মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আন্তর্জাতিক

ইসরাইলের গণহত্যাকে জার্মানি কেন নিঃশর্ত সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে?

গাজায় চলমান ইসরাইলি বর্বরোচিত আগ্রাসনের পক্ষে জার্মান সরকারের সমর্থন অনেককেই বিস্মিত করেছে। ২০২৩ সালের ১২ অক্টোবর দেশটির চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎজ বলেছিলেন,‘এ মুহূর্তে জার্মানবাসীর একটাই পথ। আমরা ইসরাইলের পাশে আছি। ইসরাইলের নিরাপত্তা জার্মান রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পৃক্ত– এর মধ্য দিয়ে মূলত আমরা সে কথাই তুলে ধরি।’ জার্মান সংবাদমাধ্যমের ভাষ্যকাররা আন্তর্জাতিক আদালত-আইসিজে ইসরাইরের বিরুদ্ধে দক্ষিণ আফ্রিকার মামলাটিকে ‘স্পষ্টত […]

নিউজ ডেস্ক

০২ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৮:৫৩

গাজায় চলমান ইসরাইলি বর্বরোচিত আগ্রাসনের পক্ষে জার্মান সরকারের সমর্থন অনেককেই বিস্মিত করেছে। ২০২৩ সালের ১২ অক্টোবর দেশটির চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎজ বলেছিলেন,‘এ মুহূর্তে জার্মানবাসীর একটাই পথ। আমরা ইসরাইলের পাশে আছি। ইসরাইলের নিরাপত্তা জার্মান রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পৃক্ত– এর মধ্য দিয়ে মূলত আমরা সে কথাই তুলে ধরি।’ জার্মান সংবাদমাধ্যমের ভাষ্যকাররা আন্তর্জাতিক আদালত-আইসিজে ইসরাইরের বিরুদ্ধে দক্ষিণ আফ্রিকার মামলাটিকে ‘স্পষ্টত একতরফা’ ঘোষণা করে একে অবৈধ প্রমাণ করতে মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরে ইসরাইলের ভিতরে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের আল আকসা তুফান অভিযানের পর থেকে পাঁচ মাসে গাজায় ইসরাইলের যুদ্ধের সমালোচনাকে বন্ধ করার জন্য জার্মানি হলোকাস্টকে কীভাবে অস্ত্র হিসাবে ব্যবহার করেছে বিশ্ব তা দেখেছে। এই সংকটে জার্মান সরকারের আচরণ কার্যত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের থেকে আলাদা ছিল না: উভয় দেশই ইসরাইলি শাসক গোষ্ঠীর কাছে অস্ত্র পাঠিয়েছিল এবং দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে ইসরাইলকে সমর্থন করেছিল। কিন্তু অভ্যন্তরীণ পর্যায়ে, জার্মানি আরও এগিয়ে গেছে এবং ফিলিস্তিনি জনগণের সাথে তাদের একাত্মতা ঘোষণাকারী প্রতিবাদকারী শিল্পী এবং বুদ্ধিজীবীদের দমনে আরও আক্রমনাত্মকভাবে কাজ করেছে।

জার্মানি হচ্ছে সেই দেশ যেটির ওপর কথিত হলোকাস্টের প্রেতাত্মা ভর করে রয়েছে। নিজের নামের পাশ থেকে সেই কলঙ্ক মুছে ফেলার জন্য দেশটি শুরু থেকে ইসরাইল নামক অবৈধ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ও এটিকে টিকিয়ে রাখার কাজে সাহায্য করেছে। সেইসঙ্গে গত বছরের অক্টোবরে ইহুদিবাদী ইসরাইল গাজায় আগ্রাসন চালানোর পর থেকেই ওই হামলাকে সমর্থন জানিয়ে এসেছে জার্মানি।

জার্মানিতে হলোকাস্ট স্মরণ সংস্কৃতির গঠন এবং বিবর্তনের প্রক্রিয়ার বিষয়ে খুব কমই আলোচনা হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অনেকেই জার্মানিকে একটি নেতৃস্থানীয় দেশ হিসাবে দেখেন যে দেশটিতে হলোকাস্ট স্মরণের এই সংস্কৃতিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছে যা ইসরায়েলের জন্য নিঃশর্ত সমর্থনের দিকে পরিচালিত করেছে। কিন্তু বাস্তবতা এর চেয়েও জটিল। ১৯৮০ সাল থেকে ফেডারেল রিপাবলিক অফ জার্মানির রাজনৈতিক কাঠামোতে হলোকাস্ট স্মরণের এই সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

