বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

মহিপুুরে হিন্দু সম্প্রদায় ও আওয়ামীলীগের প্রায় দুই শতাধিক মানুষের বিএনপিতে যোগদান

সাইফুল ইসলাম, কলাপাড়া (পটুয়াখালী)প্রতিনিধি পটুয়াখালীর মহিপুরে বৃহত্তম মৎস্য বন্দরে মহিপুর মৎস্য ব্যবসায়ীদের সংগঠন মহিপুর মৎস্য আড়ৎ মালিক সমিতি ও শ্রমিক সমিতির যৌথ আয়োজনে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।  এ মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ্ব এবিএম মোশাররফ হোসেন । গতকাল সোমবার (২২ ডিসেম্বর) […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৮:৩৫

সাইফুল ইসলাম, কলাপাড়া (পটুয়াখালী)প্রতিনিধি

পটুয়াখালীর মহিপুরে বৃহত্তম মৎস্য বন্দরে মহিপুর মৎস্য ব্যবসায়ীদের সংগঠন মহিপুর মৎস্য আড়ৎ মালিক সমিতি ও শ্রমিক সমিতির যৌথ আয়োজনে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

এ মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ্ব এবিএম মোশাররফ হোসেন ।

গতকাল সোমবার (২২ ডিসেম্বর) রাত ৭.০০ টার সময় মহিপুর মৎস্য বন্দরের গাজী মার্কেটে এ মতবিনিময় সভা ও বিএনপিতে যোগদান অনুষ্ঠান পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। সভার শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলোয়াত পাঠ করেন, বিএনপি’র থানা ওলামা দলের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মোঃ শহিদুল ইসলাম। 

এসময় প্রধান অতিথি এবিএম মোশাররফ হোসেন বলেন,উন্নয়ন কোনো দল, গোষ্ঠী বা ব্যক্তির নয় যা সবার।মহিপুরের এই বৃহত্তম মৎস্য বন্দরে আড়ৎ মালিক, আটশত শ্রমিক, অসংখ্য মাঝি ও জেলেরা এ পেশায় কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে। যদি এ মৎস্য বন্দরটি কিছু দিন বন্ধ থাকে বা এই খাল ভরাট হয়ে যায় তবে শ্রমিকদের আয় রোজগার হবেনা, কর্মসংস্থান থাকবে না। এজন্য ক্ষতি বিএনপি’র নয় অন্যান্য সকল দলের। সুতরাং উন্নয়নের স্বার্থে সবাই কে এক সাথে কাজ করতে হবে। তিনি আরো বলেন, কোনো দল বা মার্কায় ভোট দিলে বেহেস্ত বা হিন্দুদের মতে স্বর্গে যাওয়া যায় না। একমাত্র আল্লাহ্ তায়ালা বা হিন্দুদের মতে বিধাতা যার যার কর্মের ফল অনুযায়ী বেহেস্ত – দোযখ নির্ধারণ করবেন। তিনি বিএনপি’র দলীয় নেতা কর্মীদের উদ্দেশ্য দেশনায়ক তারেক রহমানের কঠোর নির্দেশনার বিষয়ে বলেন, এই মৎস্য বন্দরে ব্যবসায়ীদের বিএনপি’র কাহারো দ্বারা যদি কোনো ধরনের ক্ষতি হয় তাহলে বিএনপির সেই নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে । তিনি আরো বলেন, যারা আজ থেকে বিএনপি পরিবারে যোগদান করেছেন তাদের প্রতি শুভেচ্ছা, অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানাই। মৎস্য আড়ৎ মালিক, শ্রমিক,ব্যবসায়ী, হিন্দু সম্প্রদায় ও ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ আপনাদের সবার বিবেক, বুদ্ধি দিয়ে উন্নয়নের জন্য আমাদের একবার সুযোগ করে দেন ইনশাল্লাহ্ আমরাও আপনাদের মর্যাদা সমুন্নত রাখবো। 

কলাপাড়া উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি হাজী হুমায়ুন সিকদার বলেন, আজকে এই মৎস্য মালিক শ্রমিক মতবিনিময় সভায় হিন্দু সম্প্রদায়, ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য ও আওয়ামীলীগ থেকে যারা বিএনপি পরিবারে যোগদান করেছেন তাদের সবাই কে কলাপাড়া উপজেলা বিএনপি’র পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা, অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানাই। 

মহিপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী মো:ফজলু গাজী বলেন, মহিপুর বাজার ও মনোহরপুর গ্রামে প্রায় এক হাজার দুই শত হিন্দু ভোটার আছে তার মধ্যে একহাজার ভোট কাষ্ট হলে আমরা ধানের শীষ প্রতীকে শতভাগ ভোট পাবো নেতা আমি এই আশ্বাস আপনাকে দিলাম। 

এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, কলাপাড়া উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি হাজী হুমায়ুন সিকদার, মহিপুর থানা বিএনপি’র সভাপতি আ: জলিল হাওলাদার, কলাপাড়া পৌর বিএনপি’র সভাপতি গাজী মো: ফারুক, মহিপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী মো: ফজলু গাজী, কলাপাড়া পৌর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মুসা তাওহীদ নান্নু মুন্সি, মহিপুর থানা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট শাজাহান পারভেজ, মহিপুর সদর ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি মিজানুর রহমান হাওলাদার, মহিপুর মৎস্য আড়ৎ মালিক সমিতির সভাপতি রাজু আহমেদ রাজা, মহিপুর মৎস্য আড়ৎ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সুমন দাস, মহিপুর মৎস্য শ্রমিক হ্যান্ডেলিং সমিতির সভাপতি আ: সালাম সরদার। 

এতে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, কলাপাড়া পৌর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক কাজল তালুকদার,মহিপুর থানা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ ইউসুফ হাওলাদার, থানা বিএনপি’র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বিশিষ্ট মৎস্য ব্যবসায়ী গাজী মো:মজনু, থানা বিএনপি’র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সদস্য মৎস্য আড়ৎ মালিক সমিতি, মোঃ ইউসুফ হাওলাদার বাদল, মহিপুর এস আর ও এস বিএস লি: সভাপতি মো:সাইফুল ইসলাম সোহাগ, মহিপুর সদর ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক সজীব হাওলাদার সহ মহিপুর থানা বিএনপি’র এবং ইউনিয়ন বিএনপি’র সকল পর্যায়ের বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ প্রমুখ। 

এ মতবিনিময় অনুষ্ঠানে মহিপুর বাজার হিন্দু সম্প্রদায় থেকে কেন্দ্রীয় মন্দিরে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এবং সৎসঙ্গ মন্দিরের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সহ প্রায় ৫০ জন হিন্দু সম্প্রদায়ের লোক ও আওয়ামীলীগের দুই শতাধিক মানুষ আলহাজ্ব এবিএম মোশারফ হোসেনের হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে বিএনপিতে যোগদান করেন। তাদের মধ্যে অন্যতম কৃষ্ণ কর্মকার, মিন্টু দে, নির্মলশীল, সঞ্জয় দে,সুমন দাস, বাবুল দাস, সুনিল শীল, উত্তম হালদার প্রমুখ। 

এছাড়া আরো যোগদান করেন মহিপুর ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য মো:জাহিদুল ইসলাম সেলিম, ইব্রাহিম খান, সিরাজুল ইসলাম , সোবহান হাওলাদার, মালেক খলিফা ,জাকির হোসেন দুলাল, সন্ধ্যা রানী, মিনারা বেগম, ছকিনা বেগম, আওয়ামীলীগ সেলিম হাওলাদার, মিজান, মোস্তফা সরদার, আলম সহ আরো অনেক নেতাকর্মী ।

এ মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন, মহিপুর মৎস্য আড়ৎ মালিক সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হাজী আ:সালাম হাওলাদার। 

এ মতবিনিময় সভাটি সন্ঞ্চালনায় ছিলেন, মিজানুর রহমান রিপন ও আইয়ুব আকন ফিরোজ। 

পরিশেষে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা ও আরোগ্যলাভের জন্য দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

সারাদেশ

আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’, পরিচয় দেন রাজুর স্ত্রী হিসেবে

কুমিল্লায় ধর্ষণ ও হত্যার শিকার স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিনের (১৫) মৃত্যুর আগে কক্সবাজারে অবস্থানের নতুন তথ্য সামনে এসেছে। সেখানকার একটি আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তার নাম লেখা হয়েছিল ‘তানজু আক্তার’। বয়স দেখানো হয় ১৮ বছর। আর সঙ্গে থাকা রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজুকে পরিচয় দেওয়া হয় তার স্বামী হিসেবে। হোটেলের রেজিস্টার, সিসিটিভি ফুটেজ এবং রিয়াজের পরিচিত ব্যক্তিদের দেওয়া […]

আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’, পরিচয় দেন রাজুর স্ত্রী হিসেবে

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৮

কুমিল্লায় ধর্ষণ ও হত্যার শিকার স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিনের (১৫) মৃত্যুর আগে কক্সবাজারে অবস্থানের নতুন তথ্য সামনে এসেছে। সেখানকার একটি আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তার নাম লেখা হয়েছিল ‘তানজু আক্তার’। বয়স দেখানো হয় ১৮ বছর। আর সঙ্গে থাকা রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজুকে পরিচয় দেওয়া হয় তার স্বামী হিসেবে।

হোটেলের রেজিস্টার, সিসিটিভি ফুটেজ এবং রিয়াজের পরিচিত ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্য থেকে তাজমিনের কক্সবাজারে অবস্থান ও বাড়ি ফেরার আগের ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে এসব তথ্য জানা গেছে।

