বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোট (বাবেশিকফো) লালমোহন উপজেলা শাখার কমিটি গঠন

মুশফিক হাওলাদার লালমোহন প্রতিনিধি: জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোট (বাবেশিকফো) ভোলার লালমোহন উপজেলা শাখার ১০১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। রবিবার (৭ ডিসেম্বর) ভোলা জেলার সভাপতি ফয়েজ আহাম্মদ ও সাধারণ সম্পাদক মো. ইমরান হোসেন এ কমিটি লিখিত ভাবে অনুমোদন করেন। কমিটিতে সভাপতি নির্বাচিত করা হয় মোঃ নাজিমউদ্দিন মনু ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয় মো. আলমগীর হোসেন।  কমিটির […]

জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোট (বাবেশিকফো) লালমোহন উপজেলা শাখার কমিটি গঠন

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ২২:৩৮

মুশফিক হাওলাদার লালমোহন প্রতিনিধি:

জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোট (বাবেশিকফো) ভোলার লালমোহন উপজেলা শাখার ১০১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। রবিবার (৭ ডিসেম্বর) ভোলা জেলার সভাপতি ফয়েজ আহাম্মদ ও সাধারণ সম্পাদক মো. ইমরান হোসেন এ কমিটি লিখিত ভাবে অনুমোদন করেন। কমিটিতে সভাপতি নির্বাচিত করা হয় মোঃ নাজিমউদ্দিন মনু ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয় মো. আলমগীর হোসেন। 

কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, সহঃসভাপতি মোঃ জাকির হোসেন, মুহাঃ আব্দুল জলিল, মুহাঃ খলিলুর রহমান, মোঃ মেজবাহ উদ্দিন, মোঃ শাহে আলম, মোঃ ইয়াছিন, মোঃ হেলাল উদ্দিন, মোঃ নিজামউদ্দিন (ইকবাল), মোঃ শাহে আলম, মোঃ ফিরোজ আলম, মোঃ আবুল বাশার, মোঃ জাকির হোসেন, মোঃহুমায়ুন কবির, অভিমান্য দাশ, মোঃ কামাল উদ্দিন,

মোঃ বাহারউদ্দিন, মোঃ নাজিম উদ্দিন, মোঃ নাজমুল হোসেন, মোঃ শফিকুল ইসলাম, মোঃ শামছুদ্দিন, মোঃ ফিরোজ কিবরিয়া, মোঃ লোকমান হোসেন, মোঃ নজরুল ইসলাম, মোঃ আব্দুর রাজ্জাক, মুহাঃ হারুন অর রশিদ, মোঃ আমিনুল ইসলাম মিশু, আশ্রাফুল জুমলাত উজ্জল, মোঃ আনোয়ার হোসেন, মোঃ পারভেজ হোসেন, মোঃ মোতাহার হোসেন,

সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাকির হোসেন, মোঃ কামরুল ইসলাম, মোঃ রেজাউল করিম লিটন, মোঃ জাহিদুল ইসলাম, মোঃ মাহাবুব আলম, যুগ্ম সম্পাদক মোঃ আমিনুল ইসলাম লিটু, আঃ মান্নান লিটন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আঃ রহিম, সহঃ সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ কামরুল ইসলাম, সহঃ সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন রশিদ চৌধুরী, মোঃ শাখাওয়াত হোসেন, মোঃ নজরুল ইসলাম,

মোঃ শাহে আলম, মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, মোঃ রুহুল আমিন, মোঃ হাসান, মোঃ লিটু আলম, দপ্তর সম্পাদক মোঃ পারভেজ হোসেন, সহঃ দপ্তর সম্পাদক মোঃ আশ্রাফউদ্দিন, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মোঃ শেখ শাহাবুদ্দিন, সহঃ শিক্ষা বিষঃসম্পাদক মোঃ বেলায়েত হোসেন, অর্থ সম্পাদক পরিমল চন্দ্র দাস, সহঃ অর্থ সম্পাদক মোঃ হেলাল উদ্দিন,

সেচ্ছাসেবক সম্পাদক মোঃ হাবিব উল্লাহ, তথ্য ও যোগাযোগ সম্পাদক মোঃ রেজাউল করিম, সহঃ তথ্য ও যোগাযোগ মোঃ নুরে আলম, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা নাজমুন নাহার ঝর্ণা, সহঃ মহিলা সম্পাদিকা সেতারা বেগম, ক্রিড়া সম্পাদক সেলিনা আক্তার, মোঃসোহরাব উদ্দিন মোকিম, সহঃ ক্রিড়া সম্পাদক মোঃ তামজিদ রহমান, সাংস্কৃতিক সম্পাদক দ্বীপেশ্বর চন্দ্র দাস, সহঃ সাংস্কৃতিক সম্পাদক সোহরাব উদ্দিন মিলন,

