শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

গুচ্ছ থেকে বের হয়ে স্বতন্ত্র পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষায় একাত্মতা কুবি শিক্ষকদের

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) গুচ্ছ থেকে বের হয়ে স্বতন্ত্র পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার দাবির সাথে একাত্মতা জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ। পাশাপাশি গুচ্ছ নিয়ে আগামী ১৫ জানুয়ারি দুপুর ১২টার মধ্যে সিদ্ধান্ত জানাতে সময় চেয়ে নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি। রবিবার (১২ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে শিক্ষার্থীরা অবস্থান কর্মসূচী করলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আবদুল হাকিম তাদের প্রক্টর […]

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি), প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ জানুয়ারী ২০২৫, ২১:০৮

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) গুচ্ছ থেকে বের হয়ে স্বতন্ত্র পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার দাবির সাথে একাত্মতা জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ। পাশাপাশি গুচ্ছ নিয়ে আগামী ১৫ জানুয়ারি দুপুর ১২টার মধ্যে সিদ্ধান্ত জানাতে সময় চেয়ে নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি।
রবিবার (১২ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে শিক্ষার্থীরা অবস্থান কর্মসূচী করলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আবদুল হাকিম তাদের প্রক্টর অফিসে নিয়ে এই সিদ্ধান্ত জানান।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আবদুল হাকিম বলেন, ‘আমরা চাই না আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতিতে থাকুক। আমরা চাই স্বতন্ত্র ভর্তি পরীক্ষা হোক এবং শিক্ষার্থীদের যে ভোগান্তি তা লাঘব হোক। গুচ্ছের মতো দীর্ঘ ভর্তি প্রক্রিয়া আসলে ভোগান্তি বাড়াচ্ছে। আমরা শিক্ষার্থীদের সাথে একমত, আমরা গুচ্ছ প্রক্রিয়া চাই না। আগামী ১৪ তারিখ আমাদের সিন্ডিকেট মিটিং আছে আমরা সেখানে এটি আলোচনা করে আশা করি ১৫ তারিখ দুপুর ১২টার মাঝেই সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিতে পারবো।’
এসময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম, প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাহমুদুল হাছান খান ও মুতাসিম বিল্লাহ, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মাহমুদুল হাসান, ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. সিদ্দিকুর রহমান।
উপস্থিত সকল শিক্ষকই গুচ্ছ থেকে বের হয়ে স্বতন্ত্র ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতির প্রতি সমর্থন জানান এবং আসন্ন ভর্তি পরীক্ষা স্বতন্ত্র পদ্ধতিতে নেওয়ার যে শিক্ষার্থীদের দাবির তার সাথে একমত পোষণ করেন।
গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘ভর্তি পরীক্ষা স্বতন্ত্রভাবে হলে প্রত্যেকে তাদের এলাকার থেকে আসা স্টুডেন্টদের কীভাবে আপ্যায়ন করবে সেই চিন্তায় থাকে এসব দেখতেও অনেক সুন্দর লাগে। গুচ্ছের পূর্বে ভর্তি পরীক্ষার সময় পুরো ক্যাম্পাসে একটা উৎসব মুখর পরিবেশ থাকে। এছাড়া গুচ্ছের ফলে আমরা মেধাবী শিক্ষার্থী কম পাচ্ছি। আমার বিভাগে ৬০ টি সিট কিন্তু শিক্ষার্থী এর থেকে অনেক কম ভর্তি হয়। আবার মাস্টার্সে গিয়েও কমে যায়। সার্বিক দিক বিবেচনা করে আমি গুচ্ছ পদ্ধতি বাতিল চাই। ‘
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলী বলেন, ‘আমি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতি থেকে বের হতেই চাচ্ছি। আমি এর আগেও এর পক্ষে ছিলাম না। তবে সরকার থেকে যেহেতু আমাকে থাকতে বলা হচ্ছে তাই আমি চেষ্টা করছি তাদের বুঝিয়ে এই পদ্ধতি থেকে বের হতে।’
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮৩তম অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের এক জরুরি সভায় গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষা থেকে থেকে বের হয়ে স্বতন্ত্র পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। তবে গত ৩ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলী গণমাধ্যমে জানান, গুচ্ছ পদ্ধতিতেই কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা নিবে। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয় জুড়ে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতৃবৃন্দ গুচ্ছ পদ্ধতি থেকে বের হয়ে স্বতন্ত্র পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার জন্য কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে স্মারকলিপি দেয়। এছাড়া গত ৫ জানুয়ারি সমন্বিত গুচ্ছ ভর্তি পদ্ধতি এবং পোষ্য কোটা বাতিলের দাবিতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি করেছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শিক্ষার্থী ও সমন্বয়করা। এরপর গত ০৯ জানুয়ারি গুচ্ছ নিয়ে প্রশাসনের সিদ্ধান্ত জানাতে ৭২ ঘন্টার আলটিমেটাম দিয়ে স্মারকলিপি প্রদান করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষাঙ্গন

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮। জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট […]

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮।

জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট করা হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল করে তাকে নানাভাবে বাজে কথা বলা ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। বাসা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় তিনি নিজের বাসভবনে অবস্থান করাকে অনিরাপদ মনে করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও বিষয়টির আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডিটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

শিক্ষাঙ্গন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী। মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত […]

