সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

জবি শিক্ষার্থী ইমুর বিরুদ্ধে গঠনতন্ত্র উপেক্ষা করে পদ দখলে নেওয়ার অভিযোগ

রোকুনুজ্জামান, জবি প্রতিনিধি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) একমাত্র ছাত্রী হল নওয়াব ফয়জুন্নেছা চৌধুরানী হল। যেখানে শিক্ষার্থীদের বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চা ও যুক্তিবোধ গঠনের জায়গা হওয়ার কথা ছিল হল ডিবেটিং ক্লাব, সেখানে এখন চলছে ক্ষমতার রাজনীতি ও ভয়ভীতি। অভিযোগ উঠেছে, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ফাতেমাতুজ জোহরা ইমু কোনো নির্বাচন ছাড়াই, গঠনতন্ত্র ভঙ্গ করে স্বঘোষিতভাবে কমিটি দিয়ে হল ডিবেটিং সোসাইটির সাধারণ […]

জবি শিক্ষার্থী ইমুর বিরুদ্ধে গঠনতন্ত্র উপেক্ষা করে পদ দখলে নেওয়ার অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৯ নভেম্বর ২০২৫, ২১:৫৮

রোকুনুজ্জামান, জবি প্রতিনিধি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) একমাত্র ছাত্রী হল নওয়াব ফয়জুন্নেছা চৌধুরানী হল। যেখানে শিক্ষার্থীদের বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চা ও যুক্তিবোধ গঠনের জায়গা হওয়ার কথা ছিল হল ডিবেটিং ক্লাব, সেখানে এখন চলছে ক্ষমতার রাজনীতি ও ভয়ভীতি।

অভিযোগ উঠেছে, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ফাতেমাতুজ জোহরা ইমু কোনো নির্বাচন ছাড়াই, গঠনতন্ত্র ভঙ্গ করে স্বঘোষিতভাবে কমিটি দিয়ে হল ডিবেটিং সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক পদ দখল করেন। তার সাথে বাকি পদগুলোও দখলে নেন তার ঘনিষ্ঠরা।

শুধু তাই নয়, সেই পদকে ঘিরে গড়ে তুলেছেন একদল প্রভাবশালী সিন্ডিকেট, যারা এখন পুরো হলের পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করছে। হল ক্যান্টিনের খাবারের তদারকির নামে ত্রাসের রাজত্ব থেকে শুরু করে, হলে অবৈধভাবে শিক্ষার্থী তুলা। সবকিছুর নেতৃত্বেই থাকেন ইমু ও তার ঘনিষ্ঠরা। হল প্রভোস্টের সরাসরি বিভাগের ছাত্রী হওয়ায় তাঁর প্রশ্রয়েই ইমু ও তার সহযোগীরা এসব অপকর্ম করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

ডিবেটিং ক্লাবের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ সকল পদ খোলা ও স্বচ্ছ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্ধারণের কথা। গঠনতন্ত্রের ৬ ও ৭ ধারায় স্পষ্ট বলা আছে, সদস্যদের অংশগ্রহণ ছাড়া কোনো পদে কাউকে বসানো যাবে না। কিন্তু এসব নিয়ম উপেক্ষা করে ইমু নিজের ঘনিষ্ঠ কয়েকজনকে নিয়ে একটি অবৈধ কমিটি গঠন করে প্রভাব বিস্তার করে তা ঘোষণা করেন।

তাদের এই সিন্ডিকেটে নেতৃত্ব দেন হল ডিবেটিং ক্লাবের সেই সময়ের নেত্রী সিনিয়র নাঈমা আক্তার রিওতা ও শারমিন সুলতানা নিশি। তারা সম্ভাব্য অন্যন্য পদপ্রার্থীদের ভয় দেখিয়ে ও চাপ প্রয়োগ করে তাদের পছন্দের ইমুসহ বাকিদের নির্বাচন ছাড়াই অবৈধভাবে পদ দিয়ে কমটি ঘোষণা করে। তাদের এই পদক্ষেপে ক্ষুব্ধ হলেও ভয় ও চাপে অনেকে মুখ খুলতে পারেননি।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ইমুকে ঘিরে এখন হলে তৈরি হয়েছে এক ধরনের ‘ডিবেটিং সিন্ডিকেট’—যারা নামেমাত্র বিতর্ক ক্লাব চালালেও মূলত সেই সংগঠনকেই ব্যবহার করছে ক্ষমতার হাতিয়ার হিসেবে। এই চক্রের মাধ্যমে ইমু নিজের প্রভাব ধরে রেখেছেন, আর সিন্ডিকেটের অন্য সদস্যরা তাঁর হয়ে কাজ করছেন। তাঁদের মধ্যে হল ডিবেটিং ক্লাবের সাবেক নেত্রী নাঈমা আক্তার রিতা ও শারমিন সুলতানা নিশি এসব সিন্ডিকেটের দেখভাল করেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, অবৈধভাবে কমিটি গঠনের সময় তাঁরা ফোন ও মেসেজ দিয়ে এবং সরাসরি কথা বলে অন্য শিক্ষার্থীদের ভয় দেখান ও চাপ প্রয়োগ করেন। এ সংক্রান্ত প্রমাণাদিও প্রতিবেদকের কাছে রয়েছে। হল ডিবেটিং ক্লাবের একজন সদস্য বলেন, আমরা ভেবেছিলাম নিয়ম অনুযায়ী নির্বাচন হবে।

