শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ ঔষধি উদ্ভিদ ডাটাবেস নির্মাণে অবদান জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর

ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের একজন শিক্ষার্থী। বিজ্ঞান নয়, তার পড়াশোনা ছিল ব্যবস্থাপনায়। কিন্তু আগ্রহ, শেখার মানসিকতা ও ধারাবাহিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে তিনি যুক্ত হন দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ গবেষণাভিত্তিক উদ্যোগে। আর অবদান রাখেন দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ ঔষধি উদ্ভিদ ও ফাইটোকেমিক্যাল ডাটাবেস নির্মাণে। ধামরাই সরকারি কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী এশা মনি বৃষ্টি ডন অব বায়োইনফরম্যাটিক্স লিমিটেডের গবেষণা বিভাগ ডন […]

দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ ঔষধি উদ্ভিদ ডাটাবেস নির্মাণে অবদান জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৮ জুলাই ২০২৬, ২০:৩৬

ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের একজন শিক্ষার্থী। বিজ্ঞান নয়, তার পড়াশোনা ছিল ব্যবস্থাপনায়। কিন্তু আগ্রহ, শেখার মানসিকতা ও ধারাবাহিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে তিনি যুক্ত হন দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ গবেষণাভিত্তিক উদ্যোগে। আর অবদান রাখেন দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ ঔষধি উদ্ভিদ ও ফাইটোকেমিক্যাল ডাটাবেস নির্মাণে।

ধামরাই সরকারি কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী এশা মনি বৃষ্টি ডন অব বায়োইনফরম্যাটিক্স লিমিটেডের গবেষণা বিভাগ ডন আই ল্যাব পরিচালিত বাংলাদেশ মেডিসিনাল প্ল্যান্টস অ্যান্ড ফাইটোকেমিক্যালস ডাটাবেস (বিএমপিপিডি) প্রকল্পে কো-অর্ডিনেটর হিসেবে কাজ করেছেন।

প্রতিষ্ঠানটির ক্যাম্পাস কো-অর্ডিনেটর হিসেবে তার যাত্রা শুরু হয়। বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণার প্রতি আগ্রহ থেকে তিনি বিভিন্ন কার্যক্রমে যুক্ত হন। পরবর্তীতে একাধিক মূল্যায়ন ধাপ অতিক্রম করে সেরা ৩০ জনের মধ্যে স্থান অর্জন করেন। সেই তালিকা থেকেই তাকে বিএমপিপিডি প্রকল্পে কো-অর্ডিনেটর হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।

প্রকল্পে তার কাজের মধ্যে ছিল ঔষধি উদ্ভিদসংক্রান্ত গবেষণালব্ধ তথ্য সংগ্রহ, আন্তর্জাতিক ও নির্ভরযোগ্য বৈজ্ঞানিক উৎস থেকে তথ্য যাচাই, সংশ্লিষ্ট রাসায়নিক যৌগের তথ্য সংকলন এবং যথাযথ রেফারেন্সসহ ডাটাবেসে অন্তর্ভুক্তির জন্য প্রস্তুত করা। গবেষণাভিত্তিক তথ্য ব্যবস্থাপনা, তথ্য যাচাই ও বৈজ্ঞানিক তথ্য সংগঠনের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও পালন করেন তিনি।

দলের অন্য সদস্যরা বিজ্ঞানভিত্তিক বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশোনা করলেও এশাই ছিলেন একমাত্র ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থী। ফলে গবেষণার ধারণা, বৈজ্ঞানিক সাহিত্য বিশ্লেষণ এবং ডাটাবেসভিত্তিক কাজের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নেওয়া তার জন্য ছিল নতুন অভিজ্ঞতা।