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:৩৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত এক যুবক ধারালো অস্ত্র হাতে অনিকার কক্ষে প্রবেশ করে। অনৈতিক উদ্দেশ্যে যুবকটি এগোলে অনিকা সাহসিকতার সাথে বাধা দেন।

এ সময় উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি হয়। অনিকার আত্মরক্ষা ও চিৎকারের মুখে পরিস্থিতি প্রতিকূলে দেখে হামলাকারী যুবক দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। ধস্তাধস্তির ফলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মুখ, গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাত ও ক্ষতের দাগ পড়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রাথমিক তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে। তবে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী অনিকার দেওয়া বিবরণ ও জবানবন্দির সাথে আটক ব্যক্তির চেহারার কোনো মিল না থাকায় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

এ বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ জানায়, “ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বর্ণনা অনুযায়ী মূল অপরাধীকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। দ্রুতই তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।”

ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিরাপত্তার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা অতি দ্রুত মূল অপরাধীকে গ্রেফতার এবং মেস এলাকায় স্থায়ী নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পাশে তারা রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছে।

শিক্ষাঙ্গন

ঢাবি শিক্ষক তাসনিম সিরাজকে এবার লাল কার্ড দেখালেন শিক্ষার্থীরা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক, অপমানজনক ও দ্বিচারিতাপূর্ণ আচরণের অভিযোগ তুলে লাল কার্ড দেখিয়েছেন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা। সোমবার (১২ অক্টোবর) তারা এ প্রতিবাদ জানান। শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, নিকাব পরিহিত এক শিক্ষার্থীকে ‘ফান্ডামেন্টালিস্ট’ ও ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়া এবং একই শ্রেণিকক্ষে ছয়জন ছাত্রকে এক বেঞ্চে বসতে দেখে তাঁদের ‘গে’ ও […]

ঢাবি শিক্ষক তাসনিম সিরাজকে এবার লাল কার্ড দেখালেন শিক্ষার্থীরা

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১২ অক্টোবর ২০২৬, ১৫:৪১

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক, অপমানজনক ও দ্বিচারিতাপূর্ণ আচরণের অভিযোগ তুলে লাল কার্ড দেখিয়েছেন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা। সোমবার (১২ অক্টোবর) তারা এ প্রতিবাদ জানান।

শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, নিকাব পরিহিত এক শিক্ষার্থীকে ‘ফান্ডামেন্টালিস্ট’ ও ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়া এবং একই শ্রেণিকক্ষে ছয়জন ছাত্রকে এক বেঞ্চে বসতে দেখে তাঁদের ‘গে’ ও ‘গরিব’ বলে মন্তব্য করার অভিযোগের প্রতিবাদে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। একই সঙ্গে এসব আচরণের সমর্থকদের বিরুদ্ধেও প্রতীকী প্রতিবাদ জানান তাঁরা।

কর্মসূচির মূল প্রতিপাদ্য ছিল ‘Red Card to Racist, Classist and Hypocrite’ এবং ‘Red Card to Those Who Support Discrimination, Humiliation and Bullying’। শিক্ষার্থীরা জানান, বৈষম্য, অপমান ও হয়রানির বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার পাশাপাশি এসব আচরণকে সমর্থনকারীদেরও তাঁরা প্রত্যাখ্যান করছেন।

এ বিষয়ে ইংরেজি বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ নায়েম বলেন, তাসনিম সিরাজ মাহবুব ম্যাম ইংরেজি বিভাগের একজন শিক্ষার্থী নেকাব করায় তাকে Fundamentalist এবং সন্ত্রাসী বলে অবিহিত করেন। এছাড়াও, তিনি একই ক্লাসে ছেলেদের ৬ জন এক বেঞ্চে বসায় ‘গে’ এবং ‘গরিব’ বলে অবিহিত করেন। পরবর্তীতে তিনি তার ফেইসবুক লাইভে এগুলোর কোন কিছু এড্রেস না করে এক পাক্ষিক এআই নির্ভর বিবৃতি দেন৷

তিনি আরও বলেন, আমরা লক্ষ্য করেছি সামিনা লুৎফা, শিক্ষক নেটওয়ার্ক এবং তার অন্যান্য অনুসারী তাকে নির্লজ্জভাবে ডিফেন্ড করেছেন এবং শিক্ষার্থীদের মূল অপরাধী হিসেবে প্রোট্রে করার চেষ্টা করছেন। আজকের প্রতিকী প্রতিবাদ তাদের সকলের বিরুদ্ধে।

এ বিষয়ে ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. তাজিন আজিজ চৌধুরী বলেন, বিষয়টি এই মুহূর্তে নিশ্চিত করে বলা সম্ভব হচ্ছে না,আমি এই মূহুর্তে অফিসে নাই। তবে শিক্ষার্থীরা যদি এ বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ দিয়ে থাকে, তবে তা দেখে বিষয়টি সম্পর্কে জানা সম্ভব হবে। এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু বলা যাচ্ছে না।

উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের একটি শ্রেণিকক্ষে নিকাব পরিহিত এক শিক্ষার্থীকে ‘ফান্ডামেন্টালিস্ট’ ও ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে সহকারী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়। পরে ৮ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাঁকে সাময়িকভাবে সব ধরনের ক্লাস কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেয়।