সমাজকল্যাণ সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম, সহঃ সমাজকল্যান সম্পাদক মোঃ গিয়াসউদ্দিন, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আকতার ফারুক, সহঃ স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক মোঃ জাকির হোসেন, সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক মাওঃ মোঃ আমিরুল ইসলাম, সহঃ সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক মোঃ হাসান,

ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মোঃ মহিউদ্দিন, সহঃ ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মোঃ সোহাগ, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক মোঃ শাহে আলম, আইন বিষয়ক সম্পাদক মোঃ মাকসুদুর রহমান, সমবায় বিষয়ক সম্পাদক মোঃ ফজলুর রহমান, ত্রাণ ও পুনর্বাসন সম্পাদক মোঃ মেরাজ হোসেন, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মোঃ জুয়েল রানা, যোগাযোগ সম্পাদক মোঃ জাকির হোসেন, সহঃ যোগাযোগ সম্পাদক মোঃ মোহসিন,

প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক মোঃ সেলিম রায়হান, সহঃপ্রকাশনা সম্পাদক মোঃ মাকসুদ আলম, সদস্য মোঃ গিয়াস উদ্দিন, মোঃ ছাইদুর রহমান, মোঃ রাশেদ, শেখ শাহাবুদ্দিন, মোঃ ফজলুর রহমান, মোঃ রুহুল আমিন, মোঃ মোস্তফা, মোঃ মামুনুর রশিদ, আব্দুল ওহাব, মোঃ তরিকুল ইসলাম, মোঃ জসিমউদ্দিন, মোঃ গিয়াসউদ্দিন, মিজানুর রহমান, মোঃ শামীম, মোঃ মঞ্জুর মোর্শেদ, মোঃ হাসনাইন, মোঃ শামিম, মোঃ মিজানুর রহমান। 

নবগঠিত এ কমিটির সকল সদস্যকে লালমোহনের বিভিন্ন সংগঠন শুভেচ্ছা ও স্বাগতম জানিয়েছে।

সারাদেশ

আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’, পরিচয় দেন রাজুর স্ত্রী হিসেবে

কুমিল্লায় ধর্ষণ ও হত্যার শিকার স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিনের (১৫) মৃত্যুর আগে কক্সবাজারে অবস্থানের নতুন তথ্য সামনে এসেছে। সেখানকার একটি আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তার নাম লেখা হয়েছিল ‘তানজু আক্তার’। বয়স দেখানো হয় ১৮ বছর। আর সঙ্গে থাকা রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজুকে পরিচয় দেওয়া হয় তার স্বামী হিসেবে। হোটেলের রেজিস্টার, সিসিটিভি ফুটেজ এবং রিয়াজের পরিচিত ব্যক্তিদের দেওয়া […]

আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’, পরিচয় দেন রাজুর স্ত্রী হিসেবে

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৮

কুমিল্লায় ধর্ষণ ও হত্যার শিকার স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিনের (১৫) মৃত্যুর আগে কক্সবাজারে অবস্থানের নতুন তথ্য সামনে এসেছে। সেখানকার একটি আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তার নাম লেখা হয়েছিল ‘তানজু আক্তার’। বয়স দেখানো হয় ১৮ বছর। আর সঙ্গে থাকা রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজুকে পরিচয় দেওয়া হয় তার স্বামী হিসেবে।

হোটেলের রেজিস্টার, সিসিটিভি ফুটেজ এবং রিয়াজের পরিচিত ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্য থেকে তাজমিনের কক্সবাজারে অবস্থান ও বাড়ি ফেরার আগের ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে এসব তথ্য জানা গেছে।

হোটেলের রেজিস্টার অনুযায়ী, গত ৬ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টা ২৫ মিনিটে কক্সবাজারের কলাতলীতে কুটুমবাড়ি-সংলগ্ন সড়কের শেষ মাথায় অবস্থিত একটি তিনতলা আবাসিক হোটেলের ৩০২ নম্বর কক্ষে ওঠে তাজমিন ও রিয়াজ। সেখানে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’ এবং বয়স ১৮ বছর উল্লেখ করা হয়। রিয়াজের ঠিকানা হিসেবে বান্দরবানের লামা এলাকার তথ্য দেওয়া হয়। তার বাবার নাম লেখা হয় মনির আহমদ।

