মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আন্তর্জাতিক

সিন্ধু পানি চুক্তি নিয়ে আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ে পাকিস্তানের কাছে হেরেছে ভারত

সিন্ধু পানি চুক্তি ইস্যুতে আন্তর্জাতিক আদালত পাকিস্তানের পক্ষে রায় দিয়েছে। পাকিস্তানের করা আবেদনের পক্ষে রায় দিয়ে ভারত-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীর অঞ্চলের দুটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে ভারতের ‘পন্ডেজ’ (বাঁধ বা ব্যারাজের পেছনে পানি ধরে রাখা) ব্যবহারের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের অবস্থানকে সমর্থন করেছে। নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগভিত্তিক পার্মানেন্ট কোর্ট অব আরবিট্রেশনের (পিসিএ) এই রায়ের মধ্য দিয়ে দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে পানিবণ্টন চুক্তি […]

নিউজ ডেস্ক

২১ মে ২০২৬, ১০:২৪

সিন্ধু পানি চুক্তি ইস্যুতে আন্তর্জাতিক আদালত পাকিস্তানের পক্ষে রায় দিয়েছে। পাকিস্তানের করা আবেদনের পক্ষে রায় দিয়ে ভারত-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীর অঞ্চলের দুটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে ভারতের ‘পন্ডেজ’ (বাঁধ বা ব্যারাজের পেছনে পানি ধরে রাখা) ব্যবহারের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের অবস্থানকে সমর্থন করেছে।

নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগভিত্তিক পার্মানেন্ট কোর্ট অব আরবিট্রেশনের (পিসিএ) এই রায়ের মধ্য দিয়ে দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে পানিবণ্টন চুক্তি ‘ইন্দাস ওয়াটার্স ট্রিটি’ (আইডব্লিউটি) নিয়ে ইসলামাবাদের অবস্থান আরও শক্তিশালী হলো। গত বছরের এপ্রিলে ভারত একতরফাভাবে ঘোষণা দেয়, তারা এই চুক্তি স্থগিত করবে।

গত শুক্রবার পিসিএ গত জুন মাসের আগের রায় বহাল রাখে। আদালত জানায়, আইডব্লিউটি এখনো কার্যকর এবং ভারত একতরফাভাবে এই চুক্তি স্থগিত করতে পারে না। আইডব্লিউটি হলো ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে ১৯৬০ সালে স্বাক্ষরিত পানিবণ্টন চুক্তি। ভারত-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের পাহেলগামে প্রাণঘাতী হামলার পর গত বছর ভারত এই চুক্তি স্থগিত করে।

গত রোববার এক্সে দেওয়া এক পোস্টে পাকিস্তান সরকার জানায়, পিসিএর রায় ‘পাকিস্তানের মূল অবস্থানকে নিশ্চিত করেছে যে, পশ্চিমাঞ্চলীয় নদীগুলোতে ভারতের পানি নিয়ন্ত্রণের সক্ষমতার ওপর চুক্তিটি বাস্তব সীমাবদ্ধতা আরোপ করে।’

পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করছে, রাতলে ও কিশেঙ্গাঙ্গার মতো জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলো এমনভাবে নির্মাণ করা হয়েছে—যাতে ভারত সাময়িকভাবে পানির প্রবাহ আটকে রাখতে বা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। বিশেষ করে ‘পন্ডেজ’ ও গেটযুক্ত স্পিলওয়ের মতো অবকাঠামোর মাধ্যমে এটি সম্ভব হতে পারে বলে তাদের আশঙ্কা। ‘পন্ডেজ’ বলতে বোঝায়, বিদ্যুৎ উৎপাদনের চাহিদা অনুযায়ী পানির প্রবাহ নিয়ন্ত্রণের জন্য জলবিদ্যুৎ বাঁধে অল্প পরিমাণ পানি সাময়িকভাবে সংরক্ষণের ব্যবস্থা।

গত শনিবার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে পিসিএর সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ভারত বর্তমান তথাকথিত রায়কে সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করছে, যেমনটি অবৈধভাবে গঠিত তথাকথিত কোর্ট অব আরবিট্রেশনের (সিওএ) আগের সব ঘোষণাও দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। ভারত কখনোই এই তথাকথিত সিওএ গঠনকে স্বীকৃতি দেয়নি।’

