বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

এ্যাম্বুলেন্সে চড়ে শেষ বারের মত বিশ্ববিদ্যালয়ে এলেন জবি শিক্ষার্থী জুবায়েদ

এ্যাম্বুলেন্সে চড়ে শেষবারের মত নিজ ক্যাম্পাসে এসেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদলের আহবায়ক সদস্য জোবায়েদ হোসেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে তার প্রথম জানাজার নামাজ সম্পন্ন হয়েছে সোমবার (২০ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের মাঠে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সক্রিয় বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতা-কর্মীদের উপস্থিতিতে জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। জানাজায় […]

এ্যাম্বুলেন্সে চড়ে শেষ বারের মত বিশ্ববিদ্যালয়ে এলেন জবি শিক্ষার্থী জুবায়েদ

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২০ অক্টোবর ২০২৫, ১৬:৪০

এ্যাম্বুলেন্সে চড়ে শেষবারের মত নিজ ক্যাম্পাসে এসেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদলের আহবায়ক সদস্য জোবায়েদ হোসেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে তার প্রথম জানাজার নামাজ সম্পন্ন হয়েছে

সোমবার (২০ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের মাঠে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সক্রিয় বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতা-কর্মীদের উপস্থিতিতে জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। জানাজায় অত্যন্ত আবেগঘন পরিস্থিতির তৈরি হয়।

জানাজার পূর্বে জোবায়েদের প্রতি শোক জ্ঞাপন করে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক জুবায়েদের মৃত্যুতে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল পরিবার থেকে সমবেদনা জানাচ্ছি। এটি পরিকল্পিত একটি হত্যাকাণ্ড।

এর আগে সাম্যকেও একই ভাবে হত্যা করা হয়েছে। যেসব শিক্ষক গ্রেপ্তারের জন্য গতদিন লড়েছেন তাদের জন্য শ্রদ্ধা। আমরা বিশ্বাস করি খুব দ্রুত আসামিরা গ্রেপ্তার হবে। আমরা তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি রইচ উদদীন বলেন, তার অকালে চলে যাওয়া আমরা মেনে নিতে পারছি না। তার মাথায় আমি সমাবর্তনের গাউন তুলে দেওয়ার কথা, মাথায় ক্যাপ তুলে দেওয়ার কথা কিন্তু তার মৃতদেহ নিয়ে সামনে দাঁড়াতে হচ্ছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে আমার শিক্ষার্থীর লাশ কেনো সিঁড়িতে পড়ে থাকবে। আমরা হতাশ হয়েছি প্রশাসনের এহেন আচরণে।

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহবায়ক মেহেদী হাসান হিমেল বলেন, আমরা প্রশাসনের অনেক গাফিলতি লক্ষ্য করেছি। আমরা যাতে আর গাফিলতি না দেখি। জানাজার নামাজের পর আমরা আমাদের শিক্ষকসহ অন্যান্য সকলে মিলে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করব

উপাচার্য অধ্যাপক রেজাউল করিম বলেন, আমার ছাত্র জুবায়েদকে নৃশংস ভাবে হত্যা করা হয়েছে, যেটা মোটেও কাম্য নয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে স্পষ্ট করে বলে দিতে চাই অতিদ্রুত অপরাধীদের শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক। জুবায়েদ অনেক ভালো ছেলে ছিলো। মাঝে মাঝে আমার রুমে আসতো। তার মতো ছেলের শত্রুই হতে পারেনা।

শিক্ষাঙ্গন

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮। জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট […]

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮।

জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট করা হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল করে তাকে নানাভাবে বাজে কথা বলা ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। বাসা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় তিনি নিজের বাসভবনে অবস্থান করাকে অনিরাপদ মনে করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও বিষয়টির আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডিটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

শিক্ষাঙ্গন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী। মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত […]

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:৩৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত এক যুবক ধারালো অস্ত্র হাতে অনিকার কক্ষে প্রবেশ করে। অনৈতিক উদ্দেশ্যে যুবকটি এগোলে অনিকা সাহসিকতার সাথে বাধা দেন।

এ সময় উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি হয়। অনিকার আত্মরক্ষা ও চিৎকারের মুখে পরিস্থিতি প্রতিকূলে দেখে হামলাকারী যুবক দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। ধস্তাধস্তির ফলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মুখ, গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাত ও ক্ষতের দাগ পড়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রাথমিক তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে। তবে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী অনিকার দেওয়া বিবরণ ও জবানবন্দির সাথে আটক ব্যক্তির চেহারার কোনো মিল না থাকায় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

এ বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ জানায়, “ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বর্ণনা অনুযায়ী মূল অপরাধীকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। দ্রুতই তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।”

ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিরাপত্তার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা অতি দ্রুত মূল অপরাধীকে গ্রেফতার এবং মেস এলাকায় স্থায়ী নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পাশে তারা রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছে।

শিক্ষাঙ্গন

মুখে কালো কাপড় বেঁধে ক্লাস নিলেন ঢাবি অধ্যাপক সামিনা লুৎফা

শ্রেণিকক্ষে শিক্ষকের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন করা এবং কথা বলা ও ভিন্নমত প্রকাশের কারণে শিক্ষকদের হেনস্তার প্রতিবাদে মুখে কালো কাপড় বেঁধে অভিনব প্রতিবাদ জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. সামিনা লুৎফা। রোববার (১১ অক্টোবর) শ্রেণিকক্ষে পাঁচ মিনিট মুখে কালো কাপড় বেঁধে নীরব অবস্থানে থেকে তিনি এ প্রতিবাদ জানান। এ সময় তিনি শিক্ষক তাসনিম সিরাজ মাহবুবসহ […]