এশা জানান, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হওয়ায় শুরুতে তার মধ্যে কিছুটা আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি ছিল। তবে নিয়মিত শেখা, প্রশিক্ষণ এবং সহকর্মীদের সহযোগিতায় তিনি সেই সংকোচ কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হন। এই কাজের মধ্য দিয়ে তিনি উপলব্ধি করেন, ঔষধি উদ্ভিদের কার্যকারিতা শুধু লোকজ বিশ্বাসের বিষয় নয়; এর পেছনে রয়েছে বৈজ্ঞানিকভাবে শনাক্ত করা রাসায়নিক যৌগ এবং গবেষণালব্ধ তথ্য।

নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে এশা মনি বৃষ্টি বলেন, “বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী না হয়েও একটি বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণা দলে কাজ করা, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দায়িত্ব সম্পন্ন করা এবং বাংলাদেশের প্রথম ও দক্ষিণ এশিয়ার বৃহৎ ঔষধি উদ্ভিদভিত্তিক ডাটাবেস নির্মাণে অবদান রাখতে পারা আমার জীবনের অন্যতম বড় অর্জন।”

তিনি আরও বলেন, “শেখার আগ্রহ, পরিশ্রম ও ধারাবাহিক চেষ্টা থাকলে শিক্ষাগত ব্যাকগ্রাউন্ড কখনোই সফলতার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায় না।”

গবেষণার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের মতে, এশার এই যাত্রা দেখায় যে, সঠিক প্রশিক্ষণ ও আন্তরিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে ভিন্ন একাডেমিক পটভূমির শিক্ষার্থীরাও গবেষণাভিত্তিক কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ মেডিসিনাল প্ল্যান্টস অ্যান্ড ফাইটোকেমিক্যালস ডাটাবেস (BMPPD) ডন অব বায়োইনফরম্যাটিক্স লিমিটেডের গবেষণা বিভাগ ডন আই ল্যাবের তৈরি একটি ওপেন-অ্যাক্সেস গবেষণা ডাটাবেস। এতে ৭০০টির বেশি ঔষধি উদ্ভিদের তথ্য, প্রায় ১ লাখ ১৩ হাজার ৪০০ ফাইটোকেমিক্যাল এন্ট্রি এবং প্রায় ৬৩ হাজার ৯০০টি ইউনিক রাসায়নিক যৌগের তথ্য সংরক্ষিত রয়েছে। গবেষক, শিক্ষার্থী এবং ওষুধ আবিষ্কার–সংশ্লিষ্ট গবেষণায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্যভান্ডার হিসেবে ব্যবহারের লক্ষ্য নিয়ে ডাটাবেসটি তৈরি করা হয়েছে।

শিক্ষাঙ্গন

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮। জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট […]

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮।

জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট করা হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল করে তাকে নানাভাবে বাজে কথা বলা ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। বাসা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় তিনি নিজের বাসভবনে অবস্থান করাকে অনিরাপদ মনে করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও বিষয়টির আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডিটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

শিক্ষাঙ্গন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী। মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত […]

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:৩৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত এক যুবক ধারালো অস্ত্র হাতে অনিকার কক্ষে প্রবেশ করে। অনৈতিক উদ্দেশ্যে যুবকটি এগোলে অনিকা সাহসিকতার সাথে বাধা দেন।

এ সময় উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি হয়। অনিকার আত্মরক্ষা ও চিৎকারের মুখে পরিস্থিতি প্রতিকূলে দেখে হামলাকারী যুবক দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। ধস্তাধস্তির ফলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মুখ, গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাত ও ক্ষতের দাগ পড়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রাথমিক তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে। তবে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী অনিকার দেওয়া বিবরণ ও জবানবন্দির সাথে আটক ব্যক্তির চেহারার কোনো মিল না থাকায় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

এ বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ জানায়, “ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বর্ণনা অনুযায়ী মূল অপরাধীকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। দ্রুতই তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।”

ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিরাপত্তার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা অতি দ্রুত মূল অপরাধীকে গ্রেফতার এবং মেস এলাকায় স্থায়ী নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পাশে তারা রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছে।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।