কিন্তু একদিন হঠাৎ দেখলাম ইমুকে সাধারণ সম্পাদক করে বাকি পদেও তাদের পছন্দের মানুষদের দিয়ে নির্বাচন ছাড়াই অবৈধভাবে কমিটি ঘোষণা করেছে। এরপর থেকে সবকিছু ওদের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।”

আরেকজন বলেন, “ইমুর চারপাশে এখন একটা চক্র গড়ে উঠেছে। তারা ডিবেটিং ক্লাবের নাম ব্যবহার করে এবং প্রভোশটের বিভাগের ছাত্রি হওয়ায় সে তাঁর খুব ক্লোজ। এই পরিচয় দিয়ে এবং বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নাম ব্যবহার করে হলে ভয় আর প্রভাব বিস্তার করছে।”

হলের অনেক শিক্ষার্থী অভিযোগ করেছেন, ইমু প্রভোস্টের বিভাগের ছাত্রী হওয়ায় তিনি এই সম্পর্ককে প্রভাব হিসেবে ব্যবহার করেন। এক শিক্ষার্থী বলেন, ইমু প্রভোস্টের ছাত্রী, তাই তার কিছু হবে না। তাই কেউ সাহস করে কথা বলে না।

এদিকে, ক্যান্টিনের খাবারে পোকা পাওয়ার ঘটনাতেও এই সিন্ডিকেটের আচরণ আলোচনায় আসে। সমাজকর্ম বিভাগের শিক্ষার্থী উম্মে মাবুদা প্রমাণসহ বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করলে, ইমু তাঁর ওপর ক্ষুব্ধ হন এবং পোস্ট মুছে ফেলতে বলেন।

মাবুদা জানান, “ইমু আপু আমার রুমে এসে বলেন কেন ভোটের প্রসঙ্গ আনলি? এখনই ক্ষমা চেয়ে পোস্ট দিবি। এমনকি ভয় দেখিয়ে চুপ করানোর চেষ্টা করেন।” এই ঘটনার পর অনেকেই বলেন, “এখানে খাবারের মান নয়, আসল বিষয় হচ্ছে ইমুর ক্ষমতা ও দাপট।”

হলের সাধারণ শিক্ষার্থীরা বলেন, ইমু শুধু ডিবেটিং ক্লাব নয়, পুরো হলের নানা কার্যক্রমে প্রভাব খাটাচ্ছেন। ক্যান্টিন, রুম বণ্টন বা কোনো অভিযোগ সব জায়গায় তাঁর কথাই শেষ কথা। কেউ প্রতিবাদ করলে হেনস্তার শিকার হন। একজন বলেন, “ইমু আর তাঁর চক্র প্রশাসনের নাম ভাঙিয়ে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করছে। আমাদের মতামতের কোনো মূল্য নেই।”

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফাতেমাতুজ জোহরা ইমু বলেন, “প্রতিষ্ঠাকালীন ডিবেটিং কমিটি দেয়ার পর আমাদের টি ছিলো দ্বিতীয় কমিটি। নির্বাচন কেউ কখন দেয়, যখন একাধিক ম্যাডাম ক্লাবে থাকে। কিন্তু ডিবেটিং কমিটিতে তেমন একাধিক সদস্য প্রতিদ্বন্দী না থাকায় প্রতিষ্ঠাকালীন ডিবেটিং ক্লাব কমিটির আগের ইসি, ট্রেজারার ম্যাম ড.সাবিনা শরমীন, মডারেটর বুশরা জামান ম্যাম, প্রভোস্ট ম্যাম আঞ্জুমান আরা ম্যাম বর্তমান কমিটির পুরো প্রক্রিয়ায় ছিলেন। এ প্রক্রিয়ায় যদি গাফিলতি থাকে, তাহলে আমাকে প্রশ্নবিদ্ধ করার আগে আমি মনে করি তাদের সাথে আগে বসা উচিত।”