এতে আরও বলা হয়, ‘এ ধরনের কোনো কার্যক্রম, রায় বা সিদ্ধান্ত বাতিল ও অকার্যকর।’ বিবৃতিতে ভারত আরও জানায়, ‘ইন্দাস ওয়াটার্স ট্রিটিকে স্থগিত রাখার ভারতের সিদ্ধান্ত এখনো বহাল রয়েছে।’

বোস্টনভিত্তিক স্বাধীন পানি আইন ও নীতিবিষয়ক গবেষক ইরুম সাত্তার বলেন, পিসিএর এই রায় আইডব্লিউটির একটি কারিগরি ও আইনগতভাবে সঠিক ব্যাখ্যা। তবে ভারত ও পাকিস্তানের অবনতিশীল সম্পর্কের কারণে বাস্তবে এর প্রভাব সীমিত থাকবে বলে তিনি মনে করেন।

তিনি বলেন, ‘যখন কোনো পক্ষ আন্তর্জাতিক আইনসম্মত কাঠামোর নিয়ম মানতে অস্বীকৃতি জানায়, যে কাঠামোয় অংশ নিতে সে নিজেই একসময় সম্মত হয়েছিল, তখন এই চুক্তির অর্থ কী থাকে এবং এটি বাস্তবে কী অর্জন করতে পারে?’

তিনি আরও বলেন, ‘অন্তত স্বল্প ও মধ্যম মেয়াদে ভারত তার সীমালঙ্ঘনমূলক পথেই এগোবে, আর পাকিস্তানকে নিজেদের আইনি দাবি বাস্তবায়নে সৃজনশীল উপায় খুঁজতে হবে।’

এই সিদ্ধান্ত এমন এক সময়ে এল, যখন গত বছরের মে মাসে তিন দিনের সংঘাতের পর ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক কার্যত স্থবির হয়ে আছে। কূটনৈতিক যোগাযোগ থেমে গেছে এবং দুই দেশই একে অপরের এয়ারলাইন্সের উড়োজাহাজ চলাচলে বিধিনিষেধ বজায় রেখেছে।

দুই দেশের কর্মকর্তারা কঠোর ভাষায় বিবৃতি দিয়ে গেলেও সম্প্রতি ডানপন্থী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) সাধারণ সম্পাদক দত্তাত্রেয় হোসাবলে এবং ভারতের এক শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা পাকিস্তানের সঙ্গে সংলাপের পক্ষে প্রকাশ্যে মন্তব্য করেছেন।

আরএসএস হলো ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ক্ষমতাসীন দল ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) আদর্শিক মূল সংগঠন। তাদের এসব মন্তব্য পাকিস্তানেও ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়েছে।

নিউইয়র্কভিত্তিক ইনস্টিটিউট ফর গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্সের ননরেসিডেন্ট ফেলো সাহার খান বলেন, ভারত ও পাকিস্তান দুটো দেশই বোঝে যে, পরবর্তী সংকট মোকাবিলায় অন্তত ন্যূনতম পর্যায়েও তাদের কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রয়োজন।’ তিনি আরও বলেন, ‘দুই পক্ষ যদি কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপন না করে, তাহলে তাদের তৃতীয় পক্ষের ওপর নির্ভর করতে হবে, যা আদর্শ পরিস্থিতি নয়।

সুইডেনের আপসালা বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি ও সংঘাত গবেষণার অধ্যাপক অশোক সোয়াইন বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে আরএসএস পাকিস্তানের সঙ্গে পুনরায় সংলাপ শুরুর বিষয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত দিলেও নরেন্দ্র মোদি সরকারের পক্ষ থেকে তেমন কোনো রাজনৈতিক সদিচ্ছা দেখা যায়নি।

তিনি বলেন, এটি সেই ধারণাকেই আরও জোরালো করে যে, কূটনীতির চেয়ে কঠোর অবস্থানই এখনো অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষায় বেশি কার্যকর বলে বিবেচিত হচ্ছে। অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল এবং অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অস্থিরতায় থাকা পাকিস্তানের পক্ষেও অর্থবহ নতুন সূচনা করার সক্ষমতা সীমিত ছিল।