হোটেলের রেজিস্টার অনুযায়ী, গত ৬ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টা ২৫ মিনিটে কক্সবাজারের কলাতলীতে কুটুমবাড়ি-সংলগ্ন সড়কের শেষ মাথায় অবস্থিত একটি তিনতলা আবাসিক হোটেলের ৩০২ নম্বর কক্ষে ওঠে তাজমিন ও রিয়াজ। সেখানে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’ এবং বয়স ১৮ বছর উল্লেখ করা হয়। রিয়াজের ঠিকানা হিসেবে বান্দরবানের লামা এলাকার তথ্য দেওয়া হয়। তার বাবার নাম লেখা হয় মনির আহমদ।

হোটেলের এক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এক রাত অবস্থানের পর ৭ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে তারা হোটেল ছেড়ে চলে যান। রেজিস্টারে রিয়াজের দুটি মুঠোফোন নম্বর ও একটি জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বরও পাওয়া গেছে।

তথ্য অনুযায়ী, ৭ অক্টোবর হোটেল ছাড়ার পর রিয়াজ তাজমিনকে কুমিল্লাগামী একটি বাসে তুলে দেন। এরপর বাড়ি ফেরার পথে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠে তাজমিন। অভিযোগ অনুযায়ী, অটোরিকশাচালক সুমন মিয়া তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করেন।

পরদিন ৮ অক্টোবর সকালে কুমিল্লার লালমাই উপজেলার ভোরালজগপুর উত্তরপাড়া গ্রামের একটি ধানক্ষেতের আইল থেকে তাজমিনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় করা হত্যা মামলায় সিএনজিচালক সুমন মিয়াকে (৩৫) চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাজমিনের ব্যবহৃত আইফোন উদ্ধার করা হয়।

রিয়াজের এক সহকর্মীর দাবি, ঘটনার প্রায় ১৭ দিন আগে ফেসবুকের মাধ্যমে তাজমিনের সঙ্গে রিয়াজের পরিচয় হয়। ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। পরে তাজমিন কক্সবাজারে গেলে তারা একসঙ্গে সময় কাটান।

তবে রিয়াজের ঘনিষ্ঠ অন্য একটি সূত্রের দাবি, প্রায় পাঁচ মাস আগে তাদের পরিচয় হয়েছিল এবং এরপর থেকে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।

তাজমিনের বাড়ি ছাড়ার বিষয়ে জানা যায়, গত ৪ অক্টোবর এক বান্ধবীকে হাতঘড়ি দেওয়া নিয়ে মায়ের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হয়। এরপর সে বাড়ি থেকে বের হয়ে প্রথমে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক বান্ধবীর কাছে যায়।

সেখান থেকে মুঠোফোনে রিয়াজের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাকে কক্সবাজারে আসতে বলা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। যাতায়াতের খরচ হিসেবে রিয়াজ বিকাশের মাধ্যমে ৫০০ টাকা পাঠিয়েছিলেন বলেও জানা গেছে।

সহকর্মী জানান, কক্সবাজার থেকে ফেরার জন্য ‘আইকনিক এক্সপ্রেস’ পরিবহনের একটি বাসের টিকিট কিনে তাজমিনকে তুলে দেন রিয়াজ। টিকিটের মূল্য ছিল ৯০০ টাকা।

ওই সহকর্মীর ভাষ্য অনুযায়ী, কুমিল্লায় পৌঁছে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠার পরও তাজমিনের সঙ্গে রিয়াজের মুঠোফোনে যোগাযোগ হচ্ছিল। এমনকি অটোরিকশাচালক সম্পর্কে কিছু তথ্যও রিয়াজকে জানিয়েছিল তাজমিন।

তবে রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে তাজমিনের মুঠোফোনের লাইভ লোকেশন বন্ধ হয়ে যায়। এরপর তার সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি বলে দাবি করেন ওই সহকর্মী।

পরদিন টেলিভিশনের সংবাদে তাজমিনের হত্যার খবর জানতে পেরে রিয়াজ হতবাক হয়ে পড়েন বলেও জানান তিনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রিয়াজের এক সহকর্মী আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের খবর প্রকাশের পর রিয়াজ তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। এ সময় তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে সহযোগিতা চান। তাজমিনের হত্যার সঙ্গে নিজের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলেও দাবি করেন তিনি।

ওই সহকর্মীর তথ্য অনুযায়ী, রিয়াজ প্রায় তিন বছর ধরে কক্সবাজারের একটি আবাসিক হোটেলে কাজ করছেন। ঘটনার পর তিনি কর্মস্থল থেকে ছুটিতে রয়েছেন।

এদিকে রিয়াজের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য সরাসরি জানা সম্ভব হয়নি।

লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, তাজমিন হত্যার ঘটনায় মুঠোফোনের কললিস্টসহ বিভিন্ন তথ্য যাচাই করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, গ্রেপ্তার আসামি হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তদন্ত শেষ হলে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ও পরিষ্কার হবে।

তবে তাজমিনের কক্সবাজারে অবস্থান, হোটেলের রেজিস্টারে ভিন্ন নাম ও বয়স ব্যবহার এবং রিয়াজের সঙ্গে তার যোগাযোগের বিষয়গুলো তদন্তে কীভাবে বিবেচিত হচ্ছে, তা এখনো বিস্তারিত জানা যায়নি।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।