এই পরিবর্তনগুলোর জন্য বেশিরভাগ দায়ী অ্যাঞ্জেলা মার্কেলের উপর যিনি গত দুই দশক ধরে জার্মান রাজনীতিতে আধিপত্য বিস্তার করেছেন। কিন্তু এটি লক্ষ করা উচিত যে এই সময়ের মধ্যে রাজনৈতিক শক্তিগুলো জার্মানির বাম এবং আমেরিকা ও ইসরাইলের ডানপন্থীদের মধ্যে একটি অপ্রত্যাশিত জোট তৈরি করেছিল। আজ, জার্মান জোট সরকার সোশ্যাল ডেমোক্র্যাট, গ্রিনস এবং ফ্রি ডেমোক্র্যাটদের নিয়ে গঠিত। নেইম্যানের মতে ইসরাইল সম্পর্কে এই সরকারের অবস্থান “মার্কিন-ইসরাইল জনসংযোগ কমিটি বা আইপেকের অবস্থানের চেয়ে বেশি রক্ষণশীল এবং সহায়ক।”

২০০৫ সালে যখন লাল-সবুজ সরকারের অবসান ঘটে যখন মার্কেল জার্মানির চ্যান্সেলর হন এবং ১৬ বছর ধরে এই পদে অধিষ্ঠিত হন। ২০০৮ সালে ইসরাইলের পার্লামেন্টে বক্তৃতা দেওয়ার সময় যেটি জার্মান চ্যান্সেলরের প্রথম বক্তৃতা ছিল মার্কেল জোর দিয়েছিলেন যে তার সমস্ত পূর্বসূরিরা ইসরাইলের নিরাপত্তার জন্য জার্মানির বিশেষ দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন ছিলেন। তিনি বলেছিলেন যে “এই ঐতিহাসিক দায়িত্ব আমার দেশের জাতীয় স্বার্থের অংশ।”

২০০০ থেকে ২০০৫ সালের মধ্যে ইসরাইলে জার্মান রাষ্ট্রদূত রুডলফ ড্রেসার দ্বারা মার্কেলের অবস্থান স্পষ্টভাবে প্রভাবিত হয়েছিল। ড্রেসার ২০০৫ সালে একটি নিবন্ধে লিখেছিলেন যে ইসরাইলের নিরাপত্তা আমাদের জাতীয় স্বার্থের অংশ।

যদিও শব্দটি মূলত জোশকা ফিশারের কাছ থেকে ধার করা হয়েছিল মার্কেলের উপদেষ্টারা এটিকে তার “খ্রিস্টান গণতান্ত্রিক বক্তৃতা শৈলীর” চেয়ে বেশি উপযুক্ত বলে মনে করেছেন। স্পিগেল রিপোর্ট অনুযায়ী মার্কেলের এই পদক্ষেপটি কোনো বিকল্প নেই নীতি হিসাবে পরিচিত ছিল যেটি কার্যত গণতান্ত্রিক প্রতিযোগিতার বৃত্ত থেকে ইসরাইলের প্রতি জার্মানির নীতিকে সরিয়ে দেয় এবং ঐতিহাসিক জার্গেন জিমারারের মতে এই নীতিটিকে “নো-ননসেন্স” নীতিতে পরিণত করে।

মার্কেল এক্ষেত্রে সফল ছিলেন। জার্মানির প্রায় সমস্ত রাজনৈতিক দল এই বিষয়ে একমত যে ইসরাইলের প্রতি দায়িত্ব দেশের জাতীয় স্বার্থের অন্যতম নীতি। ২০২১ সালে সোশ্যাল ডেমোক্র্যাট, গ্রিনস এবং ফ্রি ডেমোক্র্যাটদের সমন্বয়ে গঠিত নতুন জোট সরকার একটি চুক্তি প্রকাশ করেছে যাতে বিস্ময়করভাবে এই ধারাটি অন্তর্ভুক্ত ছিল যে ইসরাইলের নিরাপত্তাই আমাদের জাতীয় স্বার্থ।

আল-আকসা তুফান অভিযান শুরু হওয়ার পর গাজা যুদ্ধের ব্যাপারে জার্মানির মানবতাবিরোধী সমর্থন বিশ্বব্যাপী বার্লিনের গ্রহণযোগ্যতা আগের চেয়েও কমিয়ে দিয়েছে।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর আল-আকসা তুফান অভিযান শুরু হওয়ার পাঁচ দিন পর জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শোলৎস এক বক্তৃতায় গাজা যুদ্ধের ব্যাপারে তার দেশের নীতি সুস্পষ্ট করেন। তিনি বলেন, “এই মুহূর্তে জার্মানি শুধুমাত্র ইসরাইলের পাশে থাকতে চায়।”

