শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

সুবর্ণচরে ডিলার সিন্ডিকেটে দ্বিগুণ দামেও পাওয়া যাচ্ছে না এলপিজি

(সুবর্ণচর প্রতিনিধি) নোয়াখালী নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় এলপিজি সিলিন্ডারের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। ব্যবসায়ীরা ইচ্ছেমতো দাম বাড়িয়ে দ্বিগুণ মূল্যে বিক্রি করায় সাধারণ মানুষ জিম্মি হয়ে পড়েছে। সরেজমিনে বিভিন্ন হাট বাজারে ঘুরে দেখা গেছে টাকা দিয়েও গ্যাস মিলছে না। ফলে পরিস্থিতি হয়ে উঠছে উত্তপ্ত। সুবর্ণচর উপজেলাসহ আশেপাশের বিভিন্ন এলাকায় তীব্র গ্যাস সংকটে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ডিলার সিন্ডিকেটে […]

সুবর্ণচরে ডিলার সিন্ডিকেটে দ্বিগুণ দামেও পাওয়া যাচ্ছে না এলপিজি

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ০০:০২

(সুবর্ণচর প্রতিনিধি) নোয়াখালী

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় এলপিজি সিলিন্ডারের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। ব্যবসায়ীরা ইচ্ছেমতো দাম বাড়িয়ে দ্বিগুণ মূল্যে বিক্রি করায় সাধারণ মানুষ জিম্মি হয়ে পড়েছে। সরেজমিনে বিভিন্ন হাট বাজারে ঘুরে দেখা গেছে টাকা দিয়েও গ্যাস মিলছে না। ফলে পরিস্থিতি হয়ে উঠছে উত্তপ্ত।

সুবর্ণচর উপজেলাসহ আশেপাশের বিভিন্ন এলাকায় তীব্র গ্যাস সংকটে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ডিলার সিন্ডিকেটে ইচ্ছে মতো এলপি গ্যাসের বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে। অধিকাংশ খুচরা বিক্রেতার দোকানে খালি সিলিন্ডারের বোতল দেখা যাচ্ছে।

তাদের দাবি ডিলার অতিরিক্ত দাম ছাড়া গ্যাস দিচ্ছে না। আর কোথাও মিললেও সরকার নির্ধারিত দামের প্রায় দ্বিগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতারা বলছেন, পরিবেশক পর্যায়ে সরবরাহ সংকট থাকায় তারা গ্যাস পাচ্ছেন না বলেই বেশি দামে কিনতে বাধ্য হচ্ছেন।

গত কয়েক দিন উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। জানা যায়, একই অবস্থা বিরাজ করছে জেলা পর্যায়েও। আবাসিক রান্নার জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ১২ কেজি এলপি গ্যাস সিলিন্ডার সংকটে পড়ায় সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

চরবাটা ইউনিয়নের গৃহবধূ সাবিনা ইয়াসমিন এ প্রতিবেদকে জানান, আগে একটি সিলিন্ডার গ্যাস ১২ কেজির আমরা ১৩৭০ থেকে ১৪৫০ টাকা দিয়ে কিনতে হয়েছে। এখন এ দামে গ্যাস পাচ্ছি না। ১৬০০শ থেকে ১৭০০শ পর্যন্ত দাম নিচ্ছে কিছু ব্যবসায়ী। শুনেছি সরকার গ্যাসের দাম ১৩০৬ টাকা করেছে। এটা কাগজে কলমে বাস্তব চিত্র ভিন্ন। প্রশাসনের নিরবতায় আমাদের জিম্মি করে একটি সিন্ডিকেট হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা।

প্রকৌশলী আলতাফ হোসেন বলেন, গত মাসে ১২ কেজি ওজনের এলপি সিলিন্ডার কিনেছি ১ হাজার ৩৮০ টাকায়, সাথে ২০ টাকা পরিবহন খরচসহ। কিন্তুু এ মাসে বাসার জন্য গ্যাস সিলিন্ডার কিনতে এসে কোনো দোকানেই গ্যাস পাচ্ছি না। পরে সমস্ত বাজার ঘুরে ভূঞারহাট বাজারের একটা দোকান থেকে ১ হাজার ৬০০ টাকা দিয়ে সিলিন্ডার কিনতে বাধ্য হয়েছি।

চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় সুবর্ণচর উপজেলায় তীব্র গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে দাবি ডিলারদের।

খুচরা ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম এ প্রতিদেককে জানান, আমার দোকানে আজ ৪/৫ দিন গ্যাস দিচ্ছে না সুবর্ণচরের সবচেয়ে বড় গ্যাস ডিলার। পরে আমি ফোন দিয়ে জানতে চাইলাম কেন তিনি দিচ্ছেন না গ্যাস, এরপর তিনি আমাকে বলেন অতিরিক্ত দাম হলে কিছু মাল দিতে পারবো। না হলে এখন গ্যাস নেই এ বলে ফোন কেটে দেন।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, উপজেলার জ্বালানি গ্যাসের চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পেলেও ডিলার সিন্ডিকেট কৃত্তিম সংকট তৈরি করে গ্রাহকদের জিম্মি করে বাণিজ্যে মেতে উঠেছে। এতে করে খুচরা দোকানে গ্যাস সরবরাহ না করে ডিলার সিন্ডিকেট ভোক্তাপর্যায়ে তীব্র সংকটে ভয়াবহ আকার ধারণ করছে।

অনুসন্ধানে আরো জানাযায়, চরবাটার তালতলী নামক স্থানের পাশে সুবর্ণচরে বাবুল ট্রেডার্সের পেট্রোম্যাক্স ডিলার পয়েন্ট, সাদিয়া ট্রেডার্সের আই গ্যাস,ওমেরা, টোটাল গ্যাসসহ বিশাল গোডাউন রয়েছে চরমজিদ ভূঞারহাট জনবসতিপূর্ণ এলাকায়।

এছাড়াও বসুন্ধরা এলপি গ্যাস, হাতিয়ার হরনী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ঘাটের ডিলার ফারুকের ডেলটা গ্যাস, সান গ্যাস সুবর্ণচরে পাওয়া যায়। এ সিন্ডিকেটের ডিলার চক্র ভোক্তাদের জিম্মি করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিলেও নিরব দর্শক প্রশাসন! 

স্থানীয় একাধিক সূত্র দাবি সুবর্ণচর উপজেলায় গৃহস্থালি ও বাণিজ্যিক কাজে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি)-এর ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। তবে সরবরাহ স্বাভাবিক না থাকায় অনেক এলাকায় নির্ধারিত সময়ে গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে সাধারণ গ্রাহকদের পাশাপাশি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরাও চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। 

এদিকে ভোক্তাপর্যায়ে চলতি জানুয়ারি মাসে এলপিজির দাম আবার বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকার ঘোষিত সর্বশেষ মূল্য অনুযায়ী, জানুয়ারি মাসে ১২ কেজি বোতলজাত এলপিজির দাম ৫৩ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৩০৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে ডিসেম্বর ২০২৫ মাসে একই পরিমাণ এলপিজির দাম ছিল ১ হাজার ২৫৩ টাকা।

এ বিষয়ে সুবর্ণচর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আকিব ওসমান জানান, আমরা দ্রুত বাজার গুলোতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করবো। ভোক্তাদের হয়রাণী কোনক্রমে সহ্য করা হবে না।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।