অভিযোগ রয়েছে, জাহাজগুলো পরিচয় ও চলাচলের তথ্য গোপন করেছে এবং অবৈধ পণ্য স্থানান্তরের সঙ্গে জড়িত ছিল।

আটক জাহাজগুলোর মধ্যে ‘স্টেলার রুবি’ ইরানের পতাকাবাহী, বাকি দুটি নিকারাগুয়া ও মালির পতাকাবাহী। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতীয় কোস্টগার্ডের করা একটি এফআইআর (যা রয়টার্সের হাতে এসেছে) অনুযায়ী, ‘অ্যাসফাল্ট স্টার’ ভারী জ্বালানি তেল পাচারের সঙ্গে জড়িত ছিল যা ‘আল জাফজিয়া’তে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে তিনটি জাহাজই মুম্বাই উপকূলে নোঙর করে রাখা হয়েছে।

ট্যাংকারগুলো আটকের সময় ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ন্যাশনাল ইরানি অয়েল কোম্পানির বরাত দিয়ে জানিয়েছিল, আটক জাহাজগুলোর সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই।

অন্যদিকে, যুগবিন্দর সিং ব্রার (যাকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তেল পরিবহনে সহায়তাকারী জাহাজ বহরের পরিচালক হিসেবে অভিযুক্ত করে) জানিয়েছেন, তিনি এই তিনটি জাহাজেরই কনসালট্যান্ট। তিনি দাবি করেন জাহাজগুলো কোনো ভুল করেনি।

ফোনে রয়টার্সকে তিনি বলেন, আমরা বিটুমিন পরিবহন করছিলাম এবং এতে অবৈধ কিছু নেই। আমার জাহাজগুলো ৪০ দিন ধরে সেখানে পড়ে আছে এবং আমি লোকসানের সম্মুখীন হচ্ছি। তবে, ট্যাংকারগুলো নিয়ে কোনো আলোচনার খবর তার জানা নেই বলে তিনি দাবি করেন।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৪৯২০