চ্যান্সেলরের ওই ঘোষণার পর জার্মানি ইসরাইলের কাছে নিজের অস্ত্র রপ্তানি প্রায় ১০ গুণ বাড়িয়ে দেয়। বর্তমানে গাজার বেসামরিক নাগরিকদের ওপর প্রয়োগ করার জন্য আমেরিকার পর ইসরাইলকে সবচেয়ে বেশি সমরাস্ত্র সরবরাহ করে যাচ্ছে জার্মানি।

ইসরাইলের প্রতি জার্মানির এই পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ আরব দেশগুলোর জনগণ ভালোভাবে নেয়নি। উত্তর আফ্রিকার আরব দেশ তিউনিশিয়ায় জার্মানির বিরুদ্ধে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছে। বিক্ষোভকারীরা শিশু হত্যাকারী ইসরাইলের প্রতি জার্মানির অকুণ্ঠ সমর্থনের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। গত বছরের অক্টোবরে তিউনিশিয়ার রাজধানী তিউনিসে একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের উদ্বোধনি অনুষ্ঠানে জার্মান রাষ্ট্রদূত পিটার প্রোগল যে বক্তব্য দেন তার বিরুদ্ধে তিউনিশিয়ায় প্রতিবাদের ঝড় ওঠে।

ওই অনুষ্ঠানে তিউনিশিয়ার শিক্ষামন্ত্রী ইসরাইলি আগ্রাসনের শিকার গাজাবাসীর প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন। এরপর জার্মান রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্যে ইসরাইলের প্রতি সমর্থন ঘোষণা করেন।

ওই ঘটনা তিউনিশিয়ায় ব্যাপকভাবে প্রচারিত হওয়ার কয়েকদিনের মধ্যে জার্মান দূতাবাসের সামনে ব্যাপক বিক্ষোভ হয় এবং বিক্ষোভকারীরা জার্মান রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কারের দাবি জানান।

ইসরাইলের প্রতি জার্মানির সমর্থনের কারণে পশ্চিম এশিয়ায় তৎপর জার্মানির বহু প্রতিষ্ঠান স্থানীয় জনগণের রোষাণলে পড়েছে।

মার্কেল অফিস ছেড়ে যাওয়ার পর থেকে তার পররাষ্ট্র নীতির উত্তরাধিকারের সমালোচনা বেড়েছে বিশেষ করে চীন এবং রাশিয়ার তুলনায় নিরাপত্তার চেয়ে অর্থনৈতিক স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার ক্ষেত্রে। কিন্তু ৭ই অক্টোবরের পরের ঘটনাগুলো দেখায় যে ইসরাইলের প্রতি জার্মানির পররাষ্ট্রনীতিতে মার্কেলের পূর্বসরীরাও ধ্বংসাত্মকভাবে কাজ করেছে। ২০০৯ ইসরাইলি পার্লামেন্টে মার্কেলের বক্তৃতার এক বছর পরে নেতানিয়াহু দ্বিতীয়বারের মতো ক্ষমতায় আসেন এবং তারপর থেকে ইসরাইল ক্রমবর্ধমানভাবে চরম ডানদিকে ঝুঁকেছে। এখন জার্মানি ইসরাইলের সমালোচনা করতে অক্ষম বা অনিচ্ছুক এমনকি ইসরাইল তাদের ভূমি থেকে ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদ এবং তাদের উপর বোমাবর্ষণ করা অব্যাহত রাখলেও।#

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৪০

আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগ দেওয়া দেশকে ‘শত্রু’ বিবেচনা করবে ইরান

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে যে অর্থনৈতিক যুদ্ধ চালাচ্ছে, কোনো দেশেরই তাতে অংশ নেওয়া উচিত নয়। কোনো দেশ ইরানের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপে যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করলে তাকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগ দেওয়া দেশকে ‘শত্রু’ বিবেচনা করবে ইরান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ আগস্ট ২০২৬, ১২:২৪

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞায় কোনো দেশ যোগ দিলে তাকে ‘শত্রু’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটির সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান মোহসেন রেজাই রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তব্যে এ সতর্কবার্তা দেন।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে যে অর্থনৈতিক যুদ্ধ চালাচ্ছে, কোনো দেশেরই তাতে অংশ নেওয়া উচিত নয়। কোনো দেশ ইরানের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপে যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করলে তাকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

ইরানের এ বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে মিত্র কিংবা অন্য কোনো দেশ সহযোগিতা করলে তেহরান তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর অবস্থান নিতে পারে।

এর আগে ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামিনিয়া সতর্ক করে বলেন, ইরানের ওপর কোনো হামলা হলে এবার তার জবাব আগের তুলনায় আরও বড় পরিসরে দেওয়া হবে।

আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক যুদ্ধগুলোর অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ইরান তার সামরিক কৌশলে পরিবর্তন আনছে। দীর্ঘদিন দেশটির সামরিক নীতি মূলত প্রতিরক্ষামূলক থাকলেও এখন তা ধীরে ধীরে আরও আক্রমণাত্মক অবস্থানের দিকে যাচ্ছে।

তবে আকরামিনিয়া স্পষ্ট করেছেন, এর অর্থ ইরান আগাম হামলা চালানোর নীতি গ্রহণ করছে না। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের ওপর কোনো আগ্রাসন হলে তাৎক্ষণিকভাবে পাল্টা জবাব দেওয়া হবে এবং সেই প্রতিক্রিয়ার পরিসর মূল হামলার চেয়েও বড় হবে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৪০

আন্তর্জাতিক

তীব্র হচ্ছে দিল্লির বিক্ষোভ, সকাল সকাল বিশেষ ঘোষণা দিলেন মোদি

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের জেরে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির জন্তর মন্তরে বিক্ষোভ আরও তীব্র হচ্ছে। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ব্যানারে হওয়া এই আন্দোলনে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করা হচ্ছে। তিনি এখনো পদত্যাগ না করায় আন্দোলনও বেগবান হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল সকাল নতুন ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেছেন, […]

তীব্র হচ্ছে দিল্লির বিক্ষোভ, সকাল সকাল বিশেষ ঘোষণা দিলেন মোদি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ জুলাই ২০২৬, ১০:৩৮

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের জেরে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির জন্তর মন্তরে বিক্ষোভ আরও তীব্র হচ্ছে। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ব্যানারে হওয়া এই আন্দোলনে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করা হচ্ছে। তিনি এখনো পদত্যাগ না করায় আন্দোলনও বেগবান হচ্ছে।

এমন পরিস্থিতিতে আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল সকাল নতুন ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেছেন, যারা প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত তাদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে এবং এ বিচার হবে দ্রুত বিচার আদালতে।

ফেসবুকে মোদি লিখেছেন, “আমাদের তরুণদের কল্যাণ ও ভবিষ্যতের চেয়ে বড় কিছু হতে পারে না! প্রশ্নফাঁসে জড়িতদের দ্রুত ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে দ্রুত বিচার আদালত গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের স্বার্থ সুরক্ষায় নেওয়া ধারাবাহিক উদ্যোগগুলোরই অংশ এটি।”

“যারা আমাদের তরুণদের ভবিষ্যতের ক্ষতি করার চেষ্টা করবে, তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।”

এদিকে বিক্ষোভকারীরা শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ক্ষমা চাইতে বলেছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৪০

আন্তর্জাতিক

নেপালে ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯৬২,নিখোঁজ প্রায় ৪ হাজার

ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত নেপালে ক্রমেই বাড়ছে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৯৬২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন চার হাজারের বেশি মানুষ মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে নুয়াকোটের বেত্রাবতী এলাকার একটি বাড়ি থেকে ২৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করেন উদ্ধারকারীরা। একই সময়ে ভারতের গণ্ডক নদী থেকেও আরও ১৩ জনের মরদেহ […]

নেপালে ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯৬২,নিখোঁজ প্রায় ৪ হাজার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০

ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত নেপালে ক্রমেই বাড়ছে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৯৬২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন চার হাজারের বেশি মানুষ

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে নুয়াকোটের বেত্রাবতী এলাকার একটি বাড়ি থেকে ২৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করেন উদ্ধারকারীরা। একই সময়ে ভারতের গণ্ডক নদী থেকেও আরও ১৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহগুলো নেপাল কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের জন্য আইনি প্রক্রিয়া চলছে।

এদিকে, রাসুয়ার উত্তরগয়া গ্রামের একটি সরকারি বিদ্যালয়ের প্রায় ৩৫০ শিক্ষার্থী নিখোঁজ রয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।

অব্যাহত দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে ত্রিশুলির থ্রি-এ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের উদ্ধার অভিযান টানা ষষ্ঠ দিনের মতো স্থগিত রাখতে বাধ্য হয়েছেন উদ্ধারকর্মীরা। অন্যদিকে, ত্রিশুলি থ্রি-বি প্রকল্পের অন্তত ১১৮ জন শ্রমিক এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।

ধসে পড়া সড়ক ও যোগাযোগব্যবস্থা এবং প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে দুর্গম এলাকাগুলোতে ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ফলে নিখোঁজদের সন্ধান এবং দুর্গতদের কাছে জরুরি সহায়তা পৌঁছে দিতে উদ্ধারকারীদের ব্যাপক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৪০