মুখে কালো কাপড় বেঁধে ক্লাস নিলেন ঢাবি অধ্যাপক সামিনা লুৎফা

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১১ অক্টোবর ২০২৬, ২০:৫৫

শ্রেণিকক্ষে শিক্ষকের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন করা এবং কথা বলা ও ভিন্নমত প্রকাশের কারণে শিক্ষকদের হেনস্তার প্রতিবাদে মুখে কালো কাপড় বেঁধে অভিনব প্রতিবাদ জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. সামিনা লুৎফা।

রোববার (১১ অক্টোবর) শ্রেণিকক্ষে পাঁচ মিনিট মুখে কালো কাপড় বেঁধে নীরব অবস্থানে থেকে তিনি এ প্রতিবাদ জানান। এ সময় তিনি শিক্ষক তাসনিম সিরাজ মাহবুবসহ একাডেমিক স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হওয়ার শিকার শিক্ষকদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন।

নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে অধ্যাপক সামিনা লুৎফা তার প্রতিবাদের কথা জানান। তিনি লেখেন, শ্রেণিকক্ষে শিক্ষকের স্বাধীনতা নস্যাতের পরিকল্পিত চক্রান্ত শিক্ষার্থী-শিক্ষকের সম্পর্কের আস্থা নষ্ট করছে। কথা বলা বা ভিন্নমত প্রকাশের কারণে যেসব শিক্ষক হেনস্তার শিকার হয়েছেন, তাঁদের প্রতি সংহতি জানাতে তিনি ব্যক্তিগতভাবে এ প্রতিবাদ করেছেন।

পোস্টে তিনি আরও জানান, সেদিন ক্লাসে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শ্রেণিকক্ষের আচরণবিধি বা ‘কোড অব কন্ডাক্ট’ নির্ধারণ করেছেন। অনুমতি ছাড়া শ্রেণিকক্ষে কী করা যাবে বা যাবে না এবং মতবিরোধ তৈরি হলে তা কীভাবে নিরসন করা হবে, তা নিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করেন তিনি। এরপর পাঁচ মিনিট মুখে কালো কাপড় বেঁধে বসে থাকেন।

শিক্ষকদের অধিকার ও একাডেমিক স্বাধীনতার পক্ষে অবস্থান জানিয়ে সামিনা লুৎফা ইংরেজিতে দেওয়া পোস্টে লেখেন, ‘শিক্ষকদেরও অধিকার আছে।’ একাডেমিক স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হওয়া, যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করা এবং প্রশ্ন, ভিন্নমত বা রাজনৈতিক মতামত প্রকাশের কারণে শিক্ষকদের হয়রানি করে তাদের কণ্ঠরোধের চেষ্টার বিরুদ্ধে সংহতি জানান তিনি।

নিজের বক্তব্য ভুলভাবে উপস্থাপন, অসৎ উদ্দেশ্যে ভুল সংবাদ প্রকাশ এবং অনুমতি ছাড়া শ্রেণিকক্ষে ধারণ করা নিয়েও আপত্তি জানান এ অধ্যাপক। তার ভাষ্য, শ্রেণিকক্ষের ভেতরে কোনো আচরণ বা আলোচনা নিয়ে একাডেমিক পরিসরে সমাধানের সুযোগ রয়েছে। সেখানে মতের অমিল থাকলেও পরস্পরের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করে সহাবস্থান করা গ্রহণযোগ্য আচরণ।

পোশাকের ক্ষেত্রেও কোনো নির্দিষ্ট বিধিনিষেধ মেনে চলতে বাধ্য হতে চান না বলে পোস্টে উল্লেখ করেন সামিনা লুৎফা। একই স্বাধীনতা শিক্ষার্থী ও সহকর্মীদের ক্ষেত্রেও প্রত্যাশা করেন তিনি। নিজের অবস্থানে অটল থাকার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, একাডেমিক স্বাধীনতার ওপর আক্রমণের ধরন যতই নিন্দনীয় হোক, তিনি ভয় পান না।

পোস্টে তাসনিম সিরাজ মাহবুবের পাশাপাশি লায়েকা বশীরসহ একাডেমিক স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হওয়ার শিকার শিক্ষকদের প্রতি সংহতি জানান তিনি। একই সঙ্গে শ্রেণিকক্ষে সুস্থ আলোচনা, মতবিনিময় ও নিজ নিজ বিষয়ে গভীরতর জ্ঞান অর্জনের পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে ‘রিক্লেইম ক্লাসরুম’ বা শ্রেণিকক্ষের অধিকার পুনরুদ্ধারের আহ্বান জানান।

প্রসঙ্গত, গত ৭ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের একটি শ্রেণিকক্ষে নিকাব পরা এক ছাত্রীকে কেন্দ্র করে সহযোগী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের সঙ্গে আলোচনাকে ঘিরে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। ওই ঘটনায় শিক্ষার্থীদের লিখিত অভিযোগের পর ৮ অক্টোবর জরুরি সভা ডেকে তাসনিম সিরাজকে বিভাগের সব ধরনের পাঠদান কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।