এ বিষয়ে নাইমা আক্তার রিতা আর শারমিন সুলতানা নিশির সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সম্ভব হয়নি।

হল ডিবেটিং ক্লাবের বিষয়ে হল প্রভোস্ট এবং পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আঞ্জুমান আরাকে বার বার কল করলেও তিনি কল ধরেন নি, তবে এর আগে অন্যান্য অভিযোগের বিষয়ে আলোচনায় তিনি বলেন, “নির্বাচন সামনে রেখে এমন ঘটনা ঘটতে পারে।

যদি ইমু সত্যিই তাকে (মাবুদা) ক্ষমা চাইতে বলতে গিয়ে চাপ সৃষ্টি করে থাকে, তাহলে তাকেও ক্ষমা চাইতে হবে।” তিনি আরও বলেন, “খাবারের মান নিয়ে অভিযোগ এসেছে, বরবটি-কলমিশাক নিষিদ্ধ করা ছিল। তবুও কেন আনা হলো সেটিও তদন্ত করা হবে। রোববার বৈঠক ডাকা হয়েছে।”

প্রভোস্ট আরও স্বীকার করেন, “আমি শুনেছি ইমু মাঝে মাঝে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করে। এ বিষয়ে হলে কয়েকটি অভিযোগ এসেছে। প্রয়োজন হলে কঠোর ব্যবস্থা নেব।”

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে বড় পরিবর্তন, এইচএসসি পরীক্ষাও হবে ডিসেম্বরে

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে। বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে […]

নিউজ ডেস্ক

০২ মে ২০২৬, ১৬:০০

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে।

বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রায়ই সময়সূচি পিছিয়ে যায়। এতে উচ্চ মাধ্যমিক শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে দীর্ঘ বিরতি তৈরি হয়, যা অনেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ধারাবাহিকতায় প্রভাব ফেলে। এসব সমস্যা মাথায় রেখেই নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই যদি সব পরীক্ষা সম্পন্ন করা যায়, তাহলে সিলেবাস, ক্লাস টেস্ট ও বোর্ড পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই শেষ করা সম্ভব হবে। ফলে শিক্ষার্থীরা জানুয়ারিতেই পরবর্তী শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে এবং দুই বছরের মধ্যেই নির্ধারিত পাঠক্রম শেষ করতে পারবে।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসকে পুরোপুরি পরীক্ষার জন্য নির্ধারণ করা হবে। এ সময়ের মধ্যে বোর্ডগুলোকে পরীক্ষা গ্রহণ ও দ্রুত ফল প্রকাশ করতে হবে। ফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে।

তিনি আরও জানান, লক্ষ্য হচ্ছে—শিক্ষার্থীরা ১৬ বছর বয়সে এসএসসি এবং ১৮ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করে কোনো সেশনজট ছাড়াই উচ্চশিক্ষায় যেতে পারবে। কারিকুলাম সংস্কারের কাজ চলছে এবং সবকিছু প্রস্তুত থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এটি কার্যকর করা হতে পারে।

তবে নতুন সময়সূচি বাস্তবায়ন নির্ভর করবে নির্ধারিত সময়ে সিলেবাস সম্পন্ন করার ওপর। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগে পরিকল্পনা ঠিক করা জরুরি—অ্যাকাডেমিক বছর ডিসেম্বরেই শেষ করতে হবে এবং সে অনুযায়ী পুরো শিক্ষা কার্যক্রম সাজাতে হবে।

এদিকে শিক্ষাবিদদের মতে, দেশের আবহাওয়া ও ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে পাবলিক পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করে একটি বাস্তবসম্মত নতুন অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। […]

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ২৩:০১

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ অফিসার শাম্মি আক্তার রুমি এবং বাংলালিংকের ইন্টার্ন (এইচআর) নোমান কিবরিয়া। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম জনি।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের কেস সমাধানের কৌশল, কৌশলগত চিন্তাভাবনা, সমস্যা সমাধান এবং কাঠামোবদ্ধ বিশ্লেষণ বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি শিহাব সারওয়ার বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বড় কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করার স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীরই থাকে। সেই পথে বিজনেস কেস কম্পিটিশনের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই লক্ষ্যেই আমরা সেমিনারটি আয়োজন করেছি যাতে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতে পারে। আশা করছি শিক্ষার্থীরা ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টের কাছ থেকে সরাসরি শেখার সুযোগ পেয়েছে।’

উল্লেখ্য, সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ২৫০ জনের অধিক শিক্ষার্থীঅংশ নেন।