ভারত যখন আন্তর্জাতিক সালিশি প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে যাচ্ছে, তখন পাকিস্তান আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে কাজে লাগিয়ে কূটনৈতিক চাপ তৈরির পথেই এগোচ্ছে বলে মনে হচ্ছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে পাকিস্তান সরকারের এক কর্মকর্তা নিক্কেই এশিয়াকে বলেন, আইডব্লিউটি-সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক আদালতের সিদ্ধান্ত মেনে চলতে ভারতের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পাকিস্তান কূটনৈতিক সম্প্রদায়ের শক্তিকে ব্যবহার করতে থাকবে।

তথ্যসূত্র: নিক্কেই এশিয়া

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৩১

আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগ দেওয়া দেশকে ‘শত্রু’ বিবেচনা করবে ইরান

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে যে অর্থনৈতিক যুদ্ধ চালাচ্ছে, কোনো দেশেরই তাতে অংশ নেওয়া উচিত নয়। কোনো দেশ ইরানের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপে যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করলে তাকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগ দেওয়া দেশকে ‘শত্রু’ বিবেচনা করবে ইরান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ আগস্ট ২০২৬, ১২:২৪

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞায় কোনো দেশ যোগ দিলে তাকে ‘শত্রু’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটির সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান মোহসেন রেজাই রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তব্যে এ সতর্কবার্তা দেন।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে যে অর্থনৈতিক যুদ্ধ চালাচ্ছে, কোনো দেশেরই তাতে অংশ নেওয়া উচিত নয়। কোনো দেশ ইরানের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপে যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করলে তাকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

ইরানের এ বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে মিত্র কিংবা অন্য কোনো দেশ সহযোগিতা করলে তেহরান তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর অবস্থান নিতে পারে।

এর আগে ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামিনিয়া সতর্ক করে বলেন, ইরানের ওপর কোনো হামলা হলে এবার তার জবাব আগের তুলনায় আরও বড় পরিসরে দেওয়া হবে।

আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক যুদ্ধগুলোর অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ইরান তার সামরিক কৌশলে পরিবর্তন আনছে। দীর্ঘদিন দেশটির সামরিক নীতি মূলত প্রতিরক্ষামূলক থাকলেও এখন তা ধীরে ধীরে আরও আক্রমণাত্মক অবস্থানের দিকে যাচ্ছে।

তবে আকরামিনিয়া স্পষ্ট করেছেন, এর অর্থ ইরান আগাম হামলা চালানোর নীতি গ্রহণ করছে না। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের ওপর কোনো আগ্রাসন হলে তাৎক্ষণিকভাবে পাল্টা জবাব দেওয়া হবে এবং সেই প্রতিক্রিয়ার পরিসর মূল হামলার চেয়েও বড় হবে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৩১

আন্তর্জাতিক

প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে দুই দেশের কূটনৈতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। পাকিস্তানের এক শীর্ষ মন্ত্রী ভারতের নাম উল্লেখ না করে হুমকি দিয়ে জানিয়েছেন যে তাদের প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে। ভারতের কেন্দ্রীয় জলসম্পদ মন্ত্রী সি আর পাতিল কর্তৃক আগামী দেড় থেকে দুই বছরের […]

প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩০ জুন ২০২৬, ১০:৪৫

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে দুই দেশের কূটনৈতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। পাকিস্তানের এক শীর্ষ মন্ত্রী ভারতের নাম উল্লেখ না করে হুমকি দিয়ে জানিয়েছেন যে তাদের প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে।

ভারতের কেন্দ্রীয় জলসম্পদ মন্ত্রী সি আর পাতিল কর্তৃক আগামী দেড় থেকে দুই বছরের মধ্যে ভারতের অংশের সমস্ত পানি সম্পূর্ণ ব্যবহারের ঘোষণার পরই ইসলামাবাদের পক্ষ থেকে এই তীব্র প্রতিক্রিয়া এল।

ইসলামাবাদে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী মুসাদিক মালিক সরাসরি অভিযোগ করেন যে প্রতিবেশী দেশের প্রধানমন্ত্রী সিন্ধু নদের পানির কলটি নিয়ন্ত্রণ করছেন এবং তিনি পাকিস্তানে এক ফোঁটা পানিও আসতে দিতে চান না।

পাকিস্তানি এই মন্ত্রী বলেন যে তাদের দেশের প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষের জীবিকা কৃষির ওপর নির্ভরশীল। ফলে অন্য কেউ এসে তাদের দেশের খাদ্য নিরাপত্তা, অর্ধেক কর্মসংস্থান এবং ২৫ শতাংশ অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণ করবে, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। তিনি হুশিয়ারি দিয়ে বলেন যে পানির অধিকার খর্ব করা হলে তার চড়া মূল্য দিতে হবে এবং তারা যেকোনো মূল্যে নিজেদের স্বার্থ রক্ষা করবেন।

