সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

পড়ার টেবিলে থাকা শিক্ষার্থীদের হাতে ময়লার বস্তা, পরিবেশ রক্ষায় গ্রীন ভয়েসের অভিযান

ইরফান উল্লাহ, ইবি প্রতিনিধি: বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা, গবেষণা, ক্লাস এসবই শিক্ষার্থীদের প্রধান কাজ তবুও ক্যাম্পাসে দেখা গেল ভিন্ন এক দৃশ্য। কেউ হাতে ময়লার বস্তা, কেউ প্লাস্টিক কুড়োচ্ছে, আর কেউ রাস্তার ধারে পড়ে থাকা পলিথিন তুলে বস্তাবন্দি করছে। পরিবেশ রক্ষার দায়িত্ববোধ থেকে পড়ার টেবিলে থাকা শিক্ষার্থীরা নেমেছে পরিচ্ছন্নতার মাঠে। “যুবরাই লড়বে, সবুজ পৃথিবী গড়বে” প্রতিপাদ্যে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় […]

পড়ার টেবিলে থাকা শিক্ষার্থীদের হাতে ময়লার বস্তা, পরিবেশ রক্ষায় গ্রীন ভয়েসের অভিযান

ছবি সংগ্রহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ নভেম্বর ২০২৫, ২০:০৮

ইরফান উল্লাহ, ইবি প্রতিনিধি:

বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা, গবেষণা, ক্লাস এসবই শিক্ষার্থীদের প্রধান কাজ তবুও ক্যাম্পাসে দেখা গেল ভিন্ন এক দৃশ্য। কেউ হাতে ময়লার বস্তা, কেউ প্লাস্টিক কুড়োচ্ছে, আর কেউ রাস্তার ধারে পড়ে থাকা পলিথিন তুলে বস্তাবন্দি করছে। পরিবেশ রক্ষার দায়িত্ববোধ থেকে পড়ার টেবিলে থাকা শিক্ষার্থীরা নেমেছে পরিচ্ছন্নতার মাঠে।

“যুবরাই লড়বে, সবুজ পৃথিবী গড়বে” প্রতিপাদ্যে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) ক্যাম্পাসে পলিথিন মুক্তকরণ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেছে পরিবেশবাদী সংগঠন গ্রীন ভয়েস।

বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) বেলা ১১টায় বটতলা থেকে শুরু হওয়া এই অভিযানে অংশ নেন গ্রীন ভয়েস ইবি শাখার উপদেষ্টা প্রফেসর ড. আব্দুল আল মোহিত, সংগঠনটির সভাপতি ইমতিয়াজ আহাম্মেদ ইমন, সাবেক সভাপতি এস. এম. সুইট, মাজিদুল ইসলাম উজ্জ্বলসহ অর্ধশতাধিক সদস্য।

এদিন অংশগ্রহণকারীরা কয়েকটি দলে ভাগ হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক, ক্রিকেট মাঠ, শাহ আজিজুর রহমান হল, প্যারাডাইস রোড, জুলাই ৩৬ হল, ইবনে সিনা বিজ্ঞান ভবন এবং টিএসসিসি এলাকায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় ময়লা-আবর্জনা, পলিথিন, অপ্রয়োজনীয় কাগজপত্র, বিস্কুটের প্যাকেটসহ বিভিন্ন বর্জ সংগ্রহ করে বস্তাবন্দি করে নির্দিষ্ট স্থানে ফেলা হয়। সদস্যরা মুখে মাস্ক, হাতে গ্লাবস পরিধানসহ পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্য বিধি মেনে এ কাজ করেন।

অংশগ্রহণকারী লোক প্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী রহিমা আক্তার বলেন, “আজকের এই অভিযানটা আমাদের সবার মধ্যে সচেতনতা তৈরি করতে সাহায্য করছে। আমরা সবাই ক্যাম্পাস নোংরা করি। আমরা কোনোকিছু খেয়ে সেখানে খোসা বা খাবারের বাড়তি অংশটা ফেলে দেই।

কিন্তু আমরা পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার ব্যাপারে সচেতন নই, পরিচ্ছন্নতার কাজটা আমরা কেউই করি না। সেজন্য এই উদ্যোগটা নেওয়া হয়েছে। আমরা সবার মধ্যে এই বার্তাটা পৌঁছে দিতে চাই যেন আমরা নোংরা না করে ক্যাম্পাসকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখবো।”