হোটেলের এক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এক রাত অবস্থানের পর ৭ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে তারা হোটেল ছেড়ে চলে যান। রেজিস্টারে রিয়াজের দুটি মুঠোফোন নম্বর ও একটি জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বরও পাওয়া গেছে।

তথ্য অনুযায়ী, ৭ অক্টোবর হোটেল ছাড়ার পর রিয়াজ তাজমিনকে কুমিল্লাগামী একটি বাসে তুলে দেন। এরপর বাড়ি ফেরার পথে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠে তাজমিন। অভিযোগ অনুযায়ী, অটোরিকশাচালক সুমন মিয়া তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করেন।

পরদিন ৮ অক্টোবর সকালে কুমিল্লার লালমাই উপজেলার ভোরালজগপুর উত্তরপাড়া গ্রামের একটি ধানক্ষেতের আইল থেকে তাজমিনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় করা হত্যা মামলায় সিএনজিচালক সুমন মিয়াকে (৩৫) চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাজমিনের ব্যবহৃত আইফোন উদ্ধার করা হয়।

রিয়াজের এক সহকর্মীর দাবি, ঘটনার প্রায় ১৭ দিন আগে ফেসবুকের মাধ্যমে তাজমিনের সঙ্গে রিয়াজের পরিচয় হয়। ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। পরে তাজমিন কক্সবাজারে গেলে তারা একসঙ্গে সময় কাটান।

তবে রিয়াজের ঘনিষ্ঠ অন্য একটি সূত্রের দাবি, প্রায় পাঁচ মাস আগে তাদের পরিচয় হয়েছিল এবং এরপর থেকে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।

তাজমিনের বাড়ি ছাড়ার বিষয়ে জানা যায়, গত ৪ অক্টোবর এক বান্ধবীকে হাতঘড়ি দেওয়া নিয়ে মায়ের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হয়। এরপর সে বাড়ি থেকে বের হয়ে প্রথমে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক বান্ধবীর কাছে যায়।

সেখান থেকে মুঠোফোনে রিয়াজের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাকে কক্সবাজারে আসতে বলা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। যাতায়াতের খরচ হিসেবে রিয়াজ বিকাশের মাধ্যমে ৫০০ টাকা পাঠিয়েছিলেন বলেও জানা গেছে।

সহকর্মী জানান, কক্সবাজার থেকে ফেরার জন্য ‘আইকনিক এক্সপ্রেস’ পরিবহনের একটি বাসের টিকিট কিনে তাজমিনকে তুলে দেন রিয়াজ। টিকিটের মূল্য ছিল ৯০০ টাকা।

ওই সহকর্মীর ভাষ্য অনুযায়ী, কুমিল্লায় পৌঁছে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠার পরও তাজমিনের সঙ্গে রিয়াজের মুঠোফোনে যোগাযোগ হচ্ছিল। এমনকি অটোরিকশাচালক সম্পর্কে কিছু তথ্যও রিয়াজকে জানিয়েছিল তাজমিন।

তবে রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে তাজমিনের মুঠোফোনের লাইভ লোকেশন বন্ধ হয়ে যায়। এরপর তার সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি বলে দাবি করেন ওই সহকর্মী।

পরদিন টেলিভিশনের সংবাদে তাজমিনের হত্যার খবর জানতে পেরে রিয়াজ হতবাক হয়ে পড়েন বলেও জানান তিনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রিয়াজের এক সহকর্মী আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের খবর প্রকাশের পর রিয়াজ তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। এ সময় তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে সহযোগিতা চান। তাজমিনের হত্যার সঙ্গে নিজের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলেও দাবি করেন তিনি।

ওই সহকর্মীর তথ্য অনুযায়ী, রিয়াজ প্রায় তিন বছর ধরে কক্সবাজারের একটি আবাসিক হোটেলে কাজ করছেন। ঘটনার পর তিনি কর্মস্থল থেকে ছুটিতে রয়েছেন।

এদিকে রিয়াজের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য সরাসরি জানা সম্ভব হয়নি।

লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, তাজমিন হত্যার ঘটনায় মুঠোফোনের কললিস্টসহ বিভিন্ন তথ্য যাচাই করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, গ্রেপ্তার আসামি হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তদন্ত শেষ হলে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ও পরিষ্কার হবে।

তবে তাজমিনের কক্সবাজারে অবস্থান, হোটেলের রেজিস্টারে ভিন্ন নাম ও বয়স ব্যবহার এবং রিয়াজের সঙ্গে তার যোগাযোগের বিষয়গুলো তদন্তে কীভাবে বিবেচিত হচ্ছে, তা এখনো বিস্তারিত জানা যায়নি।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।