রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

মানারাত কলেজে দুই দিনব্যাপী স্টেম ফেস্ট-২০২৬ অনুষ্ঠিত

মানারাত ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের (এমডিআইসি) উদ্যোগে এবং মানারাত সায়েন্স ক্লাবের আয়োজনে দুই দিনব্যাপী ‘এমডিআইসি স্টেম ফেস্ট ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত (ঝঞঊগ) শিক্ষাকে বাস্তবমুখী ও আকর্ষণীয় করে তুলতে এই আয়োজন শিক্ষার্থীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা সৃষ্টি করে। শনিবার (১০ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত হয় ফেস্টের সমাপনী অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণী পর্ব। […]

মানারাত কলেজে দুই দিনব্যাপী স্টেম ফেস্ট-২০২৬ অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬:৪৯

মানারাত ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের (এমডিআইসি) উদ্যোগে এবং মানারাত সায়েন্স ক্লাবের আয়োজনে দুই দিনব্যাপী ‘এমডিআইসি স্টেম ফেস্ট ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত (ঝঞঊগ) শিক্ষাকে বাস্তবমুখী ও আকর্ষণীয় করে তুলতে এই আয়োজন শিক্ষার্থীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা সৃষ্টি করে।

শনিবার (১০ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত হয় ফেস্টের সমাপনী অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণী পর্ব। দুপুর আড়াইটায় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. এনামুল হক।

অনুষ্ঠানের সভাপতি ও কলেজের অধ্যক্ষ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল স, ম, মাহবুব-উল-আলম, ওএসজি, এসজিপি, এনডিসি, পিএসসি (অব.) তার বক্তব্যে বলেন, বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান কখনোই ইসলামী বিশ্বাসের পরিপন্থী নয়; বরং এটি স্রষ্টার নিদর্শন অনুধাবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। তিনি চিকিৎসাবিদ্যা, গণিত ও বীজগণিতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে মুসলিম মনীষীদের ঐতিহাসিক অবদান স্মরণ করে শিক্ষার্থীদের সেই গৌরবময় উত্তরাধিকার পুনরুদ্ধারের আহ্বান জানান।

আলবার্ট আইনস্টাইন এবং পবিত্র কুরআনের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি মানুষের জীবনকে সহজ করার পাশাপাশি জীবনের উদ্দেশ্য ও স্রষ্টার নিদর্শন আরও গভীরভাবে উপলব্ধি করতে সহায়তা করে। বিজ্ঞান যেন মানবতার কল্যাণ এবং নৈতিক উন্নয়নের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয় এমন প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি। বক্তব্যের শেষাংশে অধ্যক্ষ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন,

কেবল পার্থিব সাফল্য নয়, পরকালের আধ্যাত্মিক সাফল্যকেও লক্ষ্য রেখে নিজেদের গড়ে তুলতে হবে। একাডেমিক উৎকর্ষ, নৈতিকতা ও ঈমানের সমন্বয়ের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনে বিশ্বনেতৃত্বে ভূমিকা রাখবে এমন দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি তাঁর বক্তব্য শেষ করেন।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন কলেজের উপাধ্যক্ষ মোহাম্মাদ আনোয়ারুল করীম। এছাড়াও অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপাধ্যক্ষ তাহমীনা ইয়াসমিন, বালিকা ও বালক শাখার কো অর্ডিনেটর যথাক্রমে তাহমিনা আখতার ও এমএ মহসিন কোরেশী, আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক ড. মো. মাকসূদুল আলম ও রোখসানা খানম প্রমুখ।

আয়োজকরা জানান, এমডিআইসি স্টেম ফেস্ট শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষায় আগ্রহী করে তুলবে এবং ভবিষ্যৎ গবেষক ও উদ্ভাবক তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

অনুষ্ঠান শেষে বিভিন্ন অলিম্পিয়াড, রোবোটিক্স প্রতিযোগিতা, প্রজেক্ট ডিসপ্লে ও অন্যান্য ইভেন্টে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। পরে একটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। ধন্যবাদ জ্ঞাপন ও ফটোসেশনের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে।

এর আগে বেশকিছু ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হয়। এরমধ্যে ছিল কম্পিউটার সায়েন্স অলিম্পিয়াড, রোবোটিক্স প্রতিযোগিতা, ফান সেগমেন্ট ও টেক টক সেশন এবং প্রজেক্ট ডিসপ্লে সেটআপ।

এছাড়াও শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) উৎসবের প্রথম দিনে শিক্ষার্থীদের জন্য আয়োজন করা হয় একাধিক একাডেমিক ও সৃজনশীল প্রতিযোগিতা। এরমধ্যে ছিল গণিত অলিম্পিয়াড, সাধারণ বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড, বায়োলজি-কেমিস্ট্রি অলিম্পিয়াড এবং পদার্থবিজ্ঞান অলিম্পিয়াড।

এছাড়াও অনুষ্ঠিত হয় চেস প্রতিযোগিতা, ফান সেগমেন্ট ও টেক টক সেশন। শিক্ষার্থীরা তাদের নিজস্ব উদ্ভাবনী প্রজেক্ট, প্রযুক্তিনির্ভর ধারণা এবং বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ উপস্থাপন করে বিচারকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। দুই দিনব্যাপী এসব কার্যক্রমে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়।

শিক্ষাঙ্গন

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮। জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট […]

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮।

জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট করা হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল করে তাকে নানাভাবে বাজে কথা বলা ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। বাসা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় তিনি নিজের বাসভবনে অবস্থান করাকে অনিরাপদ মনে করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও বিষয়টির আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডিটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

শিক্ষাঙ্গন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী। মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত […]

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:৩৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত এক যুবক ধারালো অস্ত্র হাতে অনিকার কক্ষে প্রবেশ করে। অনৈতিক উদ্দেশ্যে যুবকটি এগোলে অনিকা সাহসিকতার সাথে বাধা দেন।

এ সময় উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি হয়। অনিকার আত্মরক্ষা ও চিৎকারের মুখে পরিস্থিতি প্রতিকূলে দেখে হামলাকারী যুবক দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। ধস্তাধস্তির ফলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মুখ, গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাত ও ক্ষতের দাগ পড়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রাথমিক তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে। তবে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী অনিকার দেওয়া বিবরণ ও জবানবন্দির সাথে আটক ব্যক্তির চেহারার কোনো মিল না থাকায় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

এ বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ জানায়, “ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বর্ণনা অনুযায়ী মূল অপরাধীকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। দ্রুতই তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।”

ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিরাপত্তার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা অতি দ্রুত মূল অপরাধীকে গ্রেফতার এবং মেস এলাকায় স্থায়ী নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পাশে তারা রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছে।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।