আরেক অংশগ্রহণকারী অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান বলেন, “আমাদের পরিবেশ যদি সুস্থ না থাকে, আমাদের সুস্থ থাকার সম্ভাবনা অনেক কম। অতএব আমাদের পরিবেশটাকে ভালো রাখতে হবে। এজন্য আমাদের যেসব অপচনশীল দ্রব্য আছে, যেমন পলিথিন, প্লাস্টিকসহ যা আমাদের পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করে। এসব থেকে আমাদের পরিবেশকে মুক্ত রাখতে হবে।”

সংগঠনটির সভাপতি ইমতিয়াজ আহাম্মেদ ইমন বলেন, “আসলে ক্যাম্পাস পলিথিনমুক্তকরণ বা পরিচ্ছন্নতা অভিযান এগুলো আমাদের মূল কাজ নয়। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা আর গবেষণার জন্য এসেছি। আমরা একজন শিক্ষার্থী এবং প্রথম শ্রেণির নাগরিক হিসেবে দায়িত্ববোধ থেকে এই কাজটা করছি। আমরা প্রতি বছরই একটা নমুনা কাজ হিসেবে এটা করি, তারই ধারাবাহিকতায় আজকের এই কর্মসূচি। আমরা গ্রীন ভয়েস এজন্যই করি যাতে ভবিষ্যতে এই সংগঠন কারো না করতে হয়।”

তিনি আরও বলেন, এই নমুনা কাজ করে আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে এই মেসেজটাই দিতে চাই যে, ক্যাম্পাসকে পলিথিনমুক্ত করতে হবে এবং যা পরিচ্ছন্ন আছে, তার চেয়ে আরো বেশি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে হবে।

ইতোমধ্যে আমরা প্রক্টর স্যার, ছাত্র উপদেষ্টা এবং মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর স্যারের সাথে একাধিকবার কথা বলেছি। তারা আশাবাদী এবং আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন যে তারা এই কাজে সহায়তা করবেন।”

সংগঠনটির উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আব্দুল আল মোহিত বলেন “পরিবেশের সবচেয়ে ক্ষতিকর যেটা, সেটার প্রধান কারণ হলো পলিথিন। যেখানে-সেখানে এই পলিথিন ফেলে দেওয়া হয়। এগুলো মাটির উর্বরতা নষ্ট করে, মাটির যে স্বাভাবিকতা আছে সেটা নষ্ট করে দেয়।

এবং সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, এই পলিথিন যেখানে-সেখানে ফেলার কারণে আমাদের পুরো ক্যাম্পাসটা আসলে পলিথিনময় হয়ে গেছে। এখন আমাদের উচিত, আমরা যেখানে-সেখানে যেখানেই পলিথিন ফেলবো না।

যেখানে একটা নির্দিষ্ট ডাস্টবিনের ব্যবস্থা আছে, সেখানে পলিথিনটা ফেলবো। সবার মধ্যে এই সচেতনতাটা জাগিয়ে তুলতে হবে, যেন তারা পরিবেশের গুরুত্বটা বুঝতে পারে এবং পরিবেশকে সুরক্ষিত রাখার জন্য নিজে থেকে কাজ করে।”

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। […]

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ২৩:০১

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ অফিসার শাম্মি আক্তার রুমি এবং বাংলালিংকের ইন্টার্ন (এইচআর) নোমান কিবরিয়া। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম জনি।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের কেস সমাধানের কৌশল, কৌশলগত চিন্তাভাবনা, সমস্যা সমাধান এবং কাঠামোবদ্ধ বিশ্লেষণ বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি শিহাব সারওয়ার বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বড় কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করার স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীরই থাকে। সেই পথে বিজনেস কেস কম্পিটিশনের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই লক্ষ্যেই আমরা সেমিনারটি আয়োজন করেছি যাতে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতে পারে। আশা করছি শিক্ষার্থীরা ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টের কাছ থেকে সরাসরি শেখার সুযোগ পেয়েছে।’

উল্লেখ্য, সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ২৫০ জনের অধিক শিক্ষার্থীঅংশ নেন।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।