মুসাদিক মালিক আরও যুক্তি দেন যে আন্তর্জাতিক প্রথা অনুযায়ী চুক্তি না থাকলেও নদীর উপরিভাগে থাকা দেশগুলো নিচের দেশের পানি প্রবাহ বন্ধ করতে পারে না।

অথচ দুই দেশের মধ্যে ১৯৬০ সালে বিশ্বব্যাংকের মধ্যস্থতায় স্বাক্ষরিত একটি সুনির্দিষ্ট চুক্তি রয়েছে। বিশ্বের অন্যান্য নিম্ন অববাহিকার শিশুদের পানির অধিকার রয়েছে কি না এবং আন্তর্জাতিকভাবে কোনটা প্রকৃত ন্যায়বিচার, তা নির্ধারণের জন্য তারা এই বিষয়টি বিশ্ব দরবারে তুলে ধরবেন।

একই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার দাবি করেন যে সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তিটি আইনগতভাবে এখনও বহাল রয়েছে এবং কোনো দেশ এককভাবে এটি বাতিল বা সংশোধন করতে পারে না।

তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনিরের বক্তব্য পুনর্ব্যক্ত করে বলেন যে সিন্ধু নদের পানি পাকিস্তানের জন্য জীবনরেখা এবং এটি তাদের জন্য একটি লাল রেখা বা ‘রেড লাইন’।

অন্য দিকে ভারতের অবস্থান অত্যন্ত সুদৃঢ় ও স্পষ্ট। গত বছর জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগামে একটি ভয়াবহ আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসী হামলায় ২৫ জন পর্যটকসহ মোট ২৬ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার পর নয়া দিল্লি এই ঐতিহাসিক পানিবণ্টন চুক্তিটি সাময়িকভাবে স্থগিত বা মুলতবি ঘোষণা করে।

ভারতের পক্ষ থেকে পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে পাকিস্তান যতক্ষণ না তাদের মাটিতে লালিত রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতার সন্ত্রাসী পরিকাঠামো সম্পূর্ণ ধ্বংস করার দৃশ্যমান প্রমাণ দেবে, ততক্ষণ পর্যন্ত এই পানি চুক্তি স্থগিতই থাকবে।

সূত্র: এনডিটিভি

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৩১

আন্তর্জাতিক

তীব্র হচ্ছে দিল্লির বিক্ষোভ, সকাল সকাল বিশেষ ঘোষণা দিলেন মোদি

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের জেরে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির জন্তর মন্তরে বিক্ষোভ আরও তীব্র হচ্ছে। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ব্যানারে হওয়া এই আন্দোলনে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করা হচ্ছে। তিনি এখনো পদত্যাগ না করায় আন্দোলনও বেগবান হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল সকাল নতুন ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেছেন, […]

তীব্র হচ্ছে দিল্লির বিক্ষোভ, সকাল সকাল বিশেষ ঘোষণা দিলেন মোদি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ জুলাই ২০২৬, ১০:৩৮

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের জেরে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির জন্তর মন্তরে বিক্ষোভ আরও তীব্র হচ্ছে। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ব্যানারে হওয়া এই আন্দোলনে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করা হচ্ছে। তিনি এখনো পদত্যাগ না করায় আন্দোলনও বেগবান হচ্ছে।

এমন পরিস্থিতিতে আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল সকাল নতুন ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেছেন, যারা প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত তাদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে এবং এ বিচার হবে দ্রুত বিচার আদালতে।

ফেসবুকে মোদি লিখেছেন, “আমাদের তরুণদের কল্যাণ ও ভবিষ্যতের চেয়ে বড় কিছু হতে পারে না! প্রশ্নফাঁসে জড়িতদের দ্রুত ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে দ্রুত বিচার আদালত গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের স্বার্থ সুরক্ষায় নেওয়া ধারাবাহিক উদ্যোগগুলোরই অংশ এটি।”

“যারা আমাদের তরুণদের ভবিষ্যতের ক্ষতি করার চেষ্টা করবে, তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।”

এদিকে বিক্ষোভকারীরা শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ক্ষমা চাইতে বলেছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৩১